শিশু দিবস (জাপান)
এই নিবন্ধটির রচনা সংশোধনের প্রয়োজন হতে পারে। কারণ ব্যাকরণ, রচনাশৈলী, বানান বা বর্ণনাভঙ্গিগত সমস্যা রয়েছে। (নভেম্বর ২০২৫) |
| শিশু দিবস | |
|---|---|
কইনোবোরি: সবচেয়ে উপরে থাকা কালো কার্প মাছটি (Magoi) বাবাকে প্রতিনিধিত্ব করে। লাল কার্প মাছটি (Higoi) মাকে প্রতিনিধিত্ব করে। সর্বশেষ কার্প মাছটি শিশুকে (ঐতিহ্যগতভাবে পুত্রকে) প্রতিনিধিত্ব করে। এরপর প্রতিটি অতিরিক্ত সন্তানের জন্য আরও একটি করে কার্প যোগ করা হয়, যার রঙ এবং অবস্থান তাদের আপেক্ষিক বয়স নির্দেশ করে।[১] | |
| আনুষ্ঠানিক নাম | 子供の日 (কোদোমো নো হি) |
| পালনকারী | জাপান |
| ধরন | জাতীয় |
| তাৎপর্য | শিশুদের ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানাতে এবং তাদের সুখ ও শান্তি কামনা করে উদ্যাপন করা হয় |
| উদযাপন | জাপানের একটি জাতীয় ছুটির দিন |
| পালন | জাপান সরকার কর্তৃক ১৯৪৮ সালে একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসাবে মনোনীত হয়, তবে প্রাচীনকাল থেকেই এটি জাপানে উদ্যাপিত হতো |
| তারিখ | ৫ মে |
| সংঘটন | বার্ষিক |
| সম্পর্কিত | সুবর্ণ সপ্তাহ (জাপান), তাঙ্গো নো সেক্কু, দুয়ানওউ উৎসব, ড্যানো উৎসব, দোয়ান এনগো উৎসব |
শিশু দিবস (জাপানি: こどもの日 হেপবার্ন: Kodomo no hi, কোদোমো নো হি) হচ্ছে জাপানের একটি জাতীয় ছুটির দিন, যা প্রতি বছর ৫ ই মে পালিত হয়। এটি জাপানের সুবর্ণ সপ্তাহের শেষ আয়োজন। এই দিনটি শিশুদের ব্যক্তিত্বকে সম্মান জানাতে এবং তাদের সুখ ও শান্তি কামনা করে উদ্যাপন করা হয়। ১৯৪৮ সালে দিবসটিকে জাপান সরকার একটি জাতীয় ছুটির দিন হিসাবে মনোনীত করেছে (যদিও প্রাচীনকাল থেকেই এটি উদ্যাপিত হয়ে আসছে)।[২][৩]
১৯৪৮ সাল থেকে শিশু দিবসটি আনুষ্ঠানিকভাবে নারী এবং পুরুষ উভয়ের সুখ কামনা করার দিন হিসেবে স্বীকৃত।[২][৩] তবে এর আদি উৎস তাঙ্গো নো সেক্কু (Tango no Sekku) শুধুমাত্র বালকদের জন্যই পালিত হতো। যা দ্বাদশ শতাব্দীর কামাকুরা যুগ থেকে বিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি পর্যন্ত বিদ্যমান ছিল। শিশু দিবসের বর্তমান প্রথাগুলোতে এখনও সেই সময়কার কিছু রীতিনীতি দেখা যায়।[৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]এই দিবসটির প্রকৃত নাম ছিল তাঙ্গো নো সেক্কু ( 端午の節句 ) যা রাজদরবারে অনুষ্ঠিত পাঁচটি বাৎসরিক অনুষ্ঠানের অন্যতম এবং এটি চান্দ্রসৌর পঞ্জিকার পঞ্চম মাসের পঞ্চম দিনে পালিত হতো। মূলত তাঙ্গো নো সেক্কু ছিল একটি নারী দিবস।
এই দিনে নারীরা আইরিশ ( Iris ) ফুল দিয়ে ঘরের ছাদ আচ্ছাদন করে ঘরকে পরিশুদ্ধ করতেন, কারণ বিশ্বাস করা হতো যে আইরিশ অশুভ আত্মাকে দূরে সরাতে সক্ষম। এটি নারীদের শরীরকে বিশ্রাম দেওয়ারও দিন ছিল। কিন্তু কামাকুরা যুগে ( ১১৮৫-১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দ ) যখন সামুরাই শ্রেণি সরকারের ক্ষমতা গ্রহণ করে, তখন এটি বালকদের দিবসে পরিবর্তিত হয়। এর কারণ ছিল: আইরিশ এমন একটি উদ্ভিদ ছিল যা সামুরাইদের প্রতিনিধিত্ব করে (এর পাতা জাপানি তলোয়ারের ফলার মতো দেখতে ছিল।)
