বিষয়বস্তুতে চলুন

শুয়েইশা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শুয়েশা ইনক.
স্থানীয় নাম
株式会社集英社
কাবুশিকি-গাইশা শুয়েশা
ধরনব্যক্তিগত কেকে
শিল্পপ্রকাশনা
প্রতিষ্ঠাকাল৮ আগস্ট ১৯২৬; ১০০ বছর আগে (1926-08-08)
প্রতিষ্ঠাতাতাকেও ওগা
সদরদপ্তর,
জাপান
বাণিজ্য অঞ্চল
বিশ্বব্যাপী
প্রধান ব্যক্তি
শিনিচি হিরোনো [jp]
(প্রেসিডেন্ট ও সিইও)
পণ্যসমূহম্যাগাজিন, মাঙ্গা, ছবির বই, লাইট নভেল, শিক্ষামূলক বই, রেফারেন্স বই এবং অন্যান্য বই
মালিকহিতোৎসুবাশি গ্রুপ (ওগা পরিবার)
কর্মীসংখ্যা
৭৫৭[১] (২০১৯)
মাতৃ-প্রতিষ্ঠানশোগাকুকান (৫০%)
অধীনস্থ প্রতিষ্ঠান
  • হাকুসেনশা
  • হোমশা
  • শুয়েশা সার্ভিসেস
  • চিওদা স্টুডিও
  • শুয়েশা ক্রিয়েটিভ
  • শুয়েশা ইন্টারন্যাশনাল
  • হিতোৎসুবাশি প্ল্যানিং
  • শুয়েশা বিজনেস
  • প্রজেক্ট৮
  • ভিজ মিডিয়া
  • শুয়েশা গেমস
  • রিমো
ওয়েবসাইটwww.shueisha.co.jp/en/

শুয়েশা ইনক. (জাপানি: 株式会社集英社, হেপবার্ন: কাবুশিকি-গাইশা শুয়েই-শা) জাপানের টোকিওতে অবস্থিত একটি প্রকাশনা সংস্থা। এটি জাপানের বৃহত্তম প্রকাশনা সংস্থা হিসেবে পরিচিত।[২] ১৯২৫ সালে আরেক প্রকাশনা সংস্থা শোগাকুকানের বিনোদন বিভাগ হিসেবে এর যাত্রা শুরু হয়। এর পরের বছর, অর্থাৎ ১৯২৬ সালে, শুয়েশা একটি পৃথক ও স্বাধীন কোম্পানিতে পরিণত হয়।

শুয়েশা বিভিন্ন জনপ্রিয় মাঙ্গা ম্যাগাজিন প্রকাশ করে থাকে। এর মধ্যে জাম্প সিরিজটি অন্যতম, যার অধীনে সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প-এর মতো বিখ্যাত শৌনেন ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়। এছাড়াও, সাপ্তাহিক ইয়ং জাম্প-এর মতো সেইনেন ম্যাগাজিন এবং নন-নো-এর মতো ফ্যাশন ম্যাগাজিনও প্রকাশ করে। শুয়েশা তার মূল সংস্থা শোগাকুকানের সাথে যৌথভাবে ভিজ মিডিয়ার মালিকানাধীন, যা উত্তর আমেরিকায় মাঙ্গা প্রকাশ করে।[৩]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯২৫ সালে, প্রধান প্রকাশনা সংস্থা শোগাকুকান (১৯২২ সালে প্রতিষ্ঠিত) দ্বারা শুয়েশা তৈরি হয়েছিল। শোগাকুকানের সহযোগিতায় শুয়েশা কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম উপন্যাস ছিল জিনজো শোগাকু ইচিনেন জোসেই (尋常小學一年女生)। ১৯২৭ সালে, দানশি এহোন এবং জোশি এহোন নামে দুটি উপন্যাস তৈরি করা হয়েছিল। ১৯২৮ সালে, শুয়েশা গেন্দাই হিউমার জেনশু (現代ユーモア全集, গেন্দাই ইউমোয়া জেনশু) নামক একটি সংকলন সম্পাদনার দায়িত্ব পায়।

দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের পর, শুয়েশা ওমোশিরো বুক নামে একটি মাঙ্গা লাইন প্রকাশ করা শুরু করে। ওমোশিরো বুক শৌনেন ওজা নামে একটি ছবির বই প্রকাশ করে, যা ছেলে ও মেয়েদের মধ্যে ব্যাপক জনপ্রিয়তা লাভ করে।

শুয়েশা কর্তৃক প্রকাশিত প্রথম ম্যাগাজিন ছিল আকারুকু তানোশি শৌনেন-শোজো জাচ্ছি। ১৯৪৯ সালের সেপ্টেম্বরে, ওমোশিরো বুক একটি ম্যাগাজিনে রূপান্তরিত হয়। ১৯৫১ সালে, এর একটি নারী সংস্করণ শোজো বুক প্রকাশিত হয়, যেখানে কিশোরী মেয়েদের লক্ষ্য করে মাঙ্গা থাকত। ১৯৫২ সালে শুয়েশার হিতোৎসুবাশি ভবন সম্পূর্ণরূপে স্বাধীন হয়। সেই বছর, ওমোশিরো বুক-এর প্রকাশনা বন্ধ হয়ে যায় এবং মিওজো একটি মাসিক পত্রিকা হিসেবে প্রকাশনা শুরু করে।

