মুহাম্মদ এম. হোসেন
মুহাম্মদ এম. হোসেন | |
|---|---|
| জন্ম | |
| জাতীয়তা | বাংলাদেশী |
| অন্যান্য নাম | মুহাম্মদ মুস্তফা হোসেন |
| শিক্ষা | তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশল |
| মাতৃশিক্ষায়তন | বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় অস্টিন |
| পরিচিতির কারণ | নমনীয়, প্রসারণযোগ্য ও পুনর্বিন্যাসযোগ্য ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা; নমনীয় সিলিকন; সিলিকন ন্যানোটিউব এফইটি |
| পুরস্কার |
|
| বৈজ্ঞানিক কর্মজীবন | |
| কর্মক্ষেত্র | প্রকৌশল |
| প্রতিষ্ঠানসমূহ | পারডু বিশ্ববিদ্যালয় কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলি |
| অভিসন্দর্ভের শিরোনাম | (২০০৫) |
| ডক্টরেট উপদেষ্টা | ব্যাক্সটার ওম্যাক ডিন নেইকার্ক |
| ওয়েবসাইট | vfablab |
মুহাম্মদ মুস্তফা হোসেন একজন ইলেকট্রনিক্স প্রকৌশলী, যিনি সিএমওএস প্রযুক্তিনির্ভর স্বল্পমূল্যের নমনীয়, প্রসারণযোগ্য ও পুনর্বিন্যাসযোগ্য ইলেকট্রনিক ব্যবস্থা নিয়ে বিশেষজ্ঞ। তিনি কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি এবং ক্যালিফোর্নিয়া বিশ্ববিদ্যালয়, বার্কলিতে অধ্যাপক ছিলেন এবং বর্তমানে পারডু বিশ্ববিদ্যালয়ের তড়িৎ ও কম্পিউটার প্রকৌশলের অধ্যাপক। তিনি ইন্টিগ্রেটেড ন্যানোটেকনোলজি ল্যাবরেটরির প্রধান অনুসন্ধানকারী বা পিআই,[১] এবং ইন্টিগ্রেটেড ডিসরাপটিভ ইলেকট্রনিক অ্যাপ্লিকেশনস বা আইডিইএ ল্যাবরেটরির প্রধান।[২] তিনি ভার্চুয়াল ফ্যাব: vFabLab™-এর পরিচালকও।
শিক্ষা ও কর্মজীবন
[সম্পাদনা]বাংলাদেশের ঢাকায় জন্মগ্রহণ ও বেড়ে ওঠা হোসেন ২০০০ সালে বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় থেকে তড়িৎ ও ইলেকট্রনিক প্রকৌশলে স্নাতক ডিগ্রি অর্জন করেন। তিনি ২০০২ সালে ইউনিভার্সিটি অব সাউদার্ন ক্যালিফোর্নিয়া থেকে স্নাতকোত্তর সম্পন্ন করেন এবং পরে টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় অস্টিনে যোগ দেন, যেখানে তিনি আরেকটি এম.এস. এবং ডক্টরাল ডিগ্রি সম্পন্ন করেন। ২০০৬ সালে তিনি টেক্সাস ইন্সট্রুমেন্টসে ইন্টিগ্রেশন ইঞ্জিনিয়ার হিসেবে যোগ দেন এবং ২২ ন্যানোমিটার নোড, নন-প্ল্যানার, মাগএফইটি প্রযুক্তি উন্নয়নে নেতৃত্ব দেন। ২০০৮ সালে তিনি নভেল ইমার্জিং টেকনোলজি প্রোগ্রামের প্রোগ্রাম ম্যানেজার হিসেবে সেমাটেকে যোগ দেন, যেখানে তিনি টেক্সাসের অস্টিন এবং নিউ ইয়র্কের অ্যালবানিতে সিএমওএস প্রযুক্তি উন্নয়ন তত্ত্বাবধান করেন। তাঁর কর্মসূচি যুক্তরাষ্ট্রের ডিফেন্স অ্যাডভান্সড রিসার্চ প্রজেক্টস এজেন্সি বা ডারপা দ্বারা সমর্থিত ছিল। ২০০৯ সালের আগস্টে তিনি প্রতিষ্ঠাতা অনুষদ সদস্য হিসেবে কিং আবদুল্লাহ ইউনিভার্সিটি অব সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজি বা কেএইউএসটিতে যোগ দেন।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
অর্জন
[সম্পাদনা]হোসেন আইইইই, আমেরিকান ফিজিক্যাল সোসাইটি বা এপিএস,[৩] ইনস্টিটিউট অব ফিজিক্স বা আইওপি, যুক্তরাজ্য এবং ইনস্টিটিউট অব ন্যানোটেকনোলজি, যুক্তরাজ্যের ফেলো। তিনি অ্যাপ্লাইড ন্যানোসায়েন্স ও আইইইই ট্রানজ্যাকশনস অন ইলেকট্রন ডিভাইসেসের মতো উল্লেখযোগ্য সাময়িকীতে সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন। শিক্ষাদানের দক্ষতার জন্য তিনি আইইইই ইলেকট্রন ডিভাইসেস সোসাইটি ডিস্টিংগুইশড লেকচারার পুরস্কার লাভ করেছেন। লালাভিত্তিক বিদ্যুৎ উৎপাদন, স্ব-বিধ্বংসী ইলেকট্রনিক্স, কাগজের ত্বক, স্মার্ট থার্মাল প্যাচ, কাগজের ঘড়ি, বহুমাত্রিক আইসি বা এমডি-আইসি, করুগেশন-সক্ষম সৌরকোষ এবং ডেকাল ইলেকট্রনিক্স নিয়ে তাঁর গবেষণা ব্যাপক আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের মনোযোগ আকর্ষণ করেছে।[৪][৫][৬][৭][৮][৯] তিনি নমনীয় অজৈব ইলেকট্রনিক্স, বিশেষ করে নমনীয় সিলিকন প্রক্রিয়ার ক্ষেত্রে একজন শীর্ষস্থানীয় কর্তৃপক্ষ হিসেবে পরিচিত। তিনি সিলিকন ট্রানজিস্টরের একটি নতুন স্থাপত্য, সিলিকন ন্যানোটিউব এফইটি, উদ্ভাবনেও পথিকৃৎ ভূমিকা পালন করেছেন।[১০][১১] তিনি হ্যান্ডবুক অব ফ্লেক্সিবল অ্যান্ড স্ট্রেচেবল ইলেকট্রনিক্স গ্রন্থের প্রধান সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[১২]
