বিষয়বস্তুতে চলুন

রাবেয়া

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাবেয়া
পরিচালকতানভীর মোকাম্মেল
প্রযোজকKino-Eye Films
রচয়িতাতানভীর মোকাম্মেল
কাহিনিকারতানভীর মোকাম্মেল
উৎসবাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের পটভূমিতে
শ্রেষ্ঠাংশে
সুরকারসৈয়দ সাহাব আলী আরজু
চিত্রগ্রাহকআনোয়ার হোসেন
সম্পাদকমহাদেব শী
প্রযোজনা
কোম্পানি
Kino-Eye Films
পরিবেশকKino-Eye Films
মুক্তি
  • ২০০৮ (2008)
স্থিতিকাল১০৩ মিনিট
দেশবাংলাদেশ
ভাষাবাংলা

রাবেয়া ইংরেজি নাম " দ্য সিস্টার (The Sister)", ২০০৮ সালে বাংলা ভাষায় মুক্তিপ্রাপ্ত একটি যুদ্ধবিষয়ক বাংলাদেশী চলচ্চিত্র। বাংলাদেশ সরকারের অনুমতিক্রমে প্রখ্যাত চলচ্চিত্রকার তানভীর মোকাম্মেল]] চলচ্চিত্রটি রচনা ও পরিচালনা করেন। এটি ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের মহান স্বাধীনতা যুদ্ধের সময়কালের প্রেক্ষাপটে নির্মিত। এতে প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন আলী যাকের, বন্যা মির্জা, [] জ্যোতিকা জ্যোতি এবং তৌকির আহমেদ । মোকাম্মেলের মতে, রাবেয়া হল সফোক্লিসের নাটক "অ্যান্টিগোন " এর বিনির্মাণ। ৬ ডিসেম্বর ২০০৮ চলচ্চিত্রটির প্রিমিয়ার হয়। []

ছবিটির শুটিং হয়েছিল খুলনা এবং বাগেরহাটে । এটি সিঙ্গাপুর আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসব এবং কোপেনহেগেনে প্রদর্শিত হয়। [] ১৩ ডিসেম্বর ২০০৮, ছবিটি এটিএন বাংলা টেলিভিশনেও সম্প্রচারিত হয়েছিল। []

কাহিনি সংক্ষেপঃ

[সম্পাদনা]

১৯৭১ সালের ডিসেম্বর মাসের প্রথম সপ্তাহ। মুক্তিযুদ্ধের শেষ পর্যায়ের দিনগুলি।

রূপসা নদীর পারে ইব্রাহীমপুর গ্রাম। ইব্রাহীমপুর গ্রামে এক পাকিস্তানী ক্যাপ্টেন তার বাহিনী নিয়ে আস্তানা গেড়েছে। নদীর কিনার ধরে রয়েছে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর বাঙ্কার।

ইব্রাহীমপুরের শান্তিকমিটির চেয়ারম্যান এমদাদ কাজীর (আলী যাকের) বাড়ীতে থাকে তার সম্বন্ধি মৃত আলতাফ কাজীর দুই তরুণী মেয়ে রাবেয়া (বন্যা মির্জা) ও রোকেয়া (জ্যোতিকা জ্যোতি)। এমদাদ কাজীর ইচ্ছা নিজের পুত্র তরিকুলের সঙ্গে রাবেয়ার বিয়ে দেবার। এতিম দুই বোন রাবেয়া-রোকেয়ার একমাত্র ভাই কলেজে পড়া যুবক খালেদ মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেয়। যুদ্ধের প্রায় শেষ পর্যায়ে, যখন পাকিস্তানী বাহিনীর পরাজয় অবশ্যাম্ভাবী এবং মুক্তিযোদ্ধারা পৌঁছে গেছে গ্রামের পাশে রূপসা নদীর ওপারেই, তখন একরাতে গেরিলাদের ইব্রাহীমপুর অপারেশনের সময় নিহত হয় মুক্তিযোদ্ধা খালেদ। পাকিস্তানী ক্যাপ্টেন ও শান্তি কমিটির চেয়ারম্যান এমদাদ কাজী মিলে নির্দেশ দেয় খালেদের লাশ কবর দেয়া যাবে না। নদীর পারে বাঁধের উপর ফেলে রাখতে হবে যাতে গ্রামবাসীদের ভীতসন্ত্রস্ত রাখা যায়। এমদাদ কাজীর রাজাকার বাহিনীর উপর দায়িত্ব পড়ে এই লাশ পাহারা দেবার।

ভাইয়ের মৃতদেহের এই অবমাননা রাবেয়া মেনে নিতে পারে না। কয়েকবার ব্যর্থ চেষ্টার পর একরাতে সে একাই বেড়িয়ে পড়ে সকল বিপদ উপেক্ষা করে ভাইয়ের লাশ কবর দিতে। রাজাকারদের গুলিতে রাবেয়া নিহত হয়। গ্রামবাসীরা ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। ইব্রাহীমপুর গ্রামে মুক্তিযোদ্ধাদের বিজয় ত্বরান্বিত হয়। বিজয়ী মুক্তিযোদ্ধারা গ্রামে প্রবেশ করে। রাবেয়ার এই সংগ্রাম ও আত্মত্যাগের কথা জেনে মুক্তিযোদ্ধারা অসমসাহসী রাবেয়ার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে শহীদ হিসেবে ঘোষণা দেয়। [] []

ঊল্লেখযোগ্য চরিত্রসমূহঃ

[সম্পাদনা]

টীকাসমূহঃ

[সম্পাদনা]
  1. Rahman, Masudur (১২ ডিসেম্বর ২০১৯)। একজন 'রাবেয়া'র কথা...Jaijaidin। সংগ্রহের তারিখ ৩ নভেম্বর ২০২১
  2. "A deconstruction of Antigone, set in 1971"The Daily Star। ৬ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২১
  3. ""Rabeya" to make its international festival debut in Singapore"The Daily Star। ১৩ মার্চ ২০১০। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২১
  4. "Feature film Rabeya on ATN Bangla today"The Daily Star। ২৬ ডিসেম্বর ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ২ নভেম্বর ২০২১
  5. "Shooting underway for Tanvir Mokammel's film "Rabeya""The Daily Star। ১০ এপ্রিল ২০০৮। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২১
  6. "Tanvir Mokammel films screening at Kolkata"Dhaka Tribune। ২২ জুলাই ২০১৪। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২১
  7. "Bangla Director Dedicates New Film to 1971 War Martyrs"Outlook। ১১ মার্চ ২০১১। সংগ্রহের তারিখ ১ নভেম্বর ২০২১
  8. "Jyoti in Tanvir Mokammel's Jibon Dhuli"The Daily Star। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১২। সংগ্রহের তারিখ ৩১ অক্টোবর ২০২১