লাল গরু

লাল গরু (হিব্রু ভাষায়: פָּרָה אֲדֻמָּה) ছিল এক ধরনের লালচে-বাদামি গরু, যাকে বাইবেলীয় যুগে মন্দিরের পুরোহিতরা পবিত্রতার আচার হিসেবে উৎসর্গ করতেন।[১]
তোরাতে আচার
[সম্পাদনা]লাল গরুর উৎসর্গের বর্ণনা গণনা ১৯ অধ্যায়ে পাওয়া যায়। তোরাহে বলা হয়েছে, বাছুরটি যেন কোনো দাগ বা ত্রুটিমুক্ত হয়, এবং কখনো জোতা পরানো বা দোহন করা না হয়। এটি শিবিরের বাইরে জবাই ও দগ্ধ করা হয়। আগুনে দেবদারু, হিসপ (এযোভ), এবং লাল রঙে রঞ্জিত উলের টুকরো যোগ করা হয়। অবশিষ্ট ছাই রাখা হয় ঝরনাধারার বিশুদ্ধ জলে ভরা একটি পাত্রে।
কোনো ব্যক্তিকে শুদ্ধ করার জন্য, সেই পাত্রের জল তাকে ছিটানো হতো। এ জন্য হিসপের ডাল ব্যবহার করা হতো, শুদ্ধির তৃতীয় ও সপ্তম দিনে।[২] যে কোহেন আচার সম্পন্ন করতেন, তিনি নিজেই আচারগতভাবে অপবিত্র হতেন। এরপর তাকে ও তার পোশাককে ঝরনার জলে ধোয়া আবশ্যক ছিল।
মিশনা-সংহিতা
[সম্পাদনা]মিশনা, যা রাব্বিনিক ইহুদিধর্মে মৌখিক তোরাহর মূল সংকলন, সেখানে লাল গরুর উৎসর্গ ও দগ্ধ করার ওপর একটি ট্র্যাক্টেট রয়েছে। এটি হলো তোহারোত বিভাগের পারা ("গরু") নামের ট্র্যাক্টেট, যেখানে পুরো প্রক্রিয়া বর্ণনা করা হয়েছে। এই ট্র্যাক্টেটের কোনো গেমারা নেই, তবে অন্যান্য ট্র্যাক্টেটের গেমারায় এ সম্পর্কিত ব্যাখ্যা পাওয়া যায়।
মিশনার "পারা" অনুসারে, বাছুরের গায়ে মাত্র দুটি কালো লোম থাকলেও তা অগ্রহণযোগ্য হয়ে যায়। এছাড়া আরও কিছু শর্ত ছিল—যেমন বাছুরটির প্রাকৃতিকভাবে জন্মানো আবশ্যক। সিজারিয়ান সেকশন দ্বারা জন্মালে সেটি গ্রহণযোগ্য নয়।[৩] ব্যবহৃত জল অবশ্যই "জীবন্ত" অর্থাৎ ঝরনার জল হতে হবে। এটি মিকভের তুলনায় কঠোর শর্ত। মিকভেতে বৃষ্টির পানি ব্যবহার করা গেলেও লাল বাছুরের আচার্যে তা গ্রহণযোগ্য নয়।
মিশনার তথ্যমতে, জেরুজালেম মন্দিরকালের সময়ে এই আচার্যে ব্যবহৃত জল আনা হতো সিলোয়ামের জলাশয় থেকে। পুরো অনুষ্ঠান ছিল অত্যন্ত জটিল ও সূক্ষ্ম। যারা আচার্যে যুক্ত হতো তাদের একেবারে পবিত্র রাখা হতো। তারা যেন মৃতদেহ বা কোনো ধরনের তুমাহ-এর সংস্পর্শে না আসে সে জন্য বিশেষ যত্ন নেওয়া হতো। ব্যবহৃত সব সরঞ্জাম ছিল পাথরের তৈরি, কারণ হালাখা অনুযায়ী পাথর অপবিত্রতা বহন করে না। এমনকি শিশুদেরকেও আলাদা পরিবেশে লালন করা হতো, যেন তারা কোনো মৃতদেহের স্পর্শ না পায়। এই শিশুরাই অনুষ্ঠানের জন্য পানি আনার কাজে ব্যবহৃত হতো:
জেরুজালেমে কুমারী শিলার ওপর অঙ্গন তৈরি করা হয়েছিল এবং নিচে ফাঁকা রাখা হয়েছিল, যাতে কোনো গোপন কবর না থাকে। সেখানে গর্ভবতী নারীদের নিয়ে আসা হতো এবং তারা সন্তান প্রসব করতেন। শিশুরা সেখানেই বড় হতো। তারপর ষাঁড় আনা হতো, তাদের পিঠে দরজা রাখা হতো, আর শিশুরা সেই দরজার ওপর বসে পাথরের পাত্র হাতে নিতো। তারা যখন শিলোয়ামে পৌঁছাতো, তখন শিশুদের নামিয়ে আনা হতো, তারা পাত্রে জল ভরতো, আবার দরজার ওপরে বসতো।
