বিষয়বস্তুতে চলুন

লিন্ডা সেমব্রান্ট

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
লিন্ডা সেমব্রান্ট
ব্যক্তিগত তথ্য
পূর্ণ নাম লিন্ডা বিরগিট্ট সেমব্রান্ট[]
জন্ম (1987-05-15) ১৫ মে ১৯৮৭ (বয়স ৩৮)[]
জন্ম স্থান আপ্পসালা, সুইডেন[]
উচ্চতা ১.৭৫ মিটার (৫ ফুট ৯ ইঞ্চি)[]
মাঠে অবস্থান রক্ষণভাগের খেলোয়াড়
ক্লাবের তথ্য
বর্তমান দল
Montpellier
জার্সি নম্বর ২৩
যুব পর্যায়
এসকে সার্ভিয়া
আপসারা আইএফ
Bälingetrollen
জ্যেষ্ঠ পর্যায়*
বছর দল ম্যাচ (গোল)
২০০৪-২০০৭ বালিঙ আইএফ
২০০৬লিঙ্কন লেডিস (ধারে) (০)
২০০৮–২০১০ এআইকে ৬২ (৬)
২০১১ কোপারপারবার্গস / গোতেবার্গ এফসি ২২ (৩)
২০১২–২০১৪ টেরসো এফএফ ৩০ (৪)
২০১৪– Montpellier 99 (৯)
জাতীয় দল
২০০৮– সুইডেন[] 87[] (৮)
অর্জন ও সম্মাননা
অলিম্পিক গেমস
রৌপ্য পদক - দ্বিতীয় স্থান2016 Rio de JaneiroTeam
* কেবল ঘরোয়া লিগে ক্লাবের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা গণনা করা হয়েছে এবং 25 July 2017 তারিখ অনুযায়ী সকল তথ্য সঠিক।
‡ জাতীয় দলের হয়ে ম্যাচ ও গোলসংখ্যা 25 July 2017 তারিখ অনুযায়ী সঠিক।

লিন্ডা বিরগিট্ট সেমব্রান্ট (জন্ম ১৫ মে ১৯৮৭) একজন সুইডিশ মহিলা ফুটবল খেলোয়াড়। তিনি ফরাসি বিভাগ ১ মহিলা লিগে মন্টপিলিয়ারের ডিফেন্ডার হিসেবে খেলে থাকেন।[] তিনি সুইডেন জাতীয় মহিলা ফুটবল দলের হয়ে ডিফেন্ডার হিসেবে খেলে থাকেন।

ক্লাব ক্যারিয়ার

[সম্পাদনা]

সেমিব্রান্ট এসকে সার্ভিয়ার হয়ে ফুটবল খেলতে শুরু করেন, এরপর তিনি বালিং আইএফ-এর যুব দলের অর্ন্তভুক্ত হন। যদিও তিনিস্ ট্রাইকার হেনরিক লারসনকে তার আদর্শ ভাবেন, তথাপি সেমব্রান্ট একজন ডিফেন্ডার হয়ে উঠেন।[]

সেমিব্র্যান্ট ২০০৬-০৭ মৌসুমে ইংল্যান্ডে লিঙ্কন লেডির (পরবর্তীতে লিঙ্কন সিটি লেডিজ নামে পরিচিত) হয়ে খেলেন।[] এরপর ২০০৮ সালে তিনি এআইকে চলে যান।[] ২০১০ সালের নভেম্বরে এআইকের অধিনায়ক হওয়ার পরে সেমব্র্যান্ট কোপারপারবার্গস / গোতেবার্গ এফসি তে চলে যান।[] এক বছর পরে তিনি টেরসো এফএফ এ চলে যান।[১০]

২০১২ সালে, সেমব্রান্ট টেরসো দলের অংশ ছিল যারা ড্যামলসেনস্কান চ্যাম্পিয়নশিপ জিতেছিল, কিন্তু লিগামেন্টের ইনজুরির কারণে তিনি মৌসুমের শেষের দিকের ম্যাচগুলো খেলতে পারেননি।[১১] ২০১৪ মৌসুমের সময় টেরসো আর্থিক ক্ষতির শিকার হন, লিগ থেকে নিজেদের প্রত্যাহার করে নেয় তারা এবং তাদের সকল খেলোয়াড়কে ছেড়ে দেন। সেমব্রান্ট ফরাসি ক্লাব মন্টপেলিয়ারের সাথে চুক্তিবদ্ধ হন।[১২]

আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার

[সম্পাদনা]

সেমিব্র্যান্ট সুইডেনের হয়ে সব ধরনের যুব দলে প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন। ফেব্রুয়ারি ২০০৮ এ ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে তিনি প্রথম সিনিয়র ক্যাপ জিতেছিলেন।[১৩] ইনজুরির কারণে ২০০৯ সালের ইউরো কাপে সুইডেন দল থেকে ছিটকে পড়েন।[১৪] ২০১১ সালে জার্মানিতে অনুষ্ঠিত বিশ্বকাপের জন্য সুইডেনের দলে সেমব্রান্টকে রাখা হয়েছিল।[১৫] ২০১২ সালের লন্ডন অলিম্পিকে জাতীয় দলে তিনি তার স্থান ধরে রাখতে সক্ষম হয়েছিলেন।[১৬]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Linda Sembrant"। Sports-Reference.com। ১৪ ডিসেম্বর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৩
  2. 1 2 "List of Players - 2015 FIFA Women's World Cup" (পিডিএফ)Fédération Internationale de Football Association। ১০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ জুন ২০১৫
  3. "Profile"Svenska Fotbollförbundet (Swedish ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২৫ জুন ২০১৫{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  4. "Damlandslagsspelare 1973–2012"। Svenskfotboll.se। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০১৩
  5. "Profile"। FIFA.com। ১১ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুন ২০১৫
  6. 1 2 "Sembrant, Linda"। svenskfotboll.se। জুন ২০০৮। ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১০
  7. "Lincoln Land Linda Sembrant"। Fair Game। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১০
  8. "Linda Sembrant"। svenskfotboll.se। ৭ ডিসেম্বর ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১০
  9. Stefan Mellerborg (১৫ নভেম্বর ২০১০)। "Linda Sembrant lämnar AIK" (Swedish ভাষায়)। AIKfotboll.se। ২৮ মার্চ ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ জানুয়ারি ২০১১{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  10. More shock departures from Kopparbergs/Göteborg, Stensland and Sembrant leave ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ তারিখে W Soccer News
  11. Nilsson, Alva (২৮ জানুয়ারি ২০১৩)। "Korsbandsrapport Linda Sembrant" (Swedish ভাষায়)। Damfotboll.com। ১১ মে ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৩{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  12. "Sembrant går till Montpellier" (Swedish ভাষায়)। Aftonbladet। ১১ জুন ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ১১ জুন ২০১৪{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অচেনা ভাষা (লিঙ্ক)
  13. "Dam: Lotta Schelin sänkte England"। svenskfotboll.se। ৫ এপ্রিল ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১০
  14. "Dam: Linda Sembrant borta från EM"। svenskfotboll.se। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ মার্চ ২০১০
  15. "3. Linda Sembrant"। FIFA। ১১ এপ্রিল ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১০ সেপ্টেম্বর ২০১১
  16. "Linda Sembrant"British Broadcasting Corporation। ১৩ আগস্ট ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ১৬ মে ২০১৩

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]