সর্বশেষ বিচার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
দ্য লাস্ট জাজমেন্ট বা সর্বশেষ বিচার, লখনার ১৫ শতাব্দীতে

সর্বশেষ বিচার, চূড়ান্ত বিচার, শেষবিচারের দিন, বা পালনকর্তার দিন বা ইসলামে ইয়াওম আল-কিয়ামাহ বা ইয়াওম আদ-দীন; (আরবি: يوم القيامة‎‎) আব্রাহামীয় এবং জরইস্ত্রিয়বাদে ধর্মের দৃষ্টিতে পরলোক বিশ্বের অংশ।

খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্বে, খ্রিস্টান ধর্মতত্ত্ব, এটা প্রত্যেক জাতির ঈশ্বরের দ্বারা চূড়ান্ত এবং শাশ্বত বিচার।[১] এই ধারণা সকল ক্যানোনিকাল ধর্মবাণীতে পাওয়া যায়, বিশেষকরে ম্যাথু ধর্মবাণীতেখৃস্টান ভবিষ্যতবাদীরা মৃত্যুর পর পুনরুত্থানের পরে এটি ঘটবে বিশ্বাস করেন, এবং সম্পূর্ণ ভূতকালবাদীরা খ্রীষ্টের পুন অগমনে ইতোমধ্যেই তা ঘটেছে বিশ্বাস করেন। সর্বশেষ বিচারের অনেক শিল্পসম্মত চিত্রায়ন অনুপ্রাণিত রয়েছে।

খ্রিস্ট ধর্ম[সম্পাদনা]

খ্রিস্টিয়[সম্পাদনা]

"সর্বশেষ বিচারের" এর মতবাদ এবং ধর্মীয়প্রতিমা চিত্রাঙ্কন বাইবেলের রহস্য-উন্মোচক বিভাগের অনেক অনুচ্ছেদ থেকে টানা হয়। এটা ম্যাথু ধর্মবাণীর ভেড়া এবং বকরি বিভাগে সবচেয়ে সরাসরি প্রদর্শিত হয়েছে, যেখানে এই বিচার সম্পূর্ণরূপে সম্পূর্ণরূপে ভিত্তি করে ক্ষমা প্রদান এবং প্রত্যাখ্যানের উপর:[২]

When the Son of Man comes in His glory. All the nations will be gathered before Him, and He will separate people one from another as a shepherd separates his sheep from the goats, and He will set the sheep on His right hand but the goats at the left. Then the king will say to those on His right hand, “Come, you blessed of My Father, inherit the kingdom prepared for you from the foundation of the world; for I was hungry and you gave me food, I was thirsty and you gave me drink, I was a stranger and you took Me in, I was naked and you clothed Me, I was sick and you visited me, I was in prison and you came to me.” ... “Assuredly, I say to you, inasmuch as you did it to one of the least of these My Brethren, you did it to me.”

ইসলাম[সম্পাদনা]

কিয়ামত আরবি শব্দ। অর্থ মহাপ্রলয়, পুনরুত্থান। ইয়াওমুল কিয়ামা—অর্থ কিয়ামতের দিবস। কিয়ামত দিবসের আরো নাম আছে। যেমন—ইয়াওমুল জাজা বা প্রতিদান দিবস, ইয়াওমুল হিসাব বা হিসাবের দিবস, ইয়াওমুল কাজা বা বিচার দিবস, ইয়াওমুদ-দিন বা শেষ বিচারের দিন, ইয়াওমুল হাশর বা সমাবেশের দিন, ইয়াওমুল জাময়ে বা একত্রিত করার দিন, ইয়াওমুল বায়াছ বা পুনরুত্থান দিবস ইত্যাদি।

কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে?[সম্পাদনা]

হজরত জিব্রাঈল (আ.) একদা ছদ্মবেশে মহানবী (সা.)-এর কাছে হাজির হয়ে আরজ করেন, কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে? মহানবী (সা.) বলেন, জিজ্ঞাসিত ব্যক্তি থেকে জিজ্ঞাসাকারী অধিক জ্ঞাত নয়। অর্থাৎ কিয়ামত কখন অনুষ্ঠিত হবে, তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না।

