সরকারী আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয়

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সরকারী আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয়
ধরনসরকারী প্রতিষ্ঠান
স্থাপিত২০ ডিদেম্বর, ১৯৪৮[১]
অধ্যক্ষডা° ধনেশ্বর কলিতা
অবস্থান
জালুকবারী,গুয়াহাটি
, ,
শিক্ষাঙ্গননগরাঞ্চল
সংক্ষিপ্ত নামজি এ সি এইচ (GACH)
অধিভুক্তিশংকরদেব ইউনিভারসিটি অফ হেল্থ সাইন্স
ওয়েবসাইটhttp://gacassam.webs.com

সরকারী আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয় (অসমীয়া: চরকারী আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয়) হচ্ছে সমগ্র ভারতের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের আয়ুর্বেদ চিকিৎসার একমাত্র শৈক্ষিক প্রতিষ্ঠান। ১৯৪৮ সনে মহাবিদ্যালয়টি স্থাপন করা হয়। এটি অসম অভিযান্ত্রিক মহাবিদ্যালয়ের পথে অবস্থিত।[১] প্রথম অবস্থায় এটি গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহিত সংযুক্ত ছিল। কিন্তু শ্রীমন্ত শংকরদেব ইউনিভারসিটি অফ হেল্থ সাইন্স প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর মহাবিদ্যালয়টি এর অধীনে আসে।

ইতিহাস[সম্পাদনা]

সরকারী আয়ুর্বেদ মহাবিদ্যালয় ভারতের পরম্পরাগত ঔষধ আয়ুর্বেদের এক অগ্রনী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। লোকপ্রিয় গোপীনাথ বরদলৈ, লোকবন্ধু ভুবনেশ্বর বরুয়াডঃ জগদীশ চন্দ্র ভট্টাচার্য মহাবিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠা করেন। ১৯৪৮ সনের ২০ ডিসেম্বর তারিখে সেই সময়ের অসমের মূখ্যমন্ত্রী একটি ভাড়া ঘরে মহাবিদ্যালয়টি উদ্বোধন করেন। প্রথম বছর অসম অভিযান্ত্রিক মহাবিদ্যালয়ের স্থানে ও ১৯৫৯ সনের জুলাই বর্তমান স্থানে স্থায়ীভাবে স্থানান্তর করা হয়। ভারত স্বাধীনতার পূর্বে লাহোর কংগ্রেশ অধিবেশনে ভারতীয় ঐতিহ্যের সহিত জড়িত বৈজ্ঞানিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন ও ভারতীয় ঔষধ ব্যবস্থাকে জাতিষ্কর করে গড়ে তোলার জন্য ভারতের প্রতিটি রাজ্যে একটি করে আয়ুর্বেদিক প্রতিষ্ঠান স্থাপন করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।[২] অসম আয়ুর্বেদিক মহাবিদ্যালয় এই সিদ্ধান্তের ফলাফল। এই প্রতিষ্ঠানের প্রধান লক্ষ হচ্ছেঃ

  • প্রণালীগত ভাবে আয়ুর্বেদিক চিকিৎসা অগ্রসর করা
  • ঔষধ নির্মানের ব্যবহারিক গুনের প্রসারতা ও আরোগ্য ব্যবস্থার গুন আয়ত্ত করে সমগ্র উত্তর-পুর্ব ভারতে বিতরন করা
  • ভারত তথা উত্তর-পূর্ব ভারতের জনসাধারনের আরোগ্য সেবায় ব্রতি হওয়া
  • ব্যবহারিক গুণসম্পূর্ন ঔষধি উদ্ভিদের চিনাক্তকরন ও রোপনকরা
  • মহাবিদ্যালয়ের সহিত সংযুক্ত চিকিৎসালয়ের রোগের রোগ নিরাময়
  • এখানে স্থিত রাজ্যিক ফার্মাসির মাধ্যমে ছাত্র-ছাত্রীদের ঔষধ নির্মানের জ্ঞান দেওয়া

পাঠ্যক্রম[সম্পাদনা]

প্রথম অবস্থায় ১৯৭৩ সন পর্যন্ত সাড়ে চার বৎসরের ডিপ্লোমার সুবিধা ছিল। প্রতি বছর ২৫ জন শিক্ষার্থী ভর্ত্তী হওয়ার সুবিধা পেয়েছিল। অসম সরকার বোর্ড অফ আয়ুর্বেদ নামক একটি সমিতি গঠন করেন। এই সমিতি মহাবিদ্যালয়ের নীতি নিয়ম ও পরীক্ষার আয়োজন করে। তারপর ছাত্র, শিক্ষক, কর্মচারী ও জনসাধারনের দাবীতে স্নাতক পর্যায়ে শিক্ষাদানের ব্যবস্থা করা হয়। সাড়ে পাঁচ বৎসরের শিক্ষা দানের পূর্বে ১৯৭৪ সনের নভেম্বর মাসে গুয়াহাটি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে দুই বঃসরের শিক্ষা দানের ব্যবস্থা করা হয়।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "home"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৫-১৯ 
  2. "about us"। সংগ্রহের তারিখ ২০১৩-০৫-১৯