'শোবু' ( 尚武, Shōbu ) শব্দটির অর্থ হলো সামরিক বিষয়কে গুরুত্ব দেওয়া; এটির উচ্চারণ 'আইরিশ' ( 菖蒲, Iris ) এর মতো একই হওয়ায় একে সামুরাইদের জন্য একটি শুভ উদ্ভিদ বলে মনে করা হতো। এই সময়কাল থেকে অশুভ আত্মাদের দূরে রাখার উপায় হিসেবে ৫ মে তারিখে ইয়াবুসমে ( Yabusame, ঘোড়ায় চড়ে তীর নিক্ষেপ ) অনুষ্ঠান পালন করা হতো।[৪][৫][৬][৭][৮]
শিশু দিবসে গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো ( Gogatsu Ningyo ) নামে পরিচিত ক্ষুদ্রাকৃতির জাপানি বর্ম এবং কাবুটো (শিরস্ত্রাণ ) প্রদর্শনের প্রথাটির উৎপত্তি কামাকুরা থেকে মুরোমাচি (১৩৩৩–১৫৭৩ খ্রিষ্টাব্দ) যুগের মধ্যে। সামুরাইরা বর্ষা মৌসুমের আগে মে মাসে তাদের বর্ম, শিরস্ত্রাণ এবং জাপানি তলোয়ারগুলো গুদাম থেকে বের করে যত্ন নিতেন। যেহেতু এটি ছিল তাঙ্গো নো সেক্কুর সময়, তাই তারা তাদের সন্তানদের সুরক্ষার আশায় বর্ম, কাবুটো এবং জাপানি তলোয়ারগুলো প্রদর্শন করা শুরু করতেন।[৪][৫]
এদো যুগে (১৬০৩–১৮৬৭ খ্রিষ্টাব্দ) তাঙ্গো নো সেক্কুর উদ্যাপনগুলো অত্যন্ত জাঁকজমকপূর্ণ হয়ে ওঠেছিল। সামুরাই পরিবারগুলো আসল বর্ম, কাবুটো এবং জাপানি তলোয়ারের পাশাপাশি সামুরাই পুতুল ( 武者人形, Musha Ningyo ) প্রদর্শন করতো; আর সাধারণ পরিবারগুলো কাগজের কাবুটো প্রদর্শন করতো। মে মাসের ৫ তারিখে বাথটাবে আইরিশ ফুল দিয়ে স্নান করার প্রথাটিও এই যুগেই শুরু হয়েছিল।[৪][৫]
শিশু দিবসে কইনোবোরি (কার্প মাছের ফ্ল্যাগ) সাজানোর প্রথাটি এদো যুগে শুরু হয়েছিল। এদো যুগে তাঙ্গো নো সেক্কুর সময় সামুরাই পরিবারগুলো তাদের সামরিক ইউনিট বোঝানোর জন্য মন ( পারিবারিক প্রতীক ) আঁকা নোবোরি ( Nobori ) বা ফুকিনুকে ( 吹貫, Fukinuke ) পতাকা দিয়ে তাদের উঠোন সাজানো শুরু করতেন। এরপর নোবোরি এবং ফুকিনুকে একত্রিত হয়ে যায় এবং প্রথম কইনোবোরি মাছের ফ্লাগ এদো-তে (বর্তমানে টোকিও) আবির্ভূত হয়। বর্তমানে যে রঙিন কইনোবোরি দেখা যায়, তা মেইজি যুগ (১৮৬৮–১৯১২ খ্রিস্টাব্দ) থেকে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।[৪][৫]
জাপান যখন গ্রেগরীয় বর্ষপঞ্জি গ্রহণ করে, তখন এর তারিখ পরিবর্তন করে ৫ই মে করা হয়। ১৯৪৮ সাল পর্যন্ত, শিশু দিবসটি বালক দিবস ( Boys' Day ) নামে পরিচিত ছিল ( ব্যানার উৎসব বা Feast of Banners নামেও পরিচিত ছিল )। এই দিনটি ৩ রা মার্চে পালিত হিনামাতসুরি বা বালিকা দিবস-এর প্রতিপক্ষ হিসেবে বালকদের জন্য উদ্যাপিত হতো এবং বাবাদের স্বীকৃতি দিত। ১৯৪৮ সালে এই দিনটির নাম পরিবর্তন করে শিশু দিবস করা হয়। এর উদ্দেশ্য ছিল ছেলে-মেয়ে সব শিশুদের অন্তর্ভুক্ত করা এবং বাবা ও মায়ের সাথে ঐক্য ও পরিবারের গুণাবলীকে স্বীকৃতি দেওয়া।[২][৩]
শৌওয়া যুগে (১৯২৬–১৯৮৯ খ্রিষ্টাব্দ) জনপ্রিয়তা সামুরাই পুতুল থেকে ক্ষুদ্রাকৃতির বর্মের দিকে স্থানান্তরিত হয় এবং একবিংশ শতাব্দী থেকে ক্ষুদ্রাকৃতির কাবুটো ( শিরস্ত্রাণ) জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। সম্ভবত জাপানি বাড়িগুলোর আকারের কারণেই এই পরিবর্তন এসেছিল।[৪][৫]
