সবুজ সাগর কাছিম
অবয়ব
| সবুজ সাগর কাছিম Green sea turtle | |
|---|---|
| Chelonia mydas swimming above a Hawaiian coral reef | |
| বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
| অপরিচিত শ্রেণী (ঠিক করুন): | Testudines/skip |
| উপবর্গ: | Cryptodira |
| মহাপরিবার: | Chelonioidea |
| পরিবার: | Cheloniidae |
| উপপরিবার: | Cheloniinae Brongniart, 1800 |
| গণ: | Chelonia (Linnaeus, 1758 [originally Testudo]) |
| প্রজাতি: | C. mydas |
| দ্বিপদী নাম | |
| Chelonia mydas (Linnaeus, 1758 [originally Testudo]) | |
| প্রতিশব্দ[২] | |
|
Species synonymy
| |
সবুজ সাগর কাছিম[৩] (ইংরেজি: green sea turtle বা green turtle বা black (sea) turtle, বা Pacific green turtle)[৪] (দ্বিপদ নাম: Chelonia mydas), হচ্ছে কিলোনিডি পরিবারের একটি বড় সাগর কাছিম। এটি Chelonia গণের একমাত্র প্রজাতি।[৫] এই প্রজাতির কাছিম গ্রীষ্মপ্রধান ও নাতিশীতোষ্ণ অঞ্চলের উপকূলীয় এলাকা ও দ্বীপপুঞ্জের চারদিকে বিস্তৃত। এদের বিস্তার প্রশান্ত মহাসাগর, আটলান্টিক মহাসাগর এবং ভারত মহাসাগরের উষ্ণপ্রধান এলাকা উল্লেখযোগ্য।[৬]
বাংলাদেশের ২০১২ সালের বন্যপ্রাণী (সংরক্ষণ ও নিরাপত্তা) আইনের তফসিল-১ অনুযায়ী এ প্রজাতিটি সংরক্ষিত।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Seminoff, J.A. (Southwest Fisheries Science Center, U.S.) (২০০৪)। "Chelonia mydas"। বিপদগ্রস্ত প্রজাতির আইইউসিএন লাল তালিকা। সংস্করণ 2012.2। প্রকৃতি সংরক্ষণের জন্য আন্তর্জাতিক ইউনিয়ন। সংগ্রহের তারিখ ১০ জানুয়ারি ২০১৩।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: অবৈধ|ref=harv(সাহায্য)উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - ↑ Fritz Uwe; Peter Havaš (২০০৭)। "Checklist of Chelonians of the World" (পিডিএফ)। Vertebrate Zoology। ৫৭ (2): ১৬৫–১৬৭। ১৭ ডিসেম্বর ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত (পিডিএফ)। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মে ২০১২।
- 1 2 বাংলাদেশ গেজেট, অতিরিক্ত, জুলাই ১০, ২০১২, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার, পৃষ্ঠা-১১৮৪৪২।
- ↑ Swash, A. & Still, R. (2005). Birds, Mammals, and Reptiles of the Galápagos Islands. Second Edition. Hampshire, UK:WildGuides Ltd. p.116.
- ↑ "Chelonia mydas"। ইন্টিগ্রেটেড ট্যাক্সোনোমিক ইনফরমেশন সিস্টেম। সংগ্রহের তারিখ ২১ ফেব্রুয়ারি ২০০৭।
- ↑ জিয়া উদ্দিন আহমেদ (সম্পা.), বাংলাদেশ উদ্ভিদ ও প্রাণী জ্ঞানকোষ: উভচর প্রাণী ও সরীসৃপ, খণ্ড: ২৫ (ঢাকা: বাংলাদেশ এশিয়াটিক সোসাইটি, ২০০৯), পৃ. ৭৮-৭৯।