সক্রেটিসের মৃত্যু
| সক্রেটিসের মৃত্যু | |
|---|---|
| শিল্পী | জ্যাক লুই ডেভিড |
| বছর | ১৭৮৭ |
| মাধ্যম | ক্যানভাসে তেলরঙ |
| আন্দোলন | নব্য-ধ্রুপদীয় |
| আয়তন | ১২৯.৫ cm × ১৯৬.২ cm (৫১.০ ইঞ্চি × ৭৭.২ ইঞ্চি) |
| অবস্থান | মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট, নিউ ইয়র্ক |
সক্রেটিসের মৃত্যু বা দ্য ডেথ অব সক্রেটিস (ফরাসি: La Mort de Socrate) হলো ১৭৮৭ সালে ফরাসি চিত্রশিল্পী জ্যাক লুই ডেভিড অঙ্কিত ক্যানভাসে তেলরঙের একটি চিত্রকর্ম। এটি ১৭৮০-এর দশকে জনপ্রিয় নব্য-ধ্রুপদী শৈলীর একটি চিত্রকর্ম, যেখানে ধ্রুপদী যুগের বিষয়বস্তু ফুটিয়ে তোলা হতো। এই চিত্রকর্মের বিষয় ছিল সক্রেটিসের মৃত্যুদণ্ড, যা প্লেটোর ফিডো গ্রন্থে বর্ণিত হয়েছে।[১] এই কাহিনীতে, সক্রেটিসকে এথেন্সের যুবসমাজকে বিপথে চালিত করা এবং দেবতাদের প্রতি ভিন্নমত প্রকাশ করার অভিযোগে দোষী সাব্যস্ত করা হয় এবং বিষাক্ত হেমলক পান করে মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করার আদেশ দেওয়া হয়। সক্রেটিস পালিয়ে যাওয়ার সুযোগ পেলেও তা গ্রহণ করেননি; বরং তিনি মৃত্যুকে শিষ্যদের জন্য চূড়ান্ত শিক্ষার পাঠ হিসেবে ব্যবহার করেন এবং তা ধৈর্য ও শান্তিপূর্ণভাবে গ্রহণ করেন। ফিডো গ্রন্থে সক্রেটিসের মৃত্যুর বর্ণনা রয়েছে এবং এটি প্লেটোর চতুর্থ ও শেষ সংলাপ; একই বিষয় ইউথিফ্রো, অ্যাপোলজি, এবং ক্রিটো-তেও বিস্তারিতভাবে বর্ণিত আছে।
বর্ণনা
[সম্পাদনা]চিত্রকর্মে বৃদ্ধ সক্রেটিস সাদা পোশাকে সজ্জিত একটি বিছানায় সোজা বসে আছেন, একটি হাত কাপের উপর বাড়ানো, অন্য হাত বাতাসে ইশারা করছে; এই ভঙ্গিমায় তিনি মৃত্যুর আগ মুহূর্তেও শিক্ষাদান করে চলেছেন। সক্রেটিস শান্ত থাকলেও তার চারপাশে থাকা বিভিন্ন বয়সের বন্ধুরা আবেগপ্রবণ এবং বিচলিত। যুবকটি তার দিকে কাপটি এগিয়ে দিলেও, তার মুখ অন্যদিকে ঘোরানো এবং অন্য হাতটি দিয়ে সে নিজের মুখ ঢেকে রেখেছে। ক্রিটো হাঁটু আকরে ধরে তার শিক্ষকের কথাগুলো মনোযোগ দিয়ে শুনছেন। বৃদ্ধ প্লেটো বিছানার প্রান্তে কাঁধ ঝুঁকে নিজের কোলের দিকে তাকিয়ে বসে আছেন। বামে, পেছনের দেয়ালে থাকা একটি খিলানের মধ্যে একজন পুরুষকে দেখা যাচ্ছে। পেছনের সিঁড়িতে সক্রেটিসের স্ত্রী জানথিপি বিষণ্ণ মনে দাড়িয়ে আছেন। যদিও তার স্বামী তাকে আগেই চলে যেতে বলেছিলেন, তবুও তিনি পিছন ফিরে এই করুণ দৃশ্যটি এক পলক দেখছিলেন।[২][৩]
