মেলানি লরাঁ
মেলানি লরাঁ | |
|---|---|
| জন্ম | ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩ প্যারিস, ফ্রান্স |
| পেশা |
|
| কর্মজীবন | ১৯৯৭–বর্তমান |
| দাম্পত্য সঙ্গী | অজানা (ব্যক্তিগতভাবে গোপনীয়) (বি. আনু. ২০১৩) |
| সঙ্গী | জুলিয়েন বোয়েসলিয়ের (২০০৫–২০০৯) |
| সন্তান | ২ |
মেলানি লরাঁ(ফরাসি উচ্চারণ: [melani loʁɑ̃] ; জন্ম ২১ ফেব্রুয়ারি ১৯৮৩) একজন ফরাসি অভিনেত্রী ও চলচ্চিত্র নির্মাতা। দুইবার সেজার পুরস্কার ও একবার লুমিয়ের পুরস্কার বিজয়ী এই শিল্পী ফরাসি চলচ্চিত্র শিল্পে সুপ্রতিষ্ঠিত। আন্তর্জাতিক অঙ্গনে তিনি ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস (২০০৯), নাউ ইউ সি মি (২০১৩), অপারেশন ফিনালে (২০১৮) এবং ৬ আন্ডারগ্রাউন্ড (২০১৯) চলচ্চিত্রে তার ভূমিকার জন্য সর্বাধিক পরিচিত।
১৬ বছর বয়সে রোমান্টিক নাট্য চলচ্চিত্র দ্য ব্রিজ (১৯৯৯)-এ জেরার দেপার্দ্যোর সাথে একটি ছোট চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে লরাঁর চলচ্চিত্রজীবন শুরু হয়। কৌতুকপ্রদ ডিকেনেক (২০০৬)-এ তার পার্শ্ব চরিত্রের জন্য তিনি এতোই দ'অর শ্রেষ্ঠ নবাগতা অভিনেত্রী পুরস্কার লাভ করেন। ২০০৬ সালের নাট্য চলচ্চিত্র ডোন্ট ওয়ারি, আইম ফাইন-এ অভিনয়ের জন্য তিনি সেজার পুরস্কার ফর মোস্ট প্রমিসিং অ্যাক্ট্রেস ও প্রি রোমি স্নাইডার জয় করেন, যা তার কর্মজীবনে মাইলফলক হয়ে আসে। ২০০৯ সালে কোয়েন্টিন টারান্টিনো-র ব্লকবাস্টার যুদ্ধ চলচ্চিত্র ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস-এ শোশানা ড্রেইফুস চরিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে হলিউডে তার আত্মপ্রকাশ ঘটে। এই অভিনয়ের জন্য তিনি অনলাইন ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি ও অস্টিন ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাসোসিয়েশন থেকে শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রীর পুরস্কার লাভ করেন।
স্বাধীন চলচ্চিত্রে কাজের পাশাপাশি লরাঁ বাণিজ্যিকভাবে সফল আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্রেও অভিনয় করেছেন, যেমন নাট্য কৌতুক বিগিনার্স (২০১১) ও অ্যাকশন থ্রিলার নাউ ইউ সি মি (২০১৩)। প্রথমোক্ত চলচ্চিত্রের জন্য তিনি সান ডিয়েগো ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাক্ট্রেস-এ মনোনয়ন পান। তার অন্যান্য উল্লেখযোগ্য কাজের মধ্যে রয়েছে আর্ট-হাউস নাটক দ্য রাউন্ড আপ (২০১০), নাট্য কৌতুক দ্য ডে আই স ইওর হার্ট (২০১১), ও রহস্য থ্রিলার নাইট ট্রেন টু লিসবন (২০১৩)। এছাড়া তিনি এপিক (২০১৩)-এ মেরি ক্যাথেরিন ও ইনসাইড আউট (২০১৫)-এ ডিসগাস্ট চরিত্রে ফরাসি ডাবিং ভয়েস দিয়েছেন। ২০১৮ সালে ক্রিস ওয়েটজের নাট্য চলচ্চিত্র অপারেশন ফিনালে-তে নাৎজি আডলফ আইখম্যান-এর গ্রেপ্তারের কাহিনিতে তিনি অভিনয় করেন।
চলচ্চিত্রের পাশাপাশি লরাঁ ফরাসি মঞ্চনাটকেও অংশ নিয়েছেন। ২০১০ সালে নিকোলাস বেদোসের প্রোমেনেড দ্য সান্তে নাটকের মাধ্যমে তার মঞ্চে অভিষেক হয়। ২০০৮ সালের স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দ্য মোয়াঁ এঁ মোয়াঁ-এর মাধ্যমে তিনি চলচ্চিত্র নির্মাতা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন। তার প্রথম পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র দ্য অ্যাডপ্টেড (২০১১)। ২০১৪ সালে কান চলচ্চিত্র উৎসবে ক্রিটিকস উইক বিভাগে তার দ্বিতীয় চলচ্চিত্র রেস্পির (২০১৪) প্রদর্শিত হয়। ২০১১ সালে তিনি অঁ তাতঁদা (এন অ্যাটেনড্যান্ট) স্টুডিও অ্যালবামের মাধ্যমে গায়িকা হিসেবেও আত্মপ্রকাশ করেছেন।
প্রারম্ভিক জীবন
[সম্পাদনা]লরাঁ ১৯৮৩ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি ফ্রান্সের প্যারিসে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা অ্যানিক (একজন ব্যালেরিনা)[১] এবং বাবা পিয়েরে লরাঁ (একজন ভয়েসওভার অভিনেতা, যিনি ফরাসি সংস্করণে দ্য সিম্পসনস-এর নেড ফ্ল্যান্ডার্স চরিত্রে কণ্ঠ দেন)[২][৩]। তিনি ইহুদি বংশোদ্ভূত। তার পূর্বপুরুষদের মধ্যে অ্যাশকেনাজি ইহুদি (পোলিশ-ইহুদি) এবং সেফারডিক ইহুদি (তিউনিসিয়-ইহুদি) উভয়েরই রক্ত রয়েছে[৪][৫]। নাৎজি দখলদারিত্বের সময় তার দাদাকে পোল্যান্ড থেকে বিতাড়িত করা হয়েছিল। তবে তখন তিনি প্রাণে বেঁচে যান[৫]। তার নানাশ্বশুরবাড়ীর সদস্যরা চলচ্চিত্র পোস্টার সম্পাদক ছিলেন[১]।
তিনি প্যারিসের ৯ম আর্ডনডিসমেন্টে বেড়ে ওঠেন[১]।
এক বন্ধু ও তার বাবার সাথে অ্যাস্টেরিক্স অ্যান্ড ওবেলিক্স চলচ্চিত্রের সেটে যাওয়ার সময় জেরার ডেপার্ডিয়ু তাকে চলচ্চিত্রে অভিনয়ের প্রস্তাব দেন। লরাঁ জবাব দেন, "কেন নয়?"। তিনি তাকে অভিনয়ের ক্লাস নিতে নিষেধ করেন, কারণ তার মতে লরাঁর মধ্যে ইতিমধ্যেই প্রয়োজনীয় দক্ষতা ছিল। ১৬ বছর বয়সে ডেপার্ডিয়ু তাকে দ্য ব্রিজ নামক একটি নাট্য চলচ্চিত্রে অভিনয়ের সুযোগ করে দেন, যাত তিনি নিজে অভিনয় ও সহযোগী পরিচালক ছিলেন।[৬]। লরাঁ চলচ্চত্রটিতে লিসবেথ ড্যাবোভাল চরিত্রে অভিনয় করেন, যিনি মূল চরিত্র ক্লেয়ার ড্যাবোভালের কন্যা[৭]। এছাড়াও তিনি মাই নেইবার টোটোরো চলচ্চিত্রের ফরাসি সংস্করণে সাতসুকি চরিত্রে এবং সোফিস মিসফরচুনস অ্যানিমেটেড সংস্করণে ম্যাডাম ডি ফ্লেউরভিলের যুব সংস্করণে কণ্ঠ দিয়েছেন[৮][৯][১০]।
পেশাজীবন
[সম্পাদনা]২০০৬-২০০৮: অভিষেক এবং প্রাথমিক সাফল্য
[সম্পাদনা]
লরাঁ তার কর্মজীবনের শুরুতে বেশ কয়েকটি চলচ্চিত্রে ছোটখাটো ভূমিকায় অভিনয় করেছেন। তিনি মিশেল ব্লাঙ্কের নাটক সামার থিংস, জ্যাকি চ্যানের কমেডি-নাটক রাইস র্যাপসোডি, জ্যাক অডিয়ারের নাটক দ্য বিট দ্যাট মাই হার্ট স্কিপড এবং ফ্রি ফরাসি বাহিনী সম্পর্কিত যুদ্ধ চলচ্চিত্র ডেইজ অব গ্লোরি-তে অভিনয় করেন।[১১]
২০০৬ সালে ফিলিপ লরেটের ডোন্ট ওয়ারি, আইম ফাইন চলচ্চিত্রে নিজের যমজ ভাইকে হারিয়ে আকুল হয়ে থাকা বিষণ্ন এক ১৯ বছর বয়সী ততরুণীর ভূমিকায় অভিনয় করার মাধ্যমে তার বড় সফলতা আসে। এতে অভিনয়ের জন্য তিনি সেজার অ্যাওয়ার্ড ফর মোস্ট প্রমিসিং অ্যাক্ট্রেস জয় করেন।[১২][১৩] ভ্যারাইটি ম্যাগাজিনের জন্য একটি পর্যালোচনায় রনি শেইব লরাঁর প্রশংসা করে লিখেন যে "কোনো রকমের মেজাজি বিষণ্নতা ছাড়াই তিনি তার চরিত্রের অবনমনকে সম্পূর্ণ বিশ্বাসযোগ্য করে তোলেন"[১৪]। একই বছর তিনি এবং বেলজীয় অভিনেতা জেরেমি রেনিয়ার ফ্রান্সের রোমি স্নাইডার এবং জিন গাবিন পুরস্কার জয় করেন যা সবচেয়ে সম্ভাবনাময় অভিনেতা এবং অভিনেত্রীকে প্রদান করা হয়ে থাকে।[১৫] এরপর লরাঁ অলিভিয়ার ভ্যান পরিচালিত ফ্রাঙ্কো-বেলজীয় কমেডি চলচ্চিত্র ডিকেনেক-এ অভিনয় করেন। এর বেলজীয় ঘরানার হাস্যরসের কারণে এটি কাল্ট চলচ্চিত্রের মর্যাদা পেয়েছে। চলচ্চিত্রটিতে তিনি মেরিয়ন কটিয়ার্ড, জেরেমি রেনিয়ার, জিন-লুক কুচার্ড এবং ডোমিনিক পিননের সাথে অভিনয় করেছেন[১৬]। এই চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য তিনি সিনেমা অফ ফ্রান্সের Étoiles d'Or for Best Female Newcomer পুরস্কার জয় করেন[১৭]।
২০০৭ সালে লরাঁ লে টিউর এবং হিডেন লাভ-এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয় করেন[১৮][১৯]। লা শাম্ব্রে দেস মর্টস চলচ্চিত্রে তার অভিনয়ের জন্য তিনি লুমিয়ের অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস-এর জন্য মনোনীত হন।[১৭] এরপর লরেন্ট সেড্রিক ক্লাপিশের ২০০৮ সালের কমেডি-নাটক প্যারিস-এ অভিনয় করেন, একটি বৈচিত্র্যময় গোষ্ঠীর মানুষদের নিয়ে তৈরি একটি ফরাসি চলচ্চিত্র। এই চলচ্চিত্রে লরাঁর সাথে জুলিয়েত বিনোশ, রোমাঁ দুরিস, ফ্যাব্রিস লুচিনি এবং ফ্রাঁসোয়া ক্লুজেট অভিনয় করেছেন[২০]। চলচ্চিত্রটি ইতিবাচক পর্যালোচনা পায় এবং অভিনয়শিল্পীদের দক্ষতার জন্য প্রশংসিত হয়।[২১]
২০০৯-২০১০: হলিউডে অভিষেক এবং সাফল্য
[সম্পাদনা]লরাঁর ২০০৯ সালের জানুয়ারিতে প্যারিসের থিয়েটার মারিগনিতে তার প্রথম নাটক মি-কুই ক্যুর পিস্তাচে (তার পছন্দের একটি মিষ্টানের নাম) পরিচালনা করার কথা ছিল। তবে কোয়েন্টিন টারান্টিনোর চলচ্চিত্র ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস-এ শোশানা ড্রেফুসের ভূমিকায় অভিনয়ের প্রস্তাব পাওয়ার পর তিনি প্রকল্পটি থেকে সরে আসেন। ইনগ্লোরিয়াস বাস্টার্ডস চলচ্চিত্রে তিনি ব্র্যাড পিট, ডিয়ান ক্রুগা এবং ক্রিস্টোফ ওয়াল্টজের সাথে অভিনয় করেছেন। এতে তার অভিনীত চরিত্রটি ছিল ফরাসিভাষী। তবে কয়েকটি দৃশ্যের প্রয়োজনে তিনি ইংরেজি বলতে শিখেছিলেন।[২২][২৩][২৪] চলচ্চিত্রটি বাণিজ্যিক এবং সমালোচনামূলকভাবে সফল হয়, বিশ্বব্যাপী পৃক্ষাগৃহে ৩২১ মিলিয়ন ডলারেরও বেশি অর্থ আয় করে।[২৫]। এতে লরাঁর অভিনয় বেশ কয়েকজন সমালোচকের প্রশংসা পায়। মুভিলাইন-এর কাইল বুকানন লেখেন: "মেলানি লরাঁ ইংলোরিয়াস বাস্টার্ডস-কে হৃদয় এবং আত্মা প্রদান করেছেন। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের চলচ্চিত্রের কিছু চ্যালেঞ্জিং দৃশ্যে এই ২৬ বছর বয়সী ফরাসি অভিনেত্রীকে শোশানা চরিত্রে অ্যাঙ্কর করতে হয়েছে"[২৬]।

এন্টারটেইনমেন্ট উইকলি-এর ওয়েন গ্লাইবারম্যানের মতে লরাঁকে ১৬তম স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ডে মনোনীত করা উচিত ছিল। তিনি বলেন: "এক অভিনয়শিল্পীকে বিশেষভাবে আলোচনায় আনার জন্য, যাকে তারা সেরা পার্শ্বঅভিনেত্র বিভাগে স্ক্রিন অ্যাক্টরস গিল্ড অ্যাওয়ার্ড থেকে বাদ দিয়েছে, [...] আমি এই পারফরম্যান্সটি পুরোপুরি ভালোবাসি এবং আমার সন্দেহ যে অনেকেই তা করেন," এবং লরাঁর অভিনয়ের আরও প্রশংসা করে তিনি যোগ করেন, "[লরাঁ] উজ্জ্বল এবং, একটি অনন্য টারান্টিনো স্টাইলে, হৃদয়বিদারক। তার সাহসের উত্তাপে সেক্সি এবং উজ্জ্বল। আগুন নিভানো – এবং তা জ্বালানো। এটি একটি নোয়ারিশ আতঙ্ক এবং উত্তেজনার সংগীত হয়ে ওঠে, একটি চিহ্ন যে লরাঁ, শোশানা হিসেবে, তার ভাগ্য খুঁজে পেয়েছেন"।[২৭]
এক সাক্ষাৎকারে লরাঁ বলেছিলেন যে তিনি কোয়েন্টিন টারান্টিনোর প্রতি শ্রদ্ধা নিয়ে ইংলোরিয়াস বাস্টার্ডস-এ যোগ দিয়েছিলেন। "[ফরাসিরা] তাকে একজন স্বাধীন পরিচালক হিসেবে দেখে না; আমরা তাকে কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সর্বকালের সেরা পরিচালক হিসেবে দেখি" অডিশনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে লরাঁ বলেছিলেন যে তিনি শুরু থেকেই জানতেন যে এটি এমন একটি চলচ্চিত্র যেখানে তাকে থাকতেই হবে, কারণ তিনি তার ইহুদি পরিবারের ইতিহাসের কারণে চলচ্চিত্রে তার ভূমিকার সাথে সংযোগ অনুভব করেছিলেন[২৩][২৮]।
এছাড়াও লরাঁ শোশানা চরিত্রে তার অভিনয়ের জন্য অসংখ্য পুরস্কার জিতেছেন, যার মধ্যে রয়েছে অস্টিন ফিল্ম ক্রিটিকস অ্যাসোসিয়েশন অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস এবং অনলাইন ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস, এবং ডেট্রয়েট ফিল্ম ক্রিটিকস সোসাইটি অ্যাওয়ার্ডস, এম্পায়ার অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস এবং স্যাটার্ন অ্যাওয়ার্ড ফর বেস্ট অ্যাক্ট্রেস-এর মতো বিভাগে মনোনয়ন। ১৯৯৮ সাল থেকে উন্নয়নাধীন এই অত্যন্ত প্রত্যাশিত চলচ্চিত্রটি লরাঁর মার্কিন চলচ্চিত্রে প্রথম বড় ভূমিকা চিহ্নিত করে এবং লরাঁ নিজেকে উত্তর আমেরিকায় মূলধারার সাফল্যের দিকে এগিয়ে নেন।[২৯]
লরাঁ সঙ্গী জুলিয়ান বোইসেলিয়ার, সেইসাথে মারি ডেনার্নাউড, মেলানি ডাউটি এবং লুইস মনোট এই প্রযোজনায় অভিনয় করার কথা ছিল, যেখানে মঞ্চে কিছু শর্ট ফিল্ম ক্লিপ প্রজেক্ট করা হত, যার কিছু লে ব্যারন নাইটক্লাবে শুট করা হয়েছিল, যেখানে লরেন্ট লেখার সময় ঘন ঘন যেতেন।[৩০]
২০১০ সালে লরাঁ রোজেলিন বোশ পরিচালিত এবং অ্যালাইন গোল্ডম্যান প্রযোজিত ফরাসি চলচ্চিত্র দ্য রাউন্ড আপ-এ জিন রেনো, সিলভি টেস্টুড এবং গাদ এলমালেহের সাথে অভিনয় করেন। একটি তরুণ ইহুদি ছেলের সত্য কাহিনী অবলম্বনে তৈরি এই চলচ্চিত্রটি ১৯৪২ সালের জুলাই মাসে প্যারিসে ফরাসি পুলিশ দ্বারা ইহুদিদের গণগ্রেফতার, ভেল ডিভ রাউন্ডআপের চিত্রায়ণ করে, যারা নাৎজিদের সহযোগী ছিল।[৩১] চলচ্চিত্রটি এবং লরাঁর অভিনয় সমালোচকদের দ্বারা ভালোভাবে গ্রহণ করা হয়, দ্য গার্ডিয়ান-এর পিটার ব্র্যাডশো এটি "ভালো অভিনীত" বলে অভিহিত করেন[৩২][৩৩]। নিউজডে-এর জন অ্যান্ডারসন লরেন্টের প্রশংসা করে বলেন যে তিনি একজন "জেন্টাইল নার্স হিসেবে একটি অনুপ্রেরণাদায়ক পারফরম্যান্স" দিয়েছেন[৩৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- 1 2 3 Le Vaillant, Luc (৮ জুন ২০০৯)। "Mélanie Laurent : coup de fougue"। Libération.fr। ১১ জুন ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৭ আগস্ট ২০০৯।
