সত্য সাই

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সত্য সাই
হিন্দু ধর্মগুরু
জন্ম (১৯২৬-১১-২৩)২৩ নভেম্বর ১৯২৬
জন্মস্থান পুত্তাপুর্তি, অন্ধ্রপ্রদেশ, ভারত
পূর্বাশ্রমের নাম সত্যনারায়ণ রাজু
মৃত্যু ২৪ এপ্রিল ২০১১(২০১১-০৪-২৪) (৮৪ বছর)
মৃত্যুস্থান পুত্তাপুর্তি, অন্ধ্রপ্রদেশ, ভারত
গুরু
দর্শন
সম্মান
উক্তি Love All, Serve All
Help Ever, Hurt Never[১][২][৩]
পাদটীকা

সত্য সাই বাবা (তেলুগু: సత్య సాయిబాబా টেমপ্লেট:IPA-te, পূর্বাশ্রমের নাম সত্যনারায়ণ রাজু) (২৩ নভেম্বর, ১৯২৬[৪] – ২৪ এপ্রিল, ২০১১[৫]) ছিলেন একজন ভারতীয় হিন্দু ধর্মগুরু, আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব ও শিক্ষাবিদ।[৬] তাঁর ভক্তদের বিশ্বাসে তিনি ছিলেন একজন অবতারগডম্যান[৭] আধ্যাত্মিক শিক্ষক ও অলৌকিক ক্রিয়াপ্রদর্শক।[৪][৮][৯][১০][১১] শূন্য থেকে "বিভূতি" বা পবিত্র ছাই এবং আঙটি, নেকলেস বা ঘড়ির মতো ছোটো ছোটো বস্তু হাজির করে সত্য সাই যুগপৎ খ্যাতি অর্জন ও বিতর্ক সৃষ্টি করেন। যুক্তিবাদীরা এই সব ঘটনাকে সাধারণ জাদুর খেলা বলে থাকেন। অন্যদিকে ভক্তেরা এগুলিকে তাঁর দৈব শক্তির প্রকাশক মনে করেন।[১২] সত্য সাই নিজেকে শিরডি সাই বাবার অবতার বলে দাবি করতেন, যাঁর শিক্ষার মধ্যে হিন্দু ও মুসলিম উভয় সম্প্রদায়ের ধর্মমতের প্রতিফলন দেখা যেত।[১৩]

সত্য সাই ও তাঁর সংগঠন ভারতে ও ভারতের বাইরে একাধিক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, হাসপাতাল ও অন্যান্য দাতব্য সংস্থা চালাতেন। ১৯৯৯ সালের একটি হিসেব অনুযায়ী, সত্য সাইয়ের ভক্তসংখ্যা ৬০ লক্ষের কিছু বেশি। যদিও তাঁর ভক্তদের প্রকৃত সংখ্যা আরও বেশি বলে মনে করা হয়।[১৪] যেহেতু তাঁর সংগঠনে সদস্যপদের কোনো ব্যবস্থা নেই, সেহেতু তাঁর ভক্তের প্রকৃত সংখ্যা জানা যায় না।[১৩] সত্য সাই অর্গানাইজেশন ১১৪টি দেশে প্রায় ১,২০০টি "সত্য সাই বাবা কেন্দ্র" চালায়।[১৫][১৬] ভারতে সত্য সাই মূলত শহুরে উচ্চ মধ্যবিত্ত শ্রেণীর "ধনীতম, শিক্ষিত ও পাশ্চাত্য ধারণায় দীক্ষিত" ব্যক্তিদের আকর্ষণ করেছেন।[১৭] ভারতে তিনি একজন সাংস্কৃতিক প্রতীকে পরিণত হয়েছিলেন। ভারতের একাধিক রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী সহ অসংখ্য ব্যক্তি তাঁর প্রতি অনুরক্ত হন। ২০০২ সালে তিনি দাবি করেছিলেন যে ১৭৮টি দেশে তাঁর ভক্তেরা ছড়িয়ে আছে।[১৮][১৯]

পাদটীকা[সম্পাদনা]

