বিষয়বস্তুতে চলুন

মুহাম্মদ সিদ্দিক খান বালুচ

উইকিপিডিয়া, মুক্ত বিশ্বকোষ থেকে
মুহাম্মদ সিদ্দিক খান বালুচ
صدیق خان بلوچ
পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য
দায়িত্বাধীন
অধিকৃত কার্যালয়
২৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৪
নির্বাচনী এলাকাএনএ-১৫৫ লোধরান-২
কাজের মেয়াদ
২০১৩  ২০১৫
নির্বাচনী এলাকাএনএ-১৫৪ লোধরান-১
কাজের মেয়াদ
২০০৮  ২০১৩
নির্বাচনী এলাকাপিপি-১৫৪ (লোধরান-১)
পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য
কাজের মেয়াদ
১৫ আগস্ট ২০১৮  ১৪ জানুয়ারী ২০২৩
নির্বাচনী এলাকাপিপি-২২৭ (লোধরান-৪)
কাজের মেয়াদ
১৯৯৭  ১৯৯৯
নির্বাচনী এলাকাপিপি-১৭১ (লোধরান-১)
কাজের মেয়াদ
১৯৮৮  ১৯৯৩
নির্বাচনী এলাকাপিপি-১৭১ (মুলতান-১২)
ব্যক্তিগত বিবরণ
জাতীয়তাপাকিস্তানি
রাজনৈতিক দলপিএমএলএন (১৯৯৩-বর্তমান)
অন্যান্য
রাজনৈতিক দল
আইজেআই (১৯৮৮-১৯৯০)

মুহাম্মদ সিদ্দিক খান বালুচ (উর্দু: محمد صدیق خان بلوچ) একজন পাকিস্তানি রাজনীতিবিদ যিনি ফেব্রুয়ারি ২০২৪ সাল থেকে পাকিস্তানের জাতীয় পরিষদের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। এর আগে তিনি ২০০৮ থেকে অক্টোবর ২০১৫ সাল পর্যন্ত জাতীয় পরিষদের সদস্য ছিলেন। তিনি ১৯৮৮ থেকে ১৯৯৩, ১৯৯৭ থেকে ১৯৯৯ এবং আগস্ট ২০১৮ থেকে জানুয়ারি ২০২৩ পর্যন্ত পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য ছিলেন।

প্রারম্ভিক জীবন

[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ সিদ্দিক খান বালুচ ১৯৫৯ সালে জন্মগ্রহণ করেন।[]

রাজনৈতিক জীবন

[সম্পাদনা]

মুহাম্মদ সিদ্দিক খান বালুচ ১৯৮৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে ইসলামী জামহুরি ইত্তেহাদ (আইজেআই) প্রার্থী হিসেবে পিপি-১৭১ (মুলতান-১২) আসন থেকে পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১৫,৪১০ ভোট পান এবং স্বতন্ত্র প্রার্থী আমানুল্লাহ খানকে পরাজিত করেন।[] ১৯৮৮ থেকে ১৯৯০ সাল পর্যন্ত তিনি পাঞ্জাব প্রাদেশিক উপনিবেশ ও কৃষি বিভাগের সংসদীয় সচিব ছিলেন।[][]

১৯৯০ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবারও ইসলামী জামহুরি ইত্তেহাদ (আইজেআই) প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি ৩৭,৭৯৩ ভোট পান এবং পাকিস্তান ডেমোক্রেটিক অ্যালায়েন্স প্রার্থী আমানুল্লাহ খানকে পরাজিত করেন।[]

১৯৯৩ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগ (নওয়াজ) (পিএমএল-এন) প্রার্থী হিসেবে পিপি-১৭১ (লোধরান-১) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ৩৩,৪১৭ ভোট পান কিন্তু পাকিস্তান পিপলস পার্টি (পিপিপি) প্রার্থী আমানুল্লাহ খানের কাছে পরাজিত হন।[]

১৯৯৭ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি আবারও পিএমএল-এন প্রার্থী হিসেবে একই আসন থেকে নির্বাচিত হন। তিনি ৪৮,৬০৪ ভোট পান এবং আমানুল্লাহ খানকে পরাজিত করেন। ওই সময় তিনি পাঞ্জাব প্রাদেশিক প্রাণিসম্পদ ও দুগ্ধ উন্নয়ন বিভাগের সংসদীয় সচিব হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।[] তবে ১৯৯৯ সালের সামরিক অভ্যুত্থানের পর তার মেয়াদ শেষ হয়।[][]

২০০২ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে স্নাতক ডিগ্রির শর্ত পূরণ না করায় তিনি প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেননি।[]

২০০৮ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পাকিস্তান মুসলিম লীগ (কিউ) (পিএমএল-কিউ) প্রার্থী হিসেবে এনএ-১৫৪ (লোধরান-১) আসন থেকে জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন।[][] তিনি ৮১,৯৮৩ ভোট পান এবং পিপিপি প্রার্থী মির্জা মুহাম্মদ নাসির বেগকে পরাজিত করেন।[]