এই চিত্রকর্মে ডেভিড রঙ ব্যবহার করে আবেগ ফুটিয়ে তুলেছেন। চিত্রকর্মের প্রান্তের দিকে লাল আভা হালকা থাকলেও, মাঝখানে তা আরও উজ্জ্বল হয়ে উঠেছে। বিষের কাপ হাতে ধরা যুবকটির গাঢ় লাল পোশাকে সেই উজ্জ্বলতা পূর্ণতা পেয়েছে। সাধারণত মনে করা হয় যে এই ব্যক্তিটি সক্রেটিসকে বিষের কাপটি এগিয়ে দিচ্ছেন, সক্রেটিসের বিষ পান করার পর তার কাছ থেকে কাপটি নিচ্ছেন না। এই চিত্রকর্মে কেবল সক্রেটিস এবং প্লেটোকে শান্ত দেখা যায়, এবং তাদের পোশাকে ব্যবহৃত হয়েছে সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী নীলাভ-সাদা রং। এই চিত্রকর্মের তুলনামূলক সংযত রঙের ব্যবহার সম্ভবত ডেভিডের হোরাতিদের শপথ চিত্রের সমালোচকদের প্রতি একটি প্রতিক্রিয়া, যারা তার রঙকে “চটকদার” বলে অভিহিত করেছিলেন।[৪]
ডেভিড, প্লেটোর সংলাপে বর্ণিত অনেক চরিত্রকে বাদ দিয়ে দৃশ্যটিকে সরল করেছেন। তিনি প্লেটোসহ সক্রেটিসের অন্যান্য শিষ্যের বয়স উপস্থাপনে কিছু শিল্পসুলভ স্বাধীনতাও প্রয়োগ করেছেন। সক্রেটিস বৃদ্ধ হলেও তাকে চিত্রে বাস্তবসম্মতভাবে একজন ৭০ বছর বয়সী মানুষের চেয়েও বেশি সুদর্শন এবং সুঠামদেহী দেখানো হয়েছে। একইসাথে, তার মুখের অবয়ব প্রচলিত সক্রেটিসের প্রতিকৃতির তুলনায় অনেক বেশি আদর্শায়িত।[২] সক্রেটিসের মৃত্যুর সময় প্লেটো তরুণ ছিলেন, তবে এই চিত্রকর্মে তাকে বিছানার পায়ের পাশে বসা বৃদ্ধ হিসেবে চিত্রিত করা হয়েছে। ডেভিড সম্ভবত চিত্রকর্মটি প্লেটোর কল্পনাজগতে স্থাপন করতে চেয়েছিলেন, যেখানে বৃদ্ধ প্লেটো লেখার সময় দৃশ্যটি নিজের কল্পনায় পুনর্গঠন করার চেষ্টা করছেন।[৫]
ডেভিড এই চিত্রকর্মটির দুটি জায়গায় স্বাক্ষর করেন; তিনি সক্রেটিসের উরু ধরে থাকা যুবক ক্রিটোর নিচে তার পুরো নাম এবং প্লেটোর নিচে তার আদ্যক্ষর সংক্ষেপে লেখেন। ডেভিডের স্বাক্ষর রাখার অবস্থান প্রায়শই প্রতীকী অর্থ বহন করতো।