সং রাজবংশ
সং 宋 | |||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| ৯৬০–১২৭৯ | |||||||||||||||||||||||
১১১১ খ্রিস্টাব্দে সং রাজবংশের সর্বোচ্চ বিস্তার | |||||||||||||||||||||||
| অবস্থা | সাম্রাজ্য | ||||||||||||||||||||||
| রাজধানী | |||||||||||||||||||||||
| প্রচলিত ভাষা | মধ্য চীনা | ||||||||||||||||||||||
| ধর্ম | চীনা বৌদ্ধধর্ম, তাওবাদ, কনফুসীয়বাদ, চীনা লোকজ ধর্ম, ইসলাম, নেস্টোরিয়ান খ্রিস্টধর্ম | ||||||||||||||||||||||
| সরকার | রাজতন্ত্র | ||||||||||||||||||||||
| Emperor | |||||||||||||||||||||||
• ৯৬০–৯৭৬ | সম্রাট তাইজু (উত্তর সং-এর প্রতিষ্ঠাতা) | ||||||||||||||||||||||
• ১১২৭–১১৬২ | সম্রাট গাওজং (দক্ষিণ সং-এর প্রতিষ্ঠাতা) | ||||||||||||||||||||||
• ১২৭৮–১২৭৯ | ঝাও বিং (শেষ সম্রাট) | ||||||||||||||||||||||
| ঐতিহাসিক যুগ | পোস্ট-ক্লাসিক্যাল বা উত্তর ধ্রুপদী | ||||||||||||||||||||||
• প্রতিষ্ঠিত | ৪ ফেব্রুয়ারি ৯৬০[১] | ||||||||||||||||||||||
| ১০০৫ | |||||||||||||||||||||||
| ১১১৫–১১২৫ | |||||||||||||||||||||||
| ১১২৭ | |||||||||||||||||||||||
• Beginning of Mongol invasion | ১২৩৫ | ||||||||||||||||||||||
• Fall of Lin'an | ১২৭৬ | ||||||||||||||||||||||
• ইয়মেনের যুদ্ধ (রাজবংশের সমাপ্তি) | ১৯ মার্চ ১২৭৯ | ||||||||||||||||||||||
| আয়তন | |||||||||||||||||||||||
| ৯৫৮ টেমপ্লেট:Est.[২] | ৮,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৩,১০,০০০ বর্গমাইল) | ||||||||||||||||||||||
| ৯৮০ টেমপ্লেট:Est.[২] | ৩১,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (১২,০০,০০০ বর্গমাইল) | ||||||||||||||||||||||
| ১১২৭ টেমপ্লেট:Est.[২] | ২১,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৮,১০,০০০ বর্গমাইল) | ||||||||||||||||||||||
| ১২০৪টেমপ্লেট:Est.[২] | ১৮,০০,০০০ বর্গকিলোমিটার (৬,৯০,০০০ বর্গমাইল) | ||||||||||||||||||||||
| জনসংখ্যা | |||||||||||||||||||||||
• ১১২০ শতক | |||||||||||||||||||||||
| জিডিপি (মনোনীত) | আনুমানিক | ||||||||||||||||||||||
• মাথাপিছু | |||||||||||||||||||||||
| মুদ্রা | জিয়াওজি, গুয়ান্জি, হুইজি, চীনা ক্যাশ | ||||||||||||||||||||||
| |||||||||||||||||||||||
| সং রাজবংশ | |||||||||||||||||||||||||||||||||
"Song dynasty" in Chinese characters | |||||||||||||||||||||||||||||||||
| চীনা | 宋朝 | ||||||||||||||||||||||||||||||||
|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
| |||||||||||||||||||||||||||||||||
