বিষয়বস্তুতে চলুন

শিখ নারীবাদ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

১৪৬৯ সালে গুরু নানক পাঞ্জাবে শিখ ধর্ম প্রতিষ্ঠা করেছিলেন, তাঁর ধর্মের ভিত্তির ছিল যে, জাতি, বয়স বা লিঙ্গ নির্বিশেষে সকলেই সমান।[] শিখ পুরুষ এবং মহিলা উভয়েরই পঞ্চ'ক' অনুসরণ করার কথা বলা হয়েছিল, যেগুলি হল: কেশ (অকর্তিত চুল), কাঙ্গা (চিরুনি), কারা (লোহার ব্রেসলেট), কাছেরা (সুতির অন্তর্বাস) ও কিরপাণ (লোহার ছোরা), এবং ধর্মতাত্ত্বিক স্তরে একজন মহিলা ও একজন পুরুষের মধ্যে কখনও কোনও পার্থক্য না করা। মন্দিরে (গুরুদ্বারে) পুরুষ ও মহিলাদের সমানভাবে বিবেচনা করা হয়, এবং সবাই পাশাপাশি খেতে বসতে পারে এবং প্রার্থনা করতে পারে।[] পুরুষ এবং মহিলা উভয়কেই নিজেদের সাথে কিরপাণ বহন করতে হবে কারণ তাদের নিজস্ব শারীরিক সুরক্ষার দায়িত্ব নিজেকেই নিতে হবে এবং অন্যের উপর নির্ভর করা উচিত নয়। শিখরা কঠোরভাবে বর্ণপ্রথার বিরুদ্ধে এবং অনেকেই ভারতের সমস্যাযুক্ত বর্ণপ্রথার বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য শেষ নাম হিসেবে কৌর বা সিং ব্যবহার করেছেন। শিখ ধর্মে কেবল একজন ঈশ্বর (ওয়াহেগুরু) আছেন এবং তাদের কোন রূপ বা লিঙ্গ নেই, এবং ঈশ্বরের দৃষ্টিতে সবাই সমান। অনেক শিখ মহিলা বিশ্বাস করেন যে একজন নারী ও একজন পুরুষের জন্য আলাদা আচরণবিধি না থাকা প্রমাণ করে যে তাদের ধর্ম ঐতিহাসিকভাবে লিঙ্গ সমতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।[] বর্তমানে, এই সংস্কৃতি সর্বদা এই ঐতিহ্যগুলি অনুসরণ করে না এবং সমানাধিকার আদর্শগত হিসাবে মানলেও প্রায়শই দৈনন্দিন অনুশীলনে এটি কম মানা হয়।[] কিমান কৌরের মতে: "ধর্মীয়, জাতিগত এবং লিঙ্গ সংখ্যালঘুকরণের কারণে শিখ নারীরা যে সহিংসতার সম্মুখীন হন তা সমালোচনামূলকভাবে বোঝার জন্য বিভিন্ন কৌর (শিখ নারীদের) আখ্যানগুলি বিবেচনা করা অপরিহার্য, যাতে আরও আন্তঃসংযোগমূলক কথোপকথন সম্ভব হয়।"[]

উত্তর আমেরিকায় পঞ্চ'ক' মূলত পুরুষদের দ্বারা অনুসরণ করা হয়; তবে, অনেক ধর্মীয়ভাবে নিবেদিতপ্রাণ মহিলাও শিখ রেহনি, অর্থাৎ শিখ জীবনধারার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ হতে পছন্দ করেন। অনেক শিখ মহিলা ধর্মের বৈষম্যের বিরুদ্ধে লড়াই করার জন্য এবং তাদের শিখ মৌলিকত্ব প্রদর্শনের জন্য একটি সামাজিক-রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে পাগড়ি পরতে পছন্দ করেন।[] শিখদের দ্বারা গঠিত কিছু গোষ্ঠীও রয়েছে, যেমন সাফার, যারা শিখ সম্প্রদায়ের মধ্যে নিপীড়ন উন্মোচন এবং অভিযোগ করার পাশাপাশি শিখ সংস্কৃতিতে ন্যায়বিচার পুনঃপ্রতিষ্ঠার জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]
শিখ যোদ্ধাদের যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী মাই ভাগোর চিত্রকর্ম