উদাহরণস্বরূপ, স্ট্যানিস্লাভ কোস্টকা পোটোকির চিত্রে তিনি বসে থাকা ব্যক্তির দিকে ঘেউ ঘেউ করা একটি কুকুরের কলারের ওপর স্বাক্ষর করেছিলেন। সোক্রেটিসের মৃত্যু চিত্রকর্মেও তার স্বাক্ষরের মধ্যে তাৎপর্য নিহিত রয়েছে। প্লেটোর নিচে থাকা তার আদ্যক্ষরটি নির্দেশ করে যে গল্পের উৎস প্লেটো, এবং এটি অনুপ্রেরণার জন্য তার কৃতজ্ঞতার বহিঃপ্রকাশ। ক্রিটোর নিচে করা তার পূর্ণ স্বাক্ষরটির অর্থ হলো, শিল্পী এই চরিত্রটির সঙ্গেই নিজেকে সবচেয়ে বেশি একাত্ম মনে করতেন। চিত্রকর্মে ক্রিটোর অবস্থান—সক্রেটিসের উরু ধরে থাকা—সম্ভবত এই কারণেই। এর মাধ্যমে ডেভিড নিজেকে এমন একজন মানুষ হিসেবে দেখাতে চেয়েছেন যিনি সক্রেটিসের প্রতিনিধিত্ব করা নৈতিকতা ও মূল্যবোধ আঁকড়ে ধরে আছেন।[১]
সৃষ্টি ও ইতিহাস
[সম্পাদনা]রাজকীয় আদেশের পরিবর্তে, ডেভিড ১৭৮৬ সালে অভিজাতদের মধ্যে অন্যতম চার্লস-মিশেল ট্রুদেন দে লা সাব্লিয়েরের কাছ থেকে সরাসরি ব্যক্তিগত আদেশ পান; তিনি তখন প্রায় ২০ বছর বয়সী এবং ট্রুদেন দে মন্টিগনির কনিষ্ঠতম সন্তান।[ক][৭] ট্রুদেন এমন একটি নাটকে আগ্রহী ছিলেন, যা দেনিস দিদেরো লিখতে চেয়েছিলেন, কিন্তু কখনো সম্পূর্ণ করতে পারেননি। দিদেরোর অসমাপ্ত নাটকের একটি নাটকীয় দৃশ্যে সক্রেটিসের মৃত্যু দেখানো হয়, আর এই দৃশ্যটিই চিত্রকর্মটি আঁকার প্রেরণা যোগায়।[৮] ডেভিডের তৎকালীন বন্ধু আন্দ্রে শেনিয়ারও "ট্রুদেন সোসাইটি" দলের সদস্য ছিলেন, এবং ডেভিড সম্ভবত সক্রেটিসের অবস্থান বা শিক্ষাদানের সময় কাপের দিকে হাত বাড়ানোর মতো বিষয়ে শেনিয়ারের পরামর্শ অনুসরণ করেন।[৮] সাধারণভাবে, সক্রেটিস তখন জনপ্রিয় বিষয় হিসেবে বিবেচিত হতেন; তিনি ছিলেন আলোকিত মূল্যবোধের উদাহরণ: এমন একজন মানুষ যিনি প্রশংসনীয় যুক্তিবাদ ও আত্মনিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে সত্যের প্রতি অবিচল থাকতেন।[২]
ডেভিড ১৭৮২ সালে একটি প্রাথমিক রূপরেখা তৈরি করেন, এবং কমিশন পাওয়ার পর তিনি সেই প্রাথমিক রচনার দিকে ফিরে আসেন। সক্রেটিসের মৃত্যুর প্রেক্ষাপট সম্পর্কে তিনি হেলেনিস্ট ও পণ্ডিত পিতা জঁ অ্যাড্রির পরামর্শ নেন।[৩] অ্যাড্রির একটি চিঠি আজও সংরক্ষিত আছে; তাতে তিনি পরামর্শ দেন যে প্লেটোকে নিশ্চল অবস্থায় দেখানো উচিত (যদিও প্লেটো আসলে উপস্থিত ছিলেন না), ক্রিটোকে আরও অনুভূতিপূর্ণ দেখানো উচিত, এবং অ্যাপোলোডোরাসকে (চিত্রকর্মের সবচেয়ে ডানদিকে) দৃশ্যত আবেগপূর্ণ দেখানো উচিত।[৯]
