বিষয়বস্তুতে চলুন

রিয়ুনোসুকে আকুতাগাওয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রিয়ুনোসুকে আকুতাগাওয়া
স্থানীয় নাম
芥川 龍之介
জন্মরিয়ুনোসুকে নিইহারা
১ মার্চ ১৮৯২
কেওবাশি, টোকিও, জাপান সাম্রাজ্য
মৃত্যু২৪ জুলাই ১৯২৭
টোকিও, জাপান সাম্রাজ্য
ছদ্মনামচোওকোওদোও শুজিন
পেশালেখক
ভাষাজাপানি
জাতীয়তাজাপানি
নাগরিকত্বজাপানি
শিক্ষাটোকিও বিশ্ববিদ্যালয়
ধরনছোটগল্প
সাহিত্য আন্দোলনআধুনিকবাদ
উল্লেখযোগ্য রচনা"রাশোমন", "নাক",
সন্তানতিনটি (যাসুশী আকুতাগাওআ উল্লেখযোগ্য)

রিয়ুনোসুকে আকুতাগাওয়া (芥川 龍之介, Akutagawa Ryūnosuke, – ১ মার্চ ১৮৯২-২৪ জুলাই ১৯২৭) ছদ্মনাম চোওকোওদোও শুজিন (澄江堂主人)[] ছিলেন একজন জাপানি তাইশো কালীন লেখক। এঁকে "জাপানি ছোটো গল্পের জনক" মানা হয় এবং এঁর নামে জাপানের সেরা সাহিত্য পুরস্কার "আকুতাগাওয়া পুরস্কার" দেওয়া হয়।[] ইনি ৩৫ বছর বয়সে বার্বিটাল খেয়ে আত্মহত্যা করেন।[]

প্রাথমিক জীবন

[সম্পাদনা]

রিয়ুনোসুকে আকুতাগাওয়ার জন্ম টোকিওর কেওবাশি জেলায়। উনি ছিলেন বাবা তোষিজো নিহারা এবং মা ফুকু আকুতাগাওয়ার তৃতীয় সন্তান এবং প্রথম পুত্র। ওনার নামকরণ 'রিয়ুনোসুকে' ('ড্রাগনের সন্তান') করা হয় কারণ উনি ড্রাগনের বছরে, ড্রাগনের মাসে, ড্রাগনের দিনে এবং ড্রাগনের ঘণ্টায় জন্মগ্রহণ করেন। জন্মের কিছুদিনের পর ওনার মা মানসিক রোগের শিকার হন, এবং সেই জন্য রিয়ুনোসুকের দেখভাল করেন ওনার মামা দোষও আকুতাগাওয়া, যার থেকে উনি পরে 'আকুতাগাওয়া' নামটি গ্রহণ করেন। ছোট থেকেই ওনার প্রাচীন চীনা সাহিত্যের প্রতি আকর্ষণ তৈরি হয় এবং মোরী ওগাই আর নাৎসুমে সোসেকির লেখার প্রতি আগ্রহী হন।

১৯১০ সালে উনি প্রথম উচ্চশিক্ষা বিদ্যালয়ের ছাত্র হন এবং কান কিকুচি, কুমে মাসও, ইউজো ইয়ামামোতো এবং সুচিয়া বুনমেইর সম্পর্কে আসেন, এরা সবাই পরবর্তী কালে লেখক হন। উনি ১৯১৩ সালে টোকিও বিশ্ববিদ্যালয় ইংরেজি সাহিত্যর ছাত্র থাকা কালীন লেখা আরাম্ভ করেন।

