শাহ আখসি মাদ্রাসা
| শাহ আখসি মাদ্রাসা | |
|---|---|
| সাধারণ তথ্যাবলী | |
| স্থাপত্যশৈলী | মধ্য এশীয় স্থাপত্য |
| ঠিকানা | শাহ আখসি কোয়ার্টার, বোখারা প্রদেশ |
| নির্মাণের বছর | ১৬শ শতাব্দী |
| স্বত্বাধিকারী | হযরত আখুন্দ পয়ান্দা মুহাম্মদ হুসাইনি শাহ আখসাভি |
| কারিগরি বিবরণ | |
| উপাদান | পোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর এবং জিপসাম (গাঞ্চ) |
| তলার সংখ্যা | ২ |
শাহ আখসি মাদ্রাসা ছিল উজবেকিস্তানের বুখারা প্রদেশে অবস্থিত একটি ইসলামি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বা মাদ্রাসা।
পটভূমি
[সম্পাদনা]মাদ্রাসাটি বর্তমানে আর টিকে নেই। বুখারা খানাতের শাসক দ্বিতীয় আবদুল্লাহ খানের শাসনামলে ১৬শ শতাব্দীতে শাহ আখসি কোয়ার্টারে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। এর প্রতিষ্ঠাতা ছিলেন নকশবন্দিয়া সুফি তরিকার বিখ্যাত প্রতিনিধি হযরত আখুন্দ পয়ান্দা মুহাম্মদ হুসাইনি শাহ আখসাভি।[১] গবেষক আব্দুসাত্তোর জুমানাজারভ এই মাদ্রাসা সংক্রান্ত বেশ কিছু ওয়াকফ দলিল অধ্যয়ন করেছেন এবং তথ্য প্রদান করেছেন। মাদ্রাসার কার্যক্রম সম্পর্কিত বেশ কয়েকটি নথি পাওয়া গেছে।
একটি নথিতে উল্লেখ আছে যে, কামল হোকান্দি নামক এক ছাত্র এই মাদ্রাসায় অধ্যয়নকালে অসুস্থ হয়ে পড়েছিলেন। মাদ্রাসার প্রধান ছিলেন একজন শিক্ষক বা মুদাররিস। মাদ্রাসার প্রতিটি কক্ষে দুইজন করে ছাত্র বসবাস করত। নথিপত্র অনুসারে, সদর রইস মীর বদরিদ্দিনের দেওয়া একটি অনুদান শাহ আখসি খানকাহর (সুফি আস্তানা) পূর্ব পাশের ৮টি কক্ষ মেরামতে ব্যবহৃত হয়েছিল এবং সেখানে ছাত্ররা বসবাস করত।
শাহ আখসাভি ছিলেন একজন প্রখ্যাত সুফি সাধক। তিনি ১৬শ শতাব্দীতে নকশবন্দিয়া তরিকার অন্যতম প্রধান প্রতিনিধি ছিলেন। ১৫৬৬ সালে দ্বিতীয় আবদুল্লাহ খান যখন নিজের মাদ্রাসা নির্মাণ শেষ করেন, তখন তিনি শাহ আখসাভিকে সেই মাদ্রাসার প্রধান মুদাররিস হিসেবে নিযুক্ত করেছিলেন। শাহ আখসাভি ১৬০১ সালে বোখারায় মৃত্যুবরণ করেন এবং তাকে মজারি শরীফ ফটকের বাইরে সমাহিত করা হয়। তার সমাধিস্থ এলাকাটি পরবর্তীকালে তার নামেই পরিচিতি পায়।[২] সদরি জিয়া লিখেছেন যে, শাহ আখসি মাদ্রাসায় ১২টি কক্ষ ছিল। এটি মধ্য এশীয় স্থাপত্যশৈলীতে নির্মিত হয়েছিল এবং ভবনটি তৈরিতে পোড়ানো ইট, কাঠ, পাথর ও জিপসাম (গাঞ্চ) ব্যবহৃত হয়েছিল।[৩]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Rahmatova S, Qurbonov H (১৯৯৫)। Buxoro guzarlari tarixidan lavhalar (উজবেক ভাষায়)। Buxoro: Buxoro nashriyoti। পৃ. ১৪৪।
- ↑ Abdusattor Jumanazar (২০১৭)। Buxoro taʼlim tizimi tarixi (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademnashr। পৃ. ৫৯২।
- ↑ Muhammad Ali Baljuvoniy (২০০১)। Tarixi Nofeyi (Foydali tarix) (উজবেক ভাষায়)। Toshkent: Akademiya nashriyoti। পৃ. ১২২।