মোহাইদিন আন্দাভার মসজিদ
| মোহাইদিন আন্দাভার মসজিদ | |
|---|---|
২০১৪ সালে মসজিদের দৃশ্য | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| যাজকীয় বা সাংগঠনিক অবস্থা | জামে মসজিদ |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | তিরুক্কালাচেরি, মায়িলাদুতুরাই জেলা, তামিলনাড়ু |
| দেশ | ভারত |
তামিলনাড়ুতে মসজিদের অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক | ১১°০০′৩৮″ উত্তর ৭৯°৪৮′০৯″ পূর্ব / ১১.০১০৫৩° উত্তর ৭৯.৮০২৬১° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৯৩৬; ১৯৯০ (পুনর্নির্মাণ) |
| বিনির্দেশ | |
| গম্বুজসমূহ | একটি |
| মিনার | দুটি |
মোহাইদিন আন্দাভার মসজিদ, যা মোহাইদিন আন্দাভার জুম্মা মসজিদ (তামিল: மொகய்தீன் ஆண்டவர் மசூதி-நாகப்பட்டினம்) নামেও পরিচিত, হলো ভারতের তামিলনাড়ু রাজ্যের মায়িলাদুতুরাই জেলার তিরুক্কালাচেরিতে অবস্থিত একটি জামে মসজিদ। মসজিদটি মস্ক স্ট্রিটে (যা পল্লীবাসাল স্ট্রিট নামেও পরিচিত; তামিল ভাষায় 'পল্লীবাসাল' অর্থ মসজিদ) অবস্থিত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]১৯৩৬ সালে একজন স্থানীয় জনহিতৈষীর দান করা জমির ওপর এই মসজিদটি নির্মিত হয়। তৎকালীন ব্রিটিশ মালয় (বর্তমান মালয়েশিয়া) এবং ফরাসি ইন্দোচীন (বর্তমান ভিয়েতনাম) থেকে আসা ভারতীয় অভিবাসীদের অনুদানের মাধ্যমে এর নামকরণ ও নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছিল। অনুদান প্রদানকারীদের মধ্যে পিচাই গনি রাউথার এবং এভে মুহাম্মদ ইউসুফ উল্লেখযোগ্য ছিলেন, যারা পরবর্তীকালে মৃত্যুবরণ করেন।
১৯৯০ সালে এভে মুহাম্মদ ইউসুফের ছেলে এভে আব্দুল হামিদ জনসাধারণের কাছ থেকে কোনো অনুদান না নিয়ে নিজের অর্থায়নে মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করেন। তবে এভে আব্দুল হামিদের ছেলে এভে আব্দুল বশির জানিয়েছিলেন যে, তিনি মসজিদটি পুনর্নির্মাণের জন্য সুইজারল্যান্ড থেকে এককালীন ১,০০,০০০ মার্কিন ডলার (তৎকালীন সময়ে যা প্রায় ৪০ লক্ষ ভারতীয় রুপির সমতুল্য) দান করেছিলেন। মসজিদটি নির্মাণের পর এভে আব্দুল হামিদ জীবিত থাকাকালীন তার পরিবারের অন্য সদস্যদের বা সন্তানদের অনুদান সংক্রান্ত আর কোনো নির্ভরযোগ্য তথ্য পাওয়া যায়নি।
এই মসজিদটি তামিলনাড়ুর নাগাপট্টি্নম অঞ্চলের অন্যতম বৃহত্তম মসজিদ। এর একটি অনন্য বড় গম্বুজ রয়েছে যা সৌদি আরবের মদিনায় অবস্থিত মহানবী মুহাম্মাদের মসজিদের গম্বুজের সদৃশ।