লতিফুর রহমান (বিচারপতি)
বিচারপতি লতিফুর রহমান | |
|---|---|
| বাংলাদেশের ২য় প্রধান উপদেষ্টা | |
| কাজের মেয়াদ ১৫ জুলাই ২০০১ – ১০ অক্টেবর ২০০১ | |
| পূর্বসূরী | শেখ হাসিনা |
| উত্তরসূরী | খালেদা জিয়া |
| বাংলাদেশের ১০ম প্রধান বিচারপতি | |
| কাজের মেয়াদ ১ জানুয়ারী ২০০০ – ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০০১ | |
| পূর্বসূরী | মোস্তফা কামাল |
| উত্তরসূরী | মাহমুদুল আমিন চৌধুরী |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জন্ম | ১ মার্চ ১৯৩৬ যশোর জেলা, বেঙ্গল প্রেসিডেন্সি, ব্রিটিশ ভারত |
| মৃত্যু | ৬ জুন ২০১৭ (বয়স ৮১) ঢাকা, বাংলাদেশ |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| ধর্ম | ইসলাম |
বিচারপতি লতিফুর রহমান (জন্ম: ১লা মার্চ ১৯৩৬ - মৃত্যু: ৬ই জুন ২০১৭) ছিলেন বাংলাদেশের সাবেক প্রধান বিচারপতি ও ২০০১ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]লতিফুর রহমান ১লা মার্চ ১৯৩৬ সালে যশোর শহরে জন্মগ্রহণ করেন। তার পিতা খান বাহাদুর লুৎফর রহমান একজন আইনজীবী ছিলেন। তাদের পৈত্রিক নিবাস ঝিনাইদহ জেলার মহেশপুর উপজেলায়।[১] তিনি যশোর জিলা স্কুল ও তারপরে ঢাকা কলেজে শিক্ষাগ্রহণ করেন। এরপর তিনি ১৯৫৫ ও ১৯৫৬ সালে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ইংরেজি সাহিত্যে যথাক্রমে স্নাতক (সম্মান) ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। পরে তিনি একই বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এলএলবি ডিগ্রিও লাভ করেন।[২][৩]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]পেশাজীবনের শুরুতে লতিফুর রহমান কায়েদে আজম কলেজ (বর্তমান শহিদ সোহরাওয়ার্দি কলেজ) ও জগন্নাথ কলেজ-এ (বর্তমান জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়) প্রভাষক হিসেবে কাজ করেন। ১৯৬০ সাল থেকে তিনি ঢাকা হাই কোর্টে আইন পেশা শুরু করেন। তিনি শুরুতেই এম.এইচ. খন্দকারের নিকট শিক্ষানবিশ ছিলেন। জনাব খন্দকার বাংলাদেশের প্রথম এটর্নি জেনারেল ছিলেন। ১৯৭৯ সালে লতিফুর রহমান সুপ্রিম কোর্টের হাইকোর্ট বিভাগের অতিরিক্ত বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ১৯৮১ সালে তার বিচারকের চাকুরি স্থায়ী হয়। ১৫ জানুয়ারি ১৯৯১ তিনি সুপৃম কোর্টের আপিল বিভাগের বিচারপতি হিসেবে নিয়োগ লাভ করেন। ২০০০ সালের ১ জানুয়ারি তিনি দেশের প্রধান বিচারপতি হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন। ২৮ ফেব্রুয়ারি তিনি প্রধান বিচারপতি থাকাকালীন অবসর গ্রহণ করেন।
সর্বশেষ অবসর প্রাপ্ত বিচাপতি হিসেবে তিনি ২০০১ সালের ১৫ জুলাই তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব গ্রহণ করেন। দায়িত্ব গ্রহণের ৩০ মিনিটের মধ্যে তিনি ১৩ জন সচিবকে ওএসডি করে। [৪]অষ্টম জাতীয় সংসদের নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয় ১ অক্টোবর ২০০১ সালে এবং লতিফুর রহমান ১০ অক্টোবর নতুন প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কাছে ক্ষমতা হস্তান্তর করেন। তার অধীনে অনুষ্ঠিত নির্বাচন দেশে-বিদেশে ব্যাপক বিতর্কের জন্ম দেয়। বিএনপি এই নির্বাচনে দুই-তৃতীয়াংশ আসনে জয় লাভ করে এবং আওয়ামী লীগ ৫৮ টি আসন পায়। আওয়ামী লীগ সভানেত্রী শেখ হাসিনা এই নির্বাচনের ফলাফল প্রাথমিক ভাবে প্রত্যাখ্যান করে শপথ নিতে অস্বীকার করে।
রচনা
[সম্পাদনা]প্রধান উপদেষ্টার দায়িত্ব হস্তান্তরের পর বিচারপতি লতিফুর রহমান তার উপদেষ্টা থাকা কালীন অভিজ্ঞতা নিয়ে তত্ত্বাবধায়ক সরকারের দিন গুলি ও আমার কথা নামের একটি বই লিখেন।
মৃত্যু
[সম্পাদনা]৬ই জুন ২০১৭ সালে মঙ্গলবার সকালে রাজধানীর সমরিতা হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান। [৫] [৬]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "লতিফুর রহমান"। কালবেলা। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২৬।
- ↑ প্রতিবেদক, নিজস্ব (৭ জুন ২০১৭)। "সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান আর নেই"। দৈনিক প্রথম আলো। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ "রহমান, বিচারপতি লতিফুর - বাংলাপিডিয়া"। bn.banglapedia.org। সংগ্রহের তারিখ ২৯ আগস্ট ২০২৪।
- ↑ http://www.barta24.net/print_news.php?path=data_files/2011/06/24&news_type_id=1&menu_id=76&news_id=1049[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান আর নেই"। দৈনিক ইত্তেফাক। ৪০, কাওরান বাজার, ঢাকা-১২১৫। ৬ জুন ২০১৭। ২৫ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৭।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থান (লিঙ্ক) - ↑ "সাবেক প্রধান বিচারপতি লতিফুর রহমান আর নেই"। দৈনিক সমকাল। ১৩৬ তেজগাঁও শিল্প এলাকা, ঢাকা - ১২০৮। ৬ জুন ২০১৭। ৬ জুন ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৬ জুন ২০১৭।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অবস্থান (লিঙ্ক)
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]| পূর্বসূরী: শেখ হাসিনা |
তত্ত্বাবধায়ক সরকারের প্রধান উপদেষ্টা জুলাই ১৫, ২০০১-অক্টোবর ১০, ২০০১ |
উত্তরসূরী: খালেদা জিয়া |
| এই নিবন্ধটি অসম্পূর্ণ। আপনি চাইলে এটিকে সম্প্রসারিত করে উইকিপিডিয়াকে সাহায্য করতে পারেন। |
- ১৯৩৬-এ জন্ম
- ২০১৭-এ মৃত্যু
- বাংলাদেশের প্রধান বিচারপতি
- বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা
- বাংলাদেশী বিচারক
- ঝিনাইদহ জেলার আইনজীবী
- বনানী কবরস্থানে সমাধিস্থ
- জগন্নাথ কলেজের শিক্ষক
- সরকারি শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, ঢাকার শিক্ষক
- যশোর জিলা স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- বাংলাদেশ সুপ্রীম কোর্টের বিচারপতি
- ঢাকা কলেজের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- যশোরের শিক্ষায়তনিক
- যশোর জেলার আইনজীবী
- মহেশপুর উপজেলার ব্যক্তি