ডেভিডের প্রথম রোম ভ্রমণের সময় তিনি কবরসংক্রান্ত দৃশ্যচিত্র অধ্যয়ন শুরু করেন এবং বহু উদাহরণ অঙ্কন করেন। তার অনেক প্রধান কৃতিকর্মই এই কবরসংক্রান্ত অঙ্কনগুলির ওপর ভিত্তি করে তৈরি।[১০] সক্রেটিসের মৃত্যু চিত্রকর্মে ডেভিড একজন দার্শনিকের মৃত্যুর প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বিশ্লেষণ করেছেন। সক্রেটিস নির্বিকার এবং শান্ত, কারণ তিনি মৃত্যুকে জীবনের থেকে ভিন্ন, স্বতন্ত্র একটি বাস্তব জগত হিসেবে দেখেন, যা অস্তিত্বের সমাপ্তি নয়।[১১] চিত্রকর্মে সক্রেটিসের অঙ্গভঙ্গি দেখে বোঝা যায় যে মৃত্যুর ঠিক আগ মুহূর্তেও তিনি শিক্ষাদান করে চলেছেন।[৭]
অনুরূপ চিত্রকর্মসমূহ
[সম্পাদনা]ডেভিডের সমকালীন পিয়েরে পেয়রনও প্রায় ১৭৮৭ সালের দিকে সক্রেটিসের মৃত্যু চিত্রকর্মটির একটি শিল্পময় রূপায়ণ করেন। পেয়রনের সংস্করণ এবং ডেভিডের সংস্করণ উভয়ই ১৭৮৭ সালের একই স্যালনে প্রদর্শিত হয়। তাদের মধ্যে আগে থেকেই এক ধরনের প্রতিদ্বন্দ্বিতা ছিল। কারণ, তারা দু'জনেই ফরাসি অ্যাকাডেমি ইন রোমের পরবর্তী পরিচালক হতে চেয়েছিলেন। সমালোচকদের মতে, তাদের আঁকা দুটি চিত্রকর্ম প্রদর্শিত হওয়ার পর ডেভিডের পক্ষেই বিষয়টি চূড়ান্তভাবে নিষ্পত্তি হয়ে যায়। কাউন্ট পোতোস্কি ব্যঙ্গ করে বলেন যে, পেয়রনের কাজটি "জনগণের কাছে ডেভিডের ছবির মান তুলে ধরেছে, কারণ এটি প্রমাণ করে যে একজন শিল্পী তার থেকে কতটা নিম্নমানের হতে পারে।"[৯][২]
১৮শ শতাব্দীর প্রথমার্ধে ইতালীয় শিল্পী জিয়ামবেট্টিনো সিগনারোলি সক্রেটিসের মৃত্যুর ওপর আরেকটি চিত্রকর্ম আঁকেন। সিগনোরোলির এই চিত্রটিতে সক্রেটিসকে মৃত অবস্থায় দেখানো হয়েছে এবং তার শোকার্ত অনুসারীরা তাকে ঘিরে আছেন।
সক্রেটিসের মৃত্যুকে চিত্রিত করে এমন আরও একটি চিত্রকর্ম আঁকেন ফরাসি শিল্পী জ্যাকস-ফিলিপ-জোসেফ দে সাঁ-কুয়েন্টিন। আনুমানিক ১৭৬২ সালে আঁকা এই চিত্রটি বর্তমানে ফ্রান্সের প্যারিসে অবস্থিত একোল নাসিওনাল সুপেরিয়র দে বোজারে সংরক্ষিত আছে।
- পিয়েরে পেয়রনের সক্রেটিসের মৃত্যু
- জিয়ামবেট্টিনো সিগনারোলির সক্রেটিসের মৃত্যু
- জ্যাকস-ফিলিপ-জোসেফ দে সাঁ-কুয়েন্টিনের সক্রেটিসের মৃত্যু
- ফ্রঁসোয়া-জাভিয়ের ফ্যাবরের সক্রেটিসের মৃত্যু
