শীলা এফ ইরানি
শীলা এফ ইরানি | |
|---|---|
| জন্ম | ১২ জুন ১৯২২ |
| মৃত্যু | ১০ এপ্রিল ২০০৩ (বয়স ৮০) |
| পেশা | শিক্ষক |
| দাম্পত্য সঙ্গী | ফারুক কে. ইরানি |
| সন্তান | ৩ |
শীলা এফ ইরানি (১২ই জুন ১৯২২ - ১০ই এপ্রিল ২০০৩) ছিলেন একজন ভারতীয় শিক্ষক, শিক্ষাবিদ এবং মানবতাবাদী। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে একজন নার্সের কাজ করার জন্য তিনি ভাইসরয়ের সার্টিফিকেট অফ মেরিট পেয়েছিলেন। তিনি দশম লোকসভার (১৯৯৫-৯৬) এবং কর্ণাটক বিধানসভার (১৯৬৯-৭৮) মনোনীত সদস্য ছিলেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]শীলা ১৯২২ সালের ১২ই জুন নৈনিতালে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর বাবা ছিলেন জর্জ এগবার্ট ফার্গুসন এবং মা উনা মড ফার্গুসন। তিনি বোম্বে (বর্তমানে মুম্বই) থেকে তাঁর শিক্ষক প্রশিক্ষণ পাঠ্যক্রম সম্পন্ন করেন।[১]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]শীলা ইরানি দিল্লিতে একজন নার্সারি শিক্ষিকা হিসেবে নিজের কর্মজীবন শুরু করেছিলেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময়, তিনি সেন্ট জনস অ্যাম্বুলেন্স বাহিনীতে একজন স্বেচ্ছাসেবক হিসেবে নার্সের কাজ করেছিলেন। তাঁর সেবার জন্য, তাঁকে ভাইসরয়ের সার্টিফিকেট অফ মেরিট প্রদান করা হয়েছিল। ১৯৬৮ সালে, তিনি কর্ণাটকের মহীশূরে আইডিয়াল জাওয়া রোটারি চিলড্রেন'স স্কুল প্রতিষ্ঠা করেন। এটি শহরের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ স্কুলগুলির মধ্যে একটিতে পরিণত হয়। শীলা ইরানি মানবিক কাজেও জড়িত ছিলেন, তিনি মহীশূরে কুষ্ঠরোগীদের সেবা করতেন, একটি অনাথ আশ্রমের সহ-সভাপতি এবং একটি মিশন হাসপাতালের ট্রাস্টি হিসেবে কাজ করতেন। তিনি একটি স্বাস্থ্যালয়ের বোর্ডেও ছিলেন এবং বেঙ্গালুরুতে অবস্থিত দ্য ফ্র্যাঙ্ক অ্যান্থনি পাবলিক স্কুল ও ক্যাথেড্রাল হাই স্কুলের নির্বাহী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।[১]
১৯৬৮ সালে, শীলা ইরানি কর্ণাটক বিধানসভায় মনোনীত হন, সেখানে তিনি ১৯৭৮ সাল পর্যন্ত সদস্য ছিলেন। ১৯৯৩ থেকে ১৯৯৫ সালের মধ্যে তিনি মহীশূর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে দায়িত্ব পালন করেন।[১] ১৯৯৫ সালে, তিনি অ্যাংলো-ইণ্ডিয়ানদের জন্য সংরক্ষিত আসনগুলির একটিতে দশম লোকসভায় মনোনীত হন।[২] তিনি অ্যাংলো-ইণ্ডিয়ান অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ছিলেন।[৩]
শিলা ইরানি চামুণ্ডি শিশু সদনও তৈরি করেছিলেন।
ব্যক্তিগত জীবন
[সম্পাদনা]শীলা ইরানি ব্যবসায়ী ফারুক কে. ইরানিকে বিয়ে করেন, ফারুক মহীশূরের বিখ্যাত ইয়েজদি ব্র্যাণ্ডের মোটরসাইকেলের নির্মাতা আইডিয়াল জাওয়া ইণ্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেডের প্রতিষ্ঠাতা এবং সিএমডি ছিলেন। ১৯৫১ সালে তাঁরা একসাথে কর্ণাটকের মহীশূরে স্থানান্তরিত হন এবং তাঁদের দুই ছেলে ও এক মেয়ে হয়।[১][৩] শীলা ২০০৩ সালের ১০ই এপ্রিল মারা যান।[৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 Sobers, S. N. Venkatnag (১০ এপ্রিল ২০১৩)। "Remembering.: Sheila Irani : She Brought Futuristic Change to School Education"। Star of Mysore।
- ↑ "Appointments"। Press Institute of India। ১৯৯৫: ২৩৪।
{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য|journal=প্রয়োজন (সাহায্য) - 1 2 "Former MP Sheila Irani passes away"। Zee News। ১০ এপ্রিল ২০০৩। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৭।
- ↑ "Thirteenth Loksabha Session 14 Date:21-07-2003"। Lok Sabha। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০১৭।