শারীরিক অন্তরঙ্গতা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

শারীরিক অন্তরঙ্গতা হচ্ছে সাধারণত দুইজন মানুষের নগ্ন হয়ে এক অপরকে ছুঁয়াছুঁয়ি বা যৌন-সম্পর্ক করা, তাছাড়া সমলিঙ্গের বা বিষমলিঙ্গের প্রেমযুগলের পারস্পরিক আবেগীয় আলিঙ্গন (বস্ত্র পরিহিত অবস্থায় বা নগ্ন হয়ে) ও এক প্রকারের শারীরিক অন্তরঙ্গতা।[১] এ ধরনের কাজ মানুষ তার প্রেমিক বা প্রেমিকা বা ঘনিষ্ঠ বন্ধু বা বান্ধবীর সাথে ভালোবাসার বহিঃপ্রকাশ হিসেবে করে। এ ধরনের কাজে মানবশরীরে ভালো উপকার হয়, মানসিক আনন্দ পাওয়া যায়। শারীরিক অন্তরঙ্গতার মাধ্যমে নারী-পুরুষ উভয়ের মধ্যেই অক্সিটোসিন, ডোপামাইন এবং সেরোটোনিন হরমোন নিঃসৃত হয়, তাছাড়া মানুষের স্ট্রেস হরমোনের কার্যকারিতা হ্রাস পায়।[২]

শারীরিক অন্তরঙ্গতা এবং ব্যক্তিগত ব্যাপার[সম্পাদনা]

কারো সম্মতি ছাড়া কারো সঙ্গে শারীরিক অন্তরঙ্গতা করার চেষ্টা করলে সেটি ধর্ষণ বলে গণ্য হবে।[৩] কিন্তু এমনিতে ভালোবাসা বা বন্ধুসুলভ বা আবেগীয় বা মানবিকতা হিসাবে কারো সঙ্গে আলিঙ্গন করলে যদিও সেটাকে শারীরিক অন্তরঙ্গতা বোঝায় না কেউ কিছু মনে করবেনা।[৩]

প্রীতি প্রদর্শন[সম্পাদনা]

প্রেমিক-প্রেমিকার নগ্ন হয়ে আবেগীয় অন্তরঙ্গতা

সাধারণত প্রেমযুগলরা বাসায় বা কম মানুষপূর্ণ কোনো জায়গায় বা কোনো নির্জন জায়গায় এরূপ শারীরিক অন্তরঙ্গতায় লিপ্ত হতে পারে, তবে আশেপাশে মানুষ থাকলে তারা বিবস্ত্র হবেনা।[৪] সাধারণত প্রেমযুগলরা নিম্নোক্ত কাজগুলো করে থাকেনঃ[৫]

  • আবেগীয় আলিঙ্গন
  • হাত বুলিয়ে আদর করা (মাথা বা পিঠ)
  • চোখে চোখ রেখে অনেকক্ষণ তাকিয়ে থাকা
  • পরস্পরের ওষ্ঠে চুম্বনকর্ম করা
  • পায়ের ওপর শুয়ে থাকা

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "সংরক্ষণাগারভুক্ত অনুলিপি"। ১৮ নভেম্বর ২০০৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৯ 
  2. "Human touch may have some healing properties"। USA Today। ২০০৮-০৯-২৮। সংগ্রহের তারিখ ২০১১-০১-০৩ 
  3. Hall, Edward T. (১৯৬৬)। The Hidden Dimension। Anchor Books। আইএসবিএন 0-385-08476-5 
  4. Stabentheiner, Anton, et al. "Endothermic heat production in honeybee winter clusters." Journal of Experimental Biology 206.2 (2003): 353-358.
  5. Diezinger, F. T., and J. R. Anderson. "Starting from scratch: A first look at a “displacement activity” in group‐living rhesus monkeys." American Journal of Primatology 11.2 (1986): 117-124.