বিষয়বস্তুতে চলুন

মেনকা গুরুস্বামী

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মেনকা গুরুস্বামী
জন্ম (1974-11-27) ২৭ নভেম্বর ১৯৭৪ (বয়স ৫১)
মাতৃশিক্ষায়তনঅক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়
হার্ভার্ড আইন স্কুল
জাতীয় আইন স্কুল
পেশাভারতের সর্বোচ্চ আদালতে সিনিয়র অ্যাডভোকেট
রাজনৈতিক দলতৃণমূল কংগ্রেস (২০২৬–বর্তমান)
সঙ্গীঅরুন্ধতী কাটজু (২০১৮-বর্তমান)
সংসদ সদস্য, রাজ্যসভা
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
৩ এপ্রিল ২০২৬
পূর্বসূরীমৌসম নুর
নির্বাচনী এলাকাপশ্চিমবঙ্গ

ডঃ মেনকা গুরুস্বামী (জন্ম: ২৭ নভেম্বর ১৯৭৪) ভারতের সুপ্রিম কোর্টের একজন বরিষ্ঠ আইনজীবী এবং রাজনীতিবিদ। তিনি ২০১৭ থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া ল স্কুলে বি আর আম্বেদকর গবেষণা পণ্ডিত এবং প্রভাষক ছিলেন।[] তিনি ইয়েল ল স্কুল, নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ ল এবং ইউনিভার্সিটি অফ টরন্টো ল অনুষদে ভিজিটিং ফ্যাকাল্টি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[] তিনি সুপ্রিম কোর্টে অনেক যুগান্তকারী মামলায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করার জন্য পরিচিত, এগুলির মধ্যে রয়েছে ধারা ৩৭৭ মামলা, আমলাতান্ত্রিক সংস্কার মামলা, অগাস্টা ওয়েস্টল্যাণ্ড ঘুষ মামলা, সালওয়া জুড়ুম মামলা এবং শিক্ষার অধিকার মামলা।[] তিনি মণিপুরে সামরিক ও নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যদের দ্বারা ১,৫২৮ জন ব্যক্তির বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টকে অ্যামিকাস কিউরি (লাতিন: amicus curiae, আদালতের বন্ধু) হিসেবে সহায়তা করছেন।[]

মেনকা আন্তর্জাতিক মানবাধিকার আইনের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে নিউ ইয়র্কের জাতিসংঘ উন্নয়ন তহবিল, নিউ ইয়র্কেরই জাতিসংঘ শিশু তহবিল (ইউনিসেফ) এবং দক্ষিণ সুদানের ইউনিসেফকে পরামর্শ দিয়েছেন। তিনি নেপালে সংবিধান প্রণয়ন প্রক্রিয়াকেও সমর্থন করেছেন।[]

প্রাথমিক জীবন এবং শিক্ষা

[সম্পাদনা]

মেনকা হলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রাক্তন কৌশলবিদ এবং কেন্দ্রীয় অর্থমন্ত্রী যশবন্ত সিনহার বিশেষ উপদেষ্টা মোহন গুরুস্বামী এবং মীরা গুরুস্বামীর কন্যা।[][]

মেনকা অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়, হার্ভার্ড আইন স্কুল এবং ভারতের জাতীয় আইন স্কুল থেকে আইনে উচ্চতর ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা হায়দ্রাবাদ পাবলিক স্কুল[] থেকে সম্পন্ন হয়। এরপর তিনি নতুন দিল্লির সর্দার প্যাটেল বিদ্যালয় থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পাস করেন। এরপর তিনি ব্যাঙ্গালোরের ন্যাশনাল ল স্কুল অফ ইণ্ডিয়া বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএএলএল.বি. (অনার্স) ডিগ্রি অর্জন করেন (১৯৯৭)। পরবর্তীতে, তিনি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ে বিসিএল পড়ার জন্য রোডস স্কলারশিপ (২০০০)[১০] এবং হার্ভার্ড আইন স্কুলে এলএলএম করার জন্য গ্যামন ফেলোশিপ (২০০১) লাভ করেন। তিনি ২০১৫ সালে অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় থেকে 'ভারত, পাকিস্তান এবং নেপালে সংবিধানবাদ' শীর্ষক একটি থিসিস নিয়ে ডি.ফিল ডিগ্রি অর্জন করেন।

