শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ
ছারছীনা দরবার শরীফের পীর, বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দেদে জামান শাহ্ সূফী মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ | |
|---|---|
![]() | |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| জন্ম | ১৯৫০ ছারছিনা গ্রাম, পিরোজপুর জেলা, বরিশাল |
| মৃত্যু | ১৭ জুলাই ২০২৪ (বয়স ৭৪) ঢাকার গ্রীন রোডস্থ সেন্ট্রাল হসপিটালে |
| সমাধিস্থল | ছারছিনা দরবার শরীফ, পিরোজপুর জেলা |
| ধর্ম | ইসলাম |
| সন্তান | দুই পুত্র ও তিন কন্যা
|
| পিতামাতা |
|
| আখ্যা | সুন্নি |
| মুসলিম নেতা | |
| পূর্বসূরী | নেছারউদ্দীন আহমদ, শাহ্ সূফী আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহঃ) |
যার দ্বারা প্রভাবিত
| |
যাদের প্রভাবিত করেন | |
শাহ্ সূফী মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (১৯৫০–২০২৪) ছিলেন বাংলাদেশের একজন ইসলামী ব্যক্তিত্ব ও ধর্মীয় নেতা।[১] তিনি ছারছীনা দরবার শরীফের পীর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন এবং দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন। [২] দেশ ও দেশের বাহিরে ২৫০০ দ্বীনিয়া মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠা করেন।[৩] [৪][৫] [৬][৭][৮]
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (পূর্ণ নাম: আবু মাহবুব শামসুল আরেফীন শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ) বাংলা ১৩৫৭ সন মোতাবেক ইংরেজি ১৯৫০ খ্রিস্টাব্দে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি দক্ষিণ বাংলার বরিশাল বিভাগের পিরোজপুর জেলার ছারছীনা গ্রামে, বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী আকন বংশে জন্মগ্রহণ করেন।[৪]
তার পিতা শাহ্ সূফী আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.) ছিলেন বাংলাদেশের বিশিষ্ট ইসলামি ব্যক্তিত্ব -আধ্যাত্মিক শিক্ষাকেন্দ্র,বাংলাদেশের অন্যতম দরবার শরীফ ও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান ছারছীনা দরবার শরীফ এর ২য় পীর ছিলেন, যিনি ১৯৮০ সালে "স্বাধীনতা পুরস্কার" লাভ করেন।[৯][১০] তার মাতা মোসাম্মাত মনোয়ারা বেগম একজন ধর্মপরায়ণ ও সদালাপী গৃহিণী ছিলেন। তিনি ছিলেন তিন ভাই দুই বোনের মধ্যে তৃতীয় সন্তান। [১১]
শিক্ষাজীবন
[সম্পাদনা]১৯৬১ খ্রিস্টাব্দে তিনি তদ্বীনিয়া মাদ্রাসা নামে পরিচিত। সেখানে প্রাথমিক শিক্ষা সম্পন্ন করার পর তিনি ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত আলিয়া মাদ্রাসা থেকে দাখিল ও আলিম এবং ছারছীনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদ্রাসা থেকে ফাজিল ও ১৯৭৫ সালে কামিল প্রথম শ্রেণিতে কৃতিত্বের সঙ্গে ডিগ্রি অর্জন করেন। তার শিক্ষাজীবনে তিনি দেশের শীর্ষস্থানীয় প্রায় ৩০ জন ওস্তাদের কাছ থেকে ইসলামী জ্ঞান অর্জন করেন। ক্লাসের পাঠ্যসূচির পাশাপাশি তিনি কুরআন, হাদিস, তাফসির, ফিকহসহ ইসলামী শিক্ষার বিভিন্ন শাখায় বিশেষ দক্ষতা অর্জন করেন। পাশাপাশি, তিনি মুজাদ্দিদে যামান শাহ্ সূফী আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.)-এর কাছ থেকে তালিম, তারবিয়ত ও তাসাউফের শিক্ষা ও প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন। [৭] [১২]