পুরস্কার ও সম্মাননা
[সম্পাদনা]- ব্লুফিনের জন্য ২০২০ সালে “পার্সোনাল টেকনোলজি” বিভাগে এডিসন অ্যাওয়ার্ড গোল্ড।[১৩]
- ব্লুফিনের জন্য ২০২০ সালের সিইএসে “টেক ফর আ বেটার ওয়ার্ল্ড” বিভাগে সেরা উদ্ভাবন পুরস্কার।[১৪]
- ২০১৬ সালে ওয়ার্ল্ড টেকনোলজি নেটওয়ার্কের ফেলো এবং স্বাস্থ্য ও চিকিৎসা বিভাগে ওয়ার্ল্ড টেকনোলজি নেটওয়ার্ক অ্যাওয়ার্ডের চূড়ান্ত মনোনীত।[১৫]
- আউটস্ট্যান্ডিং ইয়াং টেক্সাস এক্সেস অ্যাওয়ার্ড, ২০১৫। এটি টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয় অস্টিনের অ্যালামনাই পুরস্কার।
- সায়েন্টিফিক আমেরিকানের ২০১৪ সালের বিশ্বের পরিবর্তনকারী শীর্ষ ১০ ধারণার তালিকায় অন্তর্ভুক্তি।[১৬]
- থার্মোইলেকট্রিক উইন্ডো উদ্ভাবনের জন্য ডাউ কেমিক্যাল সাসটেইনেবিলিটি অ্যান্ড ইনোভেশন চ্যালেঞ্জ অ্যাওয়ার্ড ২০১২।[তথ্যসূত্র প্রয়োজন]
তথ্যসূত্র
[সম্পাদনা]- ↑ "Integrated Nanotechnology Laboratory" (মার্কিন ইংরেজি ভাষায়)। ১ এপ্রিল ২০২৩ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২৬।
- ↑ "IDEA Lab"।
- ↑ "APS Fellow Archive"। www.aps.org (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ "Self-Destructing Gadgets Made Not So Mission Impossible"। IEEE Spectrum: Technology, Engineering, and Science News (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ "Self-destructing phones are finally a reality"। Fox News। ১৩ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Self-destructing phones soon to be reality"। Deccan Chronicle (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "Forget wiping your phone remotely, this tech lets you destroy its innards instead"। Digital Trends। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ "सपना नहीं हकीकत है खुद से खत्म होने वाला स्मार्टफोन"। aajtak.intoday.in (হিন্দি ভাষায়)।
- ↑ "Mission possible: Self-destructing phones are now a reality"। International Business Times UK। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০১৭।
- ↑ Fahad, Hossain M.; Smith, Casey E.; Rojas, Jhonathan P.; Hussain, Muhammad M. (১২ অক্টোবর ২০১১)। "Silicon Nanotube Field Effect Transistor with Core–Shell Gate Stacks for Enhanced High-Performance Operation and Area Scaling Benefits"। Nano Letters। ১১ (10): ৪৩৯৩–৪৩৯৯। ডিওআই:10.1021/nl202563s।
- ↑ Fahad, Hossain M.; Hussain, Muhammad M. (২৭ জুন ২০১২)। "Are Nanotube Architectures More Advantageous Than Nanowire Architectures For Field Effect Transistors?"। Scientific Reports। ২। ডিওআই:10.1038/srep00475। পিএমসি 3384075।
- ↑ Handbook of flexible and stretchable electronics। আইএসবিএন ৯৭৮১১৩৮০৮১৫৮১।
- ↑ "Edison Awards™ - Honoring the Best in Innovation and Innovators"। edisonawards.com (ইংরেজি ভাষায়)। ১০ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে মূল থেকে আর্কাইভকৃত। সংগ্রহের তারিখ ১২ জুন ২০২৬।
- ↑ McLellan, Charles। "CES 2020 Innovation Awards: Winners and trends"। ZDNet (ইংরেজি ভাষায়)।
- ↑ "THE 2016 WORLD TECHNOLOGY AWARD Winners and Finalists | The World Technology Network"। www.wtn.net।
- ↑ "Spit-Fired Fuel Cells"। Scientific American (ইংরেজি ভাষায়)। পৃ. ৪৮–৪৮। ডিওআই:10.1038/scientificamerican1214-48b।