২০১৯ সালে, সিএনএন-এর ফরিদ জাকারিয়ার সাথে একটি সাক্ষাৎকারে, মেনকা প্রকাশ করেছিলেন যে তিনি আইনজীবী অরুন্ধতী কাটজুর সাথে সমকামী সম্পর্কে আছেন। ২০১৮ সালে তিনি সুপ্রিম কোর্টে সওয়াল করেছিলেন যাতে ৩৭৭ ধারাকে অপরাধমুক্ত করা যায়। পরে তিনি বলেছিলেন যে এই জয় কেবল একটি পেশাদার মানদণ্ড নয় বরং একটি ব্যক্তিগত জয়ও ছিল।[১১]

কর্মজীবন

[সম্পাদনা]

মেনকা ১৯৯৭ সালে বারে যোগ দেন এবং তৎকালীন ভারতের অ্যাটর্নি জেনারেল অশোক দেশাইয়ের সাথে কাজ শুরু করেন। অক্সফোর্ড থেকে বিসিএল (২০০০) এবং হার্ভার্ড থেকে এলএলএম (২০০১) সম্পন্ন করার পর, তিনি নিউ ইয়র্কের ডেভিস পোক অ্যাণ্ড ওয়ার্ডওয়েলে একজন সহযোগী হিসেবে আইন অনুশীলন করেন।

ভারতের সুপ্রিম কোর্টে তাঁর কাজের ক্ষেত্রগুলির মধ্যে রয়েছে হোয়াইট কলার ডিফেন্স, সাংবিধানিক আইন, কর্পোরেট আইন এবং সালিশি। তিনি বিভিন্ন মামলায় ভারত সরকার এবং ভারতের জাতীয় রাজধানী অঞ্চল দিল্লির হয়ে প্রতিনিধিত্ব করেছেন।

সমকামিতাকে অপরাধমুক্তকরণ

[সম্পাদনা]

২০১৬ সালের এপ্রিল মাসে, মেনকা, অরুন্ধতী কাটজু এবং সৌরভ কৃপাল সহ আইনজীবীদের একটি দল, ভারতীয় দণ্ডবিধি, ১৮৬০ সালের ধারা ৩৭৭-এর সাংবিধানিক বৈধতাকে চ্যালেঞ্জ ক'রে নভতেজ সিং জোহরের নেতৃত্বে পাঁচজন এলজিবিটি আবেদনকারীর পক্ষে একটি আবেদন দাখিল করেন। এলজিবিটি ভারতীয়রা তাঁদের মৌলিক অধিকার লঙ্ঘনের অভিযোগে যে রিট আবেদন দাখিল করেছিলেন, এটি তার প্রথম উদাহরণ ছিল।[১২] মেনকা দিল্লির ইণ্ডিয়ান ইনস্টিটিউট অফ টেকনোলজির আবেদনকারীদের পক্ষেও উপস্থিত ছিলেন এবং ঐতিহাসিক রায়ে, সুপ্রিম কোর্টের ৫-বিচারপতির সাংবিধানিক বেঞ্চ ৩৭৭ ধারাকে সম্মতিপ্রাপ্ত প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয় বলে পড়ে শোনান।

তিনি সুরেশ কুমার কৌশল বনাম নাজ ফাউণ্ডেশন (২০১৩) মামলায় সুপ্রিম কোর্টে চলচ্চিত্র নির্মাতা শ্যাম বেনেগালের পক্ষেও উপস্থিত ছিলেন।

আমলাতান্ত্রিক সংস্কার মামলা

[সম্পাদনা]