উল্লেখযোগ্য ওস্তাদগণ
[সম্পাদনা]- মুমতাজুল ফুকাহা আলহাজ্ব হযরত মাওলানা তাজাম্মুল হুসাইন খাঁন
- বাংলার অদ্বিতীয় মুহাদ্দিস আল্লামা নিয়াজ মাখদুম খোত্তানী
- মাওলানা আঃ কুদ্দুস ছাহেব
- মাওলানা আজিজুর রহমান নেছারাবাদী (কায়েদ ছাহেব)
- হযরত মাওলানা আঃ মজিদ ছাহেব
- হযরত মাওলানা আবুল খায়ের মোহাম্মদ আঃ আজিজ
- হযরত মাওলানা সূফী আঃ রশিদ ছাহেব
- হযরত মাওলানা রফিকুল্লাহ নেছারী (পটুয়াখালী হুজুর)
বিবাহ ও সন্তান
[সম্পাদনা]১৯৮০ সালে মাওলানা আবুল আনসার মুহাম্মদ আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী (রহ.) ফুরফুরা শরীফের তৎকালীন পীরের কন্যার সঙ্গে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। এই বৈবাহিক সম্পর্কের মাধ্যমে ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে পারস্পরিক সহযোগিতার ভিত্তি স্থাপিত হয়। তিনি দুই পুত্র সন্তন ও তিন কন্যা সন্তান রেখে যান। [৪]
তাঁর বড় পুত্র শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন বর্তমানে ছারছীনা দরবার শরীফের পরিচালনার দায়িত্বে নিয়োজিত এবং পিতার ধর্মীয় মিশন পরিচালনা করছেন।ছোট পুত্র মাওলানা হাফেজ শাহ্ আবু বকর মোহাম্মদ ছালেহ নেছারুল্লাহ দ্বীনি খেদমতে যুক্ত থেকে বড় ভাইয়ের সঙ্গে সহযোগিতা করছেন। [৪][৭]
কর্মজীবন ও দ্বীনি খেদমত
[সম্পাদনা]১৯৭৫ থেকে ১৯৭৭ সাল পর্যন্ত ছারছীনা দারুস্সুন্নাত কামিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। ১৯৭৭ সালে বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর কেন্দ্রীয় নায়েবে আমীরের পদে অধিষ্ঠিত হন। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে ছালেহিয়া ট্রাস্টি বোর্ড, ছারছীনা মাদ্রাসা এবং বাংলাদেশ জমিয়তে উলামার সেক্রেটারি পদে একযোগে নিযুক্ত হন। [১৩]
১৯৯০ সালের ১৬ই ফেব্রুয়ারি, শুক্রবার বাদ জুমা ছারছীনা দরবার শরীফের পীর হিসেবে আনুষ্ঠানিকভাবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন এবং তাজদীদি বাইয়াত প্রদান করেন। [১৪] এরপর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত বাংলাদেশ জমইয়াতে হিযবুল্লাহর আমীর,বাংলাদেশ জমিয়াতুল মোদার্রেছীনের প্রধান পৃষ্ঠপোষক, এবং ঢাকা মহাখালি গাউসুল আজম মসজিদের মুতাওয়াল্লী হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। [১৫] [৮]
১৯৭৭ সালে ছারছীনা শরীফের মাজারের পাশেই দারুচ্ছুন্নাত একাডেমি প্রতিষ্ঠা করেন এবং মাসিক কুড়িমুকুল পত্রিকা প্রকাশ শুরু করেন। ২০০০ সালে আলিয়া মাদ্রাসা সংস্কারে এক দশকের প্রচেষ্টা ব্যর্থ হলে, তিনি পুরাতন নেছাবভিত্তিক “দারুল উলুম মাদ্রাসা”কে নতুন করে সাজিয়ে “ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত জামেয়া-এ-নেছারিয়া দ্বীনিয়া মাদ্রাসা” নামকরণ করেন। [৩]