আল্লাহ ইরশাদ করেন, কিয়ামতের জ্ঞান কেবল তাঁরই জানা। তাঁর জ্ঞানের বাইরে কোনো ফল আবরণমুক্ত হয় না এবং কোনো নারী সন্তান প্রসব ও গর্ভধারণ করে না। (সুরা : হা-মিম-সাজদা : ৪৭)

অপর আয়াতে বলা হয়েছে, তারা আপনাকে জিজ্ঞেস করে, কিয়ামত কখন হবে? আপনি বলে দিন, এর খবর তো আপনার পালনকর্তার কাছেই রয়েছে। নির্ধারিত সময়ে তিনি তা পরিষ্কারভাবে দেখাবেন (সুরা : আরাফ, আয়াত : ১৮৭)

মহানবী (সা.) বলেন, গুপ্ত জ্ঞানের বিষয় পাঁচটি—১. কিয়ামত। তা আল্লাহ ছাড়া আর কেউ জানেন না। ২. আগামী দিন কী ঘটবে আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। ৩. কখন বৃষ্টি হবে, তা আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। ৪. কার কোথায় মৃত্যু হবে, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। ৫. কখন কিয়ামত হবে, আল্লাহ ছাড়া কেউ জানেন না। (সহিহ বুখারি)।

কিয়ামতের আলামত[সম্পাদনা]

কিয়ামত সংঘটিত হওয়ার আগে কিছু নিদর্শন দেখা যাবে। এ প্রসঙ্গে মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, তারা কি শুধু এই অপেক্ষায় রয়েছে যে কিয়ামত তাদের কাছে হঠাৎ এসে পড়ুক। বস্তুত কিয়ামতের লক্ষণগুলো তো এসেই পড়েছে। সুতরাং এসে পড়লে তারা কিভাবে উপদেশ গ্রহণ করবে? (সুরা : মুহাম্মদ, আয়াত : ১৮)

হজরত জিব্রাঈল (আ.) মহানবী (সা.) থেকে কিয়ামতের কিছু আলামত জানতে চাইলে তিনি বলেন, কিয়ামতের একটি আলামত হলো, দাসী তার মনিবকে প্রসব করবে—অর্থাৎ ছোটলোকের ঘরে বড়লোক জন্মগ্রহণ করবে। আরেকটি আলামত হলো—নগ্ন পাবিশিষ্ট ও বস্ত্রহীন মেষচালক বিশাল বিশাল প্রাসাদ তৈরি করবে এবং এ কাজে তারা পরস্পর গর্ব করবে। অর্থাৎ একসময় যারা গরিব ছিল, পরবর্তী সময়ে তারা ধনী হয়ে অহংকারী হবে। (মিশকাত)

কিয়ামতের আগের সমাজব্যবস্থা[সম্পাদনা]

১. সরকারি মালকে নিজের মাল মনে করা হবে। ২. আমানতের মালকে নিজের মালের মতো ব্যবহার করা হবে। ৩. জাকাতকে জরিমানা মনে করা হবে। ৪. ইসলামী আকিদাবর্জিত বিদ্যা শিক্ষা করা হবে। ৫. পুরুষ নারীর অনুগত হবে। ৬. মায়ের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করা হবে। ৭. বন্ধুদের আপন মনে করা হবে। ৮. পিতাকে পর ভাববে। ৯. মসজিদে শোরগোল করবে। ১০. পাপী লোক গোত্রের নেতা হবে। ১১. অসৎ ও নিকৃষ্ট লোকেরা জাতির চালক হবে। ১২. ক্ষতির ভয়ে কোনো লোককে সম্মান করা হবে। ১৩. গায়িকা ও বাদ্যযন্ত্রের প্রচলন হবে। ১৪. মদপানের আধিক্য ঘটবে। ১৫. এই উম্মতের পরবর্তী লোকেরা পূর্ববর্তী লোকদের বদনাম করবে। (তিরমিজি)