২০১৩ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে আবারও একই আসন থেকে জাতীয় পরিষদে নির্বাচিত হন।[][১০] তিনি ৮৬,১৭৭ ভোট পান এবং পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফ (পিটিআই) প্রার্থী জাহাঙ্গীর খান তারীনকে পরাজিত করেন।[১১] একই নির্বাচনে তিনি স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে পিপি-২১০ (লোধরান-৪) আসন থেকেও পাঞ্জাব প্রাদেশিক পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ৩২,৭১২ ভোট পেয়ে পিএমএল-এন প্রার্থী রানা মুহাম্মদ আসলাম খানকে পরাজিত করেন। তবে তিনি প্রাদেশিক আসনটি ছেড়ে দিয়ে পিএমএল-এন-এ যোগ দেন।[]

আগস্ট ২০১৫ সালে ভুয়া ডিগ্রি মামলায় দোষী সাব্যস্ত হওয়ায় তিনি জাতীয় পরিষদের সদস্যপদ হারান।[১২] তবে অক্টোবর ২০১৫ সালে পাকিস্তানের সুপ্রিম কোর্ট উপনির্বাচনের নির্দেশ দেয় এবং তাকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার অনুমতি দেয়।[১৩]

ডিসেম্বর ২০১৫ সালে অনুষ্ঠিত উপনির্বাচনে তিনি পিএমএল-এন প্রার্থী হিসেবে এনএ-১৫৪ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কিন্তু সফল হননি। তিনি ৯৯,৯৩৩ ভোট পান এবং পিটিআই প্রার্থী জাহাঙ্গীর তারীনের কাছে পরাজিত হন।[১৪]

২০১৮ সালের পাঞ্জাব প্রাদেশিক নির্বাচনে তিনি পিপি-২২৭ (লোধরান-৪) আসন থেকে পিএমএল-এন প্রার্থী হিসেবে পুনরায় নির্বাচিত হন।[১৫] তবে একই সময়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় নির্বাচনে তিনি এনএ-১৬১ (লোধরান-২) আসন থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন কিন্তু পিটিআই প্রার্থী মিয়ান মুহাম্মদ শফিকের কাছে পরাজিত হন।

২০২৪ সালের পাকিস্তানের সাধারণ নির্বাচনে তিনি পিএমএল-এন প্রার্থী হিসেবে এনএ-১৫৫ (লোধরান-২) আসন থেকে পুনরায় জাতীয় পরিষদের সদস্য নির্বাচিত হন। তিনি ১,১৭,৬৮৭ ভোট পেয়ে ইস্তেহকাম-ই-পাকিস্তান পার্টি (আইপিপি) প্রার্থী জাহাঙ্গীর তারীনকে পরাজিত করেন।[১৬]

তথ্যসূত্র

[সম্পাদনা]
  1. 1 2 3 "Legislators from LODHRAN (PP-170 to PP-173)"www.pap.gov.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  2. 1 2 3 4 "Punjab Assembly election result 1988-97" (পিডিএফ)। ECP। ৩০ আগস্ট ২০১৭ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৮
  3. "Previous Assemblies"www.pap.gov.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  4. "Previous Assemblies"www.pap.gov.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  5. 1 2 "Polling concludes for by-election in NA-154 Lodhran"www.geo.tv। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  6. "Winning margin on 88 out of 272 National Assembly seats is 10,000 votes or less"www.thenews.com.pk (ইংরেজি ভাষায়)। ৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৭
  7. "PML-N assured of win-win situation on many seats"www.thenews.com.pk (ইংরেজি ভাষায়)। ৯ মার্চ ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৮ আগস্ট ২০১৭
  8. "2008 election result" (পিডিএফ)। ECP। ৫ জানুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৩ মে ২০১৮
  9. "NA-154: Over 20,000 votes were polled with invalid CNICs or without CNICs"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ২৯ অক্টোবর ২০১৪। ৪ মার্চ ২০১৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭
  10. "PTI's Tareen trounces PML-N's Baloch in NA-154 Lodhran by-poll: unofficial results"DAWN.COM (ইংরেজি ভাষায়)। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫। ৬ এপ্রিল ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ২৯ জুন ২০১৭
  11. "2013 election result" (পিডিএফ)। ECP। ১ ফেব্রুয়ারি ২০১৮ তারিখে মূল থেকে (পিডিএফ) আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ মে ২০১৮
  12. "Election tribunal orders re-election in NA-154, deseats PML-N lawmaker"। ২৬ আগস্ট ২০১৫। ১২ জানুয়ারি ২০১৭ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬
  13. "NA-154: SC declares Siddique's election void, orders re-polling"DAWN.COM। ২৮ অক্টোবর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  14. "PTI's Tareen trounces PML-N's Baloch in NA-154 Lodhran by-poll: unofficial results"DAWN.COM। ২৪ ডিসেম্বর ২০১৫। সংগ্রহের তারিখ ১৭ ডিসেম্বর ২০১৭
  15. "Pakistan election 2018 results: National and provincial assemblies"Samaa TV। ২৯ জুলাই ২০১৮ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ৩ সেপ্টেম্বর ২০১৮
  16. "Election Commission of Pakistan"ecp.gov.pk। সংগ্রহের তারিখ ১৭ জুলাই ২০২৪