রশিদ আল-দীন হামাদানি
রশিদ আল-দীন হামদানি | |
|---|---|
রশিদ আল-দীন (মাঝের বামে) গাজানের নিকট তার বই উপস্থাপন করছেন (জামি আল-তাওয়ারিখ, বিএনএফ সাপ্লিমেন্ট পারসান ১১১৩, ১৪৩০-৩৪)।[১] | |
| জন্ম | ১২৪৭ |
| মৃত্যু | ১৩১৮ তাবরিজ, ইলখানাত |
| পেশা |
|
| উচ্চশিক্ষায়তনিক কর্ম | |
| যুগ | ইলখানাত আমল |
| প্রধান আগ্রহ | ইতিহাস, চিকিৎসা |
| উল্লেখযোগ্য কাজ | জামি আল-তাওয়ারিখ |
রশিদ আল-দীন তবিব (ফার্সি: رشیدالدین طبیب; ১২৪৭–১৩১৮; যিনি রশিদ আল-দীন ফজলুল্লাহ হামদানি, ফার্সি: رشیدالدین فضلالله همدانی নামেও পরিচিত) ছিলেন ইলখানাত শাসিত ইরানের একজন রাষ্ট্রনায়ক, ইতিহাসবিদ এবং চিকিৎসক।[২]
১২৭৭ সালে ৩০ বছর বয়সে ইহুদি ধর্ম থেকে ইসলাম গ্রহণ করার পর, রশিদ আল-দীন ইলখান শাসক গাজান খানের প্রভাবশালী উজির নিযুক্ত হন। গাজান তাকে জামি আল-তাওয়ারিখ রচনার দায়িত্ব দেন, যা বর্তমানে ইলখানাত আমল এবং মঙ্গোল সাম্রাজ্যের ইতিহাসের জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একক উৎস হিসেবে বিবেচিত হয়।[৩] তিনি ১৩১৬ সাল পর্যন্ত উজির পদে আসীন ছিলেন।
ইলখানাত রাজা ওলজাইতু-কে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত হওয়ার পর, ১৩১৮ সালে তার মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।[৩]
ইতিহাসবিদ মরিস রোসাবি রশিদ আল-দীনকে "মঙ্গোল শাসনামলে পারস্যের তর্কসাপেক্ষভাবে সবচেয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব" বলে অভিহিত করেছেন।[৪] তিনি একজন উর্বর লেখক ছিলেন এবং তাবরিজে রাব-ই রাশিদি নামক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান স্থাপন করেন।
জীবনী
[সম্পাদনা]
রশিদ আল-দীন ১২৪৭ সালে হামদান প্রদেশের এক ইরানি ইহুদি পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তার দাদা ইলখানাতের প্রতিষ্ঠাতা হালাকু খানের দরবারের উচ্চপদস্থ কর্মচারী ছিলেন এবং রশিদ আল-দীনের বাবা দরবারের একজন ভেষজবিদ ছিলেন। তিনি প্রায় ৩০ বছর বয়সে ইসলাম ধর্ম গ্রহণ করেন।[৫]
রশিদ চিকিৎসক হিসেবে প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন এবং হালাকু খানের পুত্র আবাকা খানের অধীনে কর্মজীবন শুরু করেন। পরবর্তীতে তিনি কাজভিনের নিকট সুলতানিয়ায় ইলখানাত দরবারের প্রধান উজির পদে উন্নীত হন। তিনি ইলখান গাজান এবং ওলজাইতুর অধীনে উজির ও চিকিৎসক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। এরপর আবু সাঈদ বাহাদুর খানের শাসনামলে দরবারের ষড়যন্ত্রের শিকার হন এবং সত্তর বছর বয়সে তাকে হত্যা করা হয়। তার পুত্র গিয়াত আল-দীন মুহাম্মদ তার পরে কিছুকাল উজির হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছিলেন।
জামি আল-তাওয়ারিখ