- দুটি সামুরাই পুতুল
- কোইনোবরি, নোবরি এবং ফুকিনুকে (吹貫)। "শিশুদের জন্মের সম্মানে জাপানী উৎসব" J.M.W. এর "Skeches of Japanese Manners and Customs" থেকে। রৌপ্য, নেটিভ ড্রয়িং দ্বারা চিত্রিত, (১৮৬৭ সালে লন্ডনে প্রকাশিত)
- উতগাওয়া হিরোশিগে রচিত উকিও-ই কোননোবরি, এডো যুগ
উদ্যাপন
[সম্পাদনা]শিশু দিবসে জাপানি পরিবারগুলো কইনোবোরি উত্তোলন করে। এটি হলো কার্প মাছের আকৃতির একটি পতাকা (উইন্ডসক), যা বাতাসে কার্প মাছের মতো দেখতে লাগে। (এই প্রথাটির পেছনে একটি চীনা কিংবদন্তি রয়েছে। সেখানে বলা হয়: যে কার্প মাছ স্রোতের বিপরীতে সাঁতরে উপরে উঠতে পারে, সেটি ড্রাগন হয়ে স্বর্গের দিকে উড়ে যায়,[৯] এবং বাতাসে ওড়ানো এই উইন্ডসকটি দেখতে অনেকটা সাঁতার কাটা মাছের মতো লাগে)। কইনোবোরি-তে: বাবার জন্য কালো কার্প, মায়ের জন্য লাল বা গোলাপী কার্প, এবং প্রতিটি সন্তানের জন্য একটি করে কার্প (সাধারণত নীল, কখনও কখনও সবুজ ও কমলাও দেখা যায়)। ঐতিহ্যগতভাবে, যখন এটি শুধু বালক দিবস হিসেবে পালিত হতো, তখন লাল কইনোবোরিটি ছিল জ্যেষ্ঠ পুত্রের জন্য এবং নীল ও অন্যান্য অতিরিক্ত রঙগুলি ছিল কনিষ্ঠ পুত্রদের জন্য।
আধুনিক কালে, জাপানি পরিবারগুলো সাধারণত শিশু দিবসে গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো ( মে মাসের পুতুল ) নামক ক্ষুদ্রাকৃতির জাপানি বর্ম বা কাবুটো ( শিরস্ত্রাণ ) প্রদর্শন করে। এই পুতুলগুলো সাধারণত হেয়ান ( ৭৯৪-১১৮৫ খ্রিস্টাব্দ ) এবং কামাকুরা ( ১১৮৫-১৩৩৩ খ্রিস্টাব্দ ) যুগের জনপ্রিয় ও-ইয়োরোই (Ō-yoroi) বা দো-মারু (Dō-maru) শৈলীতে তৈরি করা হয়। এই শৈলীর বর্মগুলো সেনগোকু যুগের তোসেই গুসোকু ( Tōsei Gusoku ) শৈলীর বর্মের চেয়ে দেখতে বেশি জমকালো হয়। এছাড়াও, বালকের মাথার আকারের উপযোগী করে তৈরি করা কাবুটোও থাকে, যা বাস্তবে পরা যেতে পারে। আনুষ্ঠানিক গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো একটি স্তরযুক্ত তাকে সাজানো হয়, যার সাথে ইউমি ( Yumi, ধনুক ), তাচি ( Tachi, লম্বা তলোয়ার ), জাপানি যুদ্ধ-পাখা এবং জিঙ্গাসা ( Jingasa, সামুরাই টুপি ) ইত্যাদিও রাখা হয়।[৪][৫]
এদো যুগ (Edo period) পর্যন্ত ক্ষুদ্রাকৃতির বর্ম এবং কাবুটো-র (শিরস্ত্রাণ) চেয়ে সামুরাই পুতুলগুলো বেশি প্রচলিত ছিল। জাপানি লোক-বীর মোমোতারো, কিন্তারো, উশিওয়াকামারু, বেনকেই, সম্রাট জিনমু এবং শোকি-কে প্রায়শই এই পুতুল তৈরির বিষয়বস্তু হিসেবে বেছে নিতো।[৪][৫]
এই দিনটিতে ঐতিহ্যগতভাবে কাশীওয়া মোচি ( Kashiwa mochi ) এবং চিমাকি (Chimaki) পরিবেশন করা হয়।[২][১০] কাশীওয়া মোচি হলো মিষ্টি ভাতের পিঠা, যার ভেতরে লাল বিনের জ্যাম ভরা থাকে এবং এটি ওক ( Oak ) পাতা দিয়ে মোড়ানো হয়। কাশীওয়া মোচিতে ব্যবহৃত ওক পাতা সম্পর্কে বলা হয় যে, নতুন পাতা না আসা পর্যন্ত এই গাছের পুরনো পাতা ঝরে যায় না, তাই এটি বংশের সমৃদ্ধির প্রতীক হিসেবে সৌভাগ্যের নিদর্শন বলে মনে করা হয়। চিমাকি হলো মিষ্টি ভাতের পিঠা, যা আইরিশ বা বাঁশের পাতা দিয়ে মোড়ানো থাকে।[৪]
