রেশমিন চৌধুরী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রেশমিন চৌধুরী
জন্মডিসেম্বর ১৬, ১৯৭৭
জাতীয়তাব্রিটিশ
শিক্ষাবিএসসি,,
মাতৃশিক্ষায়তনবাথ বিশ্ববিদ্যালয়
পেশাক্রীড়া সাংবাদিক, উপস্থাপিকা, গায়িকা
কর্মজীবন১৯৯৮-বর্তমান
সন্তান

রেশমিন চৌধুরী (জন্ম: ১৬ ডিসেম্বর ১৯৭৭ ) একজন ব্রিটিশ বংশোদ্ভূত বাংলাদেশী ক্রীড়া সাংবাদিক এবং সংবাদ উপস্থাপিকা যিনি বিবিসি এবং বিটির জন্য কাজ করে থাকেন।

প্রাথমিক জীবন[সম্পাদনা]

চৌধুরী লন্ডনে জন্মগ্রহণ করেন এবং সেখানে বেড়ে উঠেন। তিনি বাংলাদেশী বংশোদ্ভূত।[১][২]

রেশমিন চৌধুরী ওডফোর্ড কাউন্টি উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। তিনি বাথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে রাষ্ট্রবিজ্ঞান (অর্থনীতিও অর্ন্তভুক্ত ছিল) এর উপর স্নাতক ডিগ্রী অর্জন করেন। পরবর্তীতে তিনি এনসিটিজে এ অধ্যয়ন করে সাংবাদিকতার উপর স্নাতোকত্তোর ডিপ্লোমা ডিগ্রী অর্জন করেন।

সঙ্গীত জীবন[সম্পাদনা]

রেশমিন চৌধুরী একজন গায়িকাও বটে। তিনি সঙ্গীত শিল্পী নিতিন সাওহনের সাথে কাজ করেছেন। তিনি দি মহাভঅরতা প্রোডাকশের হয়ে যুক্তরাজ্যের বিভিন্ন সফরে গান পরিবেশন করেছেন এবং ২০০৬ মুক্তিপ্রাপ্ত নেমসেইক ছবিতে তার কন্ঠে একটি গান রেকর্ড করা হয়।[১][২]

পুরস্কার এবং মনোনয়ন[সম্পাদনা]

২০১৫ সালের সেপ্টম্বরে রেশমিন চৌধুরী ব্রিট্রিশ এশিয়ান ট্রাস্টের অ্যাম্বাসেডর হয়েছিলন। ২০১৫ সালের নভেম্বরে এশীয় ফুটবল অ্যাওয়ার্ডে মিডিয়া পুরস্কার জিতে নেন।[৩][৪][৫]

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

রেশমিন চৌধুরী লন্ডনে তার স্বামী এবং দুই সন্তানের সাথে বসবাস করেন। তিনি ইংরেজিতে অনর্গল কথা বলতে পারেন এবং বাংলা তার মাতৃভাষা। তিনি স্পেনিশ এবং ফ্রেঞ্চ ভাষায়ও কথা বলতে পারেন।[১][২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. "Reshmin Chowdhury" (ইংরেজি ভাষায়)। Activate Management। ৫ মার্চ ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ১ মার্চ ২০১৪ 
  2. "BBC and BT Sport Presenter Reshmin Chowdhury" (ইংরেজি ভাষায়)। Asian Voice। ১৯ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৬ 
  3. "Asian Football Awards winners announced at Wembley" (ইংরেজি ভাষায়)। Asian Image । ২০ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৬ 
  4. Ganatra, Rupen (২০ নভেম্বর ২০১৫)। "The Asian Football Awards 2015 Winners" (ইংরেজি ভাষায়)। DESIblitz। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৬ 
  5. "Asian Football Awards winners announced at Wembley" (ইংরেজি ভাষায়)। Bradford: Telegraph & Argus। ২০ নভেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০১৬ 

বহিঃসংযোগ[সম্পাদনা]