মুহাম্মাদ ইবনে সালেহ আল-উসাইমিন
এই নিবন্ধটি উইকিপিডিয়ার জন্য মানসম্পন্ন অবস্থায় আনতে পরিচ্ছন্ন করা প্রয়োজন। মূল সমস্যা হলো: পাতাটি দেখতে মানানসই না। (জুন ২০২৬) |
শাইখুল ইসলাম মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন | |
|---|---|
محمد ابن صالح العثيمين | |
ডান থেকে— ইবনু সালেহ, খালিদ আল-সুলাইম, মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন (১৯৬৮) | |
| ব্যক্তিগত তথ্য | |
| জন্ম | ৯ই মার্চ, ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দ |
| মৃত্যু | ১০ই জানুয়ারী, ২০০১ খ্রিস্টাব্দ (৭১ বছর) |
| সমাধিস্থল | মক্কা, সৌদি আরব |
| ধর্ম | ইসলাম |
| জাতীয়তা | সৌদি আরব |
| জাতিসত্তা | আরব |
| আখ্যা | সুন্নী, হাম্বলী |
| ধর্মীয় মতবিশ্বাস | সালাফি |
| আন্দোলন | ওয়াহাবী |
| কাজ | |
| মুসলিম নেতা | |
| শিক্ষক | আব্দুর রহমান ইবনু নাসির আস-সাদী |
শিক্ষার্থী
| |
যার দ্বারা প্রভাবিত
| |
| পুরস্কার | ইসলাম পরিষেবায় বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার (১৯৯৪) |
| ওয়েবসাইট | binothaimeen |
আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু সুলাইমান ইবনু আব্দুর রহমান আল-উসাইমীন আত-তামিমী (আরবি: محمد ابن صالح العثيمين; জন্মঃ ৯ই মার্চ, ১৯২৯ – মৃত্যুঃ ১০ই জানুয়ারি, ২০০১), সাধারণত মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন বা ইবনু উসাইমীন নামে পরিচিত, ছিলেন বিংশ শতাব্দীর শেষার্ধে সৌদি আরবের অন্যতম বিশিষ্ট ইসলামী পণ্ডিত।[৪] তাকে আধুনিকযুগের অন্যতম শ্রেষ্ঠ ফকিহ হিসেবে বিবেচনা করা হতো।[৫]
পারিবারিক পটভূমি ও জন্ম
[সম্পাদনা]শাইখ মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন আল-ওয়াহাবী আত-তামীমী ১৩৪৭ হিজরির রমাদান মাসের ২৭তম রাতে জন্মগ্রহণ করেন। রমাদান মাসের ২৭তম রাতকে মুসলিমদের মধ্যে লাইলাতুল কদর—অর্থাৎ “মর্যাদার রাত”—হওয়ার সম্ভাবনাময় রাত হিসেবে বিবেচনা করা হয়। এই রাতেই প্রথম কুরআন নবি মুহাম্মাদ-এর প্রতি অবতীর্ণ হয়েছিল এবং এরপর থেকে রাতটি একটি গুরুত্বপূর্ণ রাত হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে।[৬][৭] ১৩৪৭ হিজরির ২৭ রমাদান গ্রেগরিয়ান বর্ষপঞ্জি অনুযায়ী ৯ মার্চ ১৯২৯ তারিখের সমতুল্য।