প্রকাশ ও গ্রহণযোগ্যতা
[সম্পাদনা]ডেভিড তার চিত্রকর্মটি ১৭৮৭ সালের প্যারিস স্যালন, অর্থাৎ আনুষ্ঠানিক শিল্প প্রদর্শনীতে প্রথম প্রদর্শন করেন। ডেভিডের এই চিত্রকর্মটি তার সমসাময়িকদের মধ্যে দ্রুত প্রশংসা লাভ করে। ইংরেজ চিত্রশিল্পী জোশুয়া রেনল্ডস লেখেন যে, সক্রেটিসের মৃত্যু ছিল “সিস্টিন চ্যাপেল এবং ভ্যাটিকানের রাফায়েলের স্তাঞ্জের পর থেকে সৃষ্ট সর্বশ্রেষ্ঠ শিল্পকর্ম।”[৯] ফ্রান্সে নিযুক্ত আমেরিকান রাষ্ট্রদূত থমাস জেফারসন লেখেন যে চিত্রকর্মটি ছিল ১৭৮৭ সালের স্যালনের সেরা সৃষ্টি এবং এটিকে তিনি “অতুলনীয়” বলে বর্ণনা করেন।[২] চিত্রকর্মটি এতটাই সফল হয়েছিল যে ডেভিড ১৭৯১ সালের স্যালনে এটি পুনরায় প্রদর্শন করেন। পরিবর্তিত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে প্রাচীন যুগের বীরত্বগাথা তৎকালীন ফরাসি বিপ্লবের প্রারম্ভিক আবহের সঙ্গে মানানসই হওয়ায়, এটি তখনও দর্শকদের মধ্যে গভীর আগ্রহ তৈরি করে।[২]
১৮২৬ সালে গ্রিক স্বাধীনতা যুদ্ধের জন্য অর্থ সংগ্রহের উদ্দেশ্যে গ্যালারি লেব্রুনে একটি প্রদর্শনীর আয়োজন করা হয়, যেখানে ডেভিডের কর্মসমূহের সাথে সক্রেটিসের মৃত্যু চিত্রকর্মটিও প্রদর্শিত হয়। প্রদর্শনীটি ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করে, কারণ বোরবোঁ পুনর্নির্মাণের পরবর্তী রাজতান্ত্রিক সরকার ডেভিডকে অপছন্দ করতো এবং তার দেহ ফ্রান্সে সমাহিত করার অনুমতি দেয়নি; যদিও মূল কারণ ছিল তার বিপ্লবকালীন চিত্রকর্ম, সক্রেটিস নয়।[১২]
মালিকানা
[সম্পাদনা]১৭৯৪ সালে সন্ত্রাসের রাজত্বকালে শার্ল-মিশেল ত্রুদেন দ্য লা সাবলিয়ের ও তার ভাই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হলে, চিত্রকর্মটি তার ভাইয়ের স্ত্রী লুইজ মিকো দ্য কুরবেতোঁ, মাদাম ত্রুদেন দ্য মোঁতিনির অধিকারে চলে যায়। উত্তরাধিকার ও ব্যক্তিগত বিক্রয়ের মাধ্যমে চিত্রকর্মটি একাধিক ব্যক্তির হাতে আসে; এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন অলিভিয়ে দ্য সাঁ-জর্জ দ্য ভেরাক ও তার স্ত্রী, যাদের অধিকারে এটি ১৮০৯ থেকে ১৮৭০ সাল পর্যন্ত সংরক্ষিত ছিল। ১৯৩১ সালে চিত্রকর্মটি নিউ ইয়র্ক শহরের মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্টে বিক্রি হয়, এবং তখন থেকেই এটি সেখানেই সংরক্ষিত আছে।[৬]
