শেরিল কারা স্যান্ডবার্গ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
শেরিল কারা স্যান্ডবার্গ
Sheryl Sandberg 2013.jpg
ফেসবুকে স্যান্ডবার্গ, লন্ডন (এপ্রিল, ২০১৩)
জন্মশেরিল কারা স্যান্ডবার্গ
(১৯৬৯-০৮-২৮) ২৮ আগস্ট ১৯৬৯ (বয়স ৪৯)
ওয়াশিংটন ডি. সি., ইউএস
যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ছাত্র/ছাত্রীহার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় (BA, MBA)
পেশাCOO, ফেসবুক
কার্যকাল১৯৯১ - বর্তমান
মোট সম্পত্তিবৃদ্ধি $১.০ বিলিয়ন (জানুয়ারী ২০১৪)[১]
রাজনৈতিক দলডেমোক্রেটিক
বোর্ড সদস্যদ্য ওয়াল্ট ডিজনি কোম্পানি
Women for Women International
Center for Global Development
V-Day
SurveyMonkey
দাম্পত্য সঙ্গীব্রায়ান ক্রাফ (তালাকপ্রাপ্ত ১৯৯৪)
ডেভিড গোল্ডবার্গ (বিবাহ ২০০৪)
সন্তান২ (গোল্ডবার্গের সাথে)

শেরিল কারা স্যান্ডবার্গ (/ˈsændbərɡ, bərɡ/) (জন্ম ২৮শে আগস্ট, ১৯৬৯) একজন আমেরিকান মহিলা ব্যবসায়ী। ২০১৩ সালের আগস্ট অনুযায়ী তিনি ফেসবুকের প্রধান অপারেটিং অফিসার। ২০১২ সালের জুনে তিনি পরিচালনা বোর্ডের বিদ্যমান সদস্যদের দ্বারা নির্বাচিত হয়ে প্রথম নারী সদস্য হিসেবে ফেসবুক বোর্ডে যোগদান করেন। ফেসবুকের আগে তিনি অনলাইন সেলস এন্ড অপারেশনের ভাইস প্রেসিডেন্ট ছিলেন। তিনি গুগলের সহপ্রতিষ্ঠান গুগল অর্গানাইজেশনের সাথেও জড়িত ছিলেন। গুগলের পূর্বে তিনি ইউনাইটেড স্টেটস সেক্রেটারি অফ ট্রেজারিতে প্রধান হিসেবে কাজ করেন। ২০১২ সালে তিনি টাইমস ম্যাগাজিনের মতে বিশ্বের সবচেয়ে প্রভাবশালী ১০০ জনের মধ্যে তালিকাভুক্ত হন। জানুয়ারী, ২০১৪ সালের হিসাব অনুযায়ী তার সম্পত্তির পরিমাণ ১ বিলিয়ন আমেরিকান ডলারেরও বেশি। তার প্রধান অর্থের উৎস হল ফেসবুক ও অন্যান্য কোম্পানির শেয়ার।

পরিচয়[সম্পাদনা]

শেরিল স্যান্ডবার্গ ১৯৬৯ সালের ২৮ আগস্ট যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটনে জন্মগ্রহণ করেন। তার আরও এক ভাই ও বোন রয়েছেন। ভাইয়ের নাম ডেবিড এবং বোনের নাম মিচেল। তার বয়স যখন ২ বছর তখন তার বাবা-মা নর্থ মিয়ামি বীচ থেকে ওয়াশিংটনে চলে আসেন। তিনি ২৫ বছর বয়সে বিশ্বের খ্যাতনামা হার্ভার্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে উচ্চশিক্ষা নেন।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

