রবিরবাজার জামে মসজিদ
| রবিরবাজার জামে মসজিদ | |
|---|---|
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| নেতৃত্ব | এডভোকেট নওয়াব আলী আব্বাছ খান |
| পৃষ্ঠপোষক | ওয়াকফ্ স্টেট |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | রবিরবাজার, পৃথিমপাশা, কুলাউড়া, মৌলভীবাজার |
| দেশ | বাংলাদেশ |
| স্থাপত্য | |
| স্থাপত্য শৈলী | আধুনিক |
| অর্থায়নে | মুসল্লি |
| বিনির্দেশ | |
| ধারণক্ষমতা | ১০০০০ |
| অভ্যন্তরীণ | ৩.৬০ |
| গম্বুজসমূহ | ২ |
রবিরবাজার জামে মসজিদ বাংলাদেশের একটি প্রাচীন মসজিদ যা সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়া উপজেলার পৃথিমপাশা ইউনিয়ন এর আওতাধীন রবিরবাজারে অবস্থিত।[১] তিন তলা বিশিষ্ট মসজিদটিতে সোনালী রঙের দুটি গুম্বজ রয়েছে। মসজিদটি প্রায় ৩ একর ৬০ শতাংশ জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত। মূল রবিরবাজার জামে মসজিদটি কবে স্থাপিত হয়েছিল তার কোন সনতারিখ কারো অবগতিতে নেই। তবে মসজিদের বয়স আনুমানিক দেড়শতাধিক বৎসরের হবে। কিছু কিছু তথ্যমতে প্রায় আড়াইশত বছর পুর্বে পৃথিমপাশার (ছোটসাহেব বাড়ীর) বেগম তালেবুন নেছা খাতুনের নিজস্ব উদ্যোগে প্রথম প্রতিষ্ঠিত হয় ঐতিহ্যবাহী রবিরবাজার জামে মসজিদটি।[২][৩][৪]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]পৃত্থিমপাশা জমিদার বাড়ি এক মহীয়সী মহিলা সৈয়দা তালিবুন্নেছা এই মসজিদটির প্রতিষ্ঠাতা। ধর্মপ্রান ও পর্দানশীল এই মহিলা স্বপ্নে আদিষ্ট হয়ে মসজিদটি স্থাপন করেছিলেন বলে জনশ্রুতি আছে। প্রথম মসজিদটি গড়ে উঠেছিল চুন-সুরকির প্রাচীর দ্বারা। ২ শতাংশ জমির উপর তৈরী হয়েছিল মূল মসজিদটি। সময়ের পরিক্রমায় মসজিদ এলাকার আয়তন বৃদ্ধির সাথে সাথে মসজিদটির অবকাঠামোতে এসেছে চৌকষ পরিবর্তন। বর্তমানে বাজারের বিশাল আয়তন দখল করে আছে এই মসজিদ। [৩] এটি একটি ঐতিহ্যবাহী মসজিদ, যেখানে প্রতিদিন গড়ে লক্ষটাকা আয় হয়ে খাকে। প্রতি সপ্তাহে মসজিদের পিলারের বাক্স হতে পাওয়া যায় সোনা, রোপা, বিভিন্ন দেশের মুদ্রা ও টাকা মিলিয়ে প্রায় ১০-১২ লক্ষ টাকা। [৫] প্রত্যেক ধর্ম ভীরু স্থানীয় ও বহিরাগত লোকজন এই মসজিদে নিতান্ত দু’টাকা দান করে হলেও আত্মতৃপ্তি লাভ করেন। উল্লেখ্য, এই মসজিদে যে কোন সৎ মানত করে দান করলে আশানুরুপ ফলাফল পাওয়া যায় বিধায় বিভিন্ন স্থান খেকে মানুষ এসে নামায পড়েন, কোরান তিলাওয়াত ছাড়াও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীগন দর্শন করে থাকেন। বর্তমানে ওয়াকফ্ স্টেট মসজিদটি পরিচালনা করছে। দায়িত্বে রয়েছেন এডভোকেট নওয়াব আলী আববাছ খাঁন। [৬][৭]
রবিরবাজার জামে মসজিদের নতুন ভবন নির্মাণ করা হয়েছে এবং কাজ চলমান। যেখানে প্রায় ১০ হাজার মুসল্লির একসাথে নামাজ আদায় করতে পারেন। রবিরবাজার জামে মসজিদে নামাযের উদ্দেশ্যে প্রতি শুক্রবার দেশের বিভিন্ন জায়গা থেকে মুসল্লিরা আসেন। [৮][৯]
সমাজ কল্যাণ
[সম্পাদনা]মসজিদের জমাকৃত আয়ের মুনাফা হতে আবেদনের ভিত্তিতে বিভিন্ন মসজিদের শৌচাগার নির্মাণের জন্য অনুদান প্রদান করা হয়।
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "মৌলভীবাজারের রবিরবাজার জামে মসজিদ"। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "মোগল স্থাপত্যের আদলে নবনির্মিত কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী রবিরবাজার জামে মসজিদের উদ্বোধন"। সংগ্রহের তারিখ ৭ মে ২০২৫।
- 1 2 "রবিরবাজার জামে মসজিদ"। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "রবির বাজার জামে মসজিদ"। ২২ জানুয়ারি ২০২৫ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ মে ২০২৫।
- ↑ "রবিরবাজারের ঐতিহ্য"। সংগ্রহের তারিখ ২৮ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "পৃথিমপাশা ইউনিয়ন"। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২৫।[স্থায়ীভাবে অকার্যকর সংযোগ]
- ↑ "ব্যতিক্রমি এই মসজিদের নাম মৌলভীবাজারের রবিরবাজার জামে মসজিদ"। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "রবিরবাজার"। probangla.com। সংগ্রহের তারিখ ২০ এপ্রিল ২০২৫।
- ↑ "মোগল স্থাপত্যের আদলে নবনির্মিত কুলাউড়ার ঐতিহ্যবাহী রবিরবাজার জামে মসজিদের উদ্বোধন"। সময়চিত্র। ২৭ মে ২০১৬। সংগ্রহের তারিখ ৫ এপ্রিল ২০২৫।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}: উদ্ধৃতি শৈলী রক্ষণাবেক্ষণ: ইউআরএল-অবস্থা (লিঙ্ক)