লুক্সেমবার্গে ইসলাম

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
ইউরোপে ইসলাম
দেশের জনসংখ্যা অনুযায়ী শতকরা হার[১]
  ৯০–১০০%
  ৭০–৮০%
কাজাখস্তান
  ৫০–৭০%
  ৩০–৫০%
উত্তর মেসেডোনিয়া
  ১০–২০%
  ৫–১০%
  ৪–৫%
  ২–৪%
  ১–২%
  < ১%
লুক্সেমবার্গের একটি মসজিদ

লুক্সেমবার্গের মুসলমানরা অতি-সংখ্যালঘু একটি সম্প্রদায়, তাদের সাথে আছে: প্রোটেস্ট্যান্ট, অর্থোডক্স খ্রিস্টান এবং ইহুদিরা। ২০১৫ সাল থেকে দেশটিতে ইসলাম আইনগত স্বীকৃত একটি ধর্ম। [২]

অভিবাসন[সম্পাদনা]

১৯৭০ এর দশক পর্যন্ত, লুক্সেমবার্গের মুসলিম জনসংখ্যা ছিল অনেক কম। ৭০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে, মুসলিম জনসংখ্যা ছিল প্রায় ৩০০ জন, যা ৯০-এর দশকের মাঝামাঝি সময়ে বেড়ে ৩,০০০ ছাড়িয়ে যায়। তখন থেকে, প্রাক্তন যুগোস্লাভিয়ার বেশিরভাগ বসনিয়াক আশ্রয়প্রার্থীদের কারণে সংখ্যাটি দ্বিগুণ হয়েছে। উদ্বাস্তুরা সাগর পথে এখানে আসে, এবং বসনিয়াকদের বাদ দিলে, বাকি উদ্বাস্তুদের সংখ্যাটি আলবেনিয়া, কসোভো, সার্বিয়া এবং মন্টিনিগ্রো থেকে আসা মুসলমানদের দ্বারা গঠিত হয়। বেশিরভাগ আশ্রয়প্রার্থীদের প্রাথমিকভাবে কয়েক বছরেরও কম সময় পর্যন্ত থাকার আশা করা হয়েছিল। [৩] [৪] শরণার্থীদের পাশাপাশি, লুক্সেমবার্গ এবং যুগোস্লাভিয়ার মধ্যে শ্রম চুক্তির পর দেশান্তরিত শ্রমিকদের কারণেও মুসলিম জনসংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।[৫] ২০১৩ সাল নাগাদ, লুক্সেমবার্গের মুসলমানদের জনগণের মধ্যে বসনিয়াক ২,৩০৩ জন, মরক্কান ৬১৬ জন, আলবেনিয়ান ৫০২ জন, তুর্কি ৪৮৭ জন, তিউনিসিয়ান ৩৭৪ জন, আলজেরিয়ান ৩৩১ জন এবং ইরানি ৩২২ জন।[৬]

জনসংখ্যা[সম্পাদনা]

মুসলিম জনসংখ্যার সিংহভাগ শহরাঞ্চলে বাস করে যার ৭০ শতাংশ লুক্সেমবার্গ এবং অন্যান্য চারটি শহরে বসবাস করে। [৬] লুক্সেমবার্গের মুসলিম সম্প্রদায়ের সমাবেশ অনুসারে, অনুমান করা যায় যে, প্রায় ১০ থেকে ১৫ হাজার মুসলমান বর্তমানে গ্র্যান্ড-ডুচিতে বসবাস করে।[৭] তবে এখানে ধর্মীয় বিশ্বাস ও অনুশীলনের পরিসংখ্যান সংগ্রহ করা সরকারের জন্য বেআইনি। [৮] অধিকন্তু, গ্র্যান্ড-ডুচিতে কতজন নাগরিক বাস করেন তা স্পষ্ট নয়।

লুক্সেমবার্গে বর্তমানে ছয়টি মসজিদ রয়েছে:[৯] সেগুলো মামার (যেটি ইসলামিক কালচারাল সেন্টারেরও আবাসস্থল), এসচ-সুর-আলজেট, উইল্টজ, ডিয়েকির্চ এবং লুক্সেমবার্গ সিটিতে অবস্থিত। প্রায় ১,০০০ জন প্রাপ্তবয়স্ক এই উপাসনালয়গুলিতে নিয়মিত জুমার নামাজে অংশ নেন।[৬] দেশটিতে ধর্মান্তরিতদের সংখ্যাও দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে এবং এটি মসজিদের খুতবাতে প্রতিফলিত হয়, যা আরবি, বসনিয়ান, ফরাসি এবং ইংরেজিতে দেওয়া হয়। [৫]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Religious Composition by Country, 2010-2050"পিউ রিসার্চ সেন্টার। ১২ এপ্রিল ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০১৭ 
  2. "Finally good news from Europe, Islam recognized in Luxembourg" 
  3. "Anti-Islamic reactions in the EU: Luxemburg" (PDF)। European Monitoring Centre on Racism and Xenophobia। ৩০ জুলাই ২০০৯ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১২ 
  4. "Immigration in Luxembourg: New Challenges for an Old Country"। Migration Information Source। সংগ্রহের তারিখ ২২ আগস্ট ২০১২ 
  5. Scharbrodt, Oliver; Akgonul, Samim (২০১৫)। Yearbook of Muslims in Europe, Volume 7। BRILL। পৃষ্ঠা 378। আইএসবিএন 9789004298897  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":0" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  6. Nielsen, Jorgen; Akgonul, Samim (২০১৪)। Yearbook of Muslims in Europe, Volume 6। BRILL। পৃষ্ঠা 388। আইএসবিএন 9789004277540  উদ্ধৃতি ত্রুটি: <ref> ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":1" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে
  7. Assemblée de la Communauté Musulmane du Grand-Duché de Luxembourg - Rapport d'activités de la shoura pour l'année 2012/2013 ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২০১৫-০৯-২৪ তারিখে, page 4
  8. "Mémorial A, 1979, No. 29" (PDF) (ফরাসি ভাষায়)। Service central de législation। সংগ্রহের তারিখ ৬ আগস্ট ২০১৭ 
  9. "Assemblée de la Communauté Musulmane du Grand-Duché de Luxembourg" 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]

টেমপ্লেট:Religion in Luxembourg

টেমপ্লেট:Luxembourg topics