শাইখ মুহাম্মাদ আল-কাসিম অঞ্চলের নাজদ প্রদেশের উনাইযাহ শহরে সালিহ বিন মুহাম্মাদ আল-উসাইমীনের ঘরে জন্মগ্রহণ করেন। তাঁর পরিবার সুপরিচিত বনু তামীম গোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিল। আল-উসাইমীনের বংশপরিচয় হলো: মুহাম্মাদ বিন সালিহ বিন মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান বিন আবদুর রহমান বিন উসমান বিন আবদুল্লাহ বিন আবদুর রহমান বিন আহমাদ বিন মুকবিল। তাঁর পূর্বপুরুষ আহমাদ বিন মুকবিল আত-তামীমী বনু তামীম-এর ওয়াহাবাহ উপগোত্রের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন। তাঁর উপনাম আল-উসাইমীন তাঁর প্রপিতামহের প্রপিতামহ উসমান বিন আবদুল্লাহ থেকে উদ্ভূত, যিনি উসাইমীন নামে পরিচিত ছিলেন; এর অর্থ “ছোট উসমান”।[৭] আল-উসাইমীন পরিবারটি ধর্মীয় বিষয়ে জ্ঞানচর্চার জন্য ওই এলাকায় সুপরিচিত ছিল। তাঁর শৈশব ও প্রাথমিক জীবনকে নেককার এবং ইসলামী নৈতিকতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে।[৭]
শাইখ মুহাম্মাদের পুত্র আবদুল্লাহ বলেছেন যে, একবার তাঁর প্রপিতামহ মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান স্বপ্নে দেখেন যে, তিনি উনাইযাহ-এর লোকদের সমাবেশস্থলের নিকটবর্তী একটি বাজারে প্রসিদ্ধ হানবলি আলেম ইবনু তাইমিয়্যাহ-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন। সেই সাক্ষাতে ইবনু তাইমিয়্যাহ তাঁর হাতে একটি প্রদীপ তুলে দেন। এরপর মুহাম্মাদ বিন সুলাইমান স্বপ্নের ব্যাখ্যায় পারদর্শী আলেমদের কাছে এর অর্থ জানতে চান। তাঁরা তাঁকে জানান যে, তাঁর এমন একটি সন্তান হবে, যে সালিহ—অর্থাৎ নেককার—হবে এবং দ্বীনের জ্ঞানের ক্ষেত্রে উচ্চ মর্যাদা লাভ করবে। অতঃপর মুহাম্মাদ তাঁর পরবর্তী পুত্রের নাম রাখেন সালিহ। সালিহ নেককার হিসেবে পরিচিত ছিলেন, তবে তিনি জ্ঞানার্জনকারী আলেম ছিলেন না; পক্ষান্তরে সালিহের পুত্র মুহাম্মাদ বিন সালিহ আল-উসাইমীন ইসলামের একজন আলেম ছিলেন।
শিক্ষা
[সম্পাদনা]কুরআন মুখস্থ করা এবং প্রাথমিক পড়াশোনা সম্পন্ন করার পর তিনি উনাইযাহ-তে শাইখ মুহাম্মাদ ইবন আবদুল আজিজ আল-মুতাওয়্যা ও আলী আস-সালিহীর অধীনে পূর্ণকালীন ধর্মীয় শিক্ষা শুরু করেন। এই দুজন শিক্ষককে শাইখ আব্দুর রহমান ইবনু নাসির আস-সা‘দী প্রাথমিক পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের পড়ানোর জন্য নিযুক্ত করেছিলেন।[৮] এই দুই শিক্ষকের অধীনে এক বছর পড়াশোনা করার পর আল-উসাইমীন ১৯৪৫ সালে শাইখ আব্দুর রহমান ইবনু নাসির আস-সা‘দীর অধীনে পড়াশোনা শুরু করেন এবং আস-সা‘দীর মৃত্যুর আগ পর্যন্ত তাঁর ছাত্র হিসেবে থেকে যান। ১৯৫২ সালে আস-সালিহী ইবন উসাইমীনকে সদ্য প্রতিষ্ঠিত মা‘হাদ আল-ইলমি-তে রিয়াদ-এ ভর্তি হওয়ার পরামর্শ দেন। আস-সা‘দীর অনুমতি নেওয়ার পর তিনি সেখানে ভর্তি হন।[৪] সেখানে তিনি অন্যান্য শিক্ষকের পাশাপাশি ইবনু বায-এর কাছেও পড়াশোনা করেন। উনাইযাহ ফিরে আসার আগে তিনি সেখানে দুই বছর পড়াশোনা করেন। এরপর তিনি সেখানে শিক্ষকতা শুরু করেন এবং আস-সা‘দীর অধীনে পড়াশোনা অব্যাহত রাখেন।[৪][৯]