মাই ভাগো

[সম্পাদনা]

আঠারো শতকের গোড়ার দিকের একজন মহিলা শিখ যোদ্ধা মাই ভাগো, যিনি মাতা ভাগ কৌর নামেও পরিচিত ছিলেন, তিনি মুঘল সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে যুদ্ধে চল্লিশ জনকে নেতৃত্ব দিয়েছিলেন এবং গুরু গোবিন্দ সিংহের ব্যক্তিগত দেহরক্ষী ছিলেন।[] ভাগোকে প্রায়শই ঘোড়ায় চড়ে যুদ্ধে নেতৃত্বদানকারী একজন সুন্দরী, শক্তিশালী, পাগড়িধারী মহিলা হিসেবে চিত্রিত করা হয়। গল্প অনুসারে, গুরু গোবিন্দ সিংয়ের সেনাবাহিনীকে মুঘল সেনাবাহিনীর দল আক্রমণ করছিলো। গুরুকে রক্ষায় নিযুক্ত চল্লিশজন সৈন্যকে মুঘল সেনাবাহিনী পরামর্শ দেয় গুরুকে পরিত্যাগ করতে অথবা হত্যা করতে। সৈন্যরা গুরু গোবিন্দ সিংহকে বলে যে তারা তাঁর শিখ যোদ্ধা নয় এবং তিনি তাদের গুরু নন, এবং এই বলে তারা গ্রামে ফিরে যায়। একজন সৈনিক, নিধন সিং পট্টি, তার স্ত্রী মাই ভাগোকে তার এই কর্মের কথা বলেন। এই শুনে তার স্ত্রী রেগে যায় এবং যুদ্ধে যাওয়ার বদলে তাকে ঘরের কাজ করতে বলে। যখন পুরুষরা এই খবর শুনল যে সে গ্রামের সমস্ত মহিলারা যুদ্ধক্ষেত্রে যাওয়ার জন্য তৈরি হচ্ছে, তখন তারা লজ্জিত হয়ে পড়ে এবং যুদ্ধে যোগ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেয়। মাই ভাগো এবং সৈন্যরা জানত যে এটি একটি আত্মঘাতী অভিযান কিন্তু তারা তাদের গুরুকে রক্ষা করতে চেয়েছিল, যিনি কাছের জঙ্গলে লুকিয়ে ছিলেন। মাই ভাগো বেঁচে যান, কিন্তু সমস্ত শিখ সৈন্য নিহত হন এবং মুঘল সেনাবাহিনীর অনেক সদস্যও নিহত হন। অবশিষ্ট মুঘল সেনাবাহিনী ধরে নিয়েছিল যে গুরু গোবিন্দ সিং নিহত হয়েছেন এবং তাঁর পিছনে ধাওয়া বন্ধ করে দেয়। বিশ্বস্ততা এবং বীরত্বের জন্য, মাই ভাগো তখন গুরুর দেহরক্ষী নিযুক্ত হন। তাঁর সাহসিকতা ও সাহসের প্রতীক হিসেবে, তাঁর বর্শাটি এখন ভারতের নান্দেদের একটি গুরুদ্বারে গুরু গোবিন্দ সিং-এর বর্মের পাশে রাখা হয়েছে।[]

বর্ণ প্রথা

[সম্পাদনা]