আইরিশকে ঔষধি গুণসম্পন্ন এবং অশুভ শক্তি দূর করার ক্ষমতা আছে বলে বিশ্বাস করা হয়, তাই ৫ই মে এটি বিভিন্ন উদ্দেশ্যে ব্যবহার করা হয়। উদাহরণস্বরূপ: লোকেরা স্নানের জলে আইরিশ ফুল দিয়ে স্নান করতো, পাতলা করে কাটা আইরিশের মূল বা পাতা সেক ( Sake, জাপানি পানীয় )-এ ভিজিয়ে পান করতো, অথবা পাতলা ওয়াশি ( Washi, জাপানি ঐতিহ্যবাহী কাগজ )-এর ভেতরে আইরিশ ভরে বালিশের নিচে রেখে ঘুমাতো।[৪][৫][৮]
- নাকায়মা-ডেরাতে গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো।
- তাইশো যুগ বা প্রথম দিকে শোওয়া যুগ থেকে গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো। ও-ইওরোই স্টাইলে ক্ষুদ্র বর্ম, শোকি এবং সম্রাট জিনমু সমন্বিত সামুরাই পুতুল (পিছনে বাম এবং ডানে), ও-ইয়োরোই এবং টোসেই গুসোকুতস শৈলীতে বর্ম পরিহিত সামুরাই পুতুল।
- গোগাৎসু নিঙ্গিয়ো (কাবুতো)
- কাশীওয়া মোচি
- চিমাকি
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Perkins, Dorothy (১৯৯১)। Encyclopedia of Japan: Japanese History and Culture, from Abacus to Zori। Facts on File। পৃ. ৪৬। আইএসবিএন ৯৭৮০৮১৬০১৯৩৪২। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৮।
- 1 2 3 4 Kigawa, Michiyo। "Kodomo no hi: Children's Day Celebration"। About Japan: A Teacher's Resource (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। Japan Society। ১৮ অক্টোবর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৮।
- 1 2 3 "Kid's Corner: Children's Day"। Consulate General of Japan in New York। সংগ্রহের তারিখ মে ৫, ২০১৯।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 9 10 五月人形と鯉のぼりの由来 (জাপানি ভাষায়)। Nagoya Japanese Sword Museum Nagoya Touken World। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- 1 2 3 4 5 6 7 8 五月人形の基礎知識 (জাপানি ভাষায়)। Nagoya Japanese Sword Museum Nagoya Touken World। ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Naoto Yoshikai [in জাপানি] (১৮ এপ্রিল ২০১৮)। 「端午の節句」について (জাপানি ভাষায়)। Doshisha Women's College of Liberal Arts। ৮ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ Horoyuki Ishizuka (১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০)। 鎌倉春ごよみ (জাপানি ভাষায়)। Town news-Sha Co., LTD.। ২৭ অক্টোবর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- 1 2 菖蒲酒(しょうぶさけ)邪気を払い延命を記念する、端午の節句のしきたり (জাপানি ভাষায়)। Gekkeikan। ৬ নভেম্বর ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ ফেব্রুয়ারি ২০২৩।
- ↑ "端午の節句と5月人形" [Tango no sekku and May dolls] (জাপানি ভাষায়)। Japanese Doll Association। ৬ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০১৪।
- ↑ Louie, Elaine (১ মে ১৯৯১)। "For Children's Day, Sweets, Of Course"। The New York Times (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩ মে ২০১৮।