রুম ৩৯

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে

রুম ৩৯, (ডিভিশন ৩৯, বুরো ৩৯ অথবা অফিস ৩৯ নামেও পরিচিত[১]) উত্তর কোরিয়ার সরকারি একটি গোপন সংস্থা। এটি উত্তর কোরিয়ার ন্যাশনাল ডিফেন্স কমিশনের চেয়ারম্যান কিম জং উনের জন্য বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের পথ।[২] এই সংস্থাটির কাছে ৫ বিলিয়ন এর উপর মুদ্রা জমা আছে। এছাড়া এটি অর্থ সংক্রান্ত অনেক অনৈতিক কাজের সাথে জড়িত বলে মনে করা হয়।[২][৩]

অনেকে মনে করে রুম ৩৯ কিম জং উনের ক্ষমতাকে আরো বৃদ্ধি করছে এবং উত্তর কোরিয়ার পরমানু প্রকল্পের জন্য অর্থ সংগ্রহের কাজ করছে।[২] বিশ্বাস করা হয় পিয়ংইয়ং এ ওয়ার্কার্স পার্টির ভবনেই এর অবস্থান[৪] যা কিম জং উনের প্রসাদ থেকে খুব দূরে নয়।[১]

ইতিহাস[সম্পাদনা]

১৯৭০ সালে রুম ৩৯ গঠন করা হয়েছিল।[৫] এর গঠনের উদ্দেশ্য ও নামকরনের ইতিহাস জানা যায়নি। বিভিন্ন রকমের নিষিদ্ধ অস্ত্র কেনাবেচা এবং সুইস ব্যাংকের কিছু অ্যাকাউন্টের মাধ্যমে পুরো পৃথিবীতে ইন্স্যুরেন্স ফ্রডের জন্য এই সংস্থাটিকে দায়ী করা হয়। কিন্তু জনশ্রুতি আছে চীন ও সুইজারল্যান্ডের ১০ থেকে ২০ টি ব্যাংক একাউন্টের মাধ্যমে এ প্রতিষ্ঠানের সাথে অর্থ লেনদেন হত। রুম-৩৯ এর অধীনে ১২০ টি বিদেশী বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান আছে যা সরাসরি কিম জং উনের নিয়ন্ত্রনে। এছাড়া আমেরিকান ডলারের নকল প্রতিলিপি তৈরির অভিযোগও আছে এই সংস্থার উপর।

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. ১.০ ১.১ Landler, Mark (আগস্ট ৩০, ২০১০)। "New U.S. Sanctions Aim at North Korean Elite"The New York Times 
  2. ২.০ ২.১ ২.২ David Rose (আগস্ট ৫, ২০০৯)। "North Korea's Dollar Store"Vanity Fair 
  3. "Global Insurance Fraud By North Korea Outlined"Washington Post। জুন ১৮, ২০০৯। 
  4. Kelly Olsen (জুন ১১, ২০০৯)। "New sanctions could hit North Korea's fundraising"The Guardian 
  5. "North Korea fires head of secret bureau 'Room 39'"CTV News। Feb. ৪, ২০১০। 

আরো পড়ুন[সম্পাদনা]

  • "Money Trail: In North Korea, Secret Cash Hoard Props Up Regime"। The Wall Street Journal। জুলাই ১৪, ২০০৩।  |coauthors= প্যারামিটার অজানা, উপেক্ষা করুন (সাহায্য); |coauthors= |author= প্রয়োজন (সাহায্য)
  • Michael Breen (author), Kim Jong-il: North Korea's Dear Leader, John Wiley and Sons (January, 2004), hardcover, 228 pages, ISBN 0-470-82131-0