[সম্পাদনা]গাজান খানের নির্দেশে জামি আল-তাওয়ারিখ বা "ইতিহাসের সংকলন" রচিত হয়। প্রাথমিকভাবে এটি ছিল মঙ্গোল এবং তাদের রাজবংশের ইতিহাস, কিন্তু ধীরে ধীরে তা সম্প্রসারিত হয়ে আদম থেকে শুরু করে রশিদ আল-দীনের সময় পর্যন্ত সমগ্র বিশ্ব ইতিহাস অন্তর্ভুক্ত করে।
রশিদকে এই কাজে সাহায্য করেছিলেন বোলাদ নামের একজন মঙ্গোল আভিজাত্য ব্যক্তি, যিনি ইলখানাত দরবারে গ্রেট খানের দূত ছিলেন। বোলাদ তাকে মঙ্গোলদের সম্পর্কে অনেক তথ্য সরবরাহ করেন।
ওলজাইতুর রাজত্বকালে ১৩০৭ থেকে ১৩১৬ সালের মধ্যে এই সংকলনটি সম্পন্ন হয়েছিল।
ক্যালিগ্রাফি কর্মশালা: রাব-ই রাশিদি
[সম্পাদনা]কাজভিনের রাব-ই রাশিদি নামক উন্নত লিপিঘরে এই কাজটি সম্পন্ন হয়, যেখানে চিত্রসংবলিত বই তৈরির জন্য ক্যালিগ্রাফার এবং চিত্রকরদের একটি বিশাল দল কাজ করত। নিখুঁততা বজায় রেখে চীন থেকে আমদানিকৃত মুদ্রণ প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এই বইগুলোর অনুলিপি তৈরি করা সম্ভব ছিল।
১৩০৭ সালের দিকে সমাপ্ত হওয়ার সময় এই কাজটি ছিল বিশাল আকারের। এর বেশ কিছু অংশ বর্তমানে হারিয়ে গেছে বা এখনও আবিষ্কৃত হয়নি। জামি আল-তাওয়ারিখের কিছু অংশ চমৎকার চিত্রসহ পাণ্ডুলিপিতে টিকে আছে, যা ধারণা করা হয় রশিদের জীবদ্দশায় এবং সম্ভবত রাব-ই রাশিদি কর্মশালায় তার সরাসরি তত্ত্বাবধানে তৈরি হয়েছিল।[৬]
ইতিহাসতাত্ত্বিক গুরুত্ব
[সম্পাদনা]জামি আল-তাওয়ারিরখর প্রথম ও দ্বিতীয় খণ্ড টিকে আছে যা ইলখানাত অধ্যয়নের জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। প্রথম খণ্ডে তুর্কি ও মঙ্গোল উপজাতিদের ইতিহাস, তাদের বংশলতিকা, মিথ এবং চেঙ্গিজ খানের সময় থেকে গাজান খানের রাজত্বকাল পর্যন্ত মঙ্গোল বিজয়ের ইতিহাস রয়েছে। অন্যদিকে দ্বিতীয় খণ্ডে মঙ্গোলরা যাদের সাথে যুদ্ধ করেছে বা কূটনৈতিক সম্পর্ক রেখেছে এমন সব জাতির ইতিহাস বর্ণনা করা হয়েছে। মোংকে খানের (১২৫১–১২৫৯) রাজত্বকাল পর্যন্ত বর্ণনায় আতা-মালিক জুয়ায়নি ছিলেন রশিদ আল-দীনের প্রধান উৎস; তবে তিনি দূরপ্রাচ্যের অনেক হারানো উৎসও ব্যবহার করেছিলেন। জামি আল-তাওয়ারিখ সম্ভবত মঙ্গোল আমলের সবচেয়ে বিস্তৃত ফার্সি উৎস।
এর তৃতীয় খণ্ডটি হয় হারিয়ে গেছে অথবা কখনও সম্পন্ন হয়নি; যার বিষয় ছিল "ঐতিহাসিক ভূগোল"।[৭]
জামি আল-তাওয়ারিখের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উত্তরাধিকার হলো বিভিন্ন সংস্কৃতির মিশ্রণের নথিপত্র, যা পরবর্তী তিমুরিদ সাম্রাজ্য, সাফাভীয় ইরান, কাজর ইরান এবং অটোমান সাম্রাজ্যের সমৃদ্ধির পথ প্রশস্ত করেছিল। এই গ্রন্থটি ছিল একক কোনো সাংস্কৃতিক দৃষ্টিভঙ্গি পরিহার করে বিশ্ব ইতিহাসকে একটি সর্বজনীন মাপে দেখার অন্যতম প্রথম প্রচেষ্টা।
একটি খণ্ডে ফ্রাঙ্কদের বিস্তারিত ইতিহাস (১৩০৫/১৩০৬) বর্ণনা করা হয়েছে, যা সম্ভবত ইলখানাতদের অধীনে কর্মরত ইউরোপীয়দের তথ্যের ওপর ভিত্তি করে লেখা হয়েছিল।
বৌদ্ধ-ইসলামী আলোচনা
[সম্পাদনা]জামি আল-তাওয়ারিখ গ্রন্থে ২০টি অধ্যায়ে বৌদ্ধধর্মকে উপস্থাপন করা হয়েছে, যা যেকোনো মুসলিম উৎসে বৌদ্ধধর্মের সবচেয়ে বিস্তারিত বর্ণনা। এই কাজের জন্য তিনি বৌদ্ধদের সাথে কথা বলেছেন, বৌদ্ধ মন্দির পরিদর্শন করেছেন এবং তাদের আচার-অনুষ্ঠান প্রত্যক্ষ করেছেন। তিনি মূলত বজ্রযান বৌদ্ধধর্ম থেকে তথ্য নিয়েছিলেন কারণ সেই সময়ে ইরানে এর প্রভাব ছিল।[৮] তিনি জীবনের চক্রের মতো মৌলিক বৌদ্ধ মতবাদগুলো রিপোর্ট করেছেন। বুদ্ধ কীভাবে অস্তিত্বের ছয়টি জগতে ভ্রমণ করেছিলেন এবং কীভাবে তিনি স্বর্গীয় জগতেও (দেব) দুঃখের অস্তিত্ব রয়েছে তা জেনেছিলেন, তা তিনি উল্লেখ করেছেন। তিনি বৌদ্ধধর্মের স্বর্গীয় এবং আটটি নরক জগত (নরক) বর্ণনা করেছেন। বৌদ্ধধর্মের স্বর্গীয় জগত বোঝাতে তিনি একে ইডেন উদ্যানের সাথে তুলনা করেছেন। আরও উল্লেখ করেছেন যে, উদার ও দয়ালু ব্যক্তিরা ঋষি পরিবারে জন্মায়, আর যারা অন্যদের উপহাস করে তারা অসুস্থতা নিয়ে জন্মায়। নরক ও স্বর্গের এই বিস্তারিত বিবরণ সম্ভবত ইসলামী বর্ণনার সাথে মিল থাকার কারণে স্থান পেয়েছে। তিনি অনেক ক্ষেত্রে বৌদ্ধ ধারণার জন্য ইসলামী পরিভাষা ব্যবহার করেছেন; যেমন বৌদ্ধ দানব মার-কে তিনি "ইবলিশ" বলেছেন এবং বৌদ্ধ মতবাদ নির্বাণ-কে সুফি ধারণার সাথে তুলনা করেছেন।[৯]
বইয়ের প্রচার: মুদ্রণ ও অনুবাদ
[সম্পাদনা]
রশিদ আল-দীন তার সমস্ত রচনা মানচিত্র ও চিত্রসহ 'জামি আল-তাসানিফ আল-রাশিদি' (রশিদের রচনাবলী) নামক একটি খণ্ডে সংগ্রহ করেন। তিনি তার চিকিৎসা ও শাসন সংক্রান্ত কিছু ছোট কাজ চীনা ভাষায় অনুবাদ করিয়েছিলেন। তিনি তার কাজগুলো অনুলিপি করার জন্য উৎসাহিত করতেন এবং এজন্য একটি তহবিল গঠন করেছিলেন যাতে প্রতি বছর আরবি ও ফার্সি ভাষায় তার কাজের দুটি সম্পূর্ণ অনুলিপি তৈরি করা যায়।
কর্মশালায় ব্যবহৃত মুদ্রণ পদ্ধতিটি রশিদ আল-দীন বর্ণনা করেছেন, যা চীনে ফেং দাও এর (৯৩২–৯৫৩) অধীনে ব্যবহৃত পদ্ধতির সাথে অনেকটা মিল সম্পন্ন ছিল।
রচয়িতা এবং চুরির অভিযোগ
[সম্পাদনা]জামি আল-তাওয়ারিখের রচয়িতা নিয়ে কিছু বিতর্ক রয়েছে। আবু আল-কাসিম কাশানি (মৃত্যু ১৩২৪) দাবি করেছিলেন যে তিনিই এই গ্রন্থের প্রকৃত লেখক এবং রশিদ আল-দীন কেবল কৃতিত্বই নয়, বরং এর আর্থিক পুরস্কারও আত্মসাৎ করেছেন।[৩] তবে এনসাইক্লোপিডিয়া ইরানিকা অনুসারে, রশিদের প্রধান রচয়িতা হওয়ার বিষয়ে সন্দেহের অবকাশ কম থাকলেও, কাজটি একটি যৌথ প্রচেষ্টা ছিল যা গবেষণা সহকারীদের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছিল। কাশানি সম্ভবত সেই সহকারীদের একজন ছিলেন।
তার পত্রাবলীর রচয়িতা
[সম্পাদনা]পণ্ডিতদের মধ্যে রশিদ আল-দীনের 'পত্রাবলী' জাল কি না তা নিয়ে বিতর্ক রয়েছে। ডেভিড মরগান এবং আলেকজান্ডার মর্টনের মতে এগুলো সম্ভবত তিমুরিদ আমলের জালিয়াতি। তবে আবুললা সুদোভারের মতো কেউ কেউ এর সত্যতা রক্ষা করার চেষ্টা করেছেন।
পহলভি কবিতা
[সম্পাদনা]তার নিজস্ব উপভাষায় কিছু ফাহলাবিয়াত বা কবিতা রয়েছে। তিনি এগুলোকে 'জবান-ই পহলভি' (পহলভি ভাষা) নামে অভিহিত করেছেন।[১০]
প্রভাব হারানো এবং মৃত্যু
[সম্পাদনা]
১৩১২ সালে তার সহকর্মী সাদ আল-দীন মোহাম্মদ অবাজি ক্ষমতাচ্যুত হন এবং তাজ আল-দীন আলী-শাহ জিলানি তার স্থলাভিষিক্ত হন। এরপর ১৩১৪ সালে ওলজাইতু মারা যান এবং তার পুত্র আবু সাঈদ বাহাদুর খান ক্ষমতায় আসেন, যিনি আলী-শাহের পক্ষ নেন। ১৩১৮ সালে ওলজাইতুকে বিষ প্রয়োগে হত্যার অভিযোগে ৭০ বছর বয়সে ১৩ জুলাই রশিদ আল-দীনের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হয়।[১১] দরবারে তার ইহুদি বংশপরিচয় নিয়ে বারবার কটাক্ষ করা হয়েছিল। মৃত্যুদণ্ডের পর তার মাথাটি শহরের চারপাশে ঘোরানো হয়েছিল এবং লোকেরা স্লোগান দিচ্ছিল: "এটি সেই ইহুদির মাথা যে ঈশ্বরের নামের অপব্যবহার করেছিল, তার ওপর ঈশ্বরের অভিশাপ বর্ষিত হোক।"[১২]
তার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করা হয় এবং রাব-ই রাশিদি মঙ্গোল সৈন্যদের হাতে তুলে দেওয়া হয়। এক শতাব্দী পরে তৈমুরের পুত্র মিরান শাহের শাসনামলে রশিদের দেহাবশেষ মুসলিম কবরস্থান থেকে তুলে ইহুদি কবরস্থানে পুনরায় সমাহিত করা হয়।[১৩]
জাতীয় ও রাজনৈতিক চিন্তা
[সম্পাদনা]রশিদ আল-দীনকে একজন কট্টর সুন্নি মুসলিম, একজন ইরানি দেশপ্রেমিক এবং ইরানি রাষ্ট্রীয় ঐতিহ্যের অনুরাগী হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। তিনি তার চিঠিপত্রে মঙ্গোল আমিরদের (যাদের তিনি "তুর্কি" বলে ডাকতেন) কঠোর সমালোচনা করেছেন, কারণ তারা কেন্দ্রীয় প্রশাসনে বাধা সৃষ্টি করত। তবে তার ঐতিহাসিক লেখায় মঙ্গোল-বিরোধী বা ইরানি দেশপ্রেমের এই সুর কিছুটা কম স্পষ্ট।
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Hamadānī, Rašīd al-Dīn Fazl-ullāh। "Ğāmi‛ al-tavārīḫ. Rašīd al-Dīn Fazl-ullāh Hamadānī" (ফরাসি ভাষায়)।
- ↑ "Rashid ad-Din". Encyclopædia Britannica. 2007. Encyclopædia Britannica Online. Accessed ১১ এপ্রিল ২০০৭।
- 1 2 3 Morgan, D.O. (১৯৯৪)। "Rāshid Al-Dīn Tabīb"। Encyclopaedia of Islam। খণ্ড ৮ (2nd সংস্করণ)। Brill Academic Publishers। পৃ. ১৪৫–১৪৮। আইএসবিএন ৯০০৪০৯৮৩৪৮।
- ↑ Genghis Khan: World Conqueror? (Introduction by Morris Rossabi) (পিডিএফ)। blackwellpublishing.com।
- ↑ George Lane, Genghis Khan and Mongol Rule, Hackett Publishing, 2009 p.121.
- ↑ The large literature on these includes: S. Blair, A compendium of chronicles : Rashid al-Din’s illustrated history of the world, 1995, 2006 আইএসবিএন ১-৮৭৪৭৮০-৬৫-X; B. Gray, The 'World history' of Rashid al-Din: A study of the Royal Asiatic Society manuscript, Faber, 1978 আইএসবিএন ০-৫৭১-১০৯১৮-৭.
- ↑ Lunde, Paul; Mazzawi, Rosalind (১৯৮১)। "A History of the World"। Saudi Aramco World। ৩২ (1)।
- ↑ Elverskog, Johan. Buddhism and Islam on the Silk Road. University of Pennsylvania Press, 2010. p. 149-150.
- ↑ Elverskog, Johan. Buddhism and Islam on the Silk Road. University of Pennsylvania Press, 2010. p. 154.
- ↑ Foundation, Encyclopaedia Iranica। "Welcome to Encyclopaedia Iranica"। iranicaonline.org।
- ↑ Lewis, Bernard (২০১৪)। The Jews of Islam। Princeton University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৪০০৮-২০২৯-০।, p. 101.
- ↑ Littman, David (১৯৭৯)। Jews Under Muslim Rule: The Case of Persia। Institute of Contemporary History।, page 3.
- ↑ [Douglas, William O. (১৯৫৮)। West of the Indus। Doubleday।, p. 417]
উৎস
[সম্পাদনা]- Ashraf, Ahmad (২০০৬)। "Iranian identity iii. Medieval Islamic period"। Encyclopædia Iranica, Vol. XIII, Fasc. 5। পৃ. ৫০৭–৫২২।
- Babaie, Sussan (২০১৯)। Iran After the Mongols। Bloomsbury Publishing। পৃ. ১–৩২০। আইএসবিএন ৯৭৮১৭৮৬৭৩৬০১৭।
- Boyle, John Andrew (১৯৭১)। "Rashīd al-Dīn: The First World Historian"। Iran। ৯: ১৯–২৬। ডিওআই:10.2307/4300435। আইএসএসএন 0578-6967। জেস্টোর 4300435।
- Bregel, Yuri (১৯৯৯)। "Rashid al-Din, Fazlallah"। Encyclopedia of historians and historical writing। London: Fitzroy Dearborn। পৃ. ৯৮২–৯৮৩। আইএসবিএন ৯৭৮১৮৮৪৯৬৪৩৩৬।
- Jackson, Peter (২০১৭)। The Mongols and the Islamic World: From Conquest to Conversion। Yale University Press। পৃ. ১–৪৪৮। আইএসবিএন ৯৭৮০৩০০২২৭২৮৪।
- Lane, George E. (২০১২)। "The Mongols in Iran"। Daryaee, Touraj (সম্পাদক)। The Oxford Handbook of Iranian History। Oxford University Press। পৃ. ১–৪৩২। আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৮৭৫৭৫-৭।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]
উইকিমিডিয়া কমন্সে রশিদ আল-দীন হামাদানি সম্পর্কিত মিডিয়া দেখুন।- ১৪শ শতাব্দীর পাণ্ডুলিপি থেকে মোসুল অবরোধের চিত্র
- এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিজিটাইজড রশিদ আল-দীনের বিশ্ব ইতিহাস