সন্ধ্যা শান্তরাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
সন্ধ্যা শান্তরাম
জাতীয়তাভারতীয়
অন্যান্য নামবিজয়া দেশমুখ
পেশাঅভিনেত্রী
দাম্পত্য সঙ্গীভি. শান্তরাম

সন্ধ্যা শান্তরাম (জন্ম: ১৯৩২/৩৩; বিবাহপূর্ব বিজয়া দেশমুখ)[১] হলেন একজন ভারতীয় চলচ্চিত্র অভিনেত্রী। তিনি হিন্দি এবং মারাঠি চলচ্চিত্র জগতে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে অভিনয় করা জন্য পরিচিতি লাভ করেছেন। তিনি তাঁর অভিনয় জীবনের অধিকাংশ চলচ্চিত্র তাঁর স্বামী ভি. শান্তরামের পরিচালনায় করেছেন। তাঁর অভিনীত চলচ্চিত্রের মধ্যে ১৯৫১ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত অমর ভূপালি, ১৯৫৫ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত ঝনক ঝনক পায়েল বাজে, ১৯৫৮ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত দো আঁখে বারাহ হাত, ১৯৫৯ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত নবরং, ১৯৭২ সালে মুক্তিপ্রাপ্ত মারাঠি চলচ্চিত্র পিঁজরা অন্যতম।

অভিষেক[সম্পাদনা]

ভি. শান্তরাম তখন তাঁর চলচ্চিত্র অমর ভূপালি-র জন্য নায়িকা চরিত্রে নতুন মুখ খুঁজছিলেন তখন তিনি সন্ধ্যাকে খুঁজে বের করেছিলেন।[২] এই যুবতীর অসামান্য বৈশিষ্ট্য বা প্রতিভা ছিল না, তবে চলচ্চিত্র নির্মাতাকে তাঁর কণ্ঠস্বরটি বেশি আকৃষ্ট করেছিল, এটি তাঁর দ্বিতীয় স্ত্রী অভিনেত্রী জয়শ্রীর সাথে আশ্চর্যজনকভাবে সাদৃশ্যপূর্ণ।[৩] পরে জয়শ্রী ভি. শান্তরামকে ছেড়ে যাওয়ার পরে তিনি সন্ধ্যার সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হয়েছিলেন। ১৯৫২ সালে, সন্ধ্যা তাঁর মারাঠি চলচ্চিত্র অমর ভূপালি-এ একজন কণ্ঠশিল্পীর চরিত্রে অভিনেত্রী করার মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক করেছিলেন।[৪]

পেশা[সম্পাদনা]

অতপর সন্ধ্যা শান্তরাম ভি. শান্তরামের বেশিরভাগ চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। তাঁর পরবর্তী ছবি তিন বাট্টি চার রাস্তা (১৯৫৩)-এ তিনি একজন দরিদ্র মেয়ের চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন, যে তার গায়ের কালো রঙের কারণে সকলের কাছে অনাকর্ষণীয় ছিল, কিন্তু সে গোপনে একটি সুন্দর গানের কণ্ঠধারী রেডিও তারকা ছিল। এই চলচ্চিত্রে অভিনয়ের জন্য সন্ধ্যা শান্তরামকে কালো মেক আপ করতে হয়েছিল। অতপর ১৯৬১ সালে, তিনি মহাভারতের শকুন্তলার গল্পের চলচ্চিত্র সংস্করণ স্ত্রী-তে অভিনয় করেছিলেন। এই মহাকাব্যটির একটি দৃশ্যে উল্লেখ করা ছিল যে শকুন্তলা এবং তার পুত্র ভরত প্রান্তরে সিংহের সাথে বাস করত। তাই শান্তরাম কিছু দৃশ্যে আসল সিংহকে অন্তর্ভুক্ত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন। এই দৃশ্যের জন্য সন্ধ্যা নিজেই অভিনয় করেছিলেন; তিনি সিংহের প্রশিক্ষককে ছায়ার মত অনুসরণ করেছিলেন এবং সিংহদের সাথে খাঁচায় অনুশীলন করেছিলেন।[৫] সন্ধ্যার শেষ কেন্দ্রীয় চরিত্র ছিল পিঁজরা নামক একটি মারাঠি চলচ্চিত্রে; এই চলচ্চিত্রে তাঁর চরিত্রটিতে তিনি শ্রীরাম লাগু (যিনি এই চলচ্চিত্রের মাধ্যমে চলচ্চিত্র জগতে অভিষেক করেছিলেন) অভিনীত একজন স্কুলশিক্ষকের প্রেমে পড়েছিলেন।[৬]

২০০৯ সালে নবরঙ্গ নামক চলচ্চিত্রের ৫০তম বার্ষিকী স্মরণে ভি. শান্তরাম পুরস্কার অনুষ্ঠানে তাঁকে সম্মান প্রদান করা হয়েছিল।[৭]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Meera Kosambi। Gender, Culture, and Performance: Marathi Theatre and Cinema before Independence। পৃষ্ঠা 341। 
  2. "Director Vankudre Shantaram"। Chicago Tribune। ৩০ অক্টোবর ১৯৯০। পৃষ্ঠা 11। 
  3. Kahlon, Sukhpreet। "Dedicated to her art: The journey of Sandhya Shantaram"cinestaan.com। Cinestaan। সংগ্রহের তারিখ ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ 
  4. Mujawar, Isak (১৯৬৯)। Maharashtra: birthplace of Indian film industry। Maharashtra Information Centre। পৃষ্ঠা 98। 
  5. Heidi Rika Maria Pauwels (২০০৭)। Indian literature and popular cinema: recasting classics। Psychology Press। পৃষ্ঠা 71–72। আইএসবিএন 0-415-44741-0 
  6. Ramachandran, T.M. (জানুয়ারি ১৯৭৭)। "Newfangled Techniques"। 
  7. "Rani Mukherji, Prakash Raj win V Shantaram awards"Indian Express। ২২ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুলাই ২০১১ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]