আকীদা
[সম্পাদনা]আল্লাহ সম্পর্কে তাঁর উপলব্ধিতে ইবন উসাইমীন কুরআনে আল্লাহর বর্ণিত গুণাবলির রূপক ব্যাখ্যা প্রত্যাখ্যান করেন এবং সেগুলোকে তাদের “আক্ষরিক” (হাকীকাতান) অর্থে স্বীকার করেন। তিনি আল্লাহর জন্য হাত, আঙুল, চেহারা, চোখ ও পায়ের মতো গুণাবলি সাব্যস্ত করেন। যদিও তিনি এসব গুণকে মানুষের গুণাবলির সঙ্গে অভিন্ন হওয়া অস্বীকার করেন, তবু তিনি আল্লাহ ও তাঁর সৃষ্টির মধ্যে কোনো না কোনো মাত্রায় সাদৃশ্য (নাও‘ তাশাবুহ) বিদ্যমান থাকার কথা স্বীকার করেন।[১০]
তিনি আল্লাহকে আকৃতির ঊর্ধ্বে সম্পূর্ণরূপে বিমূর্ত সত্তা হিসেবেও বিবেচনা করেন না। তিনি যুক্তি দেন যে, আল্লাহর গুণাবলির নির্দিষ্ট ধরন (কাইফিয়্যাহ) রয়েছে এবং তাঁর সত্তা ও কর্ম নির্ধারিত বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন। তবে যেহেতু আল্লাহকে প্রত্যক্ষ করা হয়নি এবং ওহিতে তাঁর আকৃতি সম্পর্কে নির্দিষ্ট কোনো বর্ণনা নেই, তাই ইবন উসাইমীন মনে করেন, এসব গুণাবলির সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি মানুষের অজ্ঞাত। ফলে তাঁর অবস্থান প্রকৃত ঐশী গুণাবলি এবং আল্লাহ ও সৃষ্টির মধ্যে কিছু সাদৃশ্য স্বীকার করে, একই সঙ্গে মানুষের পক্ষে সেগুলোর সুনির্দিষ্ট প্রকৃতি জানা সম্ভব নয় বলে মনে করে। এর ফলে আল্লাহ সম্পর্কে এমন একটি ধারণার উদ্ভব হয়, যা তাঁর প্রকৃতিকে অজ্ঞাত রাখে, কিন্তু একই সঙ্গে নৃতাত্ত্বিক বৈশিষ্ট্যসম্পন্ন হিসেবে উপস্থাপন করে।[১০]
তিনি বলেন:
তারা (ওহির মাধ্যমে বর্ণিত গুণাবলি) মানুষের নামসাদৃশ্যপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ—যেমন হাত, চেহারা, চোখ, পা ও আঙুল—এর সমতুল্য। ... তবে মানুষের ক্ষেত্রে এগুলো (দেহের) অংশ ও খণ্ডবিশেষ।
কিন্তু আল্লাহর ক্ষেত্রে আমরা অংশ ও খণ্ডের কথা বলি না। আল্লাহ অংশ ও খণ্ড নিয়ে গঠিত—এ কথা ওহিতে যেমন বলা হয়নি, তেমনি তা অস্বীকারও করা হয়নি। অতএব, কেউ যদি বলে যে আল্লাহ এমন এক সত্তা, যিনি অংশে বিভক্ত হতে পারেন না, তাহলে আমরা তাকে বলব, এই বক্তব্য একটি নিষিদ্ধ বিদআত। আল্লাহকে এ ধরনের নাকচের মাধ্যমে বর্ণনা করার কোনো প্রমাণ নেই। আর তুমি আল্লাহ সম্পর্কে আল্লাহ নিজে, তাঁর রাসুল কিংবা তাঁর সাহাবিদের চেয়ে অধিক জ্ঞানী নও। তাঁদের কেউ কখনো বলেননি যে আল্লাহ অংশে বিভক্ত হতে পারেন না।