ছাত্র থাকা কালীন উনি নিজের ছোটবেলায় বন্ধু ইযাওই ইওশীদা কে বিয়ের প্রস্তাব দেন, কিন্তু ওনার দত্তক পরিবার এই প্রস্তাব মেনে নেয় না। ১৯১৬ সালে উনি ফুমি সুকামোতোর সঙ্গে নিযুক্ত হন এবং ১৯১৮ সালে ওনাকে বিয়ে করেন। ওনাদের তিনটি সন্তান হয় - হিরোশি আকুতাগাওয়া (১৯২০-১৯৮১) যিনি ছিলেন এক অভিনেতা, তাকাশি আকুতাগাওয়া (১৯২২-১৯৪৫) যে ছাত্র কালীন দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে বুর্মেইর লড়াইতে নিহত হয়, এবং যাসুশী অকুতাগাওআ (১৯২৫ - ১৯৮৯), যিনি একজন সুরকার।

স্নাতক হওয়ার পর কিছুদিনের জন্য উনি কানাগাওআর যাকোসুকার নৌ-সেনা জন্ত্রবিজ্ঞান বিদ্যালয়ে ইংরেজি ভাষার প্রশিক্ষক হিসেবে চাকরি করেন। পরে সে চাকরি ছেড়ে উনি পুরোপুরি সাহিত্যচর্চা করা শুরু করেন।

সাহিত্যিক জীবন

[সম্পাদনা]
১৯১৯ সালের ছবি। বামদিকে থেকে দ্বিতীয় হলেন আকুতাগাওআ। কান কিকুচি একদম বামদিকে।

১৯১৪ সালে আকুতাগাওয়া এবং তার বন্ধুরা মিলে সাহিত্য জার্নাল নতুন চিন্তার ধারার (শিনসিচো) পুনঃপ্রতিষ্ঠা করেন। জার্নালে নিজের লেখা ছাড়াও উইলিয়াম বাটলার ইয়েটস এবং এনাটোলে ফ্রান্সের লেখা অনুবাদ করে ছাপানো হয়। আকুতাগাওয়া পরের বছর, ছাত্র অবস্থায়, নিজের ছোটগল্প "রাশোমন" রাজকীয় সাহিত্য (তেইকাকু বুঙ্গাকু) জার্নালে প্রকাশিত করেন। গল্পটি ১২ শতাব্দীর এক লোককথার ওপর ভিত্তিক ছিলা। আকুতাগাওয়ার বন্ধুদের এই গল্পটি ভালো লাগেনা এবং তারা এর প্রচুর সমালোচনা করে। তবুও, ১৯১৫ সালে, আকুতাগাওয়া সাহস সঞ্চয় করে নিজের শ্রদ্ধার পাত্র, লেখক নাৎসুমে সোসেকির সপ্তাহিক সাহিত্যচক্রে যোগ দেন। নভেম্বর মাসে তিনি পুনরায় "রাশোমন" প্রকাশিত করেন তেইকাকু মোনগাকু সাহিত্যিক পত্রিকায়।[] ১৯১৬ সালে তিনি ছোটগল্প "নাক" প্রকাশিত করেন। সোসেকি চিঠি লিখে এই গল্পটির প্রশংসা করেন এবং আকুতাগাওআ নিজের সাফল্যের প্রথম স্বাদ পান।[]

এই সময় আকুতাগাওআ হাইকু লেখা শুরু করেন 'গাকি' হাইগোর (হাইকু লেখার ছদ্মনাম) আড়ালে। এর পর উনি আরো কিছু ছোটগল্প লেখেন যার পটভূমি ছিল হেইআন যুগ, এডো যুগ এবং মেইজি যুগ। এই লেখাগুলি ঐতিহাসিক ঘটনা এবং প্রাচীন সাহিত্যর পূর্ণবাখ্যা করে। উদাহরণ স্বরূপ "গেসাকুর প্রতি সমর্পিত জীবন" (গেসাকু জানমাই, ১৯১৭); "বাঞ্জার জমির সংগ্রহ" (কারেনো-শো, ১৯১৮); "নরক পর্দা" (জিগোকু হেন, ১৯১৮); "এক খৃষ্টানের মৃত্যু" (হোকোইওনিন নো শি, ১৯১৮) এবং "বল" (বুটোকাই, ১৯২০)। অকুতাগাওআ সাহিত্যিক প্রকৃতিবাদের কট্টর বিরোধী ছিলেন। ওনার "কমলালেবু" (মিকান, ১৯১৯) আর "শরৎ" (আকী, ১৯২০) এর পটভূমি আধুনিক কালে।

