শ্রুতি মহাপাত্র

শ্রুতি মহাপাত্র (জন্ম আনু. ১৯৬৩ ) একজন প্রতিবন্ধী অন্তর্ভুক্তি বিশেষজ্ঞ। তাঁর অভিজ্ঞতা রয়েছে অন্তর্ভুক্তিমূলক শিক্ষা এবং অন্তর্ভুক্তিমূলক দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও পরিকল্পনায়।
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]শ্রুতি মহাপাত্রের জন্ম আনু. ১৯৬৩ সালে।[১] তিনি ভারতের ওড়িশা রাজ্যের রাজধানী ভুবনেশ্বরে থাকেন।[১][২] ১৯৮৭ সালে, তিনি ইউনিয়ন পাবলিক সার্ভিস কমিশন পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর একজন ভারতীয় প্রশাসনিক পরিষেবা কর্মকর্তা হতে চেয়েছিলেন কিন্তু একটি গাড়ি দুর্ঘটনায় তাঁর মেরুদণ্ডে আঘাত লাগে।[১] শ্রুতি একজন হুইলচেয়ার ব্যবহারকারী যিনি প্রতিবন্ধী অধিকারের জন্য প্রচারণা চালান।[২] তিনি ওড়িশা রাজ্য শিশু অধিকার সুরক্ষা কমিশনের সভাপতিত্ব করেছেন এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের অধিকার সম্পর্কিত জাতীয় কমিটির সদস্য।[৩]
২০০৯ সালে, পুরীর জগন্নাথ মন্দির হুইলচেয়ার ব্যবহারকারীদের জন্য প্রবেশ যোগ্য করে তোলা হলে তিনি অন্যান্য কর্মীদের সাথে জয়লাভ করেন।[৪] ভারতে কোভিড-১৯ মহামারীর সময়, তিনি সতর্ক করে দিয়েছিলেন যে ওড়িশার ৪৩ শতাংশ প্রতিবন্ধী শিশু স্কুল ছেড়ে দিচ্ছে।[৫]
পুরস্কার এবং স্বীকৃতি
[সম্পাদনা]২০১০ সালে শ্রুতি মহাপাত্র রিয়েল হিরোজ পুরস্কার পেয়েছিলেন।[১] ২০২২ সালের আন্তর্জাতিক নারী দিবসে রাষ্ট্রপতি রামনাথ কোবিন্দ তাঁকে ২০২১ সালের নারী শক্তি পুরস্কার প্রদান করেন।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Baral, Maitree (৬ নভেম্বর ২০১৭)। "'Disability' Rendered Her Unsuitable For IAS: Meet Sruti Mohapatra, Crusader For People With Disabilities"। NDTV (ইংরেজি ভাষায়)। ১২ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২২।
- 1 2 "Sruti Mohapatra Gives The Disabled Opportunities She Never Had"। Outlook India (ইংরেজি ভাষায়)। ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২২। ৯ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২২।
- 1 2 Kainthola, Deepanshu (৮ মার্চ ২০২২)। "President Presents Nari Shakti Puraskar for the Years 2020, 2021"। Tatsat Chronicle Magazine (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ মার্চ ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ Mahapatra, Sampad (২৮ অক্টোবর ২০০৯)। "Temple for special people"। NDTV। ১৫ আগস্ট ২০১৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২২।
- ↑ "43 lakh disabled students across states may drop out, unable to cope with e-education"। The Times of India। ANI। ২৫ জুলাই ২০২০। ৩০ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ মার্চ ২০২২।