লুইটপল্ডপার্ক

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
লুইটপোল্ডপার্ক
লুইটপল্ডহুগেল
Luitpoldpark Muenchen 2.jpg
২০০৬ সালে লুইটপোল্ডপার্কের দৃশ্য
লুইটপল্ডপার্ক বায়ার্ন-এ অবস্থিত
লুইটপল্ডপার্ক
মাণচিত্রে অবস্থান
ধরনশহুরে পার্ক
অবস্থানমিউনিখ, বাভারিয়া, জার্মানি
স্থানাঙ্ক৪৮°১০′১৭″ উত্তর ১১°৩৪′১২″ পূর্ব / ৪৮.১৭১৩৯° উত্তর ১১.৫৭০০০° পূর্ব / 48.17139; 11.57000স্থানাঙ্ক: ৪৮°১০′১৭″ উত্তর ১১°৩৪′১২″ পূর্ব / ৪৮.১৭১৩৯° উত্তর ১১.৫৭০০০° পূর্ব / 48.17139; 11.57000
আয়তন৩৩ হেক্টর (৮২ একর)
নির্মিত১৯১১ (1911)
পরিচালিতবায়ারিসের ভেরওয়াল্টং ডার স্ট্যাটলিন শ্লোসার
অবস্থাসারা বছর খোলা
ওয়েবসাইটwww.muenchen.de

লুইটপল্ডপার্ক জার্মানির বাভারিয়া রাজ্যের মিউনিখের শাভাবিং-ওয়েস্ট পৌরসভা শহরে অবস্থিত একটি গণউদ্যান।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

বিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকে ম্যাক্সভরস্টাড থেকে উত্তর দিকে মিউনিখ শহরের প্রসারণের সময় নতুন ক্রমবর্ধমান শহরে সবুজ স্থান সংরক্ষণের জন্য উদ্যানটি তৈরি করা হয়।[২] ১৯১১ সালে তৎকালীন বাভারিয়ার যুবরাজ লুইটপল্ডের ৯০তম জন্মদিনে তার নামানুসারে উদ্যানটির নামকরণ করা হয়।[৩] এটি আয়তনে ৩৩ হেক্টর (৮২ একর)।[২] শিডপ্লাটজ ভূগর্ভস্থ স্টেশন থেকে উদ্যানটি প্রবেশযোগ্য।[১] পরিষ্কার আকাশের যে কোন দিনে এই উদ্যান থেকে আল্পস পর্বতমালা পরিদর্শন করা যায়।[৩]

উদ্যানের পরিদৃশ্য

বৈশিষ্ট্য[সম্পাদনা]

পামুচকি ঝরনা

উদ্যানের বিশেষ বৈশিষ্ট্য হল লুটপোল্ডুগল, একটি ৩৭-মিটার (১২১ ফু) আযতনের পাহাড় যা দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের বোমা হামলার কারণে শহরটিতে গঠিত হয়।[১] ১৯৪৯ সালে, যুদ্ধের পর পাহাড়ের উপরে একটি সমতল ক্রস স্থাপন করা হয়েছিল, যেখানে ক্রসের সাথে একটি শিলালিপিতে লেখা রয়েছে, "পাথরস্তুপের নিচে মারা যাওয়া সকলের জন্য প্রার্থনা এবং স্মরণ করুন"। ১৯৫২ সালে এটি একটি স্থায়ী স্মৃতিস্তম্ভ হয়ে ওঠে।[৪]

Bamberger Haus [de] (বামবার্গ হাউস) পার্কের পশ্চিম দিকে অবস্থিত। এটি ১৯১১ সালে একটি ক্যাফে হিসাবে এখানে চালু হয়েছিল এবং একটি ব্যামবার্গের বাড়ির নামানুসারে এর নামকরণ করা হয়েছিল যেখানে এর নকশা পাওয়া যায়। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় এই স্থানটিতে বোমা হামলা করা হয়েছিল এবং ১৯৮০-এর দশকে একে আবার পুনর্নির্মাণ করা হয়। বাড়ির সাথে সংলগ্ন একটি হেজ মেজ বা ধাঁধা রয়েছে।[২]

এলিস কৌত উদ্যানে একটি ঝরনা নির্মান করেন, যার নামকরণ করা হয়েছিল নামহীন চরিত্র থেকে। চরিত্রটি থেমে-থেমে জল নিঃসরণ করে, যা অপ্রত্যাশিতভাবে উদ্যানের দর্শনাথূীদের চমকে তোলে।[২]

উদ্যানটি তার পুরনো বৃক্ষগুলির জন্যও পরিচিত, এবং জিঙ্গো, পিরামিডাল ওক এবং অন্যান্যে গাছের সারিতে এগুলো এখানে দেখা যায়। উদ্বোধনকালে উদ্যানের কেন্দ্রিয় বৈশিষ্ট্য ছিল নিম্ন ফ্রাঙ্কোনিয়ার নিকট অবস্থিত চুনাপাথরে তৈরি ১৭-মিটার (৫৬ ফু) দীর্ঘ স্মারকস্তম্ভ (Obelisk), যার চারপাশে ৯০টি লিমের গাছ রয়েছে, যা মূলত লুইটপল্ডপার্কের প্রতি বছরের জন্য একটি করে রোপন করা হয়েছে।[৫]

ঘটনাবলী[সম্পাদনা]

উদ্যানটিতে জনপ্রিয়ভাবে অনেক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে।[৬] শীতকালে, উদ্যানের খাড়া পাহাড়গুলি স্লেডিংয়ের জন্য জনপ্রিয়।[২]

চিত্রশালা[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Luitpoldpark, Munich"Garden Visit। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  2. "Der Geheime Park"Süddestche Zeitung (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৭ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  3. Top 10 Munich। DK travel। ২০১৭। পৃষ্ঠা 131। আইএসবিএন 978-0-241-34399-9 
  4. Rosenfeld, Gavriel। Munich and Memory: Architecture, Monuments, and the Legacy of the Third Reich। University of California Press, 2000। পৃষ্ঠা ১৩৩–১৩৪। আইএসবিএন 978-0-520-92302-7 
  5. Meyer, Julia। "Luitpoldpark in Muenchen" (German ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১১ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 
  6. "Einfach drauflosfabulieren"Süddestche Zeitung (জার্মান ভাষায়)। ৭ জুন ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৮ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]