বিষয়বস্তুতে চলুন

শান্তি রঙ্গনাথন

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
শান্তি রঙ্গনাথন
জন্ম
পেশাসমাজকর্মী
কর্মজীবন১৯৮০ থেকে
পরিচিতির কারণবিরোধী পদার্থ অপব্যবহার কার্যক্রম
দাম্পত্য সঙ্গীটি. টি. রঙ্গনাথন
পুরস্কারপদ্মশ্রী
আভাইয়ার পুরস্কার
জাতিসংঘ ভিয়েনা সিভিল সোসাইটি পুরস্কার

শান্তি রঙ্গনাথন একজন ভারতীয় সমাজকর্মী এবং টি টি রঙ্গনাথন ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ফাউণ্ডেশনের প্রতিষ্ঠাতা। এটি একটি বেসরকারি সংস্থা যারা টিটিকে হাসপাতাল পরিচালনা করে। চেন্নাইতে অবস্থিত এই হাসপাতাল হল মাদক ও অ্যালকোহল আসক্তদের চিকিৎসা ও পুনর্বাসনের জন্য একটি চিকিৎসা কেন্দ্র।[] তিনি জাতিসংঘের ভিয়েনা সিভিল সোসাইটি পুরস্কারের প্রথম প্রাপক[] এবং সমাজে তাঁর অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে ভারত সরকারের চতুর্থ সর্বোচ্চ বেসামরিক পুরস্কার পদ্মশ্রী পেয়েছেন।[]

জীবনী

[সম্পাদনা]

শান্তি রঙ্গনাথনের জন্ম দক্ষিণ ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যে। তিনি ভারতের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী টি টি কৃষ্ণমাচারীর নাতি টি টি রঙ্গনাথনকে বিবাহ করেন, কিন্তু ১৯৭৯ সালে, মাত্র ৩৩ বছর বয়সে শান্তি বিধবা হন। তাঁর স্বামী মদ্যপান সম্পর্কিত স্বাস্থ্যগত সমস্যায় মারা যান।[] এই ঘটনা শান্তিকে প্ররোচিত করেছিল মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার এবং আসক্তির সমস্যার দিকে মনোযোগ দিতে। মাদ্রাজ স্কুল অফ সোশ্যাল ওয়ার্ক থেকে সামাজিক কর্মে স্নাতকোত্তর ডিগ্রিধারী শান্তি, নিজেকে প্রস্তুত করার জন্য, আসক্তি মুক্তি কর্মসূচির প্রশিক্ষণের জন্য মিনিয়াপোলিসের হ্যাজেলডেন অ্যাডিকশন ট্রিটমেন্ট সেন্টারে যোগদান করেন। এরপর ১৯৮০ সালে চেন্নাইয়ের একটি পারিবারিক সম্পত্তিতে তিনি একটি ডে কেয়ার সেন্টার শুরু করেন। অল্প কিছু সহকারীর সাহায্যে শুরু হওয়া এই সাধারণ সূচনাটি ধীরে ধীরে টি টি রঙ্গনাথন ক্লিনিক্যাল রিসার্চ ফাউণ্ডেশনে পরিণত হয়। এখন ৬৫ শয্যা বিশিষ্ট টিটিকে হাসপাতাল এর অন্তর্ভুক্ত। এই চিকিৎসা সুবিধাটি মাদক ও অ্যালকোহল আসক্তির চিকিৎসার জন্য নিবেদিত প্রথম ভারতীয় হাসপাতাল।[][] প্রতিষ্ঠানটি জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ দপ্তরের সাথে সমন্বয় করে কাজ করে[] এবং ভারত সরকারের মাদকদ্রব্য অপব্যবহার বিরোধী কর্মসূচিতে অংশগ্রহণ করে।[] শান্তি স্বামী দয়ানন্দ সরস্বতী এডুকেশনাল সোসাইটির সাথেও যুক্ত এবং এর পরিচালনা পর্ষদেও আছেন।[]

ভারত সরকার ১৯৯২ সালের প্রজাতন্ত্র দিবসে পদ্মশ্রী পদকের জন্য তাঁকে বেসামরিক পুরস্কারের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করে।[] জাতিসংঘ, ১৯৯৯ সালে, জাতিসংঘ ভিয়েনা সিভিল সোসাইটি পুরস্কার চালু করে,[] মাদকের অপব্যবহার ও অপরাধের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে অসামান্য অবদানের জন্য শান্তিকে এই পুরস্কারের জন্য নির্বাচিত করা হয়, যার ফলে তিনি এই পুরস্কারের প্রথম প্রাপক হন।[] তিনি ২০১৫ সালের জন্য তামিলনাড়ু সরকার কর্তৃক আভাইয়ার পুরস্কারের প্রাপক।[]

আরও দেখুন

[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 "A Centre of Hope"। Rediff। ২১ মে ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  2. 1 2 3 "INSTITUTIONS"। Frontline। ১৯৯৯। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  3. 1 2 "Padma Awards" (পিডিএফ)। Ministry of Home Affairs, Government of India। ২০১৫। ১৫ অক্টোবর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুলাই ২০১৫
  4. Ranganathan, S. (আগস্ট ২০০৫)। "Conversation with Shanthi Ranganathan": ১৫৭৮–১৫৮৩। ডিওআই:10.1111/j.1360-0443.2005.01197.xপিএমআইডি 16312052 {{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি journal এর জন্য |journal= প্রয়োজন (সাহায্য)
  5. "The Genesis"। TTK Hospital। ২০১৫। ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  6. "United Nations Office on Drugs and Crime"। United Nations Office on Drugs and Crime। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  7. "Board of Directors"। Swami Dayananda Saraswathi Educational Society। ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  8. "UN TO PRESENT AWARD TO GRASSROOTS LEADERS IN FIGHT AGAINST DRUG ABUSE, CRIME, TERRORISM"। UNIS। ৩ ডিসেম্বর ২০০১। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫
  9. "Avvaiyar Award for Shanthi Ranganathan"। Indian Express। ৮ মার্চ ২০১৫। ২৭ নভেম্বর ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ অক্টোবর ২০১৫

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Padma Shri Award Recipients in Social Work