বর্ণ ব্যবস্থা হল একটি শ্রেণিবিন্যাস ব্যবস্থা যা সামাজিক মর্যাদা, পদমর্যাদা, সম্পদ এবং পেশার ভিত্তিতে গোষ্ঠীগুলিকে আলাদা করে। সমস্যাযুক্ত প্রভাব থাকা সত্বেও ভারতের বেশিরভাগ জায়গায় এখনও বর্ণ প্রথা অনুসরণ হয়।[ উদাহরণ প্রয়োজন ] শিখরা বর্ণ প্রথার বিরোধিতা করে কারণ এটি তাদের ধর্মীয় সমতার নীতি লঙ্ঘন করে। গুরু নানক বর্ণপ্রথাকে মন্দ এবং সমস্যা সংকুল বলে অভিহিত করেছেন, তিনি এই বলেছেন যে 'মানস কি জাত সভে একে পাইহকানবো - সমস্ত মানবজাতিকে মানবতার একক জাতি হিসেবে স্বীকৃতি দাও'।[] অনেক শিখ তাদের বর্ণের নাম ত্যাগ করে কৌর (সমস্ত মহিলা শিখদের জন্য মধ্যম নাম) অথবা সিং (সমস্ত পুরুষ শিখদের জন্য মধ্যম নাম) উপাধি গ্রহণ করেছেন। কানাডায় অভিবাসনের চেষ্টা করা কিছু শিখের জন্য এই বর্ণ বিলুপ্তি সমস্যাজনক হয়ে ওঠে, কারণ অভিবাসন অফিস "অত্যন্ত সাধারণ" বলে সিং বা কৌরকে আইনত পদবি হিসেবে স্বীকৃতি দেয়নি।[১০] বিশ্ব শিখ সংস্থা এই আইনে ক্ষুব্ধ হয় কারণ এতে শিখ পরিবারগুলিকে তাদের বর্ণের নাম প্রত্যাহার করতে হবে, যা তাদের বিশ্বাসের বিরুদ্ধে। বিশ্ব শিখ সংস্থা প্রমাণ করতে সক্ষম হয়েছিল যে আরও বেশ কয়েকজন অভিবাসী ছিলেন যাদের একই পদবি ছিল কিন্তু তাদের নাম পরিবর্তন করতে বাধ্য করা হয়নি। নীতিটি অবিলম্বে বাতিল করে দেওয়া হয় এবং এটি একটি ভুল বোঝাবুঝি বলে ঘোষণা করা হয়।[১১]

সমস্যাগুলি

[সম্পাদনা]

মন্দিরে (গুরুদ্বারা) সমতা

[সম্পাদনা]
নানকসার গুরুদ্বার : কানাডার আলবেরাটার এডমন্টনে হর্সহিলস রোডে অবস্থিত শিখ মন্দির।

যে কোনও পুরুষ বা মহিলা মন্দিরে স্বাগত এবং প্রাথমিক শিখ ধর্মগ্রন্থ গুরু গ্রন্থ সাহেবের সমস্ত প্রার্থনা এবং পাঠে তারা উভয়েই সমাদৃত। প্রতিটি মন্দিরে একটি লঙ্গর (রান্নাঘর) থাকে যেখানে স্ত্রী,পুরুষ নির্বিশেষে এবং যেকোন ধর্ম, জাতি বা সাংস্কৃতিক পটভূমির মানুষ বিনামূল্যে নিরামিষ খাবারের জন্য স্বাগত। সামাজিক সাম্যতা প্রদর্শনের জন্য সবাই একসাথে মেঝেতে বসে খায়।[১২] পুরুষ ও মহিলাদের একসাথে বসতে নিষেধ না থাকা সত্ত্বেও, ঐতিহ্যগতভাবে তারা এখনও দরবার সাহেব হলে (প্রধান হল) জামাতের বিপরীত দিকে বসেন, উভয়ই গুরু গ্রন্থ সাহেব থেকে সমান দূরত্বে। শিখ ধর্মগ্রন্থগুলি সাধারণত পুরুষরা প্রকাশ্যে পাঠ করেন এবং সাধারণত কেবল পুরুষরা মণ্ডলীতে ভাষণ দেন।[] যদিও যে কেউ একজন গ্রন্থি (আনুষ্ঠানিক পাঠক) হতে পারেন, তবে যেহেতু দীর্ঘ সময় অতিবাহিত করতে হয় এবং সামাজিক নানা বিধিনিষেধের কারণে এই কাজটি একজন মহিলার জন্য খুব সুবিধাজনক হয়ে ওঠে না কারণ তাকে সাধারণত তার সন্তানদের যত্ন নিতে হয়। মহিলারা সাধারণতঃ যত্নশীল বা রাঁধুনি হন, অন্যদিকে পুরুষরা গুরু গ্রন্থ সাহেব থেকে পাঠ করেন। মহিলাদের গ্রন্থি হওয়ার জন্য আবেদন করার সুযোগ এবং উৎসাহের অভাব মন্দিরের মধ্যে বৈষম্য তৈরি করে এবং পরিবর্তনের সম্ভাবনাকে নিরুৎসাহিত করে।[]