তবে আমরা এটাও বলি না যে তারা (সত্তাগত গুণাবলি) অংশ ও খণ্ড। আমরা কেবল এ ধরনের পরিভাষা ব্যবহারে বিরত থাকি। কিন্তু এগুলো মানুষের নামসাদৃশ্যপূর্ণ অঙ্গপ্রত্যঙ্গ, যা সমগ্র দেহ থেকে পৃথক করা যায়। পক্ষান্তরে আল্লাহর ক্ষেত্রে এমনটি কল্পনাযোগ্য নয়; অর্থাৎ আল্লাহ নিজের জন্য যে ‘হাত’ গুণটি সাব্যস্ত করেছেন, তা বিলীন হয়ে যেতে পারে—এমনটি কল্পনা করা যায় না। আল্লাহ অনন্তকাল ধরে নিজের জন্য এসব গুণ সাব্যস্ত করে আসছেন। এ কারণেই আমরা এগুলোকে অংশ ও খণ্ড বলি না।[১০]
বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার
[সম্পাদনা]শাইখ আল-উসাইমীন সৌদি আরবের রিয়াদে ইমাম মুহাম্মাদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের ইসলাম শিক্ষার অধ্যাপক এবং ওলামার উচ্চ কমিটির সদস্য ছিলেন। মুসলিম পণ্ডিত হিসেবে তার বিশিষ্ট কর্মজীবন এবং ইসলামের উদ্দেশ্যকে উৎসাহিত করার জন্য তার অক্লান্ত প্রচেষ্টার স্বীকৃতিস্বরূপ তাকে ইসলাম পরিষেবায় বাদশাহ ফয়সাল আন্তর্জাতিক পুরস্কার প্রদান করা হয়।[৯]
মৃত্যু
[সম্পাদনা]মুহাম্মাদ ইবনু সালিহ আল-উসাইমীন দীর্ঘদিন অসুস্থ থাকার পর ১০ জানুয়ারি ২০০১ সালে ৭১ বছর বয়সে কিং ফয়সাল স্পেশালিস্ট হাসপাতাল-এ জেদ্দায় মৃত্যুবরণ করেন।[৯]
বাংলা ভাষায় অনূদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে :
[সম্পাদনা]১. শারহু রিয়াদুস সালেহীন
২. তামবীহুল আফহাম বি শারহি উমদাতিল আহকাম
৩. আকিদাহ ওয়াসিতিয়্যাহ ও তার ব্যাখ্যা
৪. শারহু সালাসাতিল উসূল
৫. শারহু কাশফুশ শুবহাত
৬. ফাতাওয়া ইবনু উসাইমীন
৭. শারহু লুমআতিল ইতিকাদ
৮. ফাতাওয়ায়ে আরকানিল ইসলাম
৯. কিতাবুল ইলম
১০. আল উসূল মিন ইলমিল উসূল
১১. শারহ হাদীসে আরবাঈন আন-নাববী
১২. ইসলামী জাগরণ
১৩. তাকদীরের প্রতি ঈমান
১৪. ইসলামী পুনর্জাগরণের পথ ও পদ্ধতি;
১৫. উলামাদের মতানৈক্য ও আমাদের করণীয়
১৬. তাওবা
১৭. জাকাতুল ফিতর
১৮. সমাজসংস্কারে নারীর ভূমিকা
১৯. বিদআতের ভয়াবহতা
২০. সহীহ হাদীসে কুদসি
২১. ইসলাম-সমর্থিত কয়েকটি স্বভাবজাত অধিকার
২১. হজ ও উমরার সংক্ষিপ্ত বিবরণ
২২. স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয়সংক্রান্ত প্রশ্নোত্তর
২৩. সালাত পরিত্যাগকারীদের বিধান
২৪. ফিকহের মূলনীতি
২৫. ফিতনাতুত তাকফির
২৬. রিসালাতুল হিজাব
২৭. ইউথ প্রবলেম
২৮. সমাজতন্ত্রের অসারতা
২৯. মহান আল্লাহর নান্দনিক নাম ও গুণসমূহের নীতিমালা
ইংরেজি ভাষায় অনূদিত গ্রন্থাবলির মধ্যে রয়েছে :
[সম্পাদনা]Right by the Nature and Ordained by Shariah
Explanation of Ayatul-Qursi
Explaining the fundamentals of Faith
Fasting, the great act of worship
Explanation of Riyadus Saleheen. 2vol.