১৯২১ সালে উনি সাহিত্যের কাজ ফেলে চার বছর চীনে কাটান, ওসাকা মানিচি শিনবুন (ওসাকা প্রতিদিন সংবাদ) এর জন্য রিপোর্টিং করার জন্য। এই যাত্রাটি ওনার জন্য ধকল প্রমাণিত হয় এবং উনি এমন কিছু অসুখ বাঁধান যার থেকে উনি কখনোই সুস্থ হয়ে উঠতে পারেন না। ফিরে আসার পর ১৯২২ সালে উনি প্রকাশিত করেন "উদ্যানে" (ইআবু নো নাকা)। সাংবাদিকতা করা কালীন উনি দক্ষিণ চীনের অনেক শহর যেমন ন্যাংকিং, সাংহাই, হ্যাংজহু এবং সুজহুতে যান। যাত্রার আগে উনি "ন্যাংকিংয়ের যীশু খ্রিস্ট" নামক একটি ছোটগল্প লেখেন ন্যাংকিংয়ের খৃস্টান সমাজ নিয়ে। গল্পটির কাল্পনিক ন্যাংকিং প্রাচীন চীন সাহিত্যের ন্যাংকিংয়ের ওপর ভিত্তিক ছিল।[]

অনুভাব

[সম্পাদনা]

অকুতাগাওআর লেখা ওনার এই চিন্তাধারার প্রতীক যে সাহিত্যালেখন একটি আন্তর্জাতিক কর্ম, যেটি পাশ্চত এবং জাপানি সংস্কৃতির মিলন ঘটাতে পারে। এটি দেখা যায় অকুতাগাওআর পুরোনো সাহিত্যের ব্যবহারে। উনি অনেক সংস্কৃতির এবং অনেক সময়কালীন সাহিত্য নেন এবং তাকে আধুনিক সংবেদনশীলতা দিয়ে, এক নতুন চিন্তাধারা কে প্রস্তুত করেন নানা উদ্ভবের মাধ্যমে। সংস্কৃতি এবং সংস্কৃতিক পরিচয় আকুতাগাওআর অনেক লেখার একটি প্রধান বিষয়। এই সব লেখায় উনি খোঁজেন কীভাবে জাপানের সাংস্কৃতিক পরিচয় তৈরি হয় যখন দেশে বাইরের প্রভাব সব থেকে বেশি। উদাহরণ স্বরূপ ছোটগল্প "শহীদ/এক খ্রিষ্টানের মৃত্যু" (হোকোইওনিন নো শি, ১৯১৮) যার পটভূমি জাপানে প্রাথমিক খ্রিস্টান মিশনারিদের সময়।

অকুতাগাওআর গল্পে মহিলা চরিত্র লেখকের নিজের জীবনের গুরুত্বপূর্ণ তিন মহিলার, যারা ওনার মা হিসেবে ছিলেন, ওপর ভিত্তিক। প্রথমত ওনার জন্মদাতা মা ফুকু, যার থেকে উনি মানসিক রোগ উত্তরাধিকার করেন। যদিও বা উনি ফুকুর সঙ্গে বেশি দিন কাটান নি, তবুও অকুতাগাওআ ওনার সঙ্গে নিজের সব থেকে ভালো মিল পেতেন। উনি বিশ্বাস করতেন যে যেকোনো সময় উনি পাগল হয়ে যাবেন এবং তা হলে জীবন বৃথা। অকুতাগাওআর মাসি ফুকি ওনার জীবনে সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। উনি অকুতাগাওআর স্থির মনোনিবেশ চাইতেন, বিশেষত যত ওনার বয়েস বাড়তে থাকে। অকুতাগাওআর গল্পে স্ত্রী চরিত্র লেখকের জীবনের মা রুপি মহিলাদের আদলে লেখা। তারা প্রভাবশালী, আগ্রাসী, প্রতারণামূলক, এবং স্বার্থপর। আবার পরুষ চরিত্রদের মহিলাদের শিকার হিসাবে লেখেন লেখক। উদাহরণ স্বরূপ ছোটগল্প "কেসা এবং মোরিতো" (কেসা তো মোরিতো, ১৯১৮) যেখানে প্রধান নারী চরিত্র নিজের প্রেমিক এবং নিজের স্বামীর কার্যকলাপ নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করেন।