গুরু গ্রন্থ সাহেবে সমকামিতার কথা বিশদভাবে উল্লিখিত নয়, তবে পুরুষ ও মহিলার মধ্যে বিবাহকে বারংবার উৎসাহিত করা হয়েছে। শিখ ধর্মে সমকামিতা সম্পর্কে কোন নির্দিষ্ট শিক্ষা নেই এবং শিখদের পবিত্র ধর্মগ্রন্থ, গুরু গ্রন্থ সাহেব, স্পষ্টভাবে বিষমকামিতা, সমকামিতা বা উভকামিতার কথা উল্লেখ করে না। অনেকেই এর ব্যাখ্যার পথ খুলে দিয়েছেন, কিন্তু যুক্তি দেওয়া হয় যে গুরুর শিক্ষা সকলের জন্য সমতার ভিত্তিতে তৈরি ছিল এবং সমকামিতাও এর ব্যতিক্রম নয়।[১৩]

ভারতে গর্ভপাত

[সম্পাদনা]

সকলের সমতার প্রতি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ গুরু গ্রন্থ সাহেবের শিক্ষার ভিত্তিতে সংখ্যাগরিষ্ঠ শিখরা সকল ধরণের লিঙ্গ নির্বাচনের নিন্দা করে। বেশিরভাগ শিখ ভ্রূণহত্যার ব্যবহারকে বৈষম্য এবং সহিংসতার একটি কাজ বলে মনে করেন। তবে, ভারতের অনেক মানুষ ভ্রূণহত্যা এবং কন্যাভ্রূণ গর্ভপাত অব্যাহত রেখেছে কারণ ভারতীয় সংস্কৃতিতে পুরুষরা বেশি আকাঙ্ক্ষিত এবং পছন্দের। ছেলেরা বিভিন্ন কারণে বেশি আকাঙ্ক্ষিত, যার মধ্যে রয়েছে উপার্জন ক্ষমতা, সম্ভাব্য পেনশন এবং যৌতুক[১৪] লোহরি একটি পাঞ্জাবি উৎসব যা শীতকালীন অয়নকালকে (নিরক্ষরেখা থেকে সূর্যের দূরতম স্থানে অবস্থানকাল) চিহ্নিত করে এবং শুধুমাত্র নতুন পুত্রের জন্ম উদযাপনের মাধ্যমে এই উৎসব উদযাপন করে। কানাডায় দেখা গেছে, ভারতে জন্ম নেওয়া যেসব মহিলা ইতিমধ্যেই দুটি কন্যা সন্তানের জন্ম দিয়েছেন, অন্টারিওতে প্রতি ১০০ জন কন্যার জন্য ১৯২ জন পুত্র সন্তানের জন্ম দিয়েছেন।[১৫] ২০০১ সালে পাঞ্জাবে (শিখদের জন্মভূমি), প্রতি ১০০০ ছেলের জন্য মাত্র ৭৫৪ জন মেয়ের জন্ম হয়েছিল। তবে, এই বৈষম্যগুলি দূর হচ্ছে এবং পুরুষ ও মহিলাদের মধ্যে অনুপাত আরও সমান হচ্ছে।[১৬]

কেশের রাজনীতি

[সম্পাদনা]