১৯৫৫ সালে, শোজো বুক-এর সাফল্যের ফলে বর্তমানে চলমান রিবন ম্যাগাজিনটির প্রকাশনা শুরু হয়। ১৯৫৯ সালে শৌনেন বুক প্রকাশিত হয়। ১৯৬০-এর দশকে, মিওজো-র একটি স্পিন-অফ বেসসাতসু উইকলি মিওজো প্রকাশিত হয়।

১৯৬৫ সালে, আরও দুটি ম্যাগাজিন তৈরি করা হয়: কোবাল্ট এবং শৌনেন বুক-এর শাখা বেসসাতসু শৌনেন বুক।[৪]

১৯৬৬ সালে, শুয়েশা সাপ্তাহিক প্লেবয়, সেইশুন তো দোকুশো এবং শোসেৎসু জুনিয়র প্রকাশ করা শুরু করে। ১৯৬৮ সালে মার্গারেট ম্যাগাজিনটি সেভেনটিন ম্যাগাজিনটি ইংরেজি সংস্করণের জাপানি সংস্করণ হিসেবে চালু করে।

শৌনেন জাম্প একই বছরে একটি দ্বি-সাপ্তাহিক পত্রিকা হিসেবে তৈরি হয়েছিল। ১৯৬৯ সালে, ম্যাগাজিনটি একটি সাপ্তাহিক সংকলনে পরিণত হয় এবং এর নাম পরিবর্তন করে সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প রাখা হয়। শৌনেন বুক বন্ধ হয়ে যাওয়ার পর, সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প-এর একটি স্পিন-অফ চালু হয়, যা প্রাথমিকভাবে বেসসাতসু শৌনেন জাম্প নামে পরিচিত ছিল। দ্বিতীয় সংখ্যা থেকে এর নাম পরিবর্তন করে মাসিক শৌনেন জাম্প রাখা হয়।

২০১৬ সালের অক্টোবরে, শুয়েশা ড্রাগন বল রুম (ドラゴンボール室, দোরাগন বোরু শিৎসু) নামে একটি নতুন বিভাগ তৈরির ঘোষণা দেয়। এটি শুধুমাত্র আকিরা তোরিয়ামার ড্রাগন বল-এর ব্র্যান্ডকে অপ্টিমাইজ এবং প্রসারিত করার জন্য নিবেদিত।[৫]

২০১৯ সালের ২৮ জানুয়ারি, শুয়েশা অনলাইন ম্যাগাজিন শৌনেন জাম্প+-এর বিশ্বব্যাপী ইংরেজি ভাষার সংস্করণ মাঙ্গা প্লাস চালু করে। এটি চীন এবং দক্ষিণ কোরিয়া ছাড়া প্রতিটি দেশে বিনামূল্যে উপলব্ধ।

২০২২ সালের ৩১ মার্চ, শুয়েশা ঘোষণা করে যে, তারা শুয়েশা গেমস নামে একটি নতুন সম্পূর্ণ মালিকানাধীন সহায়ক সংস্থা প্রতিষ্ঠা করেছে। এই সংস্থাটি অন্যান্য ডেভেলপারদের চলমান প্রকল্পে সহায়তা করবে এবং সাপ্তাহিক শৌনেন জাম্প-এর একজন শিল্পীর চরিত্র নকশা নিয়ে একটি মোবাইল গেম তৈরি করবে।[৬][৭][৮]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "企業情報 | 集英社 ― Shueisha ―"। ২২ জুলাই ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৪ নভেম্বর ২০১৯।
  2. ↑ "【2023年最新】出版社 売上ランキングTOP40 1位は集英社、2位は講談社、3位は? - ネリマーケ"। nerimarketing.net (জাপানি ভাষায়)। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
  3. ↑ "会社案内 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত জুলাই ২২, ২০১৭ তারিখে." Shueisha. Retrieved on October 1, 2009.
  4. ↑ "集英社 小史|成長期"। Shueisha। ২৪ সেপ্টেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০০৮।
  5. ↑ "Shueisha Establishes New Department Focused on Dragon Ball"। Anime News Network। ১৩ অক্টোবর ২০১৬। ১৪ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ এপ্রিল ২০১৭।
  6. ↑ Pineda, Rafael Antonio (৩১ মার্চ ২০২২)। "Shueisha Establishes 'Shueisha Games' Company"। Anime News Network।
  7. ↑ "Manga Publisher Shueisha launches Shueisha Games Subsidiary"। ৩১ মার্চ ২০২২। ১ এপ্রিল ২০২২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুলাই ২০২৫।
  8. ↑ Agossah, Iyane (৩১ মার্চ ২০২২)। "Dragon Ball Publisher Shueisha Reveals Game Studio And Over 5 Projects"। DualShockers।