লেসলি ম্যাক্স
ডেম লেসলি ম্যাক্স | |
|---|---|
২০১০ সালে ম্যাক্স | |
| জন্ম | লেসলি শিফ ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫ অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড |
| শিক্ষা | তাকাপুনা গ্রামার স্কুল |
| মাতৃশিক্ষায়তন | অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় |
| পরিচিতির কারণ | শিশু অধিকার ওকালতি |
| দাম্পত্য সঙ্গী | রবার্ট পিটার ম্যাক্স (বি. ১৯৬৭) |
| সন্তান | ৪ |
| আত্মীয় | বারবারা গুডম্যান (কাজিন) |
ডেম লেসলি ম্যাক্স DNZM এমবিই (প্রাক-বিবাহ নাম: শিফ; জন্ম ২০ সেপ্টেম্বর ১৯৪৫) হলেন নিউজিল্যান্ডের একজন প্রখ্যাত শিশু অধিকার প্রবক্তা।
প্রারম্ভিক জীবন ও পরিবার
[সম্পাদনা]লেসলি শিফ ১৯৪৫ সালের ২০ সেপ্টেম্বর অকল্যান্ডে জন্মগ্রহণ করেন।[১] তিনি তাকাপুনা গ্রামার স্কুলে পড়াশোনা করেন এবং পরবর্তীতে অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ১৯৬৩ থেকে ১৯৬৬ সালের মধ্যে মাস্টার্স অফ আর্টস (অনার্স) ডিগ্রি লাভ করেন।[১]
১৯৬৭ সালে তিনি অর্থোডন্টিস্ট রবার্ট পিটার ম্যাক্সকে বিয়ে করেন এবং এই দম্পতির চার সন্তান রয়েছে।[১]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]ম্যাক্স একজন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক এবং ফ্রিল্যান্স সাংবাদিক হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন।[১] তার এক সন্তান প্রতিবন্ধী হিসেবে জন্মগ্রহণ করার পর, তিনি শিশু বিকাশের দিকে মনোনিবেশ করেন এবং শিশুরা যাতে তাদের পূর্ণ সম্ভাবনা বিকাশ করতে পারে, তার উপায় খুঁজতে শুরু করেন।[২]
১৯৯০ সালে ম্যাক্স এবং গর্ডন ড্রাইডেন 'গ্রেট পটেনশিয়ালস ফাউন্ডেশন' প্রতিষ্ঠা করেন। এটি এমন একটি সংস্থা যা সুবিধাবঞ্চিত শিশু এবং তরুণদের সফল হতে সহায়তা করে। ম্যাক্স এই সংস্থার প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[২][৩][৪] তিনি শিশু নির্যাতন প্রতিরোধের জন্য একটি জাতীয় কর্মসূচি গঠনের পক্ষে জোরালো দাবি জানান, যার ফলে 'ফ্যামিলি স্টার্ট' কর্মসূচি প্রতিষ্ঠিত হয়।[৪] এছাড়াও তিনি 'প্যারেন্টিং কাউন্সিলের' সভাপতিত্ব করেছেন, নর্দান রিজিওনাল হেলথ অথরিটি এবং ফ্যামিলি ভায়োলেন্স অ্যাডভাইজরি কমিটির সরকারি প্রতিনিধি হিসেবে কাজ করেছেন এবং 'ব্রেইনওয়েভ ট্রাস্টের' প্রতিষ্ঠাতা সদস্য ছিলেন।[২] ম্যাক্স নিউজিল্যান্ডে পিতামাতা এবং তরুণদের সহায়তার জন্য বেশ কিছু কর্মসূচি প্রবর্তন করেন, যার মধ্যে রয়েছে 'হোম ইন্টারন্যাশনাল প্রোগ্রাম ফর প্যারেন্টস অ্যান্ড ইয়াংস্টারস' এবং 'মেন্টরিং অ্যান্ড টিউটরিং এডুকেশন স্কিম' ।[২] ১৯৯০ সালে পেঙ্গুইন প্রকাশনী থেকে তার বই চিলড্রেন: এনডেঞ্জারড স্পিসিস? (শিশুরা কি বিপন্ন প্রজাতি?) প্রকাশিত হয়।[১]