তাকে সাধারণভাবে শেখ ইবনে উসাইমিন নামে ডাকা হত; নিয়মিত ক্লাস, প্রকাশনা, রেডিও অনুষ্ঠান এবং প্রচার ও পরামর্শ কার্যক্রমের মাধ্যমে ছাত্র ও জনগণের সাথে ইসলাম ধর্ম সম্পর্কে শিক্ষা দিতেন।
অনুপ্রেরণা
[সম্পাদনা]আল-উসাইমিন এখন পর্যন্ত সালাফি আন্দোলনে একজন অনুপ্রেরণাদায়ক ব্যক্তিত্ব হিসেবে বিবেচিত।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
আরো দেখুন
[সম্পাদনা]ফতোয়াসমূহ
[সম্পাদনা]আল-উসাইমিনের মতে, নারীদের গাড়ি চালানো নিষিদ্ধ করা উচিত; কারণ ট্রাফিক লাইট, পেট্রোল স্টেশন, পুলিশ চেকপয়েন্ট এবং অন্যান্য গাড়ি সম্পর্কিত এনকাউন্টারে পুরুষ ও মহিলাদের সহজেই মিশ্রণের সুযোগ করে দেবে।[১১]
এছাড়াও, উসাইমিন বলেন, যে নামাজ আদায় করে না, সে ইসলাম থেকে বেরিয়ে যায় এবং যে স্বামী বা স্ত্রী সালাত আদায় করেনা তার সাথে থাকা বৈধ নয়।[১২]
উসাইমিন মদিনার সবুজ গম্বুজ ভেঙে ফেলার ও ইসলামের নবি মুহাম্মাদ এবং তার সাহাবি, আবু বকর ও উমর ইবনুল খাত্তাবের কবর সমান করার প্রস্তাবকে সমর্থন করেছিলেন।[১৩][১৪]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ أبو دقة, أحمد (২৮ ডিসেম্বর ২০১৫)। "اغتيال محمد زهران علوش... وإرباك الثورة"। مجلة البيان। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ أبو دقة, أحمد। "اغتيال محمد زهران علوش… وإرباك الثورة"। منتدى العلماء। ২ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৫ সেপ্টেম্বর ২০২০।
- ↑ "Assim al-Hakeem – International Open University" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
- 1 2 3 "Shaykh Muhammad Ibn Saalih Ibn 'Uthaymeen" (ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ জুন ২০০২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|archive-date=/|archive-url=টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 26 মে 2002 প্রস্তাবিত (সাহায্য) উদ্ধৃতি ত্রুটি:<ref>ট্যাগ বৈধ নয়; আলাদা বিষয়বস্তুর সঙ্গে ":0" নামটি একাধিক বার সংজ্ঞায়িত করা হয়েছে - ↑ "A kingdom divided"। islamdag.info (ইংরেজি ভাষায়)। ১৫ জুলাই ২০১০। ২৭ জুন ২০১১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
প্রথমত, ১৯৯৯ সালে বিন বাজ এবং আরেক পণ্ডিত মুহাম্মাদ বিন সালেহ আল-উসাইমিনের মৃত্যুর ফলে দুই বছর পর শূন্যতা সৃষ্টি হয়। উভয়কেই রক্ষণশীল সালাফি ইসলামে দৈত্য হিসাবে গণ্য করা হত এবং এখনও এর অনুসারীদের দ্বারা শ্রদ্ধেয়। ডিকিনসন কলেজের ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক এবং ওয়াহাবি মিশন এবং সৌদি আরবের লেখক ডেভিড ডিন কমিনস বলেন, তাদের প্রয়াণের পর থেকে কেউ সৌদি ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে সেই মাত্রার কর্তৃত্ব নিয়ে আবির্ভূত হয়নি।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|archive-date=/|archive-url=টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 5 মে 2014 প্রস্তাবিত (সাহায্য) - ↑ "Laylat al-Qadr | Night of Power, Meaning, & Significance | Britannica"। [www.britannica.com](http://www.britannica.com) (ইংরেজি ভাষায়)। সংগ্রহের তারিখ ১৬ জানুয়ারি ২০২৫।