প্রাচীন চীন সাম্রাজ্যে ৯৬০ খ্রিস্টাব্দ হতে ১২৭৯ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত সময়কালে যে রাজবংশ শাসন করে সেটি সং রাজবংশ নামে পরিচিত ছিল। তাং রাজবংশের পরবর্তী সময়ে রাজনৈতিক বিশৃঙ্খলার পাঁচ রাজবংশ এবং দশ রাজ্যের সময়কাল (৯০৭ খ্রিস্টাব্দ হতে ৯৭০ খ্রিস্টাব্দ) এই রাজবংশের শাসনকাল অনুসরণ করে,কিন্তু শাসনকাল স্থায়ী হয় ৩১৯ বৎসর এবং ইউয়ান রাজবংশের উত্থানে শেষ হয়। সং রাজবংশের শাসনামলে চীনে উল্লেখযোগ্য সাংস্কৃতিক, প্রযুক্তিগত এবং অর্থনৈতিক অগ্রগতি পরিলক্ষিত হয়। চীনের এই শাসকই বিশ্বে প্রথম কাগজের মুদ্রার প্রচলন এবং চীনা নৌবাহিনী প্রতিষ্ঠা করে। [৬][৭] এই রাজবংশের সময় বারুদের ব্যবহার শুরু হয় এবং নৌচলাচলের জন্য চুম্বক প্রাথমিক হাতিয়ার হয়ে ওঠে।
রাজনৈতিক ও সামরিক ইতিহাস
[সম্পাদনা]
৯৬০ খ্রিস্টাব্দে চেন ছিয়াও অভ্যুত্থানে' [৮] সং রাজবংশের সূচনা হয় যার নেতৃত্বে, তিনি ছিলেন পরবর্তী ঝৌ ম রাজবংশের প্রভাবশালী সামরিক জেনারেল ঝাও কুয়াংই। সং রাজবংশের প্রথম 'সম্রাট তাইজু' উপাধিতে তার রাজ্যাভিষেক হয়। এর ফলে পাঁচ রাজবংশ এবং দশ রাজ্যের সময়কালের অবসান ঘটে, চীনকে একীভূত করেন এবং চিরতরে বদলে দেন।[৯]
সং রাজবংশের ইতিহাস দুটি যুগে বিভক্ত - উত্তর (বেই) ও দক্ষিণ (নান) যুগ।
নর্দার্ন সং বা উত্তর সং (北宋; ৯৬০–১১২৭): এর সময়, রাজধানী ছিল উত্তরের শহর বিয়ানজিং (বর্তমানে কাইফেং) এবং এই রাজবংশ বর্তমান পূর্ব চীনের বেশিরভাগ অংশ নিয়ন্ত্রণ করত। সং যুগের সময়কালে উত্তর চীনে ছিতান উপজাতির লিয়াও রাজ্য (৯৪৭ খ্রিস্টাব্দ হতে ১১২৫ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত), উত্তর-পশ্চিম চীনে তাং সিয়াং উপজাতির সিসিয়া রাজ্য ( ১০৩৮ খ্রিস্টাব্দ হতে ১২২৭ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত), নুইজেন উপজাতির জিন রাজ্য (১১১৫ খ্রিস্টাব্দ হতে ১২৩৪ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত) ছিল। কিন্তু প্রায়শই একে অপরের সাথে সংঘর্ষে লিপ্ত হত। ১১২৫ খ্রিস্টাব্দে জিন রাজ্য লিয়াও রাজ্যকে কুক্ষিগত করে। ১১২৭ খ্রিস্টাব্দের জিন-সং যুদ্ধে জুরচেন-নেতৃত্বাধীন জিন রাজবংশের কাছে সং ভূখণ্ডের উত্তর অর্ধেকের উপর নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে এবং রাজধানী দখল করে সম্রাট হুই ও সম্রাট ছিংকে বন্দী করে।জিন নামে এক রাজবংশের প্রতিষ্ঠা হয় যা চেঙ্গিস খানের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা ১২১১ খ্রিস্টাব্দে উত্তরে জিন রাজ্যের উপর আক্রমণ শুরু করে।
