বিষয়বস্তুতে চলুন

লুই মারাণ্ডি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লুই মারাণ্ডি
ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২০২৪
পূর্বসূরীসীতা সোরেণ
নির্বাচনী এলাকাজামা
কাজের মেয়াদ
ডিসেম্বর ২০১৪  ডিসেম্বর ২০১৯
পূর্বসূরীহেমন্ত সোরেন
উত্তরসূরীহেমন্ত সোরেন
নির্বাচনী এলাকাদুমকা
সংখ্যালঘু কল্যাণ, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু উন্নয়ন মন্ত্রী
ঝাড়খণ্ড সরকার
কাজের মেয়াদ
২৮ ডিসেম্বর ২০১৪  ২৩ ডিসেম্বর ২০১৯
ব্যক্তিগত বিবরণ
জন্মদুমকা, ভারত
জাতীয়তাভারতীয়
রাজনৈতিক দলঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা
দাম্পত্য সঙ্গীব্রেন্টিয়াস কিসকু
সন্তান
বাসস্থানদুমকা, ঝাড়খণ্ড
প্রাক্তন শিক্ষার্থীরাঁচি বিশ্ববিদ্যালয়
পেশারাজনীতিবিদ

লুই মারাণ্ডি ঝাড়খণ্ডের একজন ভারতীয় রাজনীতিবিদ। তিনি বর্তমানে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার প্রতিনিধিত্বকারী হিসেবে জামা আসন থেকে ঝাড়খণ্ড বিধানসভার সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।

তিনি ২০২৪ সালের ২১শে অক্টোবর তারিখে ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে পদত্যাগ করে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চায় (জেএমএম) যোগদান করেন।[] তিনি ঝাড়খণ্ড সরকারের একজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী ছিলেন। তাঁর দায়িত্বে বেশ কিছু কল্যাণমূলক দপ্তর ছিল, সেগুলি হলো সংখ্যালঘু কল্যাণ, সমাজকল্যাণ এবং নারী ও শিশু উন্নয়ন।[][][][][][]

তিনি ঝাড়খণ্ডের ভারতীয় জনতা পার্টির জন্য বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন। এর আগে ঝাড়খণ্ড ভারতীয় জনতা পার্টির মহিলা শাখার সভাপতি হিসেবে তিনি ঝাড়খণ্ড মহিলা কমিশনের সদস্যও ছিলেন।

তিনি ঝাড়খণ্ডের বিভিন্ন কলেজে সাঁওতাল সম্বন্ধিত বিষয় নিয়ে বক্তৃতা দিয়েছেন। ২০০৯ সালে ঝাড়খণ্ডের বিধানসভা নির্বাচনে তিনি দুমকা বিধানসভা থেকে ভারতীয় জনতা পার্টির প্রার্থী ছিলেন। তিনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চা নেতা শিবু সোরেনের ছেলে হেমন্ত সোরেনের কাছে প্রায় ৩০০০ ভোটে পরাজিত হন।

২০১২ সালে রাজনাথ সিংয়ের দলে বিজেপির জাতীয় সম্পাদক হিসেবে তাঁর সবচেয়ে বড় ভূমিকা ছিল। ২০১৪ সালের জুনের সংসদীয় নির্বাচনে, তিনি ঝাড়খণ্ডের ১৪টি আসনের মধ্যে ১২টি আসন জয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছিলেন, যদিও বিজেপির অভ্যন্তরীণ রাজনীতির কারণে তিনি সেই নির্বাচনে দুমকা আসন থেকে তাঁর টিকিট পাননি।

২০১৪ সালের ঝাড়খণ্ড বিধানসভা নির্বাচনে, তিনি ঝাড়খণ্ডের মুখ্যমন্ত্রী এবং ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চার সুপ্রিমো শিবু সোরেনের ছেলে হেমন্ত সোরেনকে ৫,২৬২ ভোটে পরাজিত করেন এবং ঝাড়খণ্ড রাজনীতির একজন শক্তিশালী নেতা হয়ে ওঠেন। ২০২৪ সালের ২১শে অক্টোবর তিনি ভারতীয় জনতা পার্টি থেকে পদত্যাগ করে ঝাড়খণ্ড মুক্তি মোর্চায় যোগদান করেন। এখন তিনি জেএমএম নেতৃত্বাধীন ঝাড়খণ্ড সরকারের একজন পরিষদীয় মন্ত্রী। তিনি ঝাড়খণ্ড সরকারে সাঁওতাল পরগনার প্রতিনিধিত্ব করেন।[]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Jharkhand Assembly Elections 2024 | Several BJP leaders, including three ex-MLAs, join JMM ahead of polls"Deccan Herald (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ অক্টোবর ২০২৪
  2. "Council of Ministers"। ১ জানুয়ারি ২০১৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জানুয়ারি ২০১৫
  3. LOUIS MARANDI VISITS TRI
  4. My Neta
  5. Why there’s a storm brewing in Jharkhand over who gets to be called a resident
  6. Mishra, Sandeep (২৪ ডিসেম্বর ২০১৪)। "Louis Marandi: Lone Christian in saffron club"The Times of India। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুন ২০১৯
  7. "Govt serious on minority affairs: Louis Marandi"। ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৪ জুন ২০১৬
  8. BJP barb at Santhal Pargana leaders