- ↑ "Mélanie Laurent – Director, Screenwriter, Actress"। French movies professional directory। uniFrance। ১১ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ আগস্ট ২০০৯।
- ↑ Mélanie Laurent : Rétrospective। Dailymotion। ২৯ সেপ্টেম্বর ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ Gorov, Lynda (১৬ আগস্ট ২০০৯)। "Glorious women"। The Boston Globe। ১৯ মার্চ ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৬ আগস্ট ২০০৯।
- 1 2 Frétard, Dominique (৫ ডিসেম্বর ২০০৭)। "Elles s'appellent toutes Mélanie"। Le Monde। পৃ. ৫০–৫৩। ২৭ জুলাই ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৬ মার্চ ২০১০।
- ↑ "'In it for the drama and the danger"। The Independent। ২ জুলাই ২০১০। ৫ জুলাই ২০১০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত।
- ↑ "The Bridge"। Rotten Tomatoes। ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "30 ans de Totoro : Saviez-vous que Mélanie Laurent, Elle et Dakota Fanning ont doublé les héroïnes ?"। Premiere.fr (ফরাসি ভাষায়)। ১৭ এপ্রিল ২০১৮। ৩ মে ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০।
- ↑ "Mélanie LAURENT - Anime News Network"। www.animenewsnetwork.com। ৩ আগস্ট ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০।
- ↑ Les malheurs de Sophie, ১৬ সেপ্টেম্বর ২০২০ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত, সংগ্রহের তারিখ ১৭ মে ২০২০
- ↑ "50 facts about Mélanie Laurent: loves France, her street, her café, and not having to use a car"। BoomsBeat। ৯ অক্টোবর ২০১৫। ৪ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "Don't Worry I'm Fine"। Rotten Tomatoes। ১২ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "Honours 2007–32 The Cesar Ceremony"। César Award। ১৯ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Scheib, Ronnie (৭ সেপ্টেম্বর ২০০৬)। "Review: 'Don't Worry, I'm Fine'"। Variety। ১৮ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ James, Alison (১৭ অক্টোবর ২০০৬)। "Renier, Laurent win thesp kudos, Pair appear in police thriller 'La Chambre des morts'"। Variety। সংগ্রহের তারিখ ৩০ সেপ্টেম্বর ২০০৯।
- ↑ M.P। "Dikkenek (NT1) : Les répliques les plus cultes du film avec François Damiens"। Télé-Loisirs। ২৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১১ মে ২০১৬।
- 1 2 "Melanie Laurent"। AskMen। ২৮ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "Le Tueur"। Rotten Tomatoes। ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "Hidden Love"। Rotten Tomatoes। ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ "Paris"। The Guardian। ২৮ জুলাই ২০০৮। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "Paris"। Rotten Tomatoes। Fandango Media। ১৮ সেপ্টেম্বর ২০০৯। ১১ অক্টোবর ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ জুলাই ২০১৬।