টি এস আর সুব্রহ্মণ্যম ও অন্যান্য বনাম ভারত ইউনিয়ন মামলায়, মেনকা প্রাক্তন ক্যাবিনেট সচিব টি এস আর সুব্রহ্মণ্যম এবং ৮০ জন অবসরপ্রাপ্ত উচ্চপদস্থ আমলার প্রতিনিধিত্ব করে বিভিন্ন আমলাতান্ত্রিক সংস্কার বাস্তবায়নের দাবি জানান।[১৩] একটি তাৎপর্যপূর্ণ সিদ্ধান্তে সুপ্রিম কোর্ট অন্যান্য বিষয়ের মধ্যে এই রায় দিয়েছে যে, আমলারা সরকারি কর্মকর্তাদের মৌখিক আদেশ পালন করতে বাধ্য নন এবং তাঁদের অবশ্যই লিখিত আদেশের ওপর নির্ভর করতে হবে। এছাড়া, পদায়ন এবং বদলি সংক্রান্ত বিষয়গুলির তদারকি করার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য স্তরে বরিষ্ঠ আমলাদের নিয়ে একটি 'সিভিল সার্ভিস বোর্ড' গঠন করতে হবে।[১৪]

শিক্ষার অধিকার মামলা

[সম্পাদনা]

২০০৯ সালের শিশুদের বিনামূল্যে ও বাধ্যতামূলক শিক্ষার অধিকার আইনের ধারা ১২(১)(গ) এর সাংবিধানিক বৈধতা সম্পর্কিত মামলায় রাজস্থানের সোসাইটি ফর আনএইডেড প্রাইভেট স্কুলস বনাম ইউনিয়ন অফ ইণ্ডিয়া মামলায়, মেনকা মধ্যস্থতাকারী আজিম প্রেমজি ফাউণ্ডেশনের প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।[১৫] ধারা ১২(১)(গ)-এর বলে বেসরকারি অনুদানবিহীন স্কুলগুলিকে তাদের মোট ছাত্র ক্ষমতার ২৫% দুর্বল এবং সুবিধাবঞ্চিত শ্রেণীর শিশুদের ভর্তি করতে এবং তাদের বিনামূল্যে শিক্ষা প্রদান করতে বাধ্য করা হয়েছিল। সুপ্রিম কোর্ট এই বিধানের সাংবিধানিক বৈধতার পক্ষে রায় দিয়েছে।[১৬]

সালওয়া জুড়ুম মামলা

[সম্পাদনা]

নন্দিনী সুন্দর বনাম ছত্তিশগড় রাজ্যের [(২০১১) ৭ এসসিসি ৫৪৭] ঐতিহাসিক মামলায় সালওয়া জুড়ুমের বিরুদ্ধে যাঁরা সফলভাবে মামলা পরিচালনা করেছিলেন, মেনকা সেই আইনজীবীদের দলের একজন ছিলেন।[১৭] সালওয়া জুড়ুম ছিল মাওবাদী বিদ্রোহীদের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আদিবাসী যুবকদের বিশেষ পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে নিয়োগ করার একটি পদ্ধতি এবং তাদের অবিলম্বে নিরস্ত্রীকরণের নির্দেশ।[১৮]

অগাস্টা ওয়েস্টল্যাণ্ড ভিভিআইপি চপার কেলেঙ্কারি

[সম্পাদনা]

অগাস্টা ওয়েস্টল্যাণ্ড দুর্নীতিতে, হেলিকপ্টার কেনার চুক্তিতে মধ্যস্থতাকারী এবং ভারতীয় কর্মকর্তারা ঘুষ নিয়েছিলেন। সেই মামলায় একটি বিশেষ সিবিআই আদালতে মেনকা প্রাক্তন বিমান বাহিনী প্রধান এস পি ত্যাগীর প্রতিনিধিত্ব করেছিলেন।[১৯] ত্যাগীর গ্রেপ্তারের পর তিনি তাঁর জামিনের পক্ষে সফলভাবে যুক্তি উপস্থাপন করেছিলেন।[২০] ২০১৮ সালে, ত্যাগীর বিরুদ্ধে একটি চার্জশিট দাখিল করা হয়েছিল এবং মামলাটি বর্তমানে বিচারাধীন।

