রাজকন্যা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন

রাজকন্যা হলো একটি রাজকীয় পদবী, যা রাজবংশীয় মেয়ে, রাজপুত্রের পত্নী ইত্যাদি মহিলার ক্ষেত্রে ব্যবহার করা হয়।

অন্যান্য শব্দ[সম্পাদনা]

রাজকন্যা উপাধীটি সকল রাজতান্ত্রিক রাষ্ট্রে ছিলো। প্রতিটা রাষ্ট্রে নিজস্ব ভাষা ও সংস্কৃতি অনুযায়ী উপাধী ব্যহার করা হতো। ভারতীয় মুসলিম রাজকন্যাদের শাহজাদি বলা হতো এবং হিন্দু রাজকন্যাদের রাজকন্যা অথবা রাজকুমারী বলা হতো।

শাসক হিসেবে রাজকন্যা[সম্পাদনা]

ইতিহাসে বিভিন্ন দেশে রাজকন্যারা রাজত্ব করছেন। রাজপুত্রদের শাসন করার চেয়ে রাজকন্যাদের শাসন করার নজির খুব কম। কারণ বেশিরভাগ রাজত্বকালে মহিলারা সিংহাসনের উত্তরাধিকার থেকে বঞ্চিত ছিলেন। রাজকন্যা শাসিত রাজ্যের উদাহরণ হলো, এন্টিওচ কনস্ট্যান্স, ১২শ শতাব্দীতে এর রাজকন্যারা শাসনভার লাভ করেছিলো।[১]

সৌজন্য উপাধি হিসাবে রাজকন্যা[সম্পাদনা]

রাজতন্ত্রের বংশধর[সম্পাদনা]

বহু শতাব্দী ধরে "রাজকন্যা" উপাধিটি কোনও রাজার কন্যার জন্য ব্যবহৃত হতো না। ইংরেজীতে সাধারণত "লেডি" বলা হত। পুরাতন ইংরেজিতে রানী বাদ দিয়ে "রাজপুত্র" সমতুল্য কোনও রাজকীয় উপাধি মেয়েদের জন্য ছিল না। রাজকীয় মহিলাদের সম্বোধন করা হতো "দ্য লেডি [প্রথম নাম]" হিসাবে। উদাহরণস্বরূপ, ইংল্যান্ডের হেনরি অষ্টমের কন্যা এলিজাবেথ এবং মেরিকে প্রায়শই "লেডিস এলিজাবেথ এবং মেরি" হিসাবে উল্লেখ করা হত। [২] এই অনুশীলনটি অবশ্য সামঞ্জস্যপূর্ণ ছিল না। ডেনমার্কের যুবরাজ জর্জ এবং গ্রেট ব্রিটেনের দ্বিতীয় জেমসের মেয়ে অ্যানের মধ্যে বিবাহ চুক্তিতে অ্যানিকে "দ্য প্রিন্সেস অ্যানি" হিসাবে উল্লেখ করা হয়। [৩]

রাজপুত্রদের স্ত্রী[সম্পাদনা]

যুক্তরাজ্যের রানী দ্বিতীয় এলিজাবেথ ২১ আগস্ট, ১৯৯৬ তারিখে আইন জারি করেছিলেন যে, যুক্তরাজ্যের রাজপুত্রের সাথে তালাকপ্রাপ্ত যে কোনও মহিলা আর "রয়্যাল হাইনেস" উপাধীর অধিকারী হবেন না। এটি এখনও ডায়ানা, প্রিন্সেস অফ ওয়েলস এবং সারা, ডাচেস অফ ইয়র্ক উপাধী ব্যবহার করা হয়।

আরো দেখুন[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Runciman, Steven (১৯৮৭)। A History of the Crusades: The kingdom of Jerusalem and the Frankish East 1100-1187। Cambridge University Press। পৃষ্ঠা 507। আইএসবিএন 9780521347716 
  2. Camden, William (১৬৮৮)। The History of the Most Renowned and Victorious Princess Elizabeth Late Queen of England (4th সংস্করণ)। M. Flesher। পৃষ্ঠা 5। 
  3. English Historical Documents, 1660-1714। ROUTLEDGE। ২০০৬। আইএসবিএন 9780415143714