সাউদার্ন সং (南宋; ১১২৭–১২৭৯): কিন্তু জিনেরা ইয়াংজি নদীর দক্ষিণে (চ্যাং জিয়াং) সং রাজবংশের অঞ্চলগুলি দখল করতে পারেনি। দক্ষিণের জলবায়ু এবং সুন্দর পরিবেশে সং রাজবংশের সম্রাট গাওজোং ইয়াংৎজির দক্ষিণে পিছু হটে সিংহাসনে অধিষ্ঠিত হন। পরে তিনি লিন'আনে (বর্তমানে হাংজুতে) চলে যান এবং রাজধানী স্থাপন করেন। গাওজোং ছিলেন হান রাজবংশের সিভিল সার্ভিস পরিচালনার অত্যন্ত সফল পদ্ধতির একজন সচেতন ভক্ত এবং অনুকরণকারী। তিনি এবং সাম্রাজ্যের আমলারা দীর্ঘদিন ধরে ভালভাবে কাজ করেন আর তিনি বিলাসী জীবন যাপন করতে থাকেন। তদুপরি সং রাজবংশের প্রতিষ্ঠাতারা শুরু থেকেই ইচ্ছাকৃতভাবে একটি বৃহৎ বেসামরিক আমলাতন্ত্র এবং এমন একটি ব্যবস্থা তৈরি করে সামরিক জেনারেলদের ক্ষমতা হ্রাস করেছিলেন যেখানে কেবল সম্রাটের সেনাবাহিনীর উপর পূর্ণ নিয়ন্ত্রণ ছিল। উত্তরাঞ্চল পুনরায় একীভূত করার সাহস দক্ষিণ সং রাজবংশের ছিল না। কিন্তু সময়ের সাথে সাথে, রাজবংশের পতন শুরু হয়। উত্তরে মঙ্গোলদের চূড়ান্ত সাফল্য এবং সং-এর সাথে কয়েক দশকের অস্বস্তিকর সহাবস্থানের পর, চেঙ্গিস খানের নাতিদের নেতৃত্বে মঙ্গোলরা ১২৫০ খ্রিস্টাব্দে সং বাহিনীর উপর অগ্রসর হয়। সং রাজবংশ হলুদ নদীর আশেপাশের ঐতিহ্যবাহী চীনা কেন্দ্রস্থলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে। সং বাহিনী ১২৭৬ খ্রিস্টাব্দ পর্যন্ত যুদ্ধ চালিয়ে যায়, কিন্তু তাদের রাজধানীর পতন হয়। ১২৭৯ খ্রিস্টাব্দে গুয়াংজু (ক্যান্টন) এর কাছে সং নৌবহরের ধ্বংস হয় এবং সং রাজবংশের অবসান ঘটে।[১০]
অর্থনৈতিক ও সামাজিক অগ্রগতি
[সম্পাদনা]মধ্যযুগীয় বিশ্বের সবচেয়ে সমৃদ্ধ এবং উন্নত অর্থনীতির দেশগুলির মধ্যে অন্যতম ছিল সং রাজবংশ। এদের শাসনকালে অর্থনীতিতে সমৃদ্ধি দেখা গিয়েছিল এবং অভ্যন্তরীণ ও আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের উল্লেখযোগ্য প্রসার ঘটেছিল বিশেষকরে উপকূলীয় বন্দর শহরগুলিতে। চীনারা যৌথ স্টক কোম্পানি এবং একাধিক পালতোলা জাহাজে বিনিয়োগ করত।বেসরকারি এবং সরকার-নিয়ন্ত্রিত উভয় শিল্পই সং-এর ক্রমবর্ধমান চীনা জনসংখ্যার চাহিদা পূরণ করত। আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের প্রাথমিক রুট হিসাবে স্থল-ভিত্তিক সিল্করুটের পরিবর্তে সামুদ্রিক সিল্ক রুট প্রতিষ্ঠিত হয়।

তামার মুদ্রা বাণিজ্যে বিনিময়ের উপায় ছিল। ১০৮৫ খ্রিস্টাব্দে তামার মুদ্রার বার্ষিক উৎপাদন ছিল ছয় বিলিয়ন। সং রাজবংশের শাসকেরা ১১শতকে বিশ্বের ইতিহাসে প্রথম কাগজের মুদ্রা জারি করে। কাগজের মুদ্রা কারখানায় নিযুক্ত কর্মীদের সংখ্যা ছিল বিশাল। ১১৭৫ খ্রিস্টাব্দে র হাংজুতে অবস্থিত কারখানাটি প্রতিদিন এক হাজারেরও বেশি শ্রমিককে নিয়োগ করত।[১১] ব্যবসা-বাণিজ্যের বৃদ্ধিতে নগরায়ণ হতে থাকে। বৃহৎ শহরের সংখ্যা এবং পাশাপাশি জনসংখ্যা বৃদ্ধি হতে থাকে। কিছু শহরের জনসংখ্যা সেসময় দশ লক্ষেরও বেশি ছিল। এদের শাসনামলে শতাব্দীর শেষ নাগাদ জনসংখ্যা ১০ কোটিতে পৌঁছায়।
সাংস্কৃতিক ও প্রযুক্তিগত উদ্ভাবন
[সম্পাদনা]চীনে শিল্প ও সংস্কৃতির স্বর্ণযুগ ছিল সং রাজবংশের আমলে। ধ্রুপদী চীনা মৃৎশিল্পের বিকাশ ঘটেছিল এই সময়েই। ভূদৃশ্য চিত্রকলার চরম শিখর স্পর্শ পণ্ডিত ও দক্ষ কলাকুশলীদের জন্য। তারা নতুন শৈল্পিক শৈলীর বিকাশ ঘটান।
সং রাজবংশের রাজত্বকালে বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির সাফল্য উল্লেখযোগ্য। বিশেষকরে মুদ্রণ, দিকদর্শন যন্ত্র এবং বারুদের আবিষ্কার। [৮]
ইউরোপের চেয়ে চার শো বছর আগে (১০৪১-১০৪৮) খ্রিস্টাব্দে মুদ্রণ প্রযুক্তি আবিষ্কার করেন চীনা বিজ্ঞানী বি শেং (৯৫২ -১০৫১)। [১২]
মুদ্রণ শিল্পের ব্যাপক প্রসারে গ্রন্থসহ অন্যান্য মুদ্রিত উপকরণ সহজলভ্যতা বৃদ্ধি পায়। সাক্ষরতাও বৃদ্ধি পায়। পাশাপাশি সাহিত্য, দর্শনে (নব্য-কনফুসিয়ানিজম) উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি দেখা যায়।
বিজ্ঞানী ও প্রকৌশলীদের গুরুত্বপূর্ণ আবিষ্কারের স্থাপত্য, নৌবাহিনী ও নেভিগেশন, চিকিৎসা, জ্যোতির্বিদ্যায় অগ্রগতি সাধিত হয়। যার ফলে দেশে স্থায়ী নৌবাহিনী যা ১১৩২ খ্রিস্টাব্দে প্রথম অধুনা ঝিয়াং প্রদেশের ডিংহাই- এ প্রতিষ্ঠিত হয় এবং শতাব্দী শেষে বাহান্ন হাজার সামুদ্রিক যুদ্ধ পোতে পৌঁছায়। [১৩]
বিজ্ঞানী শেন কুও ১০৮৮ খ্রিস্টাব্দে রচিত গ্রন্থ “স্বপ্নঝরনার ধারে লিপিকা” (夢溪筆談; মেংশি বিতান) গ্রন্থে প্রথম চৌম্বকীয় সূচীমুখ কম্পাসের বর্ণনা দেন [৮] এবং চৌম্বক উত্তর মেরুর দিকে চৌম্বক বিষুবলম্বের মানের ভিত্তিতে প্রকৃত উত্তর দিকের ধারণায় উপনীত হন। যা পরবর্তীতে নৌবাহিনীর এবং নেভিগেশনের জন্য সঠিক চৌম্বকীয় কম্পাস দিকনির্ণয় যন্ত্র হিসাবে ব্যবহৃত হতে শুরু করে। [১৪] সেই সাথে যুদ্ধে বারুদ অস্ত্রের ব্যবহার সং রাজবংশের শাসনামলেই শুরু হয়।[১৩] অত্যাধুনিক জ্যোতির্বিদ্যা সংক্রান্ত ঘড়ি তৈরি করা হয়।
শারীরস্থান ও ঔষধবিদ্যার উপর গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ প্রাপ্যতা বৃদ্ধি পায়।
কনফুসীয় ধ্রুপদী নীতির উপর ভিত্তি করে দেশে সিভিল সার্ভিস পরীক্ষা ব্যবস্থা সম্প্রসারিত হয়। কনফুসিয়ান ক্লাসিক ও অন্যান্য বিষয়ের উপর ভিত্তি করে পরীক্ষা নেওয়ায় সামাজিক গতিশীলতা এবং বৃহত্তর আমলাতন্ত্রের সুযোগ সৃষ্টি হয়। দেশে শিক্ষিত এবং নানা পেশায় দক্ষ কর্মকর্তাদের দল তৈরি হয়।