অ্যামিকাস কিউরি

[সম্পাদনা]

২০১২ সালে, বিচারপতি আফতাব আলম এবং বিচারপতি রঞ্জনা দেশাইয়ের একটি বেঞ্চ ভারতের মণিপুরে সশস্ত্র বাহিনী কর্তৃক ১৫২৮টি বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মামলায় মেনকাকে অ্যামিকাস কিউরি হিসেবে নিযুক্ত করেন। অন্যান্য অবদানের মধ্যে, মেনকা বেঞ্চের কাছে প্রস্তাব করেন যে ব্যক্তি হত্যার তদন্তের জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করা উচিত।[২১] ২০১৬ সালে, অ্যামিকাস এবং আবেদনকারীদের দাখিল গ্রহণ ক'রে, সুপ্রিম কোর্ট নির্দেশ দেয় যে পুলিশ বা সশস্ত্র বাহিনীর দ্বারা অতিরিক্ত বল প্রয়োগের বিষয়ে পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তদন্ত করা উচিত। আদালত জানায় যে, সেনাবাহিনীতে থাকার কারণে কেউ বিচারের উর্ধ্বে নন। যদি কোনো সেনা সদস্য অপরাধ করেন, তবে সাধারণ ফৌজদারি আদালতেও তাঁর বিচার হতে পারে এবং তিনি বিচার থেকে পুরোপুরি রেহাই পেতে পারেন না।[২২] ২০১৭ সালে, আদালত সিবিআইকে এই বিষয়ে তদন্ত সম্পন্ন করার উদ্দেশ্যে, মামলায় এফআইআর দায়ের করার জন্য এবং প্রয়োজনে চার্জশিট দাখিল করার জন্য একটি বিশেষ তদন্ত দল গঠন করার নির্দেশ দেয়।[২৩] মামলাটি সুপ্রিম কোর্টে চলমান।

বরিষ্ঠ অ্যাডভোকেট

[সম্পাদনা]

২০১৯ সালের ২৯শে মার্চ তারিখে, ভারতের সুপ্রিম কোর্ট মেনকাকে সিনিয়র অ্যাডভোকেট মনোনীত করে।[২৪] ব্যতিক্রমী আইনজীবীদের যোগ্যতার ভিত্তিতে ভারতের সুপ্রিম কোর্ট অথবা রাজ্যের হাইকোর্ট এই পদবী প্রদান করে। ভারতের প্রধান বিচারপতির সভাপতিত্বে গঠিত একটি স্থায়ী কমিটি এই পদবী প্রদান করে, এই কমিটিতে সুপ্রিম কোর্টের দু'জন সিনিয়র বিচারক, ভারতের অ্যাটর্নি জেনারেল থাকেন। এছাড়া থাকেন চেয়ারপারসন এবং অন্যান্য সদস্যদের মনোনীত বারের একজন সদস্য।[২৫] এরপর প্রতিটি আবেদন সুপ্রিম কোর্টের সকল বিচারপতির কাছে পাঠানো হয়, তাঁরা আবেদনকারী আইনজীবীদের তালিকা বিবেচনা করেন এবং বরাদ্দকৃত নম্বর পর্যালোচনা করেন।

শিক্ষাজীবন

[সম্পাদনা]

মেনকা ২০১৭ - ২০১৯ সাল পর্যন্ত নিউ ইয়র্কের কলম্বিয়া ল স্কুলে বি আর আম্বেদকর গবেষণা পণ্ডিত এবং প্রভাষক ছিলেন।[২৬] তিনি ইয়েল ল স্কুল, টরন্টো বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন অনুষদ[] এবং নিউ ইয়র্ক ইউনিভার্সিটি স্কুল অফ ল-এ ভিজিটিং অনুষদ হিসেবেও কাজ করেছেন। তিনি দক্ষিণ এশীয় সংবিধানবাদ, তুলনামূলক সাংবিধানিক আইন, সংঘাত-পরবর্তী গণতন্ত্রে সাংবিধানিক নকশা এবং অন্যান্য বিষয়ে কোর্স পড়ান।

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

২০২৬ সালের ২৭শে ফেব্রুয়ারি তারিখে, মেনকাকে ১৬ই মার্চ অনুষ্ঠিতব্য ২০২৬ সালের রাজ্যসভা নির্বাচনের জন্য পশ্চিমবঙ্গ থেকে তৃণমূল কংগ্রেসের দলীয় প্রার্থী হিসেবে ঘোষণা করা হয়।[২৭][২৮][২৯]

সম্মাননা এবং পুরস্কার

[সম্পাদনা]

মেনকা হলেন প্রথম ভারতীয় এবং দ্বিতীয় মহিলা যাঁর প্রতিকৃতি অক্সফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয়ের রোডস হাউসের মিলনার হলে রাখা হয়েছে।[৩০] ২০১৯ সালের জানুয়ারিতে, মিশেল ওবামা, কোফি আন্নান এবং জেফ বেজোসের মতো অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিত্বের সাথে ফরেন পলিসির ১০০ জন গ্লোবাল থিঙ্কার্স তালিকায় তাঁর নাম স্থান পেয়েছে।[৩১] ২০১৯ সালের মার্চ মাসে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে, মেনকাকে হার্ভার্ড ল স্কুল কর্তৃক একটি প্রতিকৃতি প্রদর্শনীতে নারী অনুপ্রেরণামূলক পরিবর্তন হিসেবে সম্মানিত করা হয়েছিল।[৩২] ২০১৯ সালে, তিনি অরুন্ধতী কাটজুর সাথে টাইম ১০০, টাইমের বিশ্বের ১০০ জন প্রভাবশালী ব্যক্তির তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।[৩৩] তিনি ফোর্বস ইণ্ডিয়ার নারী-শক্তির পথপ্রদর্শক তালিকায়, ২০১৯ সালেও স্থান পেয়েছেন।[৩৪]

প্রকাশনা

[সম্পাদনা]

মেনকা ২০১৯ সালের ১৯শে অক্টোবর, তারিখে যুক্তরাজ্যের হার্ট / ব্লুমসবারি পাবলিকেশন্স কর্তৃক প্রকাশিত "ফাউণ্ডিং মোমেন্টস ইন কনস্টিটিউশনালিজম" বইটির সহ-সম্পাদনা করেছেন। তাঁর সাম্প্রতিক প্রকাশনাগুলির মধ্যে রয়েছে "হ্যাণ্ডবুক অন কমপ্যারেটিভ কনস্টিটিউশনাল ল" (এডওয়ার্ড এলগার, ২০১৯), "অ্যামেরিকান জার্নাল অফ ইন্টারন্যাশানাল ল" (২০১৮) -এ "ক্র্যাফ্টিং কনস্টিটিউশনাল ভ্যালু: অ্যান এসে অন দ্য সুপ্রিম কোর্ট") এবং "অ্যান এনকোয়ারি অন দ্য এক্সিস্টেন্স অফ গ্লোবাল ভ্যালুজ, হার্ট পাবলিশিং/ব্লুমসবেরি (২০১৫)"।[]

