মেরি অ্যান্ডারসন (স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ)
মেরি অ্যান্ডারসন | |
|---|---|
| জন্ম | মেরি মার্গারেট অ্যান্ডারসন ১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ Forres, স্কটল্যান্ড |
| মৃত্যু | ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৬ (বয়স ৭৪) ফোরস, স্কটল্যান্ড |
| জাতীয়তা | স্কটিশ |
| শিক্ষা | এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় |
| পেশা | চিকিৎসক, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ |
| পরিচিতির কারণ | লুইশাম হাসপাতালের অ্যান্ডারসন মেটারনিটি ইউনিট তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে |
| মেডিকেল কর্মজীবন | |
| পেশা | চিকিৎসক, স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ |
| ক্ষেত্র | ধাত্রীবিদ্যা ও স্ত্রীরোগবিদ্যা |
| প্রতিষ্ঠান | সেন্ট মেরি'স হাসপাতাল, লন্ডন ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল লুইশাম |
মেরি মার্গারেট অ্যান্ডারসন CBE FRCOG (১২ ফেব্রুয়ারি ১৯৩২ – ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০০৬) একজন স্কটিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ছিলেন।[১]
প্রারম্ভিক জীবন এবং শিক্ষা
[সম্পাদনা]মেরি মার্গারেট অ্যান্ডারসন ১৯৩২ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি স্কটল্যান্ডের ফোরসে জন্মগ্রহণ করেন। তার মা লিলি একজন গণিত শিক্ষক ছিলেন এবং তার বাবা একজন ফার্মাসিস্ট ছিলেন।[২][৩] তিনি ফোরস একাডেমিতে পড়াশোনা করেন, যেখানে তিনি 'ডক্স' (Dux) ছিলেন। এরপর তিনি এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয়ে চিকিৎসাশাস্ত্রে অধ্যয়ন করেন,[৪] এবং ১৯৫৬ সালে স্নাতক হন।[৫]
কর্মজীবন
[সম্পাদনা]অ্যান্ডারসন তার চিকিৎসা শিক্ষা সম্পন্ন করার জন্য লন্ডনে চলে আসেন। পড়াশোনা শেষ করার পর তিনি লন্ডনের সেন্ট মেরি'স হাসপাতালে নিযুক্ত প্রথম মহিলা ধাত্রীবিদ্যা রেজিস্ট্রার হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণ করেন।[২][৪] ১৯৬৭ সালে অ্যান্ডারসন ইউনিভার্সিটি হাসপাতাল লুইশামে একজন সিনিয়র কনসালট্যান্ট এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ হিসেবে নিযুক্ত হন,[৪] যেখানে তিনি তার অবসর গ্রহণ পর্যন্ত কাজ করেছেন।[৫] অ্যান্ডারসন ১৯৮৯ থেকে ১৯৯২ সাল পর্যন্ত রয়্যাল কলেজ অব অবস্টেট্রিশিয়ানস অ্যান্ড গাইনোকোলজিস্টস-এর ভাইস-প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[৫] তিনি ব্যারনেস কাম্বারলেজ-এর সভাপতিত্বে গঠিত 'কমিটি অব দ্য ফিউচার অব মেটারনিটি সার্ভিসেস'-এর সদস্য এবং মেডিকেল ডিফেন্স ইউনিয়ন-এর কাউন্সিল সদস্য হিসেবেও কাজ করেছেন।[৪] অ্যান্ডারসন মহিলাদের স্বাস্থ্য সমস্যা, যেমন মেনোপজ পরবর্তী রক্তপাতের বিষয়ে একজন বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত ছিলেন।[৬] ১৯৯৬ সালে রানীর জন্মদিনের সম্মাননায় তিনি কমান্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (সিবিই) নিযুক্ত হন।[৪]
মৃত্যু এবং উত্তরাধিকার
[সম্পাদনা]পারকিনসন রোগের জটিলতার কারণে তিনি ২০০৬ সালের ১৭ ফেব্রুয়ারি ফোরসে ৭৪ বছর বয়সে মৃত্যুবরণ করেন।[২] তাকে ফোরসের ক্লানি হিলে পারিবারিক কবরে সমাহিত করা হয়।[২] লুইশাম হাসপাতালের অ্যান্ডারসন মেটারনিটি ইউনিটটি তার সম্মানে নামকরণ করা হয়েছে।[২]
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]চিকিৎসাসেবাতে অবদানের জন্য ১৯৯৬ সালের জন্মদিনের সম্মাননায় তাকে কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার (সিবিই) করা হয়।[৭]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Mary Margaret Anderson - Longer version"। British Medical Journal (ইংরেজি ভাষায়)। ১ জানুয়ারি ২০১৮। আইএসএসএন 1756-1833।
- 1 2 3 4 5 "Mary Anderson – an appreciation"। The Scotsman (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৩ জুন ২০১৭।
- ↑ "Anderson, Mary Margaret, (12 Feb. 1932–17 Feb. 2006), Consultant Obstetrician and Gynaecologist, Lewisham Hospital, 1967–97", Who Was Who (ইংরেজি ভাষায়), Oxford University Press, ১ ডিসেম্বর ২০০৭, ডিওআই:10.1093/ww/9780199540884.013.u5480, আইএসবিএন ৯৭৮-০-১৯-৯৫৪০৮৯-১, সংগ্রহের তারিখ ১২ জুলাই ২০২১
- 1 2 3 4 5 Cassidy, Laura (মার্চ ২০০৬)। "Obituary: Margaret Mary Anderson"। Royal College of Obstetricians and Gynaecologists (RCOG) (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ২২ জুলাই ২০২৫।
- 1 2 3 Daphne Christie; Tilli Tansey, সম্পাদকগণ (২০০১)। Maternal Care। Wellcome Witnesses to Contemporary Medicine। History of Modern Biomedicine Research Group। আইএসবিএন ৯৭৮-০-৮৫৪৮৪-০৭৯-৩। ওএল 11612215M। Wikidata Q29581655।
- ↑ Greer, Germaine (১৪ আগস্ট ২০১৮)। The Change: Women, Aging, and Menopause (ইংরেজি ভাষায়)। Bloomsbury Publishing USA। আইএসবিএন ৯৭৮-১-৬৩২৮৬-৯২০-৩।
- ↑ "নং. 54427"। দ্যা লন্ডন গেজেট (ইংরেজি ভাষায়)। ১৪ জুন ১৯৯৬।
বহিঃসংযোগ
[সম্পাদনা]- ১৯৩২-এ জন্ম
- ২০০৬-এ মৃত্যু
- এডিনবরা বিশ্ববিদ্যালয় মেডিকেল স্কুলের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- ফোরসের ব্যক্তি
- ব্রিটিশ স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
- নারী স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ
- ২০শ শতাব্দীর স্কটিশ চিকিৎসক
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ চিকিৎসক
- কমান্ডার অব দ্য অর্ডার অব দ্য ব্রিটিশ এম্পায়ার
- ২০শ শতাব্দীর স্কটিশ নারী চিকিৎসক
- ২১শ শতাব্দীর ব্রিটিশ নারী চিকিৎসক