হার্ভার্ড থেকে গ্রাজুয়েশন শেষ করে যোগ দেন বিশ্ব ব্যাংকে। তার ২০০৪ সালে যোগ দেন বিশ্বের প্রধান সার্চ ইঞ্জিন ‘গুগল’ এ। তিনি সার্চ ইঞ্জিন গুগলের 'গ্লোবাল অনলাইন সেলস' এর ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। গুগলে চাকরি নেয়ার আগে স্যান্ডবার্গ যুক্তরাষ্ট্রের অর্থমন্ত্রীর চীফ অব স্টাফ হিসেবে কাজ করেছেন। ৪ বছর সেখানে চাকরি করার পর ২০০৮ সালে যোগ ফেসবুকে। স্বয়ং মার্ক জুকারবার্গই তাকে গুগল থেকে ফেসবুকে নিয়ে আসেন। ওই বছর ‘ওম্যান ইন টেকনোলজি, ইন্টারন্যাশনাল’ বিশ্বপ্রযুক্তিতে শীর্ষ ১০ ক্ষমতাবান নারীর তালিকায় চলে আসেন তিনি। ফেসবুকের চিফ অপারেটিং অফিসার পদে দায়িত্ব পালনে শেরিল স্যান্ডবার্গ বিপণন, বিকিকিনি, লোকসম্পদ, লোকনীতি এবং যোগাযোগের বিষয়গুলো সরাসরি তত্ত্বাবধান করেন। নিত্যদিনই ফেসবুকে অনলাইনে সার্চ ইঞ্জিন ক্রয়-বিক্রয়ে নিত্যনতুন প্রযুক্তি উদ্ভাবনে অবদান রেখে চলেছেন এ নারী প্রযুক্তিবিদ। প্রতিষ্ঠানের তথ্যানুযায়ী ২০১১ সালে তিনি সবচেয়ে বেশি বেতনের কর্মকর্তার মর্যাদা পান। এ বছর ফেসবুক থেকে বেতন হিসেবে শেরিল তিন কোটি ৯০ লাখ ডলার সম্মানী পেয়েছেন। ২০১২ সালের জুনে তিনি ফেসবুক কোম্পানির পরিচালনা পর্ষদের একজন প্রভাবশালী সদস্য নির্বাচিত হন। ফেসবুক ছাড়াও তিনি ওয়াল্ট ডিজনি ও উইমেন ইন্টারন্যাশনালের পরিচালনা পর্ষদের সদস্য।

বিলিয়নিয়ার[সম্পাদনা]

ব্লুমবার্গ এর এক প্রতিবেদনে শেরিল স্যান্ডবার্গকে বিশ্বের অন্যতম কম বয়সী বিলিয়নেয়ার হিসেবে উল্লেখ করেন। তাঁর সম্পদের পরিমাণ এক বিলিয়ন বা ১০০ কোটি ডলার অতিক্রম করেছে। শেরিলের এ ধনী হওয়ার পেছনে রয়েছে জনপ্রিয় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকের শেয়ার। জানা গেছে শেরিলের প্রায় এক কোটি ২৩ লাখ ফেসবুক শেয়ার রয়েছে। সম্প্রতি এ শেয়ারগুলোর মূল্য বৃদ্ধিই তাঁর অর্থবিত্তের কারণ। ব্লুমবার্গ বিলিয়নেয়ার্স ইনডেস্ক ইতিমধ্যেই ৪৪ বছর বয়সী শেরিলকে বিশ্বের অন্যতম তরুণ বিলিয়নেয়ার হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করেছে। ২০১৪ সালে ফোর্বস ম্যাগাজিন আরেক প্রতিবেদনে তাকেই বিশ্বের সবচেয়ে কম বয়সী বিলিয়নিয়ার নারী হিসেবে আখ্যায়িত করেন।

বিয়ে[সম্পাদনা]

১৯৯৩ সালে ব্রেইন ক্রাফ এর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন তিনি। তার পরের বছর ১৯৯৪ সালে তাদের মধ্যে বিচ্ছেদ ঘটে। ২০০৪ সালে ডেভিড গোল্ডবার্গকে বিয়ে করেন তিনি। পারিবারিক জীবনে তিনি এক ছেলে এবং এক মেয়ে সন্তানের মা।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. CNN Money: "Facebook's Sandberg is now a billionaire" By Chris Isidore January 22, 2014
উদ্ধৃতি ত্রুটি: <references>-এ সংজ্ঞায়িত "newyorker11" নামসহ <ref> ট্যাগ পূর্ববর্তী লেখায় ব্যবহৃত হয়নি।