মেনকা নিউ ইয়র্ক টাইমস, ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেস,[৩৫] স্ক্রোল.ইন এবং হিন্দুর মতো মুদ্রিত ও অনলাইন প্রকাশনাগুলিতে ব্যাপকভাবে লেখেন। [ তথ্যসূত্র প্রয়োজন ]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. "Hyderabad's Menaka Guruswamy gets rare honour at Rhodes"Deccan Chronicle। ২০ সেপ্টেম্বর ২০১৭। সংগ্রহের তারিখ ১৯ মে ২০২০
  2. 1 2 "Menaka Guruswamy, Research Scholar and Lecturer in Law"। ২৫ জুন ২০২১।
  3. 1 2 "Dr. Menaka Guruswamy, Faculty Profile"
  4. "Supreme Court upholds 25% reservation in private schools"
  5. "Human rights and the military"
  6. "Dr. Menaka Guruswamy, Research Scholar and Lecturer in Law" (পিডিএফ)
  7. "Menaka Guruswamy: Taking the law into her hands"
  8. "Business Today, People"archives.digitaltoday.in। সংগ্রহের তারিখ ৫ নভেম্বর ২০২০
  9. "A top legal honour: Oxford, Harvard and now Yale"। ৩১ জুলাই ২০১৫।
  10. "Profile with Menaka Guruswamy"
  11. "Section 377 Lawyers Menaka Guruswamy and Arundhati Katju Come Out as a Couple"। ২১ জুলাই ২০১৯।
  12. "Our lives should be lived in the sun': the couple fighting to legalise gay sex in India – The Guardian"TheGuardian.com। ২৪ জুলাই ২০১৮।
  13. "The Supreme Court has sent a message: Menaka Guruswamy"। নভেম্বর ২০১৩।
  14. "T.S.R. Subramanium & Others v. Union of India, Supreme Court of India" (পিডিএফ)
  15. "My Freedom to Argue"
  16. "SC upholds 25% reservation for poor in schools through RTE"। ১২ এপ্রিল ২০১২।
  17. "Nandini Sundar v. State of Chattisgarh, (2011) 7 SCC 547"
  18. "Supreme Court For Relief Of Victims Of Salwa Judum, Security Forces Or Naxalites"
  19. Gurung, Shaurya Karanbir। "AgustaWestland: 'European middleman discloses percentage of bribe paid to Tyagi brothers', says CBI to court"
  20. Gurung, Shaurya Karanbir। "CBI failed to state amount of money paid to former IAF Chief SP Tyagi in AgustaWestland case: court; grants him bail"
  21. "SCOI Report: Amicus Guruswamy, in fake encounter case, proposes SIT to probe mysterious Manipur killings"
  22. "Manipur Extra Judicial Killings: Allegation of excessive force by Police or Armed Forces must be thoroughly enquired into: SC"। ৮ জুলাই ২০১৬।
  23. "Manipur Extra Judicial Killings: SC Orders CBI To Constitute SIT"। ১৪ জুলাই ২০১৭।
  24. "Six women lawyers designated Senior Advocates by Supreme Court, 14 women Senior Advocates till date"। ২৯ মার্চ ২০১৯।
  25. "SC Finally Notifies Guidelines To Regulate Designation Of Senior Advocates"। ৬ আগস্ট ২০১৮।
  26. "Dr. Menaka Guruswamy, Research Scholar and Lecturer in Law"। ২৮ জুলাই ২০২২।
  27. "Ex-Bengal DGP, SC advocate, actor among 4 TMC nominees for RS polls"। Press Trust of India। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  28. "TMC fields Senior Advocate Menaka Guruswamy for Rajya Sabha"। Bar and Bench। ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২৬।
  29. "Menaka Guruswamy, TMC's pick for Rajya Sabha, could become India's first LGBTQ+ parliamentarian" (ভারতীয় ইংরেজি ভাষায়)। The Hindu। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬। ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২৬
  30. "For The First Time, An Indian Woman Scholar's Portrait Hangs At Rhodes House In Oxford"। ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৭।
  31. "A Decade of Global Thinkers"
  32. "Sudha, Menaka feature in Harvard Int'national Women's Day Portrait"। ৮ মার্চ ২০১৯।
  33. "Arundhati Katju and Menaka Guruswamy, Time 100"
  34. "Menaka Guruswamy: Taking the law into her hands"
  35. "Menaka Guruswamy"The Indian Express (ইংরেজি ভাষায়)। ১৬ অক্টোবর ২০২১। সংগ্রহের তারিখ ২৩ জুলাই ২০২২