সং রাজবংশের আমলে চীনের প্রধান ধর্ম ছিল কনফুসীয়বাদ, তাও ধর্ম এবং চীনা বৌদ্ধধর্ম, যা পরবর্তীকালে সমগ্র রাজবংশ জুড়ে নব্য-কনফুসীয় ধর্মের অনেক বিশ্বাস এবং নীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করে। তবে, বৌদ্ধধর্ম কট্টর কনফুসীয় সমর্থকদের দ্বারা তীব্র সমালোচনার মুখে পড়ে। প্রাচীন চীনা পুরাণ , চীনা লোকজ ধর্ম এবং পূর্বপুরুষদের উপাসনার পুরানো বিশ্বাসগুলিও দৈনন্দিন জীবনে একটি বড় ভূমিকা পালন করেছিল, জীবিতদের মধ্যে আধ্যাত্মিক জগতের দেবতা এবং ভূতদের উপর ব্যাপক বিশ্বাস ছিল।
উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব
[সম্পাদনা]সং রাজবংশের অগ্রগতি সার্বিক উন্নতিতে যাঁরা অবদান রাখেন, তাদের কর্মকর্তা পদাধিকারীসহ অন্যান্য বিশিষ্ট জনেরা হলেন -
- বি শেং (৯৫২ -১০৫১) , নতুন প্রযুক্তি মুদ্রন (চলমান ধরনের মুদ্রন) ব্যবস্থা।
- শেন কুও, (১০৩১ - ১০৯৫), উচ্চপদস্থ সং কর্মকর্তা, চীনা বহুবিদ্যাবিশারদ বিজ্ঞানী, ১২টি সৌর পদ সম্বলিত সৌর-পদ ক্যালেন্ডার প্রবর্তক
- সিমা গুয়াং, (১০১৯ -১০৮৬) কর্মকর্তা, চীনা ইতিহাসবিদ - জিঝি টংজিয়ান শীর্ষক দিন-লিপি ইতিহাসের প্রধান সম্পাদক
- ঔ ইয়াং সিউ (১০০৭ - ১০৭২), লেখক ও সাহিত্যিক, 'নিউ বুক অফ তান' বা নতুন তাং এর পুস্তক শীর্ষক গ্রন্থে তাং রাজবংশের ইতিহাস সংকলক।
- সু সং (১০২০ - ১১০১) গণিতজ্ঞ, উদ্ভিদবিদ, বিজ্ঞানী, জ্যোতির্বিদ।
- ইয়ান শু, (৯৯১–১০৫৫), উত্তর সং রাজবংশের একজন চীনা কবি, রাজনীতিবিদ, ক্যালিগ্রাফার এবং প্রাবন্ধিক|
- চৌবাংইয়ান, (১০৫৬ -১১২১), বিখ্যাত চীনা কবি এবং সাহিত্যিক।
- লিউইয়ং (৯৮৪ -১০৫৩), চীনা কবি।
- লি তাং (১০৫০-১১৩০ ), ভূদৃশ্য চিত্রশিল্পী।
- লিউ সংনিয়ান (১১৫০ -১২২৪) সম্রাট নিংজং কর্তৃক গোল্ডেন গার্ডল পুরস্কারে ভূষিত ভূদৃশ্য চিত্রশিল্পী।
- মা ইউয়ান (১১৬০-১২২৫), ভূদৃশ্য চিত্রশিল্পী।
- জিয়া গুই ( ১১৯৫ - ১২২৪ ), ভূদৃশ্য চিত্রশিল্পী।
- জাংজেদুয়ান (張擇端), বিখ্যাত চিত্রশিল্পী, যিনি 'ক্লিয়ার অ্যাজ এ বিউটি' (清明上河圖) নামক বিখ্যাত চিত্রকর্মটি এঁকেছিলেন।
নীচে সং রাজবংশের রাষ্ট্র প্রধানদের একটি সম্পূর্ণ তালিকা দেওয়া হল-
তালিকা
[সম্পাদনা]| রাজ্যাভিষেকে নাম | চিত্র | জন্ম নাম | আয়ুষ্কাল | শাসনকাল |
|---|---|---|---|---|
| তাইজু | ঝাও কুয়াংইয়িন | (৯২৭-৯৭৬) ৪৯ | (৯৬০-৯৭৬) | |
| তাইজং | ঝাও জিয়ং | (৯৩৯-৯৯৭) ৫৮ | ৯৭৬-৯৯৭ | |
| ঝেনজং | ঝাও হেং | (৯৬২-১০২২) ৬০ | ৯৯৭-১০২২ | |
| রেনজং | ঝাও জেন | (১০১০-১০৬৩) ৫৩ | ১০২২ - ১০৬৩ | |
| ইংজং | ঝাও শু | (১০৩২-১০৬৭) ৩৫ | ১০৬৩-১০৬৭ | |
| শেনজং | ঝাও জু | (১০৪৮-১০৮৫) ৩৭ | ১০৬৭-১০৮৫ | |
| ঝেজং | ঝাও জু | (১০৭৭-১১০০) ২৩ | ১০৮৫-১১০০ | |
| হুইজং | ঝাও জি | (১০৮২-১১৩৫) ৫৩ | ১১০০-১১২৫ | |