- 1 2 3 Al-Badr, Abdul Muhsin। The Life of Imam Muhammad bin Salih Al-Uthaymeen (পিডিএফ)। Makkah Al-Mukkarramah।
- ↑ المري, عصام। الدر الثمين। الإسكندرية: دار البصيرة। পৃ. ২৫–২৯।
- 1 2 3 "King Faisal Prize | Shaikh Mohammad Bin Saleh Al-Uthaimin" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১১ মে ২০২১ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২০ আগস্ট ২০২১।
- 1 2 3 Gharaibeh, Mohammad. "Constructing the True Islam: The Wahhābī Scholar IbnʿUthaymīn (d. 2001) on the Divine Attributes and the Path of the Pious Ancestors (Salaf)" The Attributes of God in Islamic Thought: Contemplating Allah (2024): 198-215.
- ↑ "Saudi religious authorities back women driving, contradicting years of strict opposition"। alaraby (ইংরেজি ভাষায়)। ২৭ সেপ্টেম্বর ২০১৭। ১ অক্টোবর ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
{{সংবাদ উদ্ধৃতি}}:|archive-date=/|archive-url=টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 12 ডিসেম্বর 2017 প্রস্তাবিত (সাহায্য) - ↑ "Can a Muslim say happy Christmas to his friends?"। The Independent (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ নভেম্বর ২০০৯। ৬ জুলাই ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
- ↑ Krieger, Zvika। "McMecca: The Strange Alliance of Clerics and Businessmen in Saudi Arabia"। The Atlantic। ২০ মার্চ ২০১৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|archive-date=/|archive-url=টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 16 জুন 2016 প্রস্তাবিত (সাহায্য) - ↑ "Medina: Saudis take a bulldozer to Islam's history"। The Independent (ব্রিটিশ ইংরেজি ভাষায়)। ২৬ অক্টোবর ২০১২। ২৮ অক্টোবর ২০১২ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩০ অক্টোবর ২০২১।
{{ওয়েব উদ্ধৃতি}}:|archive-date=/|archive-url=টাইমস্ট্যাম্প মেলেনি; 6 সেপ্টেম্বর 2017 প্রস্তাবিত (সাহায্য)
- সুন্নি ফিকহ পণ্ডিত
- ২০০১-এ মৃত্যু
- ১৯২৫-এ জন্ম
- ২০শ শতাব্দীর আরব ব্যক্তি
- নাস্তিক্যবাদের সমালোচক
- খ্রিস্টধর্মের সমালোচক
- ইমাম মুহাম্মদ ইবনে সৌদ ইসলামি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক
- উম্মুল কুরা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন শিক্ষার্থী
- বাদশাহ ফয়সাল পুরস্কার বিজয়ী
- ১৯২৯-এ জন্ম
- সৌদি আরবীয় সুন্নি ইসলাম ধর্মের পণ্ডিত
- সৌদি ইমাম
- শিয়া ইসলামের সমালোচক
- সৌদি আরবীয় সালাফি
- আছারি ব্যক্তিত্ব