কিয়ামতের নিদর্শনগুলোর মধ্যে রয়েছে—দ্বীনি ইলমের ঘাটতি, নগ্নতা ও উলঙ্গপনা, ফিতনা-ফাসাদের বিস্তার, অশ্লীলতার সয়লাব, হত্যাকাণ্ড, ভূমিকম্পের আধিক্য। এমনকি হত্যাকারী বলতে পারবে না কেন সে খুন করছে। মানুষ অট্টালিকা নির্মাণের প্রতিযোগিতায় লিপ্ত হবে। মানুষ জীবনের প্রতি বীতশ্রদ্ধ হয়ে মৃত্যুকে বেশি পছন্দ করবে। ধনসম্পদ এত বেড়ে যাবে যে ধনী সদকা করার মতো কাউকে পাবে না। দুটি বৃহৎ দল একই দাবিতে ভয়াবহ যুদ্ধে লিপ্ত হবে। কিয়ামতের আগে ৩০ জন মিথ্যা নবুয়তের দাবিদার হবে। মুসলমানরা ইহুদি ও খ্রিস্টানদের অনুকরণ ও অনুসরণ করবে। মানুষ জালিমকে জালিম বলবে না, খারাপ কাজ থেকে কেউ কাউকে বারণ করবে না। নারীদের আধিক্য হবে, ৫০ জন নারীর দেখাশোনার ভার একজন পুরুষের ওপর অর্পিত হবে। জিনা, ব্যভিচার ও মদের ছড়াছড়ি হবে। ইহুদিদের সঙ্গে মুসলমানদের যুদ্ধ হবে এবং যুদ্ধে মুসলমানরা বিজয়ী হবে। এমনকি জড়পদার্থ পাথরও তোমাদের সাহায্যে এগিয়ে এসে বলবে, হে মুসলমান! দেখো আমার পেছনে এক ইহুদি লুকিয়ে আছে, তাকে হত্যা করো। (সহিহ বুখারি ও মুসলিম)

কিয়ামতের বড় আলামতসমূহ[সম্পাদনা]

দাজ্জালের আবির্ভাব : কিয়ামতের আগে মানুষকে গোমরাহ করার জন্য পূর্ব দিক থেকে দাজ্জালের আবির্ভাব ঘটবে। মক্কা-মদিনা ছাড়া সে সর্বত্র বিচরণ করবে। দাজ্জালের মাধ্যমে মানুষ দলে দলে গোমরা হয়ে যাবে। তবে খালেস ইমানদাররা তাকে চিনতে পারবে, তার দুই চোখের মাঝখানে কাফের লেখা থাকবে এবং ডান চক্ষু টেরা থাকবে। মহানবী (সা.) বলেন, সমস্ত নবী-রাসুলই তাঁদের উম্মতকে দাজ্জালের ভয় দেখিয়েছেন, তবে আমি তার সম্পর্কে বলছি, তার ডান চক্ষু টেরা, তোমাদের প্রভু টেরা নন। (বুখারি, হাদিস : ৭৪০৮)

মহানবী (সা.) বলেন, দাজ্জালের সময়কাল হবে ৪০। হাদিস বর্ণনাকারী ইবনে আমর (রা.) বলেন, আমরা জানি না, ৪০ দ্বারা কী ৪০ মাস, নাকি ৪০ বছর বোঝানো হয়েছে। হজরত নাওয়াস ইবন সামআন (রা.) থেকে বর্ণিত আছে যে চল্লিশের প্রথম দিন হবে এক বছর, দ্বিতীয় দিন হবে এক মাস, তৃতীয় দিন হবে এক সপ্তাহ, অবশিষ্ট ৩৭ দিন হবে আমাদের দিনের মতো (মোট ৩৬৫+৩০+০৭+৩৭=৪৩৯ দিন)। পৃথিবীর ধনসম্পদ দাজ্জালের কুক্ষিগত থাকবে। তার আদেশে বৃষ্টি হবে এবং জমিন থেকে ফসল উৎপন্ন হবে।

হজরত ঈসা (আ.)-এর আগমন : হজরত ঈসা (আ.) কিয়ামতের আগে হজরত মুহাম্মদ (সা.)-এর উম্মত হিসেবে পৃথিবীতে আগমন করবেন। তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন। তাঁর আগমনের পর পৃথিবীতে ইনসাফ ও শান্তি প্রতিষ্ঠিত হবে। এরপর তাঁর ওফাত হবে। এক বর্ণনা মতে, তাঁকে রাসুল (সা.)-এর রওজা মুবারকের পাশে সমাহিত করা হবে।