- ↑ Inglourious Basterds Movie Special with Alex Zane, Channel 4
- 1 2 Gomez, Tim (২২ আগস্ট ২০০৯)। "Mélanie Laurent Interview: On Inglourious Basterds And Loving France"। CinemaBlend। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "Interview: Melanie Laurent for Inglourious Basterds"। ScreenCrave। ১৯ অক্টোবর ২০১৪ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৭ এপ্রিল ২০১৫।
- ↑ "Inglourious Basterds (2009)"। Box Office Mojo। Amazon.com। ১৮ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৬।
- ↑ Buchanan, Kyle (১৯ আগস্ট ২০০৯)। "Mélanie Laurent on Tarantino's Inglourious Basterds: 'To Survive on That Set, You Learn Fast!'"। Movieline। ৮ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Gleiberman, Owen (১৯ ডিসেম্বর ২০০৯)। "The SAG nominees: Why they chose the wrong actress from 'Inglourious Basterds'"। Entertainment Weekly। ১৩ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "Mélanie Laurent"। AllMovie। ২৪ জুন ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ মে ২০১৬।
- ↑ "Mélanie Laurent biography"। Tribute। ৭ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ Reygner, Laureline (২৫ সেপ্টেম্বর ২০০৮)। "La sublime et talentueuse Mélanie Laurent est sur tous les fronts !"। ২১ এপ্রিল ২০০৯ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২১ অক্টোবর ২০০৯।
- ↑ Tartaglione, Nancy (৪ নভেম্বর ২০০৯)। "Alain Goldman mounts French Holocaust epic with Gaumont"। Screen International। ৩ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৫ মার্চ ২০১৬।
- ↑ "La Rafle"। Rotten Tomatoes। ৭ জুন ২০১১। ২০ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৬।
- ↑ Bradshaw, Peter (১৬ জুন ২০১১)। "The Round Up – review"। The Guardian। ২৬ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৬।
- ↑ Anderson, John (১৫ নভেম্বর ২০১২)। "'La Rafle' review: A Holocaust story"। Newsday। ১৯ আগস্ট ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২ জুলাই ২০১৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ইন্টারনেট মুভি ডেটাবেজে মেলানি লরাঁ (ইংরেজি)
- রটেন টম্যাটোসে মেলানি লরাঁ (ইংরেজি)
- আলোসিনেতে মেলানি লরাঁ (ফরাসি)
- ১৯৮৩-এ জন্ম
- জীবিত ব্যক্তি
- ২১শ শতাব্দীর ফরাসি অভিনেত্রী
- সেজার পুরস্কার বিজয়ী
- ইহুদি ফরাসি অভিনেত্রী
- প্যারিসের অভিনেত্রী
- মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে প্রবাসী ফরাসি অভিনেত্রী
- ফরাসি নারী মডেল
- ফরাসি গায়িকা
- ফরাসি চলচ্চিত্র অভিনেত্রী
- ফরাসি চলচ্চিত্র পরিচালক
- পোলীয়-ইহুদি বংশোদ্ভূত ফরাসি ব্যক্তি
- ফরাসি চিত্রনাট্যকার
- ফরাসি নারী চলচ্চিত্র পরিচালক
- ফরাসি নারী চিত্রনাট্যকার
- ইহুদি নারী মডেল
- ইহুদি গায়িকা
- ইহুদি লেখিকা
- ২১শ শতাব্দীর মিজরাহি ইহুদি