২০০৫ সালে তিনি “দীনিয়া মাদ্রাসা বোর্ড” প্রতিষ্ঠা করেন এবং নিজ হাতে “বিসমিল্লাহির রহমানির রহীম” লিখে তা উদ্বোধন করেন। [২] ২০১১ সালে “বাংলাদেশ যুব হিযবুল্লাহ” ও “আইম্মায়ে হিযবুল্লাহ” প্রতিষ্ঠার মাধ্যমে যুব সমাজকে দ্বীনি খেদমতে সম্পৃক্ত করেন।[১৬] ছারছীনা দরবার শরীফে ছয় তলা বিশিষ্ট দ্বীনিয়া ভবন, দ্বীতলা ডাইনিং হল, রিজার্ভ পুকুর, উপমহাদেশের সর্বোচ্চ (৩১৮ ফুট) মিনারবিশিষ্ট সাততলা মসজিদ, হিযবুল্লাহ কমপ্লেক্স, মাহফিল স্টেইজ, বিশাল মাহফিল ময়দান ও মেহমানখানা। এছাড়াও “জুলফিকার হামদ-নাত ও গজল পরিবেশক দল” নামে একটি সাংস্কৃতিক গোষ্ঠী গঠন করেন।
আন্তর্জাতিক পরিমণ্ডলেও ছিল তাঁর পরিচিতি ও প্রভাব। ১৯৯৪ সালে ইরাকের প্রেসিডেন্ট সাদ্দাম হোসেনের দাওয়াতে “আলমে ইসলামী আন্তর্জাতিক সম্মেলনে” অংশগ্রহণ করেন এবং বিশেষ সম্মাননা লাভ করেন। ১৯৯৯ সালে ইরাকের আজম আবু হানিফা (রহ.)-এর মাজার প্রাঙ্গণে খতিব শায়খ হোসাইন হামদান, ধর্ম ও আওকাফ মন্ত্রণালয়ের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তা মোস্তফা খুজায়ের ও হামিদ সাবান খোদাইরী, সুলতান সালাউদ্দিন আইয়ুবীর বংশধর শেখ ওয়ায়েল বিন নায়েল আল কুর্দিসহ বরেণ্য ব্যক্তিবর্গ তাঁর কাছে সাক্ষাৎ করতে আসতেন। জীবদ্দশায় তিনি ইরাক, মিশর, ফিলিস্তিন, সিরিয়া, ভারত, পাকিস্তানসহ একাধিক দেশে দ্বীনি সফরে অংশগ্রহণ করেন। [৫]
দেশের অভ্যন্তরে যেকোনো দুর্যোগে তিনি অসহায় মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছেন। ১৯৯১ সালের ঘূর্ণিঝড়, ১৯৯৮ সালের বন্যা, এবং ২০১৭ সালে মায়ানমার থেকে বিতাড়িত রোহিঙ্গা মুসলমানদের জন্য ত্রাণ ও সহযোগিতা কার্যক্রম পরিচালনা করেন। ২০২১ ও ২০২৪ সালে তাঁর নির্দেশে ফিলিস্তিন ও বন্যাদুর্গত এলাকায় সহায়তা পৌঁছে দেওয়া হয়। [১৫][১৭]
তিনি ছিলেন শুদ্ধতম আচার-আচরণের অনুসরণকারী এক দূরদর্শী আলেম। তাক্বওয়া, খোদাভীতি, সুন্নতের কঠোর অনুসরণ, ও সংযমী জীবনযাপন ছিল তাঁর জীবনের ভিত্তি। জাঁকজমকপূর্ণ অবস্থানেও দুনিয়াবিমুখতা ও পরকালের চিন্তা তাঁর জীবনচর্চায় প্রতিফলিত হয়েছে।[৩] [৫]
ওফাত, জানাযা ও দাফন
[সম্পাদনা]২০২৪ সালের ১৭ জুলাই, ২ শ্রাবণ ১৪৩১ বঙ্গাব্দ, ১০ মুহাররম ১৪৪৬ হিজরি, রোজ বুধবার রাত ২টা ১১ মিনিটে জিকির'রত অবস্থায় ঢাকার গ্রীন রোডস্থ সেন্ট্রাল হসপিটালে ইন্তেকাল করেন। তাঁর ইন্তেকালের সংবাদ ছড়িয়ে পড়তেই সারা দেশে শোকের ছায়া নেমে আসে। লক্ষ লক্ষ আশেক, ভক্ত ও মুরিদগণ শোকে বিহ্বল হয়ে পড়েন।[১৮][১৯]
এর আগে দীর্ঘ দিন অসুস্থ থাকায় জানুয়ারিতে তাঁকে ঢাকায় ও পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরের মাউন্ট এলিজাবেথ হাসপাতালে নেওয়া হয়।[৬]১৮ জুলাই ২০২৪ ইং, বৃহস্পতিবার বাদ জোহর বিকেল ৩ ঘটিকায় ছারছীনা দরবার শরীফ প্রাঙ্গণে তাঁর নামাজে জানাযা অনুষ্ঠিত হয়। লক্ষাধিক মানুষ জানাযায় অংশগ্রহণ করেন। জানাযার নামাজে ইমামতি, সমবেত জনতার উদ্দেশ্যে খুতবা প্রদান এবং তাজদীদি বাইয়াত করান তাঁর বড় সাহেবজাদা, বর্তমান গদ্দীনশীন পীর ছাহেব আলহাজ্জ হযরত মাওলানা শাহ্ আবু নছর নেছারুদ্দীন আহমাদ হুসাইন। জানাযা শেষে তাঁকে তাঁর পিতার কবরের পাশে সমাহিত করা হয়।[২০] [১৮] [৬] [১৯] [২১]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]- ছারছিনা দরবার শরীফ
