রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ
| সংক্ষেপে | আরএমডি |
|---|---|
| গঠিত | ১২ মে ২০২৫ |
| আইনি অবস্থা | সক্রিয় |
যে অঞ্চলে কাজ করে | বাংলাদেশ |
দাপ্তরিক ভাষা | বাংলা, ইংরেজি |
কার্যত দায়িত্বে | মো. আবদুর রহমান খান |
প্রধান অঙ্গ | সম্ভবত: |
প্রধান প্রতিষ্ঠান | অর্থ মন্ত্রণালয় |
| সম্পৃক্ত সংগঠন | বাংলাদেশ সরকার |
রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ হলো বাংলাদেশ সরকারের অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীন একটি বিভাগ। ২০২৫ সালে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার তড়িঘড়ি করে প্রকাশিত একটি অধ্যাদেশের মাধ্যমে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্ত করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ ও রাজস্ব নীতি বিভাগ নামে দুইটি আলাদা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করে।[১][২] ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ এই ঘটনাকে দেশের রাজস্ব খাতে নির্বাহী কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার অভিযোগ করে এর সমালোচনা করে।[৩][৪] সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যও একই কারণে এর সমালোচনা করেন।[৫]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]২০২৫ সালের ২৫ এপ্রিল বাংলাদেশের অন্তর্বর্তীকালীন সরকার জাতীয় রাজস্ব বোর্ড বিলুপ্ত করে রাষ্ট্রপতির মাধ্যমে একটি অধ্যাদেশ জারি করে। অধ্যাদেশে জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) বিলুপ্ত করে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অধীনে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ নামে দুইটি বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হবে বলে ঘোষণা দেওয়া হয়।[৬] এরপর ২০২৫ সালের ১৩ মে রাজস্ব নীতি ও রাজস্ব ব্যবস্থাপনা অধ্যাদেশ ২০২৫ জারির মাধ্যমে এনবিআর বিলুপ্ত করে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ প্রতিষ্ঠা করা হয়। অধ্যাদেশে বলা হয়, পূর্ববর্তী এনবিআরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগে পদায়ন করা হবে। অধ্যাদেশ জারির পর আয়কর ও শুল্ক ক্যাডার কর্মকর্তারা প্রতিবাদে কর্মবিরতি ঘোষণা করেন।[৭][৮]
কার্যক্রম
[সম্পাদনা]অধ্যাদেশ অনুসারে রাজস্ব ব্যবস্থাপনা বিভাগ রাজস্ব সংস্ক্রান্ত সমস্ত আইন ও কাস্টমস-সংক্রান্ত আন্তর্জাতিক চুক্তি সম্পাদন, কর হ্রাস-বৃদ্ধি ও সংগ্রহ, রাজস্ব ব্যবস্থাপনা নীতি প্রণয়ন, রাজস্ব বিভাগসমূহের সমন্বয়সাধন এবং নিরীক্ষা ও গোয়েন্দা কার্যক্রম পরিচালনা করবে।[৮]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "পরামর্শক কমিটির সুপারিশ আমলে না নিয়েই এনবিআর পৃথকের খসড়া অধ্যাদেশ"। বণিক বার্তা। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০২৫।
- ↑ "NBR abolished at midnight, ordinance issued"। প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ মে ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Revenue System at Risk of Executive Control: TIB"। ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল বাংলাদেশ (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Revenue management at risk of coming under executive control: TIB"। দ্য ডেইলি স্টার (ইংরেজি ভাষায়)। ১৭ মে ২০২৫। ১৯ মে ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Division of NBR was not done properly: Debapriya Bhattacharya"। প্রথম আলো (ইংরেজি ভাষায়)। ১৯ মার্চ ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ২৪ মে ২০২৫।
- ↑ "Bangladesh moves to split revenue authority with new ordinance" (ইংরেজি ভাষায়)। দ্য ডেইলি স্টার। ২৫ এপ্রিল ২০২৫। সংগ্রহের তারিখ ৯ জুন ২০২৫।
- ↑ "Govt. abolishes NBR, splits it into two new revenue divisions"। ইউনাইটেড নিউজ অব বাংলাদেশ (ইংরেজি ভাষায়)। ১৩ মে ২০২৫।
- 1 2 "এনবিআর ও আইআরডি বিলুপ্ত করে হচ্ছে দুটি বিভাগ, কী হবে তাদের কাজ"। প্রথম আলো। ১৩ মে ২০২৫।