আরও কিছু ব্যবস্থা ছিল—যেমন টেম্পল মাউন্ট থেকে জলপাই পাহাড়ে একটি সেতু নির্মাণ, যাতে বাছুর ও পুরোহিতরা কোনো কবরের সংস্পর্শে না আসে।[৪]
মিশনার তথ্যমতে, লাল বাছুর উৎসর্গ ও দগ্ধ অনুষ্ঠান হতো জলপাই পাহাড়ে। একটি পবিত্র কোহেন বাছুরটিকে জবাই করতো এবং তার রক্ত সাতবার মন্দিরের দিকে ছিটিয়ে দিতো। এরপর বাছুরটিকে একটি চিতায় দগ্ধ করা হতো, সাথে লাল রঙের উল, হিসপ ও দেবদারুও পুড়িয়ে ছাই বানানো হতো। প্রত্নতাত্ত্বিক ইয়োনাতান অ্যাডলার এ অনুষ্ঠানের স্থান চিহ্নিত করার চেষ্টা করেছেন।[৫]
বাছুরের রঙ
[সম্পাদনা]তোরাহে গরুর রঙ আদুমাহ (אדומה) অর্থাৎ "লাল" বলা হয়েছে। তবে সাআদিয়া গাঁও এ শব্দের অনুবাদ করেছেন, যার অর্থ "হলুদ"।[৬] কোরআনেও মুসাকে একটি হলুদ গরু সম্পর্কে বলা হয়েছে (আল-বাকারা ২:৬৯)।
ইউসেফ কাফিহ ব্যাখ্যা করেছেন যে এটি আসলে স্বাভাবিক বাছুরের রঙ। তার মতে, তোরাহের শর্ত অনুযায়ী বাছুরের রঙ পুরোপুরি একরঙা হতে হবে, কোনো দাগ বা ভিন্ন রঙের ছোপ থাকা চলবে না।[৭]
একটি শর্তানুযায়ী উপযুক্ত লাল বাছুর বাস্তবে প্রায় অদ্ভুত একটি জৈবিক ঘটনা। এর লোম পুরোপুরি লালচে-বাদামি ও একেবারে সোজা হতে হবে। এছাড়াও প্রমাণ থাকতে হবে যে বাছুরটি কখনো জোতা পরানো হয়নি। ইহুদি ঐতিহ্য অনুযায়ী, মুসার সময় থেকে দ্বিতীয় মন্দির ধ্বংস পর্যন্ত মাত্র নয়টি লাল বাছুর উৎসর্গ করা হয়েছিল। মিশনার "পারা"তে উল্লেখ আছে—প্রথমটি মুসা, দ্বিতীয়টি এজরা, পরবর্তী কয়েকটি সিমিয়ন দ্য জাস্ট ও যোহানান মহাযাজক করেছিলেন, এবং সপ্তম, অষ্টম ও নবম করেছিলেন এলিওনাই বেন হাকাইয়াফ, আনানেলুস, এবং ইশমায়েল বেন ফাবুস।[৮]
লাল বাছুরের বিরলতা এবং এর জটিল আচার ইহুদি ধর্মে একে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছে। এটি হোখ-এর উদাহরণ হিসেবে দেখা হয়—যে আইন যুক্তির বাইরে। যেহেতু মন্দিরে সেবায় অংশ নিতে হলে লাল বাছুরের ছাই দ্বারা পবিত্র হওয়া আবশ্যক, তাই আধুনিক যুগে তৃতীয় মন্দির নির্মাণের আশায় লাল বাছুর খুঁজে বের করা এবং আচার পুনরায় চালু করার চেষ্টা চলছে।
এক ব্যাখ্যানুযায়ী, চতুর্থ শতাব্দীতে জেরেমিয়ার সময়ও লাল বাছুরের ছাই ব্যবহৃত হতো।[৯]
কোরআনে লাল গরু
[সম্পাদনা]কোরআনে একটি উজ্জ্বল হলুদ গরু বা বাছুরের কথা উল্লেখ আছে, যার রঙ যেন জাফরান মাখানো। কোরআনের দ্বিতীয় এবং দীর্ঘতম সুরার নাম "আল-বাকারা" (আরবি: البقرة "গাভী")। এই নাম এসেছে বাছুরকে ঘিরে বর্ণিত বিধান থেকে।
মনে করো, যখন মুসা তার সম্প্রদায়কে বললেন, “আল্লাহ তোমাদের একটি গাভী কোরবানি করতে বলেছেন।” তারা বলল, “আপনি কি আমাদের নিয়ে ঠাট্টা করছেন?” মুসা বললেন, “আমি আল্লাহর আশ্রয় চাই মূর্খদের অন্তর্ভুক্ত হওয়া থেকে।”
