বিষয়বস্তুতে চলুন

শরণ (বৌদ্ধধর্ম)

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ত্রিরত্নের ভক্তি, চোরাসান, গান্ধার, ২য় শতক খ্রিস্টাব্দ, স্কিস্ট – বার্লিনের নৃতাত্ত্বিক জাদুঘর
বিভিন্ন ভাষায়
শরন এর
অনুবাদ
পালি:saraṇa
সংস্কৃত:शरण (śaraṇa)
বর্মী:သရဏ
(Tharana)
চীনা:皈依
(pinyin: Guīyī)
জাপানী:帰依
(rōmaji: kie)
খ্‌মের:សរណៈ
(Saranak)
কোরীয়:귀의
(RR: gwiui)
সিংহলি:සරණ(saraṇa)
তামিল:Saranam / saran சரணம்
থাই:สรณะ, ที่พึ่ง ที่ระลึก আরটিজিএস: sarana, thi phueng thi raluek
ভিয়েতনামী:Quy y
বৌদ্ধ ধর্ম সংশ্লিষ্ট টীকাসমূহ

শরণ বা আশ্রয় নেওয়া বৌদ্ধ দর্শন অনুসারে ধর্মীয় অনুশীলনকে বোঝায়, যা প্রায়ই দিনের শুরুতে বা অনুশীলনের অধিবেশনে সম্পাদিত প্রার্থনা বা আবৃত্তি অন্তর্ভুক্ত করে। আদি বৌদ্ধধর্মের সময় থেকে সমস্ত থেরবাদ এবং মূলধারার মহাযান সম্প্রদায় শুধুমাত্র ত্রিরত্ন বা ত্রিধামণি বা ত্রি-আশ্রয়স্থান-এর আশ্রয় নেয়, এবং এগুলি হলো বুদ্ধ, ধর্মসংঘ

যাইহোক, শুধুমাত্র বজ্রযান সম্প্রদায়ে সম্প্রসারিত শরণ সূত্র ত্রিরত্ন ও ত্রিভিত্তি রয়েছে।[]

শরণ হলো ত্রিরত্নের সাথে জীবন যাপনের আকাঙ্খার রূপ। শরণ করা হয় সংক্ষিপ্ত সূত্রের মাধ্যমে যেখানে একজন বুদ্ধ, ধর্ম ও সংঘকে শরণ হিসেবে নামকরণ করেন।[][] আদি বৌদ্ধ ধর্মগ্রন্থগুলিতে, শরণ বুদ্ধের পথ অনুসরণ করার সংকল্পের প্রকাশ, কিন্তু দায়িত্ব পরিত্যাগ নয়।[] বৌদ্ধধর্মের সমস্ত প্রধান সম্প্রদায়ে শরণ সাধারণ।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]

আরও পড়ুন

[সম্পাদনা]

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]