শ্বেতাঙ্গ
এই নিবন্ধটি ইংরেজি উইকিপিডিয়ার সংশ্লিষ্ট নিবন্ধ অনুবাদ করে সম্প্রসারণ করা যেতে পারে। (জুন ২০২৫) অনুবাদ করার আগে গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশাবলি পড়ার জন্য [দেখান] ক্লিক করুন।
|
শ্বেতাঙ্গ হলো মূলত ইউরোপীয় বংশধরদের জন্য ব্যবহৃত একটি বর্ণগত শ্রেণীবিভাগ । এটি ত্বকের রঙ নির্দেশক। শ্বেতাঙ্গ বলতে সাদা চামড়ার লোকদের বোঝায়, যদিও সংজ্ঞাটি প্রেক্ষাপট, জাতীয়তা, জাতিসত্তা এবং দৃষ্টিকোণের উপর নির্ভর করে পরিবর্তিত হতে পারে।
ত্বকের রঙের ভিত্তিতে "শ্বেতাঙ্গ" হিসেবে জনগোষ্ঠির বর্ণনা গ্রিকো-রোমান নৃতাত্ত্বিক এবং অন্যান্য প্রাচীন বা মধ্যযুগীয় উৎসগুলিতে মাঝে মাঝে পাওয়া যায়, তবে এই সমাজগুলিতে শ্বেতাঙ্গ জাতি বা সর্ব-ইউরোপীয় পরিচয়ের কোনও ধারণা ছিল না। "শ্বেতাঙ্গ জাতি" বা "শ্বেতাঙ্গ মানুষ" শব্দটি সপ্তদশ শতাব্দীর শেষের দিকে প্রধান ইউরোপীয় ভাষাগুলিতে প্রবেশ করে, যা সংজ্ঞায়িত হয় ফর্সা ত্বক এবং ইউরোপীয়দের অন্যান্য শারীরিক বৈশিষ্ট্য দ্বারা। সে সময় ইউরোপীয় উপনিবেশগুলিতে বর্ণবাদী দাসত্ব এবং সামাজিক মর্যাদার প্রেক্ষাপটে "একীভূত শ্বেতাঙ্গ" ধারণাটি ইউরোপে অধিকতর গ্রহণযোগ্যতা অর্জন করে। গবেষকরা বর্ণের আধুনিক ধারণাকে প্রাক-আধুনিক ধারণা থেকে আলাদা করে থাকেন; আধুনিক ধারণা জাতিগত ধারণার পরিবর্তে শারীরিক বর্ণের উপর দৃষ্টি নিবদ্ধ করে। আধুনিক যুগের আগে, কোনও ইউরোপীয় মানুষ নিজেদেরকে "শ্বেতাঙ্গ" বলে মনে করত না; বরং তারা তাদের ধর্ম, বংশ, নৃতত্ত্ব বা জাতীয়তার পরিপ্রেক্ষিতে তাদের পরিচয় সংজ্ঞায়িত করত। [১]
সমসাময়িক নৃতত্ত্ববিদ এবং অন্যান্য বিজ্ঞানীরা, বিভিন্ন মানব জনগোষ্ঠীর মধ্যে জৈবিক পরিবর্তনের বাস্তবতা স্বীকার করলেও, একটি ঐক্যবদ্ধ, স্বতন্ত্র "শ্বেতাঙ্গ জাতি" ধারণাটিকে কোনও বৈজ্ঞানিক ভিত্তি ছাড়া একটি সামাজিক গঠন হিসাবে বিবেচনা করেন।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Nirenberg, David (২০০৯)। "Was there race before modernity? The example of 'Jewish' blood in late medieval Spain" (পিডিএফ)। The Origins of Racism in the West। Cambridge University Press। পৃ. ২৩২–২৬৪। ২৭ ডিসেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৪।