রামচন্দ্র গুহ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রামচন্দ্র গুহ
Ramachandra guha.jpg
গুহ ২০১৭
জন্ম (1958-04-29) ২৯ এপ্রিল ১৯৫৮ (বয়স ৬৩)
মাতৃশিক্ষায়তনদিল্লি বিশ্ববিদ্যালয় (বি.এ, এম.এ)
আই.আই.এম ক্যালকাটা
উল্লেখযোগ্য কর্ম
ইন্ডিয়া আফটার গান্ধী গান্ধী বিফোর ইন্ডিয়া
দাম্পত্য সঙ্গীসুজাতা কেশাওয়ান
স্বাক্ষর
Ramchandra Guha Signature.jpg

রামচন্দ্র গুহ (জন্ম: ২৯ এপ্রিল ১৯৫৮) একজন ভারতীয় ইতিহাসবিদ, অর্থনীতিবিদ, যার গবেষণামূলক কাজের মধ্যে রয়েছে পরিবেশগত, সামাজিক, অর্থনীতি রাজনৈতিক, ক্রিকেট [১] এবং সমসাময়িক ।তিনি টেলিগ্রাফ , হিন্দুস্তান টাইমস এবং হিন্দি দৈনিক সংবাদপত্র অমর উজালা বিশেষ কলমলেখক।[২][৩][৪]

বিভিন্ন একাডেমিক পত্রিকায় নিয়মিত লেখেন এর মধ্যে রয়েছে, দ্য কারভান এবং আউটলুক (পত্রিকা)। ২০১১-১২ সালে তিনি লন্ডন স্কুল অব ইকোনমিক্স, ইতিহাস ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক ফিলিপ রোমান পদে অধিষ্ঠিত ছিলেন। তাঁর সর্বশেষ বইটি গান্ধী: দ্য ইয়ার্স দ্যা চেঞ্জড দ্য ওয়ার্ল্ড (২০১৮),এটি মোহনদাস করমচাঁদ গান্ধীর জীবনীর দ্বিতীয় অংশ। এটি গান্ধী বিফোর ইন্ডিয়া(২০১৩) ভারতের প্রশংসিত হয়েছিল। গুহকে বিশ শতকের শেষের এবং একবিংশ শতাব্দীর প্রথম দিকের অন্যতম প্রধান ইতিহাসবিদদ হিসাবে বিবেচনা করা হয়। আমেরিকান হিস্টোরিকাল অ্যাসোসিয়েশন (এএইচএ) রামচন্দ্র গুহকে ২০১৯ সাল জন্য তার সম্মানসূচক বিদেশী সদস্য পুরস্কার দিয়েছে [৫] । তিনি তৃতীয় ভারতীয় ইতিহাসবিদ স্বীকৃত পেয়েছেন এর আগে রোমিলা থাপর এবং যদুনাথ সরকার এই সম্মাননা পেয়েছেন , যথাক্রমে ২০০৯ এবং ১৯৫২ সালে এই পেয়েছিলেন।

বিসিসিআই-এর প্রশাসক প্যানেল হিসাবে তাকে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট কর্তৃক ৩০ জানুয়ারী ২০১৭ এ নিয়োগ দেওয়া হয়েছিল, একই বছরের জুলাইয়ে পদত্যাগ করেন।[৬]

২০০৯ সালে তিনি ভারতের তৃতীয় সর্বোচ্চ বেসামরিক পদ্মভূষণ পুরস্কার পান।

শৈশব ও পড়ালেখা[সম্পাদনা]

গুহ ১৯৫৮ সালের ২৯ এপ্রিল দেরাদুনে তামিল ব্রাহ্মণ পরিবারে উত্তরপ্রদেশ (বর্তমানে উত্তরাখণ্ড) জন্মগ্রহণ করেছিলেন [৭] । তিনি দেরাদুন বেড়ে ওঠেন, যেখানে তাঁর বাবা সুব্রমনিয়াম রামদাস গুহ বন গবেষণা ইনস্টিটিউটে কর্মরত ছিলেন [৮][৯] , এবং তাঁর মা একজন উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষক ছিলেন।

