বিষয়বস্তুতে চলুন

লালছাতি টিয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

লালছাতি টিয়া
স্ত্রী (বামে) ও পুরুষ (ডানে)
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস
জগৎ: Animalia
পর্ব: Chordata
শ্রেণী: Aves
বর্গ: Psittaciformes
পরিবার: Psittaculidae
গণ: Psittacula
প্রজাতি: P. alexandri
দ্বিপদী নাম
Psittacula alexandri
(Linnaeus, 1758)
উপপ্রজাতি অনুযায়ী লালছাতি টিয়ার বিস্তৃতি

লালছাতি টিয়া হলো মাঝারি আকারের একটি টিয়া পাখি, যা প্রধানত দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়ার কিছু অংশে স্বাভাবিকভাবে বিস্তৃত। এটি Psittacula গণের অন্যতম সর্বাধিক বিস্তৃত প্রজাতি এবং এই গণের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ভৌগোলিক বৈচিত্র্যযুক্ত প্রজাতি হিসেবে পরিচিত। প্রাপ্তবয়স্ক পাখির বুকে থাকা বড় ও উজ্জ্বল লাল দাগ এর প্রধান শনাক্তকারী বৈশিষ্ট্য। অনেকে একে মদনা টিয়া বলে থাকেন।[১] বাংলা 'ছাতি' শব্দের একটি অর্থ বক্ষ বা বুক, তাই লালাছাতি মানে লালবুক।

এদের অধিকাংশ উপপ্রজাতির বিস্তৃতি অত্যন্ত সীমিত এবং সেগুলো সাধারণত ইন্দোনেশিয়ার ছোট দ্বীপ বা দ্বীপগুচ্ছে সীমাবদ্ধ। একটি উপপ্রজাতি আন্দামান দ্বীপপুঞ্জে পাওয়া যায়, আরেকটি উপপ্রজাতি দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার মূল ভূখণ্ডে বিস্তৃত, যার পরিসর আংশিকভাবে হিমালয়ের পাদদেশ বরাবর দক্ষিণ এশিয়ার উত্তর-পূর্বাঞ্চল পর্যন্ত বিস্তৃত।

এদের দ্বীপ-নিবাসী কিছু উপপ্রজাতি 'বন্য পাখির বাণিজ্য' ও আবাসস্থল ধ্বংসের কারণে হুমকির মুখে রয়েছে। জাভা দ্বীপে পাওয়া উপপ্রজাতিটি বর্তমানে প্রায় বিলুপ্তির পথে। স্বাভাবিক বিস্তৃতির বাইরে, এই প্রজাতির কিছু বন্যীকৃত পাখি মুম্বাই ও সিঙ্গাপুরের মতো বড় শহরে স্থায়ীভাবে বসতি স্থাপন করেছে।

শ্রেণিবিন্যাস

[সম্পাদনা]

লালছাতি টিয়া প্রথম বৈজ্ঞানিকভাবে বর্ণনা করেন সুইডিশ প্রকৃতিবিদ কার্ল লিনিয়াস ১৭৫৮ সালে তার গ্রন্থ সিস্টেমা ন্যাচারাইের দশম সংস্করণে। তিনি এ প্রজাতিটিকে অন্যান্য টিয়ার সঙ্গে Psittacus গণে অন্তর্ভুক্ত করেন এবং এর দ্বিপদ নামকরণ করেন Psittacus alexandri।[২] এই প্রজাতির টাইপ লোকালিটি হিসেবে জাভা দ্বীপ নির্ধারণ করা হয়।[৩]

মেয়ে লালছাতি টিয়া, বাংলাদেশ

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (২১ নভেম্বর ২০১৭)। "মদনা টিয়া"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ১৪ জানুয়ারি ২০২৬।
  2. ↑ Linné, Carl von; Linné, Carl von; Salvius, Lars (১৭৫৮)। Caroli Linnaei...Systema naturae per regna tria naturae :secundum classes, ordines, genera, species, cum characteribus, differentiis, synonymis, locis। খণ্ড v.১। Holmiae: Impensis Direct. Laurentii Salvii।
  3. ↑ Cottrell, G. William,; Cottrell, G. William; Greenway, James C.; Mayr, Ernst; Paynter, Raymond A.; Peters, James Lee; Traylor, Melvin A.; University, Harvard (১৯৩৭)। Check-list of birds of the world। খণ্ড v.৩ (১৯৩৭)। Cambridge: Harvard University Press।{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অতিরিক্ত বিরামচিহ্ন (লিঙ্ক) উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: একাধিক নাম: লেখকগণের তালিকা (লিঙ্ক)