ম্যাক্স অকল্যান্ডের 'আইএইচসি সোসাইটির' একজন নির্বাহী সদস্য এবং অকল্যান্ড ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজি, অকল্যান্ড কলেজ অফ এডুকেশন ও অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের উপদেষ্টা কমিটির সদস্য ছিলেন। তিনি মানুকাউ ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির আর্লি চাইল্ডহুড সেন্টার এবং ফ্যামিলি হেল্প ট্রাস্টের পৃষ্ঠপোষক।[১] তিনি নিউজিল্যান্ড জিউইশ কাউন্সিলের সম্পাদক এবং নিউজিল্যান্ড জায়োনিস্ট ফেডারেশনের নির্বাহী সদস্য হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন।[১]
সম্মাননা ও পুরস্কার
[সম্পাদনা]১৯৯০ সালে ম্যাক্স 'নিউজিল্যান্ড ১৯৯০ কমেমোরেশন মেডেলে' ভূষিত হন।[১] ১৯৯৪ সালের নববর্ষ সম্মাননায় তিনি শিশুদের সেবার স্বীকৃতিস্বরূপ 'অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারের' সদস্য (এমবিই) নিযুক্ত হন।[৫] ২০১০ সালের নববর্ষ সম্মাননায় তিনি পুনরায় শিশুদের সেবার জন্য 'ডেম কম্প্যানিয়ন অফ দ্য নিউজিল্যান্ড অর্ডার অফ মেরিট' (ডিএনজেডএম) খেতাব লাভ করেন।[৬] ১৯৮৯ সালে তার কাজিন বারবারা গুডম্যানের ডেমহুড পাওয়ার পর ম্যাক্সও এই সম্মান লাভ করেন; ধারণা করা হয় যে এটিই প্রথম ঘটনা যেখানে দুই ইহুদি কাজিন ডেমহুড খেতাব পেয়েছেন।[৩]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 5 6 7 8 টেইলর, অ্যালিস্টার, সম্পাদক (২০০১)। নিউজিল্যান্ড হু'স হু আওটিয়ারোয়া ২০০১। অকল্যান্ড: অ্যালিস্টার টেইলর পাবলিশার্স। পৃ. ৫৮৯। আইএসএসএন 1172-9813।
- 1 2 3 4 সেগেডিন, কারা (৩১ ডিসেম্বর ২০০৯)। "ডেম তার 'চমৎকার' সহকর্মীদের ওপর আলোকপাত করেছেন"। দ্য নিউজিল্যান্ড হেরাল্ড। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২০।
- 1 2 বেঞ্জামিন, হেনরি (১৯ জানুয়ারি ২০১০)। "ডেম হওয়ার মতো আর কিছুই নেই"। জে-ওয়্যার: অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডের ইহুদি অনলাইন সংবাদ। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২০।
- 1 2 "লেসলি ম্যাক্স"। গভর্নমেন্ট হাউস। ১৩ এপ্রিল ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০২০।
- ↑ "নং. 53528"। দ্যা লন্ডন গেজেট (২য় সম্পূরক) (ইংরেজি ভাষায়)। ৩১ ডিসেম্বর ১৯৯৩।
- ↑ "নববর্ষ সম্মাননা তালিকা ২০১০"। ডিপার্টমেন্ট অফ দ্য প্রাইম মিনিস্টার অ্যান্ড ক্যাবিনেট। ৩১ ডিসেম্বর ২০০৯। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুন ২০২০।
- ১৯৪৫-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- অকল্যান্ডের সক্রিয়কর্মী
- তাকাপুনা গ্রামার স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- নিউজিল্যান্ডীয় ইহুদি
- অকল্যান্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- শিশু অধিকার কর্মী
- অর্ডার অফ দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ারের নিউজিল্যান্ডীয় সদস্য
- নিউজিল্যান্ড অর্ডার অফ মেরিটের ডেম কম্প্যানিয়ন
- নিউজিল্যান্ডীয় জায়নবাদী
- নিউজিল্যান্ড মেম্বার্স অব দি অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার