বিষয়বস্তুতে চলুন

যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা
ধরনএমপিও ভুক্ত
স্থাপিত জানুয়ারি ১৯৫২; ৭৩ বছর আগে (1952-01-01)
প্রতিষ্ঠাতামোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী
প্রাতিষ্ঠানিক অধিভুক্তি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (২০০৬- ২০১৬)
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয় (২০১৬- বর্তমান)
মাধ্যমিক অন্তর্ভুক্তিবাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ড
শিক্ষার্থীআনু. ৮০০
ঠিকানা
যশোর খালধার রোড, পশ্চিম বারান্দিপাড়া
, , ,
শিক্ষাঙ্গনশহুরে
EIIN সংখ্যা১১৬০৫২
ক্রীড়াক্রিকেট, ফুটবল, ভলিবল, ব্যাটমিন্টন
এমপিও সংখ্যা৫৫০৬০২২৪০১
ওয়েবসাইটhttp://116052.ebmeb.gov.bd/

যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা বাংলাদেশের যশোর জেলার সদর উপজেলার পশ্চিম বারান্দিপাড়া এলাকায় অবস্থিত একটি আলিয়া মাদ্রাসা।[][] এটি ১৯৫২ সালে মোস্তফা ফরিদ আহমেদ চৌধুরী কর্তৃক প্রতিষ্ঠিত হয়। বর্তমানে প্রতিষ্ঠানে প্রায় ৯০০ শিক্ষার্থী এবং ৪০ জন শিক্ষক রয়েছেন। মাদ্রাসাটির দাখিল ও আলিম শ্রেণী বাংলাদেশ মাদ্রাসা শিক্ষাবোর্ড এবং ফাজিল ও কামিল শ্রেণী ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে পরিচালিত হয়। মাদ্রাসাটির বর্তমানের নাম মো. সাখাওয়াত হোসেন। মাদ্রাসাটির ইআইআইইএন নাম্বার ১১৬০৫২, মাদ্রাসা কোড ১৫৭৬৬ এবং শিক্ষাবোর্ড কোড ৩৩১০৪।[]

ইতিহাস

[সম্পাদনা]

১৯৫২ সালে যশোর অঞ্চলে ইসলামি শিক্ষা বিস্তারের লক্ষ্যে যশোর শহরে এই মাদ্রাসা প্রতিষ্ঠিত হয়। শুরু থেকেই এটি এলাকার মর্যাদাসম্পন্ন দ্বীনি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। মাদ্রাসাটি ৭ জানুয়ারি ১৯৬৯ সালে সরকারি স্বীকৃতি লাভ করে। মাদ্রাসার এমপিও রেজিস্ট্রেশন নম্বর হল ৫৫০৬০২২৪০১।

শিক্ষা কার্যক্রম

[সম্পাদনা]

এই মাদ্রাসায় ইবতেদায়ী থেকে শুরু করে দাখিল, আলিম, ফাজিল এবং সর্বোচ্চ ধাপ কামিল শ্রেণী পর্যন্ত রয়েছে। দাখিল ও আলিম শ্রেণীতে বিজ্ঞান ও মানবিক উভয় শাখা রয়েছে। এছাড়াও ফাজিল ও কামিল শ্রেণীতে আল কুরআন, আল হাদিস ও দাওয়াহ বিভাগ চালু রয়েছে। মাদ্রাসাটির ইবতেদায়ী শ্রেণীতে ৮ জন, দাখিল সেকশনে ৯ জন, আলিম সেকশনে ১০ জন শিক্ষক পাঠদান করে থাকে। এছাড়াও ফাজিল ও কামিলে ১৩ জন শিক্ষক পাঠদান করে।

সুযোগ-সুবিধা

[সম্পাদনা]

মাদ্রাসাটি যশোর শহরের অন্যতম একটি আধুনিক মাদ্রাসা, এখানে নানা সুযোগ সুবিধা রয়েছে, এগুলোর মধ্যে অন্যতম:

  • আবাসিক সুবিধা — ছাত্রদের জন্য আবাসিক ব্যবস্থাপনা রয়েছে, এখানে ৬ষ্ঠ শ্রেণীর উপরের শিক্ষার্থীরা অবস্থান করতে পারে। একাধিক আবাসিক শিক্ষক এসব শিক্ষার্থীদের তদারকি করে।
  • মসজিদ — মাদ্রাসার কেন্দ্রীয় মসজিদে নিয়মিত ধর্মীয় শিক্ষাদান করা হয়। ফজরের নামাজের পরে প্রতিদিন কুরআন তিলাওয়াত করানো হয়, মাঝেমধ্যে মসজিদে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ আলোচনার আয়োজনও করা হয়।
  • ঈদগাহ — উপজেলার বৃহত্তম ঈদ জামাত এখানে অনুষ্ঠিত হয়, যেখানে প্রায় ৩ লক্ষাধিক মুসল্লি অংশগ্রহণ করে থাকে। এই ঈদগাহের জন্য মাদ্রাসাটি পুরো যশোর জেলায় পরিচিতি লাভ করেছে।
  • খেলার মাঠ — শিক্ষার্থীদের জন্য সুবিস্তৃত খেলার মাঠ রয়েছে, এই মাঠে আন্তঃপ্রতিষ্ঠান খেলার আয়োজনও হয়ে থাকে। মাদ্রাসার শিক্ষার্থীরা নিয়মিত নানা খেলাধুলায় অংশগ্রহণ করে থাকে।
  • হলরুম — বিভিন্ন অনুষ্ঠান ও কর্মসূচির জন্য ব্যবহৃত বড় হলরুম রয়েছে। এই হলরুমে নানা সাংস্কৃতিক আয়োজন, পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান, গান ও গজল প্রদর্শনী আয়োজন করা হয়। স্কুলের অভ্যন্তরীণ সকল অনুষ্ঠান এই হলরুমেই আয়োজিত হয়ে থাকে।
  • মহিলা কমনরুম — মহিলা শিক্ষার্থীদের জন্য পৃথক কমনরুম রয়েছে।

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "যশোর আমিনিয়া কামিল মাদরাসায় নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি | চাকরির খবর নিউজ"দৈনিক শিক্ষা। ২৬ জুলাই ২০২৩। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  2. "যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসার ফকিহ্‌ শিক্ষক জনাব মোশাররফ হোসেন এর অনুকুলে জানুয়ারি/২০০৮ হতে অক্টোবর/২০০৯ পর্যন্ত বকেয়া সংক্রান্ত"কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগ। ১২ ফেব্রুয়ারি ২০২০। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  3. "যশোর আমিনিয়া কামিল মাদ্রাসা প্রোফাইল"সহপাঠী। ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০২৫

বহিঃসংযোগ

[সম্পাদনা]