রাজা নাসির আব্বাস জাফরি
রাজা নাসির আব্বাস জাফরি | |
|---|---|
| راجہ ناصر عباس جعفری | |
| পাকিস্তানের সিনেট এর সদস্য | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ৯ এপ্রিল ২০২৪ | |
| নির্বাচনী এলাকা | পাঞ্জাব, পাকিস্তান |
| চেয়ারম্যান এমডব্লিউএম | |
দায়িত্বাধীন | |
| অধিকৃত কার্যালয় ১৫ মে ২০২২ | |
| ব্যক্তিগত বিবরণ | |
| জাতীয়তা | পাকিস্তানি |
| রাজনৈতিক দল | এমডব্লিউএম (২০০৯-বর্তমান) |
| অন্যান্য রাজনৈতিক দল | টিটিএপি (২০২৪-বর্তমান) |
রাজা নাসির আব্বাস জাফরি ( উর্দু: راجہ ناصر عباس جعفری ) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং পাঞ্জাব থেকে পাকিস্তানের সিনেটের সদস্য। তিনি একজন শিয়া মুসলিম ধর্মগুরু এবং মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) এর প্রধান। [১]
রাজনৈতিক জীবন
[সম্পাদনা]জাফরি একজন শিয়া মুসলিম। তিনি শিয়া-সুন্নি সম্পর্কের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি ধর্মীয় রাজনীতিতে জড়িত হন এবং সন্ত্রাসবাদ বা ইসলামী মৌলবাদের দিকগুলির পরিবর্তে মধ্যপন্থী ইসলাম, ইসলামী সমাজতন্ত্র এবং ইসলামী গণতন্ত্র প্রচার করেন। [২] মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) এর নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানে শিয়াদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছেন।
জাফরি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) প্রধান সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একজন কট্টর সমালোচক। তিনি টিটিপির সাথে 'গোপন সরকারি আলোচনা' বা শান্তি আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। [৩]
এমডব্লিউএম-এর নেতা হিসেবে, তিনি ইসলামের অন্যান্য সম্প্রদায়ের অনুসারী দলগুলির সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন করেন।২০১৪ সালে তিনি সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিল (এসআইসি), একটি বেরেলভি সুন্নি সংগঠনের সাথে ঘনিষ্ঠ জোট গঠন করেন। [৪]
তিনি ২০১৩ সালের নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন উদীয়মান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলকেও সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি এবং ইমরান খান শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য একটি জোট গঠন করেছিলেন। [৫]
পাকিস্তানের রাজনীতিতে জাফরির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ আসে ২০২২-২০২৩ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়।এসময় তিনি ইমরান খান এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের পক্ষে ছিলেন। ২০১০ সালের শুরুর দিকে, তিনি পাকিস্তানি ও মুসলমানদের মধ্যে দুর্নীতি এবং অনৈক্যের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে প্রতিবাদ করে আসছেন। এছাড়াও, তিনি বরাবরইদুর্নীতি ও কারচুপির বিরুদ্ধে ইমরান খানের নীতিগুলিকে সমর্থন করে আসছেন।
২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে, তিনি পিটিআই-এর সাথে একটি জোট গঠন করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এমডব্লিউএম-এর পরিবর্তে পিটিআই রাজনীতিবিদদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলকে নির্বাচন করায় কোনও সমস্যা ছিল না। তিনি, এমডব্লিউএম, এসআইসি এবং পিটিআইয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি জোটে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। [৬][৭][৮]
২০২৪ সালের পাকিস্তানি সিনেট নির্বাচনে এমডব্লিউএম প্রার্থী হিসেবে জাফরি পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। [৯][১০]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Allama Nasir Abbas elected MWM Chairman"। www.24newshd.tv (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Tehreek, Pakistan Awami। "PAT thanks Majlis-e-Wahat-ul-Muslameen for supporting revolution - Pakistan Awami Tehreek"। www.pat.com.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ Ali, Kalbe (২২ নভেম্বর ২০২১)। "MWM opposes 'secret' talks with TTP"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ "Sunni Ittehad Council, MWM's Qaumi aman convention in Islamabad | Abb Takk News – Breaking News, News in English and Latest Headlines"। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ "PTI and Majlis-e-Wahdat-ul-Muslimeen decide to jointly promote unity, peace and harmony"। PTI official। ২০ নভেম্বর ২০১৩। ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "Ex-PM Khan warns against forming government with 'stolen votes,' party announces alliance with MWM"। Arab News PK (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ Junaidi, Ikram (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "PTI 'merges' with seatless party for three assemblies"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ "PTI to form alliance with MWM: Barrister Gohar"। The Nation (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
- ↑ "Seven candidates elected senators unopposed from Punjab"। Business Recorder। ২৮ মার্চ ২০২৪। ১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৪।
- ↑ Rana Yasif; Syed Ali Shah (২৮ মার্চ ২০২৪)। "Seven senators elected unopposed from Punjab"। The Express Tribune। ২৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৪।