ইয়াজুজ ও মাজুজের আবির্ভাব : কিয়ামতের আগে হজরত নুহ (আ.)-এর পুত্র ইয়াফাসের বংশে ইয়াজুজ ও মাজুজের আবির্ভাব হবে। মহান আল্লাহ ইরশাদ করেন, ‘যে পর্যন্ত না ইয়াজুজ-মাজুজকে বন্ধনমুক্ত করে দেওয়া হবে এবং তারা উচ্চভূমি থেকে দ্রুত ছুটে আসবে (কিয়ামত হবে না)। ’ (সুরা : আম্বিয়া, আয়াত : ৯৬)

তারা বর্বর, নিষ্ঠুর ও জালিম প্রকৃতির। তাদের জুুলকারনাইনের প্রাচীর দ্বারা আবদ্ধ করে রাখা হয়েছে। কিয়ামতের নিকটবর্তী সময়ে তারা প্রাচীর ভেঙে সমতল ভূমিতে চলে এসে হত্যাযজ্ঞ ও লুটতরাজ চালাবে। এদের রোধ করার ক্ষমতা কারো থাকবে না।

কিয়ামতের ১০টি বড় নিদর্শন[সম্পাদনা]

মহানবী (সা.) বলেন, ১০টি নিদর্শন যতক্ষণ পর্যন্ত তোমরা দেখতে পাবে না, ততক্ষণ পর্যন্ত কিয়ামত হবে না। তা হলো—১. ধোঁয়া, ২. দাজ্জাল, ২. দাব্বাহ (জমিন থেকে একটি জন্তুর বের হওয়া), ৪. পশ্চিম দিক থেকে সূর্যোদয়, (কিয়ামতের ১০০ বছর আগে মাত্র এক দিনের জন্য পশ্চিম দিক দিয়ে সূর্য উদিত হবে), ৫. হজরত ঈসা (আ.)-এর আগমন, ৬. ইয়াজুজ-মাজুজের আগমন, ৭. পূর্ব দিকের তিনটি ভূমিকম্প, ৮. পশ্চিম দিকে ভূমিকম্প, ৯. আরব উপদ্বীপের ভূমিকম্প, ১০. ইয়েমেন থেকে উত্থিত আগুন, যা মানুষকে তাড়িয়ে সমাবেশের স্থানে নিয়ে যাবে। (সহিহ বুখারি)

কিয়ামত আর কত দূর[সম্পাদনা]

কিয়ামতের বড় বড় আলামত এখনো পরিদৃষ্ট না হলেও ছোট ছোট আলামতগুলো এমনভাবে সর্বত্র বিস্তার লাভ করেছে, যা রোধ করার ক্ষমতা কারো নেই। কোরআন ও হাদিসের জ্ঞান থেকে মানুষকে দূরে রাখার চেষ্টা করা হচ্ছে। বদদ্বীনি আচরণ ধীরে ধীরে বিস্তার লাভ করছে। মানুষ থেকে নীতি-নৈতিকতা হারিয়ে যাচ্ছে। হিংসা, লোভ ও অহংকারের সীমা ছাড়িয়ে গেছে। প্রতিযোগিতা করে অট্টালিকা নির্মাণ করা হচ্ছে। দুষ্টের দমন ও শিষ্টের লালনের পরিবর্তে দুষ্টের লালন ও শিষ্টের দমনের কার্যক্রম গর্বের সঙ্গে করা হচ্ছে। শিরক, বিদআত, নিফাক ইত্যাদি বৃদ্ধি পাচ্ছে, মিথ্যা, আমানতের খিয়ানত, ওয়াদা খিলাফ অহরহ হচ্ছে। সন্তান পিতা-মাতার শুধু অবাধ্য নয়, বরং পিতা-মাতাকে খুন করছে। পিতা-মাতা সন্তানকে আদর-স্নেহ দিয়ে মানুষ করার পরিবর্তে নিজেই হত্যা করছে। যা জাহেলি যুগেও করা হতো না। অন্যায়-অবিচার এত প্রকট আকার ধারণ করেছে যে মানুষ অন্যায়কে অন্যায় মনে করছে না। ন্যায়নীতির পরিবর্তে অন্যায়-জুলুম করা হচ্ছে। নারীরা পর্দা করার পরিবর্তে পর্দাহীনতাকে অহংকারের বিষয় বানিয়ে নিয়েছে। সুদ-ঘুষ, মদ, জিনা-ব্যভিচার বেড়ে গেছে। জাহেলি যুগের মতো সুদকে ব্যবসার ন্যায় হালাল মনে করা হচ্ছে। ঘুষকে স্বাভাবিকভাবে দেখা হচ্ছে। মদপানকে তুচ্ছ করে দেখা হচ্ছে। পাঁচ বছরের বালিকা পর্যন্ত ধর্ষিত হচ্ছে। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে যুবতীরা যুবকদের হাতে নির্যাতিত হচ্ছে। সমাজে সৎ ও নেককার লোকেরা লাঞ্ছিত হচ্ছে। অসৎ ও দুষ্ট লোকদের দৌরাত্ম্য বেড়ে গেছে। বদকর্মে পৃথিবী টইটম্বুর হয়ে যাওয়ার ফলে বলতে হয় কিয়ামত আর কত দূর। মহানবী (সা.) বলেছেন, ‘কিয়ামতের আগে অজ্ঞতা বেড়ে যাবে, ইলম উঠিয়ে নেওয়া হবে, মানুষের হৃদয় কঠিন হয়ে যাবে এবং মারামারি, হত্যাযজ্ঞ বেড়ে যাবে। ’ (সহিহ বুখারি)