তারা বলল, “আপনার প্রভুর কাছে দোয়া করুন যেন তিনি আমাদের জানিয়ে দেন, কী ধরনের গাভী সেটা।” তিনি বললেন, “আল্লাহ বলেছেন, গাভীটি না বেশি বুড়ো, না বেশি অল্পবয়সী হবে। মাঝামাঝি বয়সের হবে। এখন তোমরা যা আদেশ পেয়েছ তাই করো।” তারা বলল, “আপনার প্রভুর কাছে দোয়া করুন, যেন তিনি আমাদের রঙটি স্পষ্ট করেন।” মুসা বললেন, “আল্লাহ বলেছেন, সেটি উজ্জ্বল হলুদ রঙের গাভী হবে—যার দিকে তাকানো আনন্দদায়ক।” আবার তারা বলল, “আপনার প্রভুর কাছে দোয়া করুন, যেন তিনি আমাদের স্পষ্ট করে দেন ঠিক কোন গাভী। সব গাভী আমাদের কাছে একই রকম লাগে। আল্লাহ চাইলে আমরা সঠিকটি চিনে নেব।”
তিনি বললেন, “আল্লাহ বলেছেন, গাভীটি কখনো জমি চাষ বা ক্ষেত সেচে ব্যবহার করা হয়নি। একেবারে সুস্থ-সবল এবং ত্রুটিমুক্ত।” তখন তারা বলল, “এবার আপনি সত্যি বললেন।” তবুও তারা অনিচ্ছাকৃতভাবে সেটিকে কোরবানি করল!
ইবন কাসির ব্যাখ্যা করেছেন যে, ইবনে আব্বাস ও উবাইদা ইবন আল-হারিস-এর মতে, এটি বনি ইসরাইলের সন্দেহপ্রবণ প্রশ্ন করার প্রবণতাকে তুলে ধরে। তারা মুসাকে একের পর এক প্রশ্ন করেছিল, অথচ আল্লাহর বিধান সহজভাবে পালন করলেই হতো। যদি তারা কোনো একটি বাছুর জবাই করত, তবে সেটাই যথেষ্ট হতো। কিন্তু তারা বিষয়টিকে জটিল করায় আল্লাহও বিধানকে আরও নির্দিষ্ট করে দিলেন।[১১]
খ্রিস্টীয় ধর্মতত্ত্ব
[সম্পাদনা]ক্যানোনবহির্ভূত বার্নাবাসের পত্র (৮:১)-এ স্পষ্টভাবে লাল গরুকে যিশুর সাথে তুলনা করা হয়েছে। নতুন নিয়ম-এ "শহরের বাইরে" এবং "শিবিরের বাইরে" বাক্যাংশগুলোকে শুধু যিশুকে লাল বাছুরের সঙ্গে মিলিয়ে দেখা হয়নি, বরং তাঁর ক্রুশবিদ্ধ হওয়ার স্থান গলগোথার ইঙ্গিত হিসেবেও ধরা হয়েছে।[১২]
একাডেমিক আলোচনায় লাল বাছুরের প্রতীকী ব্যাখ্যায় মেলবোর্ন ও’ব্যানিয়ন তার "দ্য ল’ অব দ্য রেড হেইফার: এ টাইপ অ্যান্ড শ্যাডো অব জিসাস ক্রাইস্ট" প্রবন্ধে বলেন, গণনা পুস্তকের ১৯ অধ্যায়ে বর্ণিত লাল বাছুর আচার আসলে যিশু খ্রিস্টের একবারেই চূড়ান্ত আত্মবলিদানের পূর্বাভাস। তিনি দেখান, যেমন লাল বাছুরকে ত্রুটিমুক্ত হতে হয়েছিল, মন্দির শুদ্ধিকরণে বিশেষ ভূমিকা ছিল এবং সেটিকে শিবিরের বাইরে উৎসর্গ করা হয়েছিল, ঠিক তেমনই যিশু ছিলেন নির্দোষ, তিনি জেরুজালেমের বাইরে আত্মবলিদান দিয়েছিলেন। লাল গরুর ছাই দ্বারা মৃত্যুর অপবিত্রতা থেকে শুদ্ধি হতো, আর খ্রিস্টের আত্মত্যাগ বিশ্বাসীদের আত্মিক মৃত্যুর অপবিত্রতা থেকে মুক্তি দেয়।[১৩]
আধুনিক যুগের লাল গরু