- শাহ্ সুফী নেছারুদ্দীন আহমদ
- শাহ্ সূফী আবু জাফর মোহাম্মদ ছালেহ
- ছারছিনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদ্রাসা
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "ছারছীনা দরবার শরীফের ১২৫তম তিন দিনব্যাপী মাহফিল শুরু"। বাংলানিউজটোয়েন্টিফোর.কম। ১০ মার্চ ২০১৫। ২৮ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 ২০০৫ইং সনে বাংলাদেশ দীনিয়া মাদরাসা বোর্ড প্রতিষ্ঠা করেন।, এ পর্যন্ত ছোট বড় মিলিয়ে প্রায় তিন হাজারেরও বেশি দীনিয়া মাদরাসা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে।। "বাংলাদেশ দীনিয়া মাদরাসা বোর্ডের কেন্দ্রীয় পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ"। দৈনিক ইনকিলাব । ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: সাংখ্যিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক) - 1 2 3 "কোরআন ও সুন্নাহর প্রচারে কাজ করছে ছারছীনা দরবার"। প্রথম আলো। ২৯ জুলাই ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 4 "এই দিনেই পৃথিবী থেকে বিদায় নিয়েছিলেন পীর শাহ মুহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ রহ."। সময় টিভি। ৬ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "ছারছীনা দরবারের দীনী খিদমত ও সংস্কারমূলক কার্যাবলি"। দৈনিক ইনকিলাব। ১০ মে ২০২৫। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "ছারছীনা পিরের ইন্তেকাল"। যুগান্তর। ১৭ জুলাই ২০২৪। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 3 "বাহরে শরীয়ত, মুজাদ্দেদে জামান শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) এর জীবন ও আদর্শ"। চ্যানেল আই। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "মাদ্রাসা শিক্ষার উন্নয়নে ছারছীনা দরবার শরীফের অবদান অতুলনীয় - অধ্যক্ষ মাওলানা শাব্বির আহমদ মোমতাজী"। দৈনিক ইনকিলাব। ৫ মার্চ ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "এবার স্বাধীনতা পদক পেলেন ১৬ ব্যক্তি ও সংস্থা"। এনটিভি অনলাইন। ২৪ মার্চ ২০১৬। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ অক্টোবর ২০১৭।
- ↑ "স্বাধীনতা পুরস্কারপ্রাপ্ত ব্যক্তি/প্রতিষ্ঠানের তালিকা"। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার। ৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ১ ডিসেম্বর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহঃ) : একটি জীবন ও আদর্শ"। -আলহাজ্ব মির্জা নূরুর রহমান বেগ। বরিশাল বাণী। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুলাই ২০২৫।
- ↑ হযরত পীর সাহেব কেবলা (রহ.) এর প্রাথমিক ও উচ্চশিক্ষা। বাহরে শরীয়ত, হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ রহ.। ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত লাইব্রেরী। পৃ. ৪১–৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৫-৭৪৫৬-৫।