ইহুদীধর্ম[সম্পাদনা]

আরও দেখুন[সম্পাদনা]

সর্বশেষ বিচার (রাশিয়া, ১৮ শতাব্দী)

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Catholic Encyclopedia: General Judgment: "Few truths are more often or more clearly proclaimed in Scripture than that of the general judgment. To it the prophets of the Old Testament refer when they speak of the "Day of the Lord" (Joel 2:31; Ezekiel 13:5; Isaiah 2:12), in which the nations will be summoned to judgment by the Fathers. In the New Testament the Parousia, or coming of Christ as Judge of the world, is an oft-repeated doctrine. The Saviour Himself not only foretells the event but graphically portrays its circumstances (Matthew 24:27 sqq.; টেমপ্লেট:Bibleverse-nb sqq.). The Apostles give a most prominent place to this doctrine in their preaching (Acts 10:42; টেমপ্লেট:Bibleverse-nb) and writings (Romans 2:5-16; টেমপ্লেট:Bibleverse-nb; 1 Corinthians 4:5; 2 Corinthians 5:10; 2 Timothy 4:1; 2 Thessalonians 1:5; James 5:7). Besides the name Parusia (parousia), or Advent (1 Corinthians 15:23; 2 Thessalonians 2:19), the Second Coming is also called Epiphany, epiphaneia, or Appearance (2 Thessalonians 2:8; 1 Timothy 6:14; 2 Timothy 4:1; Titus 2:13), and Apocalypse (apokalypsis), or Revelation (2 Thessalonians 2:7; 1 Peter 4:13). The time of the Second Coming is spoken of as "that Day" (2 Timothy 4:8), "the day of the Lord" (1 Thessalonians 5:2), "the day of Christ" (Philemon 1:6), "the day of the Son of Man" (Luke 17:30), "the last day" (John 6:39-40). The belief in the general judgment has prevailed at all times and in all places within the Church. It is contained as an article of faith in all the ancient creeds: "He ascended into heaven. From thence He shall come to judge the living and the dead" (Apostles' Creed). The two shall come again with glory to judge both the living and the dead" (Nicene Creed). "From thence they shall come to judge the living and the dead, at whose coming all men must rise with their bodies and are to render an account of their deeds" (Athanasian Creed). Relying on the authority of Papias, several Fathers of the first four centuries advanced the theory of a thousand years' terrestrial reign of Christ with the saints to precede the end of the World (see article on MILLENNIUM). Though this idea is interwoven with the eschatological teachings of those writers, it in no way detracted from their belief in a universal world-judgment. Patristic testimony to this dogma is clear and unanimous."
  2. New American Bible and commentary.: Matthew 25:40 and Matthew 25:45.

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]