পরবর্তী জীবন

[সম্পাদনা]
"ঘোড়ার পা", লেখকের হাতে লেখা পাতা, ১৯২৫

আকুতাগাওআর শেষ সাহিত্যিক জীবনে ছাপ ফেলে তার শারীরিক এবং মানসিক নির্গমন। এই সময়কার বেশিরভাগ লেখা আত্মজীবনী, কিছুটা ওনার নিজের ডাইরি থেকে নেয়া। এই সময়কার কাজের মধ্যে পড়ে "ডাইডোজি শিনশুকের প্রাথমিক জীবন" (ডাইডোজি শিনশুকে নো হানসেই, ১৯২৫) এবং "মৃত্যু পঞ্জিকা" (টেনকিবো, ১৯২৬)।

আকুতাগাওআ আর তানিজাকি জুনিচিরোর মধ্যে প্রকাশ্য বিতর্ক হয় এই নিয়ে কি সাহিত্যে কোনটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ - সংগঠন না ভাবমূর্ছনা। অকুতাগাওআ মনে করতেন গল্পের সংগঠন, কীভাবে গল্পটি বলা হচ্ছে, বেশি জরুরি গল্পের পটভূমি বা প্লট থেকে। জুনিচিরো উল্টোটা বিশ্বাস করতেন।

আকুতাগাওআর শেষ কিছু সাহিত্যের মধ্যে পরে কাপ্পা(১৯২৭) যেটি জাপানি লোককথার একটি প্রাণীকে নিয়ে লেখা ব্যঙ্গ; "ঘূর্ণমান চাকা" (হাগুরুমা, ১৯২৭); "একটি বোকার জীবন" (আরু আহো নো ইসশো), "সাহিত্যিক, সব প্রচুর সাহিত্যিক" (বুনগেইটেকি না আমারি নি বুনগেইটেকি না, ১৯২৭)।

জীবনের শেষের দিকে অকুতাগাওআ দৃষ্টিভ্রম রোগে আক্রান্ত হন এবং ওনার মা এর থেকে পাওয়া মানসিক রোগের দুশ্চিন্তা আরো বেড়ে যায়। ১৯২৭ সালে নিজের পত্নীর এক বন্ধুর সাথে মিলে আত্মহত্যা করার চেষ্টা করেন। এই চেষ্টাটা বিফল হয়। পরে উনি বার্বিটাল অতিরিক্ত মাত্রায় খেয়ে নিজের জীবনের শেষ ঘটান। বার্বিটাল ওষুধটি উনি ওনার ডাক্তার সাইতো মোকিচির কাছ থেকে পান। অকুতাগাওআর উইলের শব্দে উনি ভবিষ্যৎ নিয়ে একটা "অস্পষ্ট নিরাপত্তাহীনতা" অনুভব করছিলেন(ぼんやりした不安, বোন'যারি শিতা ফুআন)।[] ওনার ৩৫ বছর বয়স ছিল।

প্রভাব

[সম্পাদনা]

