মেরি কার্পেন্টার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
সরাসরি যাও: পরিভ্রমণ, অনুসন্ধান
মেরি কার্পেন্টার
জন্ম (১৮০৭-০৪-০৩)৩ এপ্রিল ১৮০৭
এক্সিটার, ইংল্যান্ড
মৃত্যু ১৪ জুন ১৮৭৭(১৮৭৭-০৬-১৪) (৭০ বছর)
ব্রিস্টল
সমাধি ব্রিস্টল
স্থানাঙ্ক: ৫১°২৬′০৬″ উত্তর ২°৩৩′৫৪″ পশ্চিম / ৫১.৪৩৫° উত্তর ২.৫৬৫° পশ্চিম / 51.435; -2.565
বাসস্থান ব্রিস্টল
কার্যকাল ১৮৩৫-১৮৭৭
যে জন্য পরিচিত শিক্ষাব্রতী, সমাজকর্ম
পিতা-মাতা ল্যান্ট কার্পেন্টার, আনা পেন

মেরি কার্পেন্টার (৩ এপ্রিল, ১৮০৭ - ১৪ জুন, ১৮৭৭) একজন ভারতপ্রেমিক মহিলা শিক্ষাব্রতী ও সমাজসংস্কারক। স্ত্রী শিক্ষার উন্নতিকল্পে ও কারাসংস্কার আন্দোলনে তিনি অগ্রনী ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন[সম্পাদনা]

মেরি কার্পেন্টার ইংল্যান্ডের এক্সিটারে জন্ম গ্রহন ককরেন। তার পিতার নাম ল্যান্ট কার্পেন্টার। তিনি একেশ্বরবাদী যাজক ছিলেন। পিতার কাছে মেরি মানবসেবার আদর্শে দীক্ষা নেন। ইংল্যান্ডে নিরাশ্রয় শিহু ও অপরাধপ্রবন শিশুদের সংশোধনের উদ্দেশ্যে একাধিক বিদ্যালয় স্থাপন করেছিলেন। ব্রিস্টল ওয়ার্কিং এন্ড ভিসিটিং সোসাইটি'র সম্পাদক ছিলেন ২০ বছরের অধিক সময়।[১][২]

অবদান[সম্পাদনা]

১৮৩৩ খৃষ্টাব্দে পিতৃবন্ধু রামমোহন রায়ের সাথে পরিচয় হলে স্ব-ইচ্ছায় তিনি ভারতে আসেন। ভারতের সংস্কৃতি ও সমাজ সম্পর্কে তার বিশেষ শ্রদ্ধা ছিল। ভারতে স্ত্রী শিক্ষার উন্নতিতে তার অবদান আছে। মোট চারবার তিনি ভারতে আসেন। সমাজসেবী শ্রীমতি রাজকুমারী বন্দ্যোপাধ্যায় তার প্রেরনায় নারীশিক্ষার কাজে যোগ দেন। ব্রাহ্মসমাজের অপর নেতা কেশবচন্দ্র সেনের সাথে তার যোগাযোগ হয়। মহিলা বিদ্যালয়, অপরাধপ্রবনতা সংশোধনের বিদ্যালয় ইত্যাদি স্থাপনা, কারাগার পরিদর্শনমূলক কাজে অগ্রনী ছিলেন তিনি। ১৯৬৭ সালে তার চেষ্টায় 'বেঙ্গল সোসাল সায়েন্স এসোসিয়েশন' তৈরী হয়। ব্রিস্টলে 'ন্যাশনাল ইনডিয়ান এসোসিয়েশন' (১৮৭০) প্রতিষ্টাতেও তার অবদান ছিল। ইংরেজ রাজপুরুষ ও বিশিষ্ট ভারতীয়দের সাথে তার পরিচয় হয়। বিদ্যালয় নির্মান ও কারাসংস্কারের সাথে যুক্ত হয়ে সারা ভারত পরিদর্শন করেন তিনি।[২][৩]

রচনা[সম্পাদনা]

  • লাস্ট ডেইজ ইংল্যান্ড অফ দি রাজা রামমোহন রায়
  • সিক্স মান্থস ইন ইন্ডিয়া
  • আওয়ার কনভিক্টস
  • মেমোয়ার অফ জোসেফ টুকারম্যান
  • মর্নিং এন্ড ইভনিং মেডিটেশনস

মৃত্যু[সম্পাদনা]

ইংল্যান্ডের ব্রিস্টল শহরে ১৪ জুন ১৮৭৭ সালে তিনি মারা যান।[২]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]

  1. Fawcett, Millicent Garrett (১৮৮৬)। Some Eminent Women of Our Times : Short Biographical Sketches.। London: Macmillan। পৃ: ১২। 
  2. প্রথম খন্ড, সুবোধচন্দ্র সেনগুপ্ত ও অঞ্জলি বসু (২০০২)। সংসদ বাঙালি চরিতাভিধান। কলকাতা: সাহিত্য সংসদ। পৃ: ৪২৫। 
  3. "Juvenile Delinquents: Their Condition and Treatment’ by Mary Carpenter"thetcj.org। ১ নভেম্বর, ২০০৮। সংগৃহীত ১ মে, ২০১৭