  1. Charlene Leslie-Chaden (২০০৪)। A compendium of the teachings of Sri Sathya Sai Baba। Sai Towers Publishing। পৃ: ৫২৬। আইএসবিএন 9788178990422। সংগৃহীত ২৪ এপ্রিল ২০১১ 
  2. Architectural digest। Conde Nast Publications। ১ মে ১৯৯৪। সংগৃহীত ২৪ এপ্রিল ২০১১ 
  3. http://sathyasaibaba.wordpress.com/2009/06/14/love-all-serve-all/
  4. ৪.০ ৪.১ Edwards, Linda (2001). A Brief Guide to Beliefs: Ideas, Theologies, Mysteries, and Movements. Westminster John Knox Press. p. 137. ISBN 0-664-22259-5.
  5. Staff Reporter (২৪ এপ্রিল ২০১১)। "Sathya Sai Baba passes away"The Hindu। সংগৃহীত ২৪ এপ্রিল ২০১১ 
  6. Richard Weiss, Victoria University of Wellington – The Global Guru: Sai Baba and the Miracle of the Modern; Available Online: http://www.nzasia.org.nz/downloads/NZJAS-Dec05/7_2_2.pdf
  7. Balakrishnan, Deepa (২৩ নভেম্বর ২০০৭)। "Sai Baba turns 82, is still going strong"CNN-IBN। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৬ 
  8. Lochtefeld, James G. (2002). The Illustrated Encyclopedia of Hinduism (Vol. 2 N-Z). New York: Rosen. ISBN 0-8239-2287-1.(pg 583)
  9. Nagel, Alexandra (note: Nagel is a critical former follower). "Een mysterieuze ontmoeting ...: Sai Baba en mentalist Wolf Messing". Tijdschrift voor Parapsychologie 368, vol. 72 nr 4, December 2005, pp. 14–17. (ওলন্দাজ)
  10. Lochtefeld, James G. (২০০২)। The Illustrated Encyclopedia of Hinduism (Vol. 1)। Rosen। আইএসবিএন 0-8239-3179-X  See entry: "Godman".
  11. Hummel, Reinhart; Linda W. Duddy (translator) (1984). "Guru, Miracle Worker, Religious Founder: Sathya Sai Baba". Dialogcentret Article in Update IX 3, September 1985, originally published in German in Materialdienst der EZW, 47 Jahrgang, 1 February 1984. This muddled reference needs converting to cite journal.
  12. Urban, Hugh B. (২০০৩)। "Avatar for Our Age: Sathya Sai Baba and the Cultural Contradictions of Late Capitalism"Religion (Elsevier) 33 (1): ৮২। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৫ 
  13. ১৩.০ ১৩.১ Babb, Lawrence A. (১৯৯১)। Redemptive Encounters: Three Modern Styles in the Hindu Tradition। Biography section available online - see google book search: University of California Press। পৃ: 164–166। আইএসবিএন 0-520-07636-2 
  14. Adherents cites Chryssides, George. Exploring New Religions. London, UK: Cassells (1999) (10 million)
    *Brown, Mick (2000-10-28). "Divine Downfall". Daily Telegraph. http://www.telegraph.co.uk/health/main.jhtml?xml=/health/2000/10/28/tlbaba28.xml. Retrieved 2007-03-12
    *Edwards, Linda (2001). A Brief Guide to Beliefs: Ideas, Theologies, Mysteries, and Movements. Westminster John Knox Press. ISBN 0-664-22259-5.
  15. "Sai Baba turns 84"। Thestar.com.my। ২০০৯-১২-০৩। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৬ 
  16. "The Sai Organization: Numbers to Sai Centers and Names of Countries"। Sathyasai.org। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৬ 
  17. Urban, Hugh B. (২০০৩)। "Avatar for Our Age: Sathya Sai Baba and the Cultural Contradictions of Late Capitalism"Religion (Elsevier) 33 (1): ৭৪। সংগৃহীত ২০১০-০১-০৫ 
  18. Bradsher, Keith (২০০২-১২-০১)। "A Friend in India to All the World"The New York Times। সংগৃহীত ১৩ জানুয়ারি ২০১০ 
  19. Palmer, Norris W. "Baba's World". In: Forsthoefel, Thomas A.; Humes, Cynthia Ann (eds.) (২০০৫)। Gurus in America। Albany, NY: State University of New York Press। পৃ: 97–98। আইএসবিএন 0-7914-6574-8 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]