মেসকুইটা ব্রাজিল
অবয়ব
| ব্রাজিল মসজিদ | |
|---|---|
জুন ২০০৭ সালে মেসকুইটা ব্রাজিল | |
| ধর্ম | |
| অন্তর্ভুক্তি | ইসলাম |
| মালিকানা | সাও পাওলো মুসলিম কল্যাণ সমিতি |
| অবস্থা | সক্রিয় |
| অবস্থান | |
| অবস্থান | অ্যাভেনিডা দো এসতাদো, ৫৩৮২, কাম্বুসি, সাও পাওলো, সাও পাওলো (রাজ্য) |
| দেশ | ব্রাজিল |
| স্থাপত্য | |
| ধরন | মসজিদ |
| প্রতিষ্ঠাতা | সাও পাওলো মুসলিম কল্যাণ সমিতি |
| প্রতিষ্ঠার তারিখ | ১৯২৭ (একটি সংস্থা হিসেবে) |
| ভূমি খনন | ১৯৪০ |
| সম্পূর্ণ হয় | ১৯৬০ |
| বিনির্দেশ | |
| গম্বুজসমূহ | এক |
| মিনার | এক |
| ওয়েবসাইট | |
| mesquitabrasil | |
| [১][২] | |
মেসকুইটা ব্রাজিল (ব্রাজিল মসজিদ) কাম্বুসি, সাও পাওলো শহরের কেন্দ্রীয় জেলায় অবস্থিত একটি মসজিদ।[৩] মসজিদটি ১৯২৯ সালে[১][২] সাও পাওলো মুসলিম কল্যাণ সমিতি দ্বারা নির্মিত হয়েছিল।[১] এটি ব্রাজিলের প্রাচীনতম মসজিদ[২][৩][৪] এবং দক্ষিণ আমেরিকার অন্যতম প্রাচীন মসজিদ।[১]
ইতিহাস
[সম্পাদনা]মেসকুইটা ব্রাজিলের ইতিহাস ১৯২০-এর দশকে শুরু হয়। প্রথম বিশ্বযুদ্ধের পর মধ্যপ্রাচ্যের সংকট থেকে পালিয়ে আসা অনেক মুসলিম অভিবাসী সাও পাওলোতে বসতি স্থাপন করেন। ১৯২৭ সালে কিছু ফিলিস্তিনি অভিবাসী (যেমন দারউইশ গাজাল এবং হোসনি আদুরা) ফিলিস্তিনি মুসলিম দাতব্য সংস্থা গঠন করেন। পরে সিরিয়া ও লেবানন থেকে আরও অভিবাসী আগমনের পর ১৯২৯ সালে সংস্থার নাম পরিবর্তন করে সাও পাওলো মুসলিম কল্যাণ সমিতি (SBM) রাখা হয়।[৪]
আরও দেখুন
[সম্পাদনা]সূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 4 "Mesquita Brasil não quer arrebanhar fiéis, garante entidade ao JM Notícia"। jmnoticia.com.br (পর্তুগিজ ভাষায়)। ১৭ মে ২০১৮। ২৪ এপ্রিল ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- 1 2 3 "Brazil's 'oldest' mosque - an historic reminder of the country's diversity"। youtube.com। AP Archive। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "Mesquita Brazil"। vejasp.abril.com.br (পর্তুগিজ ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮।
- 1 2 "Muslims and Brazil"। mesquitabrasil.com.br (পর্তুগিজ ভাষায়)। ১১ অক্টোবর ২০০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৮।