দ্য ডন স্কুলে পড়ালেখা করেন [১০][১১] এর পর ১৯৭৭ সালে তিনি অর্থনীতিতে দিল্লির সেন্ট স্টিফেন কলেজ থেকে স্নাতক হন [১২] এবং দিল্লি স্কুল অফ ইকোনমিক্স থেকে অর্থনীতিতে স্নাতকোত্তর অর্জন করেন [১৩] । এরপরে ইন্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্ট ক্যালকাটা ভর্তি হন, যেখানে তিনি চিপকো আন্দোলনের ও উত্তরাখণ্ডর বনায়নের সামাজিক ইতিহাসের উপর ফেলোশিপ প্রোগ্রাম করেন।পরে দ্য আনকুইট উডস এ প্রকাশিত হয়েছিল।

কর্মজীবন[সম্পাদনা]

১৯৮৫ এবং ২০০০ সালের -এর মধ্যে ভারত, উত্তর আমেরিকা,ইউরোপ শিক্ষকতা করেন উলেখ্যযোগ্য প্রতিষ্টান ইউনিভার্সিটি অব ক্যালিফোর্নিয়া, বার্কলি, ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয়, স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়এবং ওসলো বিশ্ববিদ্যালয়ে (আরনে ন্যাসের , ২০০৮) ভারতীয় বিজ্ঞান সংস্থা . এই সময়কালে, তিনি জার্মানিতে বার্লিন ইনস্টিটিউট ফর এডভান্স স্টাডির সহযোগীও ছিলেন (১৯৯৪-৯৫)

তিনি টেলিগ্রাফ , হিন্দুস্তান টাইমস এবং হিন্দি দৈনিক সংবাদপত্র অমর উজালা বিশেষ কলমলেখক ।

বই[সম্পাদনা]

  • গুজরাট: দ্য মেকিং অফ এ ট্র্যাজেডি , সিদ্ধার্থ বরদারাজন সম্পাদিত এবং পেঙ্গুইন প্রকাশনী দ্বারা প্রকাশিত। বইটি ২০০২ সালের গুজরাটের দাঙ্গার বিষয়ে।
  • ইন্ডিয়া আফটার গান্ধী, ম্যাককেরাম ও ইকো প্রেস কর্তৃক প্রকাশিত হয় ইরেজী। এটির হিন্দী অনুবাদ প্রকাশ করেন পেঙ্গুইন প্রকাশনী। তামিল অনুবাদ করেন আর পি সারথি প্রকাশ করেন কিজ্জাহুক। বাংলা তে অনুবাদ করেন অশীষ লেহারী প্রকাশ করেন আনন্দ প্রকাশনী লিমিডেঢ।
  • গান্ধী বিফোর ইন্ডিয়া এটি প্রকাশ হয় অক্টোবর ২০১৩ তে।
  • গান্ধী: দ্য ইয়ার্স দ্যাট চেঞ্জ দ্য ওয়াল্ড। (২০১৮)
  • উইকেট ইন দ্য ইস্ট প্রকাশক অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস
  • স্পেন অ্যান্ড আদার টার্ন, পেঙ্গুইন প্রকাশক
  • দ্য পিচডর বুক অফ ক্রিকেট
  • এ কর্ণার অফ এ ফরগেন ফিল্ড
  • দ্য স্টেটস অফ ইন্ডিয়ান ক্রিকেট
  • সোস্যাল ইকোলজি অক্সফোর্ড ইউনিভার্সিটি প্রেস প্রকাশনী
  • এ গ্লোবাল হিষ্টোরী
  • মেইক মর্ডান ইন্ডিয়া

ব্যক্তিগত জীবন[সম্পাদনা]

গুহ গ্রাফিক ডিজাইনার সুজাতা কেশওয়ানের সাথে বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হয়েছেন এবং তাদের দুটি সন্তান রয়েছে।

পুরস্কার[সম্পাদনা]

