মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজার

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
মেরিন ড্রাইভ
মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজার
মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজার
স্থানাঙ্ক: ২১°২৩′৩৫″ উত্তর ৯২°০০′০২″ পূর্ব / ২১.৩৯৩১৫১° উত্তর ৯২.০০০৪৪৩° পূর্ব / 21.393151; 92.000443স্থানাঙ্ক: ২১°২৩′৩৫″ উত্তর ৯২°০০′০২″ পূর্ব / ২১.৩৯৩১৫১° উত্তর ৯২.০০০৪৪৩° পূর্ব / 21.393151; 92.000443
দেশবাংলাদেশ
জেলাকক্সবাজার
সময় অঞ্চলবিএসটি (ইউটিসি+০৬:০০)

মেরিন ড্রাইভ কক্সবাজার ৮০ কিলোমিটার দীর্ঘ একটি সড়ক, যা বঙ্গোপসাগর এর পাশ দিয়ে কক্সবাজারের কলাতলী সৈকত থেকে টেকনাফ পর্যন্ত বিস্তৃত।[১] এটি বর্তমানে পৃথিবীর দীর্ঘতম মেরিন ড্রাইভ সড়ক। ২০১৭ সালের ৬ মে এটি বাংলাদেশের বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উদ্বোধন করেন।।[২]

পটভূমি[সম্পাদনা]

এই সড়ক নির্মাণের পরিকল্পনা করা হয় ১৯৮৯ সালে। ১৯৯৩ সালে তৎকালীন সরকার ৪৮ কিঃমিঃ দীর্ঘ মেরিন ড্রাইভ প্রকল্প গ্রহণ করেন।[৩] তবে ২ কিঃমিঃ সড়ক নির্মানের পর এর কাজ বন্ধ হয়ে যায় এবং সড়কটি সাগরের প্রবল স্রোতে বিলীন হয়ে যায়। পরবর্তিতে ১৯৯৫ সালে এর নির্মাণ কাজ পুনরায় শুরু হয়। তখন এর নির্মান কাজের দায়িত্ব দেয়া হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকে।[৪] মাঝে কয়েক বছর কাজ বন্ধ থেকে পুনরায় ২০০৮ সালে এর নির্মাণ কাজ শুরু হয়।[৫]

নির্মাণ[সম্পাদনা]

বাংলাদেশ সড়ক ও জনপথ বিভাগের অধীনে এটির নির্মাণ কাজ পরিচালনা করে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর ১৬ ইঞ্জিনিয়ার কনস্ট্রাকশন ব্যাটালিয়ন এর নির্মান কাজে নিয়োজিত ছিল। তিনটি ধাপে মেরিন ড্রাইভটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রথম ধাপে কক্সবাজার শহরের কলাতলী থেকে ইনানী পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার, দ্বিতীয় ধাপে শিলখালী থেকে টেকনাফ সদর পর্যন্ত ২৪ কিলোমিটার ও শেষ ধাপে শিলখালী থেকে টেকনাফের সাবরাং পর্যন্ত ৩২ কিলোমিটার সড়ক তৈরি করা হয়। এতে মোট খরচ হয় প্রায় ৪৫৬ কোটি টাকা।[৬][৭] এর নির্মাণ কাজ ২০১৮ সালে শেষ হওয়ার কথা থাকলেও এক বছর আগেই তা শেষ হয়ে যায়।[৪] এটির নির্মান কাজ চলাকালীন ২০১০ সালের ১৪ জুন পাহাড় ধসে নির্মাণ কাজে নিয়োজিত ছয় সেনা সদস্যের মৃত্যু হয়।[৫]

গ্যালারি[সম্পাদনা]

তথ্যসূত্র[সম্পাদনা]