টীকা
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 লাজার-বারচার্ট, ইভা (১৯৯৯)। নেকলাইনস: দ্য আর্ট অব জ্যাক-লুই ডেভিড আফটার দ্য টেরর। নিউ হেভেন: ইয়েল। পৃ. ৫৭।
- 1 2 3 4 5 6 Lee, Simon (১৯৯৯)। ডেভিড। লন্ডন: Phaidon। পৃ. ৯৮–১০৫, ১৩৪।
- 1 2 O'Neill, জন পি. (১৯৮৭)। প্রজ্বলন ও বিপ্লবের যুগে ইউরোপ। Metropolitan Museum of Art। পৃ. ১১–১২, ৬০।
- ↑ দ্য নান্তেউইল, লুক। জ্যাক-লুই ডেভিড। নিউ ইয়র্ক: হ্যারি এন. এব্রামস, ইনক., ১৯৯০। পৃ. ৬৪।
- ↑ Johnson, ডোরোথি (১৯৯৩)। জ্যাক-লুই ডেভিড: শিল্পের রূপান্তর। প্রিন্সটন বিশ্ববিদ্যালয় প্রেস। পৃ. ৬৬–৬৮। আইএসবিএন ০৬৯১০৩২১৮১।
- 1 2 "সক্রেটিসের মৃত্যু"। মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট। সংগ্রহের তারিখ ৫ জুলাই ২০২২।
- 1 2 Vidal, Mary (১৯৯৫)। "ডেভিড আধুনিকদের মধ্যে: শিল্প, বিজ্ঞান, এবং ল্যাভোয়িসিয়ার"। Journal of the History of Ideas। ৫৬ (৪): ৫৯৮। ডিওআই:10.2307/2709994। জেস্টোর 2709994।
- 1 2 Roberts, Warren (১৯৮৯)। জ্যাক লুই ডেভিড: বিপ্লবী চিত্রশিল্পী। চ্যাপেল হিল: The University of North Carolina Press। পৃ. ৩২।
- 1 2 3 Schnapper, Antoine (১৯৮১)। ডেভিড। নিউ ইয়র্ক: Alpine Fine Arts। পৃ. ৭৮–৮৪, ১০১। আইএসবিএন ০৯৩৩৫১৬৫৯২।
- ↑ de Caso, Jacques (অক্টোবর ১৯৭২)। "জ্যাক লুই ডেভিড এবং 'আল্ ল'আন্টিকা' শৈলী"। দ্য বার্লিংটন ম্যাগাজিন। পৃ. ৬৮৬–৬৯০।
- ↑ ম্যালেউভ্রে, ডিডিয়ের। “ডেভিডের মৃত্যু চিত্রায়ন।” ডায়াক্রিটিক্স ৩০, নং ৩ (শরৎ ২০০): ১–২৭. পৃ. ২৫.
- ↑ Wright, Beth S. (২০০৬)। ""ডেভিড, তুমি কোথায়?" পুনর্নির্মাণের শিল্পসমালোচনায় ডেভিডের চলমান উপস্থিতি"। জ্যাক লুই ডেভিড: নতুন দৃষ্টিকোণ। University of Delaware Press। পৃ. ১৪৯, ১৫৪। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৭৪১৩-৯৩০-৩।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- সক্রেটিসের মৃত্যু - মেট্রোপলিটন মিউজিয়াম অব আর্ট
- সক্রেটিসের মৃত্যু – গুগল আর্ট প্রজেক্ট
উইকিসংকলনে সক্রেটিসের মৃত্যু-এর সম্পূর্ণ পাঠ্য পড়ুন।, ১৮৯২ সালের ফিডো-এর একটি অনুবাদ