  • তাঁর প্রবন্ধ, "ভারতে কমিউনিটি ফরেস্ট্রি " জন্য আমেরিকান সোসাইটি ফর ইনভারমেন্ট হিস্টোরী, ২০০১ সারে লিওপল্ড-হিডি পুরস্কার পেয়েছিলেন।
  • কর্নার অব এ ফরেন ফিল্ড "দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফ ক্রিকেট সোসাইটি বুক অফ দ্য ইয়ার পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিল ২০০২ সালে।
  • ২০০৩ সালে চেন্নাই বইমেলায় তিনি আর. কে. নারায়ণ পুরস্কার পেয়েছিলেন।
  • মার্কিন ম্যাগাজিন ফরেন পলিসি ২০০৮ সালের মে মাসে তাকে বিশ্বের শীর্ষ ১০০ জন বুদ্ধিজীবী হিসাবে নাম প্রকাশ করেছে। এর মধ্যে জরিপে গুহকে ৪৪ তম স্থানে রাখা হয়েছিল [১৪]
  • পদ্মভূষণ(২০০৯) [১৫]
  • ইন্ডিয়া আফটার গান্ধীর জন্য ২০১১ সালে সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পান [১৬][১৭]
  • ২০১৪ সালে গুহকে ইয়েল বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক সম্মানসূচক ডক্টর অফ হিউম্যানিটি প্রদান করা হয়েছে [১৮]
  • ফুকুওকা পুরস্কার (২০১৫) [১৯]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. http://www.thenewsminute.com/article/indias-survival-miracle-we-proved-western-analysts-wrong-ramachandra-guha-56308
  2. Ramachandra Guha (৯ ফেব্রুয়ারি ২০১৭)। "Why there's no need to be nostalgic for an undivided India"Hindustan Times 
  3. "Not the Emergency by any stretch of the imagination"Hindustantimes.com 
  4. "India Together: A managed mediaRamachandra Guha - 20 May 2006"Indiatogether.org। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০১৯ 
  5. "Dr. Ramachandra Guha"। London School of Economics and Political Science। ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ৬ অক্টোবর ২০১২ 
  6. "Ramachandra Guha accepts SC’s nomination to BCCI’s panel of administrators", Hindustan Times, 30 January 2017.
  7. Tejas Harad (১৪ জুন ২০১৭)। "Does Ramachandra Guha have a caste?"। News Laundry। 
  8. Bhandari, Bhupesh (৮ মে ২০০৭)। "Lunch with BS: Ramachandra Guha"Business Standard India। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৮ 
  9. Gadgil, Madhav (৯ এপ্রিল ২০১৮)। "Ram Guha: A Radical Progressive"Outlook India। সংগ্রহের তারিখ ১৯ জুলাই ২০১৮ 
  10. Guha, Ramachandra (৩০ জানুয়ারি ২০১৬)। "Why the Dalai Lama may be India's noblest resident"Hindustan Times। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৮ 
  11. Chopra, Jaskiran (১২ জুলাই ২০১৬)। "'Dosco' Amitav Ghosh celebrates his 60th Birthday"The Pioneer। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৮ 
  12. "The shrinking of St. Stephen's" 
  13. Guha, Ramachandra (২৫ জুন ২০০৭)। "St Stephen's: Murder In The Cathedral?"Outlook India। সংগ্রহের তারিখ ২০ জুলাই ২০১৮ 
  14. "Foreign Policy: Top 100 Intellectuals"। ২৫ জানুয়ারি ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১৯ 
  15. "Padma Bhushan for Shekhar Gupta, Abhinav Bindra"। সংগ্রহের তারিখ ২৬ জানুয়ারি ২০০৯ 
  16. "POETS DOMINATE SAHITYA AKADEMI AWARDS 2011" (PDF) (সংবাদ বিজ্ঞপ্তি)। Sahitya Akademi। ২১ ডিসেম্বর ২০১১। ৮ মে ২০১২ তারিখে মূল (PDF) থেকে আর্কাইভ করা। সংগ্রহের তারিখ ২১ ডিসেম্বর ২০১১ 
  17. "Guha wins it for narrative history"The Hindu। Chennai, India। ২১ ডিসেম্বর ২০১১। 
  18. "Yale Awards 12 Honorary Degrees at 2014 Graduation"YaleNews। New Haven, Connecticut। ১৯ মে ২০১৪। 
  19. "Historian Ramachandra Guha Selected for Japan's Fukuoka Prize"NDTV। সংগ্রহের তারিখ ২১ জুন ২০১৫