[সম্পাদনা]টেম্পল ইনস্টিটিউট, যা তৃতীয় মন্দির পুনর্নির্মাণে নিবেদিত একটি সংস্থা, তারা গণনা ১৯ অধ্যায় ও মিশনার "পারা" ট্র্যাক্টেট অনুযায়ী লাল বাছুর শনাক্ত করার চেষ্টা করেছে।[১৪][১৫] ১৯৯৭ ও ২০০২ সালে দুটি সম্ভাব্য লাল গরুর শনাক্ত করা হয়েছিল।[১৬] শুরুতে সেগুলোকে উপযুক্ত ঘোষণা করা হলেও পরে ত্রুটি ধরা পড়ায় বাতিল করা হয়। সংস্থাটি রেড অ্যাঙ্গাস জাতের গরুর ওপর ভিত্তি করে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে জেনেটিক উপায়ে লাল গরুর উৎপাদনের চেষ্টা করছে।[১৭]
সেপ্টেম্বর ২০১৮-তে ঘোষণা করা হয়, একটি লাল বাছুর জন্ম নিয়েছে। সেটি উপযুক্ত কিনা তা যাচাই করা হচ্ছিল।[১৮][১৯]
সেপ্টেম্বর ২০২২-এ যুক্তরাষ্ট্র থেকে পাঁচটি লাল বাছুর ইসরায়েলে আনা হয় এবং একটি খামারে লালন শুরু হয়। রাব্বিরা সেগুলোকে উৎসর্গ ও দগ্ধ করার জন্য দাগমুক্ত ঘোষণা করেন।[২০]
সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ২০২৫ সালের ৮ জুলাই পশ্চিম তীরে একটি লাল বাছুর আচারগতভাবে উৎসর্গ করা হয়েছিল। তবে এর গায়ে দুইটি কালো লোম পাওয়ায় সেটি অবৈধ ঘোষণা করা হয় এবং কেবল অনুশীলন হিসেবে ব্যবহার করা হয়।[২১]
সাহিত্য ও শিল্পে
[সম্পাদনা]লাল বাছুরকে কেন্দ্র করে মাইকেল শ্যাবন-এর গোয়েন্দা উপন্যাস দ্য ইয়িদিশ পুলিশমেন’স ইউনিয়ন রচিত হয়েছে। উপন্যাসটি বিকল্প ইতিহাসের আলাস্কার একটি ইহুদি রাষ্ট্রে ভিত্তি করে লেখা।[২২] এটি হুগো পুরস্কার, নেবুলা পুরস্কার ও লোকাস পুরস্কার সহ একাধিক পুরস্কার জিতেছে।
লাল গরু নামের চলচ্চিত্রে একটি লাল বাছুর জন্ম নেওয়া তৃতীয় মন্দির আগমনের ইঙ্গিত হিসেবে দেখানো হয়েছে। এটি পূর্ব জেরুজালেমের একটি অবৈধ ধর্মীয় বসতিতে ভিত্তি করে নির্মিত। ইসরায়েলি পরিচালক সিভিয়া বার্কাই-ইয়াকোভের এই প্রাপ্তবয়স্ক এলজিবিটিকিউ চলচ্চিত্রটি বার্লিন ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে প্রিমিয়ার হয় এবং জেরুজালেম ফিল্ম ফেস্টিভ্যালে তিনটি পুরস্কার জেতে (২০১৮)।[২৩][২৪]
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Carmichael, Calum (২০২২)। The Book of Numbers: a Critique of Genesis। New Haven, Connecticut: Yale University Press। পৃ. ১০৩–১২১। আইএসবিএন ৯৭৮০৩০০১৭৯১৮৭।
- ↑ Numbers
- ↑ মিশনে তোরাহ, হিলখোট পারাহ আদুমাহ ১:৭
- ↑ মিশনায়োথ সেদের তাহারোথ, অনুবাদ ও টীকা: ফিলিপ ব্ল্যাকম্যান, জুডাইকা প্রেস, ২০০০।
- ↑ Adler, Y. (২০০২)। "The Site of the Burning of the Red Heifer on the Mount of Olives"। Techumin (হিব্রু ভাষায়)। ২২: ৫৩৭–৫৪২।
- ↑ আরও দেখুন Job 16:16, যেখানে সাআদিয়া লালাভ মুখ বর্ণনা করতে সাফরা ব্যবহার করেছেন।
- ↑ ইউসেফ কাফিহ, পেরুশেই রাব্বেইনু সাআদিয়া গাঁও আল হা-তোরাহ, টীকা, গণনা ১৯:২।
- ↑ মিশনার পারা, ৩:৫
- ↑ জেরুজালেম তালমুদ, ব্রাখোত ৬:১, ওর ইয়েশারিম টীকা ও রোম পাণ্ডুলিপি অনুসারে।
- ↑ "Al Baqara"। Quran.com।