আকুতাগাওআ নিজের অল্প জীবনে ১৫০ টার বেশি ছোটগল্প লিখেছেন।[] ১৯৫০ সালে আকিরা কুরোসাওয়ার জনপ্রিয় সিনেমা রশোমন আকুতাগাওআর "উদ্যানে" গল্পর পুনরায় নিবেদন। সিনেমায় দেখানো রশোমন দরজার সিন আকুতাগাওআর "রাশোমন" গল্পের ওপর ভিত্তিক।[] উক্রেনের সুরকার ভিক্টোরিয়া পলেভা গাগাকু (১৯৯৪) নামক ব্যালে লেখেন, আকুতাগাওআর "নরক পর্দা" থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে। জাপানি সুরকার মায়াকো কুবো রাশমন নামের অপেরা লেখেন আকুতাগাওআর "রাশোমন" ওপরে ভিত্তি করে। অপেরার জার্মান সংকলন অনুষ্ঠিত হয় অস্ট্রিয়ার গ্রাজে ১৯৯৬ সালে এবং জাপানি সংকলন অনুষ্ঠিত হয় টোকিওতে ২০০২ সালে।

১৯৩৫ সালে আকুতাগাওআর জীবনভর বন্ধু কান কিকুচি ওনার সম্মানে একটি সাহিত্যিক পুরস্কার স্থাপন করেন যার নাম 'আকুতাগাওআ পুরস্কার'। পুরস্কারটি জাপানি সাহিত্যে ভালো নতুন লেখকদের দেয়া হয়।

উলেখযোগ্য রচনা

[সম্পাদনা]
বছর জাপানি শীর্ষক ইংলিশ শীর্ষক ইংলিশ অনুবাদক
১৯১৪老年 রোনেনOld Age (বর্ধক্য)রায়ান চৈ
১৯১৫羅生門 রাশোমনRashōmon (রাশোমন)জে রুবিন
1916HanaThe Nose (নাক)জে রুবিন
芋粥 ইমোগাউYam Gruel (যাম ফেন)
手巾 হানকেচিThe Handkerchief (রুমাল)চার্লস ডে উলফ
煙草と悪魔 তাবাকো তো আকুমাTobacco and the Devil (তামাক এবং শয়তান)
১৯১৭尾形了斎覚え書 ওগাতা রযূসাই অবএ গাকিDr. Ogata Ryosai: Memorandum (ডঃ ওগাতা রযূসাই: স্মারকলিপি)
戯作三昧 গেসাকুজানমাইAbsorbed in writing popular novels (জনপ্রিয় উপন্যাস লিখতে ব্যস্ত)
首が落ちた話 কুবি গা ওচিতা হানাশিThe Story of a Head That Fell Off (কাটা মাথার গল্প)২০০৪, জে রুবিন
১৯১৮蜘蛛の糸 কুমো নো ইটোThe Spider's Thread (মাকড়সার জাল)জে রুবিন
地獄変 জিগোকুহেনHell Screen (নরক পর্দা)জে রুবিন
枯野抄 কারেনো শোA commentary on the desolate field for Bashou (বাসোর জন্য বাঞ্জার জমির উপর লেখা বক্তব্য)
邪宗門 জাশুমনJashūmon
奉教人の死 হোক্যনিন নো শিThe Death of a Disciple (এক শিষ্যের মৃত্যু)চার্লস ডে উলফ
১৯১৯魔術 মাজউৎসুম্যাজিক
রিয়ুDragon: the Old Potter's Tale (ড্রাগন: বুড়ো কুমারের গল্প)জে রুবিন
১৯২০舞踏会 বুটোউ কাইA ball (একটা বল)
আকিAutumn (শরৎ)চার্লস ডে উলফ
南京の基督 ন্যাংকিং নো কিরিসূতোChrist in Nanking (ন্যাংকিংয়ে যীশু খৃস্ট)
杜子春 তশিশুনTu Tze-chun (তু সে-চুন)
アグニの神 আগুনী নো কামিGod of Aguni (আগুনীর ঈশ্বর)
১৯২১山鴫 ইযামা-শিগিA snipe (জলাশয়ের পাখি)
秋山図 শুজানজুAutumn Mountain (শরতের পাহাড়)
上海游記 সাংহাই ইউকিA report on the journey of Shanghai (সাংহাই যাত্রার রিপোর্ট)
১৯২২藪の中 ইআবু নো নাকাIn a Grove, also In a Bamboo Grove (উদ্যানে)
将軍 শোগুনThe General (শোগুন)
トロッコ টোর্রকোA Lorry (একটি লরি)
১৯২৩保吉の手帳から ইআসুকিচি নো টেচো কারাFrom Yasukichi's notebook (ইআসুকিচির নোটবই)
১৯২৪一塊の土 ইক্ক৷ই নো সুচিA clod of earth (এক থলে মাটি)
1925大導寺信輔の半生 ডাইডোজি শিনসুকে নো হানসেইDaidōji Shinsuke: The Early Years (ডাইডোজি শিনসুকে: প্রাথমিক জীবন)
侏儒の言葉 শুজু নো কোতোবাAphorisms by a pygmy (ক্ষুদ্র বাণী)
১৯২৬点鬼簿 টেনকিবোDeath Register (মৃত্যু পঞ্জিকা)জে রুবিন
১৯২৭玄鶴山房 গেনকাকু সানবোGenkaku Sanbo (গেনকাকু সানবো)
蜃気楼 শিনকিরোA Mirage (মৃগতৃষ্ণা)
河童 কাপ্পাKappa (কাপ্পা)
文芸的な、余りに文芸的な বুনগেইটেকি না, আমারিনি বুনগেইটেকি নাLiterary, All-Too-Literary (সাহিত্যিক, সব খুব সাহিত্যিক)
歯車 হাগুরুমাSpinning Gears (ঘূর্ণমান চাকা)জে রুবিনalso Cogwheels চার্লস ডে উলফ
或阿呆の一生 আরু আহো নো ইসশোFool's Life (বোকার জীবন)জে রুবিনalso 'The Life of a Fool" চার্লস ডে উলফ
西方の人 সাইহো নো হিতোThe Man of the West (পাশ্চতের মানব)
或旧友へ送る手記 আরু কিযুযু এ ওকুরু শুকিA Note to a Certain Old Friend (এক পুরোনো বন্ধুর জন্য একটি নোট)