| কিনজং | ঝাও হুয়ান | (১১০০-১১৬১) ৬১ | ১১২৬-১১২৭ | |
| গাওজং | ঝাও গৌ | (১১০৭-১১৮৭) ৮০ | ১১২৭-১১৬২ | |
| জিয়াওজং | ঝাও শেন | (১১২৭ ১১৯৪) ৬৭ | ১১৬২-১১৮৯ | |
| গুয়াংজং | ঝাও ডান | (১১৪৭-১২০০) ৫৩ | ১১৮৯-১১৯৪ | |
| নিংজং | ঝাও কুও | (১১৬৮-১২২৪) ৫৬ | ১১৯৪ -১২২৪ | |
| লিজং | ঝাও ইউন | (১২০৫-১২৬৪) ৫৯ | ১২২৪-১২৬৪ | |
| ডুজং | ঝাও কুই | (১২৪০-১২৭৪) ৩৪ | ১২৬৪ -১২৭৪) | |
| গং | ঝাও জিয়ান | (১২৭১-১৩২৩) ৫২ | ১২৭৫ | |
| ডুয়ানজং | ঝাও শি | (১২৬৮-১২৭৮) ১০ | ১২৭৬-১২৭৮ | |
| হুয়াইজং | ঝাও বিং | (১২৭১-১২৭৯) ৮ | ১২৭৮-১২৭৯ | |
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Lorge 2015, পৃ. 4–5।
- 1 2 3 4 Taagepera 1997, পৃ. 493।
- ↑ Chaffee 2015, পৃ. 29, 327।
- ↑ Chaffee 2015, পৃ. 625।
- ↑ Broadberry, Stephen। "China, Europe and the Great Divergence: A study in historical national accounting, 980–1850" (পিডিএফ)। Economic History Association। ৯ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০২০।
- ↑ The great wall at sea: China's Navy enters the twenty-first century, Bernard D. Cole, Naval Institute Press, 2001, ISBN 978-1-55750-239-1, ... The high point of naval developments in imperial China was probably during the Song Dynasty ...
- ↑ History of humanity, Sigfried J. de Laet, UNESCO, 2000, ISBN 978-92-3-102813-7, ... From 1100 onwards, the Song Dynasty started to exploit the explosive potential of gunpowder in the wars with the Jurchen of the Jin ...
- 1 2 3 "China ABC - China Radio International"। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Song dynasty summary"। সংগ্রহের তারিখ ২০ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ "Song dynasty Chinese history"। সংগ্রহের তারিখ ২২ নভেম্বর ২০২৫।
- ↑ Needham, Joseph (১৯৮৬)। Science and Civilisation in জChina: Volume 1, Introductory Orientations, Cambridge। Cambridge University Press।
- ↑ "The History of Printing in Asia Accoding to Library of Congress"। সংগ্রহের তারিখ ২৩ নভেম্বর ২০২৫।
- 1 2 Needham, Joseph (১৯৮৬)। Science and Civilisation in China: Volume 1, Introductory Orientations, Cambridge। Cambridge University Press। পৃ. ৪৭৬।
- ↑ (ইংরেজি)জন মেকহ্যাম (২০০৮)। China: The World's Oldest Living Civilization Revealed। Thames & Hudson। পৃ. ২৩৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৫০০-২৫১৪২-৩।