- ↑ "Tafsir Ibn Kathir on Al Baqara, Quran - The doubtful questioning of the Israelites regarding the red heifer; and Allah made the matter specified for them"। www.qtafsir.com। সংগ্রহের তারিখ ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৯।
- ↑ Martin, Ernest L. (১৯৮৮)। Secrets of Golgotha: The Forgotten History of Christ's Crucifixion। ASK Publications। আইএসবিএন ৯৭৮-০৯৪৫৬৫৭৭৭৪।
- ↑ Melbourne O'Banion, The Law of the Red Heifer: A Type and Shadow of Jesus Christ, Studia Antiqua, Brigham Young University ScholarsArchive. https://scholarsarchive.byu.edu/cgi/viewcontent.cgi?article=1041&context=studiaantiqua
- ↑ "The Mystery of the Red Heifer: Divine Promise of Purity"। templeinstitute.org। The Temple Institute। ৩১ জানুয়ারি ২০০৮। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৫।
- ↑ "Apocalypse Heifer"। The New York Times। ৩০ মার্চ ১৯৯৭। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৩।
- ↑ "News Flash: A red heifer is born in Israel!"। templeinstitute.org। The Temple Institute। ২৩ ফেব্রুয়ারি ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুন ২০১৫।
- ↑ Zieve, Tamara (১৩ আগস্ট ২০১৫)। "The quest for the red heifer: An ancient law meets modern technology"। সংগ্রহের তারিখ ১৫ আগস্ট ২০১৫।
- ↑ Dellatto, Marisa (৯ সেপ্টেম্বর ২০১৮)। "Prophecy fulfilled after a red heifer is born at the Temple of Jerusalem, Israel"। nypost.com। New York Post।
- ↑ "Apocalyptic heifer: Does the first red heifer born in Israel portend evil news for us all?"। walla.co.il (হিব্রু ভাষায়)। Walla। ১৫ সেপ্টেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৬ নভেম্বর ২০২০।
- ↑ পাঁচটি লাল বাছুর ইসরায়েলে আনা হয়েছে: ২০০০ বছর পর এখানে প্রথমবার। হামেখাদেশ, ১ আগস্ট ২০২২
- ↑ "Watch: Biblical Red Heifer ritual comes to life in rehearsal ceremony" (ইংরেজি ভাষায়)। ৮ জুলাই ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ১৩ আগস্ট ২০২৫।
- ↑ James R. Russell (১৬ জুলাই ২০২৪)। "Mysteries of the Red Heifer"। Times of Israel। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ Jordan Mintzer (২৬ ফেব্রুয়ারি ২০১৮)। "'Red Cow' ('Para Aduma') Film Review"। The Hollywood Reporter। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৪।
- ↑ "2018 Jerusalem Film Festival Awards Announced"। Jerusalem Film Festival। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০২৪।