- ↑ বাহরে শরীয়ত, হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ রহ.। ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত লাইব্রেরী। পৃ. ১৩০। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৫-৭৪৫৬-৫।
- ↑ শাহ্ সূফী আবু জা'ফর মোহাম্মদ ছালেহ (রহ.)-এর ইন্তেকালের পরে শাহ্ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ (রহ.)-কে পীর হিসেবে দায়িত্ব প্রদানের সিদ্ধান্ত। বাহরে শরীয়ত, হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ রহ.। ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত লাইব্রেরী। পৃ. ১৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৫-৭৪৫৬-৫।
- 1 2 "রোহিঙ্গা মুসলমানদের মাঝে ছারছীনা পীর ছাহেবের ত্রাণ বিতরণ"। দৈনিক ইনকিলাব। ১৮ জুলাই ২০২৪।
- ↑ বাংলাদেশ যুব ও আইস্মায়ে হিযবুল্লাহ প্রতিষ্ঠা। বাহরে শরীয়ত, হযরত মাওলানা শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ রহ.। ছারছীনা দারুচ্ছুন্নাত লাইব্রেরী। পৃ. ১৫৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৯৮৪-৩৫-৭৪৫৬-৫।
- ↑ "ছারছীনা দরবার শরীফের পক্ষ থেকে তুরস্কে ভূমিকম্প কবলিতদের জন্য ত্রাণ প্রেরণ"। বরিশাল ক্রাইম নিউজ। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জানুয়ারি ২০২৬।
- 1 2 "ছারছীনা পীর সাহেব ইন্তেকাল করেছেন" (বংলা ভাষায়)। চ্যানেল আই। ১৭ জুলাই ২০২৪। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক) - 1 2 "ছারছীনা শরীফের পীর সাহেবের দাফন সম্পন্ন"। ২৬ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ ছারছীনার পীর শাহ মোহাম্মদ মোহেব্বুল্লাহ, তিনি ফুরফুরার মুজাদ্দেদে জামান আল্লামা আবু বকর সিদ্দিকী আল কুরাইশী রাহিমাহুল্লাহর পৌত্র ফুরফুরার মরহুম পীর আবুল আনসার মুহাম্মাদ আব্দুল কাহহার সিদ্দিকী আল- কুরাইশী রাহিমাহুল্লাহর বড় জামাতা ছিলেন। (৭ ডিসেম্বর ২০২৪)। "২০২৪ সালে হারিয়েছি যে বরেণ্য আলেমদের"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০২৬।
- ↑ "বাবার পাশে শায়িত হলেন ছারছীনা দরবারের পীর"। কালবেলা । ২৫ জুলাই ২০২৪। ২৭ জানুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ জানুয়ারি ২০২৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- বাংলাদেশী ইসলাম ধর্মীয় নেতা
- ছারছিনা দারুসসুন্নাত কামিল মাদ্রাসার শিক্ষক
- ছারছিনা দরবার শরীফ
- বাংলাদেশী শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রতিষ্ঠাতা
- ১৯শ শতাব্দীর বাঙালি
- বরিশাল বিভাগের ওলামা
- বাঙালি আলেম
- স্বরূপকাঠীর ব্যক্তি
- বাংলা ভাষার লেখক
- বাঙালি লেখক
- বাংলাদেশী সুন্নি মুসলিম পণ্ডিত
- হানাফী ব্যক্তি
- ইসলামি ব্যক্তিত্ব
- বাংলাদেশী মুসলিম
- ইসলামি পণ্ডিত
- পীর
- ফুরফুরা দরবার শরীফ
- চিশতিয়া ত্বরীকার সাধক
- চিশতিয়া তরিকা
- নকশবন্দি তরিকা
- বরিশাল বিভাগের শিক্ষায়তনিক
- পিরোজপুর জেলার লেখক
- বাংলাদেশী ইসলামপন্থী
