বিষয়বস্তুতে চলুন

রাজা নাসির আব্বাস জাফরি

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
রাজা নাসির আব্বাস জাফরি
راجہ ناصر عباس جعفری
পাকিস্তানের সিনেট এর সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৯ এপ্রিল ২০২৪
নির্বাচনী এলাকাপাঞ্জাব, পাকিস্তান
চেয়ারম্যান এমডব্লিউএম
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
১৫ মে ২০২২
ব্যক্তিগত বিবরণ
জাতীয়তাপাকিস্তানি
রাজনৈতিক দলএমডব্লিউএম (২০০৯-বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
টিটিএপি (২০২৪-বর্তমান)

রাজা নাসির আব্বাস জাফরি ( উর্দু: راجہ ناصر عباس جعفری‎‎ ) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ এবং পাঞ্জাব থেকে পাকিস্তানের সিনেটের সদস্য। তিনি একজন শিয়া মুসলিম ধর্মগুরু এবং মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) এর প্রধান। [১]

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

জাফরি একজন শিয়া মুসলিম। তিনি শিয়া-সুন্নি সম্পর্কের পক্ষে মত দিয়েছেন। তিনি ধর্মীয় রাজনীতিতে জড়িত হন এবং সন্ত্রাসবাদ বা ইসলামী মৌলবাদের দিকগুলির পরিবর্তে মধ্যপন্থী ইসলাম, ইসলামী সমাজতন্ত্র এবং ইসলামী গণতন্ত্র প্রচার করেন। [২] মজলিস ওয়াহদাত-ই-মুসলিমিন (এমডব্লিউএম) এর নেতৃত্বের মাধ্যমে তিনি পাকিস্তানে শিয়াদের অধিকারের পক্ষে কথা বলেছেন।

জাফরি তেহরিক-ই-তালেবান পাকিস্তান (টিটিপি) প্রধান সন্ত্রাসী গোষ্ঠীর একজন কট্টর সমালোচক। তিনি টিটিপির সাথে 'গোপন সরকারি আলোচনা' বা শান্তি আলোচনার তীব্র বিরোধিতা করেছেন। [৩]

এমডব্লিউএম-এর নেতা হিসেবে, তিনি ইসলামের অন্যান্য সম্প্রদায়ের অনুসারী দলগুলির সাথে ইতিবাচক সম্পর্ক স্থাপন করেন।২০১৪ সালে তিনি সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিল (এসআইসি), একটি বেরেলভি সুন্নি সংগঠনের সাথে ঘনিষ্ঠ জোট গঠন করেন। [৪]

তিনি ২০১৩ সালের নির্বাচনে ইমরান খানের নেতৃত্বাধীন উদীয়মান পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) দলকেও সমর্থন করেছিলেন। সেখানে তিনি এবং ইমরান খান শান্তি ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠার জন্য একটি জোট গঠন করেছিলেন। [৫]

পাকিস্তানের রাজনীতিতে জাফরির সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পদক্ষেপ আসে ২০২২-২০২৩ সালের রাজনৈতিক অস্থিরতার সময়।এসময় তিনি ইমরান খান এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের পক্ষে ছিলেন। ২০১০ সালের শুরুর দিকে, তিনি পাকিস্তানি ও মুসলমানদের মধ্যে দুর্নীতি এবং অনৈক্যের বিরুদ্ধে সক্রিয়ভাবে প্রতিবাদ করে আসছেন। এছাড়াও, তিনি বরাবরইদুর্নীতি ও কারচুপির বিরুদ্ধে ইমরান খানের নীতিগুলিকে সমর্থন করে আসছেন।

২০২৪ সালের সাধারণ নির্বাচনে, তিনি পিটিআই-এর সাথে একটি জোট গঠন করেন। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, এমডব্লিউএম-এর পরিবর্তে পিটিআই রাজনীতিবিদদের প্রতিনিধিত্ব করার জন্য সুন্নি ইত্তেহাদ কাউন্সিলকে নির্বাচন করায় কোনও সমস্যা ছিল না। তিনি, এমডব্লিউএম, এসআইসি এবং পিটিআইয়ের দুর্নীতির বিরুদ্ধে একটি জোটে ঐক্যবদ্ধ ছিলেন। [৬][৭][৮]

২০২৪ সালের পাকিস্তানি সিনেট নির্বাচনে এমডব্লিউএম প্রার্থী হিসেবে জাফরি পাঞ্জাব প্রদেশ থেকে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হন। [৯][১০]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. ↑ "Allama Nasir Abbas elected MWM Chairman"। www.24newshd.tv (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৯ এপ্রিল ২০২৪।
  2. ↑ Tehreek, Pakistan Awami। "PAT thanks Majlis-e-Wahat-ul-Muslameen for supporting revolution - Pakistan Awami Tehreek"। www.pat.com.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  3. ↑ Ali, Kalbe (২২ নভেম্বর ২০২১)। "MWM opposes 'secret' talks with TTP"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  4. ↑ "Sunni Ittehad Council, MWM's Qaumi aman convention in Islamabad | Abb Takk News – Breaking News, News in English and Latest Headlines"। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪। ২১ ফেব্রুয়ারি ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  5. ↑ "PTI and Majlis-e-Wahdat-ul-Muslimeen decide to jointly promote unity, peace and harmony"। PTI official। ২০ নভেম্বর ২০১৩। ১১ এপ্রিল ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ এপ্রিল ২০২৫।
  6. ↑ "Ex-PM Khan warns against forming government with 'stolen votes,' party announces alliance with MWM"। Arab News PK (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  7. ↑ Junaidi, Ikram (২০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪)। "PTI 'merges' with seatless party for three assemblies"। DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  8. ↑ "PTI to form alliance with MWM: Barrister Gohar"। The Nation (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৪। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২৪।
  9. ↑ "Seven candidates elected senators unopposed from Punjab"। Business Recorder। ২৮ মার্চ ২০২৪। ১ এপ্রিল ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৪।
  10. ↑ Rana Yasif; Syed Ali Shah (২৮ মার্চ ২০২৪)। "Seven senators elected unopposed from Punjab"। The Express Tribune। ২৮ মার্চ ২০২৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ এপ্রিল ২০২৪।