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. Issatsu de meisaku ga wakaru akutagawa ryūnosuke। Tobehara, Bunzō., 戶部原, 文三, Koishikawa Bungaku Kenkyūkai., 小石川文学研究会। Tōkyō: Ronguserāzu। ২০০৭। আইএসবিএন ৯৭৮-৪-৮৪৫৪-০৭৮৫-৯ওসিএলসি 675210156{{বই উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: অন্যান্য (লিঙ্ক)
  2. R, Puglisi; A, Lukaj (২০১৫)। "Developmental Potential of Embryos Produced In Vitro by Sperm from Bulls of Contrasting In Vivo Fertility and Ovocytes Retrieved from a Same Donor"Advancements in Genetic Engineering০৪ (03)। ডিওআই:10.4172/2169-0111.1000131আইএসএসএন 2169-0111{{সাময়িকী উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: পতাকাভুক্ত নয় এমন বিনামূল্যে ডিওআই (লিঙ্ক)
  3. Books: Misanthrope from Japon Monday আর্কাইভইজে আর্কাইভকৃত ১ মার্চ ২০১৭ তারিখে, Time Magazine. Dec. 29, 1952
  4. 戸部原, 文三 (2015). 一冊で名作がわかる 芥川龍之介(KKロングセラーズ). PHP研究所. ISBN 978-4-8454-0785-9.
  5. Keene, Donald (1984). Dawn to the West: Japanese Literature of the Modern Era. New York: Holt, Rinehart and Winston. pp. 558–562. ISBN 978-0-03-062814-6.
  6. 関口, 安義 (2007). 世界文学としての芥川龍之介. Tokyo: 新日本出版社. p. 223. ISBN 9784406050470.
  7. "芥川龍之介 或旧友へ送る手記". www.aozora.gr.jp.
  8. Peace, David (27 March 2018). "There'd be dragons". The Times Literary Supplement. Retrieved 4 March 2019.
  9. Arita, Eriko, "Ryunosuke Akutagawa in focus", Japan Times, 18 March 2012, p. 8.

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]