ম্যাকমোহন সীমা

এই ম্যাকমোহন লাইন ১৯১৪ সালে সিমলা চুক্তির মাধ্যমে ব্রিটেন ও তিব্বতের স্বীকৃত হয়।[১] বর্তমানে এটি ভারত ও চিনের মধ্যে আইন স্বীকৃত সীমানা[২][৩], যদিও চীন সরকার একে বিতর্কিত অংশ বলে মনে করে।
লাইন নামকরণ করা হয় স্যার হেনরি ম্যাকমোহনের নামে[৪], যিনি ব্রিটিশ ভারত সরকারের পররাষ্ট্র সচিব ছিলেন এবং সিমলা আলোচনার প্রধান আলোচক। হিমালয় বরাবর ভুটান থেকে ৫৫০ মাইল (৮৯০ কিমি) প্রসারিত করা হয়। যার মধ্যে পশ্চিমে ১৬০ মাইল (২৬০ কিমি)। বাকিটা ব্রম্ভপুত্রের বাঁক ধরে প্রসারন করা হয়। ১৯০৭ সালের অ্যাংলো-রাশিয়ান কনভেনশন অসম্পূর্ণ থাকার কারণে প্রথমে সিমলা ব্রিটিশ সরকার একে প্রত্যাখ্যান করে।[৫] ১৯২১ সালে এর নিন্দা করা হয়। ১৯৩৫ সাল পর্যন্ত ম্যাকমোহন সীমার কথা স্মৃতির অতলে ছিল। এরপর ব্রিটিশ সিভিল সার্ভিস অফিসার ওলাফ ক্রো সিমলা চুক্তি সম্বন্ধে প্রতীত করতে পারল সরকারি ভাবে ম্যাকমোহন সীমা প্রকাশিত হয়।[৬]

মানচিত্র
[সম্পাদনা]- McMahon লাইন, সিমলা চুক্তি, চুক্তি 1914 মানচিত্র 1
- McMahon লাইন, সিমলা চুক্তি, চুক্তি 1914 মানচিত্র 2
- সিমলা চুক্তি,চুক্তি স্বাক্ষর 1914 সালে, মানচিত্র 1
- সিমলা চুক্তি,চুক্তি স্বাক্ষর 1914 সালে, মানচিত্র 2
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ Shakya, Tsering (১৯৯৯)। The Dragon in the Land of Snows: A History of Modern Tibet Since 1947 (ইংরেজি ভাষায়)। Columbia University Press। পৃ. ২৭৯। আইএসবিএন ৯৭৮-০-২৩১-১১৮১৪-৯।
- ↑ Arpi, Claude (২০০৮)। Tibet: The Lost Frontier (ইংরেজি ভাষায়)। Lancer Publishers LLC। পৃ. ৭০–। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৯৩৫৫০১-৪৯-৭।
- ↑ Brunet-Jailly, Emmanuel (২৮ জুলাই ২০১৫)। Border Disputes: A Global Encyclopedia: A Global Encyclopedia (ইংরেজি ভাষায়)। খণ্ড ৩। ABC-CLIO। পৃ. ৫৪২। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬১০৬৯-০২৪-৯।
- ↑ Rao, Veeranki Maheswara (২০০৩)। Tribal Women of Arunachal Pradesh: Socio-economic Status (ইংরেজি ভাষায়)। Mittal Publications। পৃ. ৬০। আইএসবিএন ৯৭৮-৮১-৭০৯৯-৯০৯-৬।
- ↑ Maxwell, Neville, India's China War ওয়েব্যাক মেশিনে আর্কাইভকৃত ২২ আগস্ট ২০০৮ তারিখে, New York, Pantheon, 1970.
- ↑ Guruswamy, Mohan, "The Battle for the Border", Rediff, 23 June 2003.