মোবারক মসজিদ, কাদিয়ান
| মোবারক মসজিদ | |
|---|---|
مسجد مبارک | |
পটভূমিতে আকসা মসজিদ এবং সাদা মিনারের সাথে মোবারক মসজিদ | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| শাখা/ঐতিহ্য | আহ্মদীয়া |
| যাজকীয় বা সাংগঠনিক অবস্থা | মসজিদ |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | কাদিয়ান, গুরুদাসপুর, পাঞ্জাব |
| দেশ | ভারত |
পাঞ্জাবে মসজিদের অবস্থান | |
| স্থানাঙ্ক | ৩১°৪৯′১১.৫″ উত্তর ৭৫°২২′২৬.৩″ পূর্ব / ৩১.৮১৯৮৬১° উত্তর ৭৫.৩৭৩৯৭২° পূর্ব |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | ইসলামি স্থাপত্য |
| স্থাপত্য শৈলী | কাজর |
| ভূমি খনন | ১৮৮২ |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৮৮৩ |
| ধারণক্ষমতা | ৬০০ মুসল্লি |
| শিলালিপি | ১টি |
মোবারক মসজিদ বা মসজিদ মোবারক (উর্দু: مسجد مبارک; অর্থ: বরকতময় মসজিদ) হলো ভারতের পাঞ্জাব রাজ্যের গুরুদাসপুর জেলার কাদিয়ানে অবস্থিত একটি মসজিদ। এটি আহ্মদীয়া আন্দোলন প্রতিষ্ঠার পর নির্মিত প্রথম মসজিদ হিসেবে বিবেচিত।[১] এটি কাদিয়ানের কেন্দ্রে এবং শহরের প্রথম মসজিদ আকসা মসজিদের পেছনে অবস্থিত।
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মসজিদটির ভিত্তিপ্রস্তর ১৮৮২ সালে স্থাপন করা হয় এবং ১৮৮৩ সালে আহ্মদীয়া আন্দোলনের প্রতিষ্ঠাতা মির্জা গোলাম আহমদ এটি উদ্বোধন করেন।[২]
ধর্মীয় গুরুত্ব
[সম্পাদনা]আহ্মদীয়া ধর্মতত্ত্বে এই মসজিদটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। কারণ এই মসজিদ নির্মাণই ছিল ঈশ্বর কর্তৃক মির্জা গোলাম আহমদকে অর্পণ করা প্রথম ঐশ্বরিক কাজ।[৩] তার এক খুতবায় আহমদ এই মসজিদটিকে লাইলাতুল মেরাজের প্রসঙ্গে সূরা বনি ইসরাইলের ২ নম্বর আয়াতের সাথে তুলনা করেছেন।[৪]
সম্প্রসারণ
[সম্পাদনা]মসজিদটি প্রথমবার ১৯০৭ সালে আহমদের মৃত্যুর আগে সম্প্রসারিত করা হয়েছিল এবং দ্বিতীয় সম্প্রসারণ ১৯৪৪ সালে মির্জা বসিরুদ্দিন মাহমুদ আহমদের শাসনামলে করা হয়।[৪]
স্থাপত্য
[সম্পাদনা]শিলালিপি
[সম্পাদনা]মসজিদের প্রবেশপথে আরবি ভাষায় নিম্নলিখিত শিলালিপিটি রয়েছে:
- مُبَارِكٌ وَّ مُبَارَكٌ وَّ كُلُّ اَمْرٍ مُّبَارَكٍ يُّجْعَلُ فِيْهِ
"এই মসজিদটি বরকতের উৎস, এটি নিজেই বরকতময় এবং এতে প্রতিটি বরকতময় কাজ সম্পন্ন করা হবে।"
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 "The First Ahmadi Mosque"। Al Hakam (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ১৮ মে ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ "Introduction to Masjid Mubarak and Hujra - Jalsa Qadian 2018"। YouTube। ৩০ ডিসেম্বর ২০১৮। সংগ্রহের তারিখ ৪ এপ্রিল ২০২০।
- ↑ Roose, Eric (২০০৯)। The Architectural Representation of Islam: Muslim-commissioned Mosque Design in the Netherlands (ইংরেজি ভাষায়)। Amsterdam University Press। আইএসবিএন ৯৭৮-৯০-৮৯৬৪-১৩৩-৫।
- 1 2 "مسجد اقصیٰ و مسجد مبارک قادیান"। Daily Alfazl Online (উর্দু ভাষায়)। ২৩ ডিসেম্বর ২০২২। সংগ্রহের তারিখ ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫।
- ↑ Barahin-e-Ahmadiyya (উর্দু ভাষায়)। খণ্ড ৪। Qadian: Islam International Publications LTD। ১৮৮৪। পৃ. ৪৩৭। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৮৪৮৮০-৮৮০-৫।
{{বই উদ্ধৃতি}}: আইএসবিএন / তারিখের অসামঞ্জস্যতা (সাহায্য)