পাগড়ির ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৪৬৯ সালে যখন শিখ ধর্ম প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল, তখন বেশিরভাগ আধ্যাত্মিক নেতা এবং গুরুরা পাগড়িকে মর্যাদার প্রতীক হিসেবে পরতেন এবং চুল কাটা ছিল পবিত্রতা এবং আধ্যাত্মিক শক্তির প্রতীক। ভারতে অস্থিরতা ও যুদ্ধের সময়, দশম গুরু, গুরু গোবিন্দ সিং, তাঁর জনগণকে একত্রিত করেছিলেন এবং খালসা (শুদ্ধ) গঠন করেছিলেন, যারা আধ্যাত্মিকভাবে নিবেদিতপ্রাণ, বাপ্তিস্মপ্রাপ্ত শিখ ভাই-বোনদের তাঁর পঞ্চ'ক' অনুসরণ করতে বলেছিলেন। পাঁচ 'ক'র মধ্যে সবচেয়ে স্বতন্ত্র এবং ব্যাপকভাবে স্বীকৃত হল কেশ, যার জন্য শিখ পুরুষ এবং মহিলাদের চুল কাটা বারণ এবং পাগড়ি দিয়ে ঢেকে রাখতে হয়।[১৭] পাগড়ি আধ্যাত্মিক শক্তি, সামরিক প্রস্তুতির প্রতীক এবং শিখদের ঐক্যবদ্ধ এবং অন্যদের থেকে আলাদা করার সুযোগ করে দিত। গুরু গোবিন্দ সিং দৃঢ়ভাবে বোঝাতে চেয়েছিলেন যে ঈশ্বরের দৃষ্টিতে, সমস্ত শিখ উল্লেখযোগ্য এবং সমান। এর ফলে ঈশ্বরের অধীনে আধ্যাত্মিক ও পার্থিব মুক্তি অর্জনের জন্য প্রতিশ্রুতিবদ্ধ পুরুষ ও নারীর একটি বাহিনী তৈরি হয়েছিল।[]

এছাড়াও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "BBC - Religions - Sikhism: Guru Nanak" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  2. "BBC - Religions - Sikhism: The Gurdwara" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  3. 1 2 3 4 Mahmood, Cynthia; Brady, Stacy (৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৯)। The Guru's Gift: An Ethnography Exploring Gender Equality with North American Sikh Women (English ভাষায়) (1st সংস্করণ)। McGraw-Hill Humanities/Social Sciences/Languages। আইএসবিএন ৯৭৮০৭৬৭৪১৭৮১৫{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. 1 2 "Feminist Sikh claims religion ready for women leaders"Vancouver Sun (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ৯ এপ্রিল ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  5. Kaur Editorial, Kiman (৫ আগস্ট ২০১৫)। "Editorial: Fighting to End the War Against Womxn While Fighting for the Rights of Sikhs"www.india.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ ডিসেম্বর ২০২১
  6. "SAFAR – The Sikh Feminist Research Institute – Research | Analysis | Praxis"www.sikhfeministresearch.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ২ মে ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  7. "Mai Bhago"The Female Soldier (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  8. "Mai Bhago | Discover Sikhism"www.discoversikhism.com। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  9. "Caste System In Sikh Community | SikhNet"SikhNet (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  10. "Common Sikh names banned under Canada's immigration policy | CBC News"CBC (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  11. "'Singh' ban denounced | Toronto Star"thestar.com (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  12. "BBC - GCSE Bitesize: The langar and equality" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  13. "BBC - GCSE Bitesize: Homosexuality" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  14. "BBC - Ethics - Abortion: Female infanticide" (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  15. "Study finds gender imbalance in children born to Indo-Canadian women"। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮
  16. "Sex Ratio at Birth Begins to Improve in India – Population Reference Bureau"www.prb.org (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০১৮[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
  17. Chaudhary, Vivek (১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৭)। "Why do Sikhs wear turbans? You asked Google – here's the answer | Vivek Chaudhary"the Guardian (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১০ এপ্রিল ২০১৮

বাহ্যিক সূত্র

[সম্পাদনা]